৭টি ল্যাব চালু করলো সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

২২ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:২৩ পিএম | আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:২৮ পিএম


৭টি ল্যাব চালু করলো সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

লেখা ও ছবি : সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি।

গবেষণার মান পুরোপুরি পরিবতন ও ব্যাপকভাবে উন্নয়নের জন্য এক কোটি নব্বই লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকার মোট খরচে সাতটি নতুন গবেষণাগার উদ্বোধন করেছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মতিয়ার রহমান হাওলাদার।

সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, সকাল সাড়ে ৯টায় মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ‘অ্যাকুয়াকালচার গবেষণাগার’, সকাল সাড়ে ১০টায় কৃষি অনুষদের মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের ‘মৃত্তিকাবিজ্ঞান গবেষণাগার’, ১২টায় ‘ভেটেরিনারি, অ্যানিম্যাল অ্যান্ড বায়ো-মেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ‘সার্জারি অ্যান্ড থেরিও-জেনোলজি গবেষণাগার’ উদ্বোধন করেছেন তিনি।

এরপর একে, একে ‘অ্যানাটমি ও হিস্টোলজি গবেষণাগার’, ‘জেনেটিক্স অ্যান্ড এনিম্যাল ব্রিডিং গবেষণাগার’, ‘মাইক্রো-বায়োলজি অ্যান্ড ইমিউনলজি গবেষণাগার’ ও ‘ফার্মাকোলজি অ্যান্ড টক্সি-কোলজি গবেষণাগার’ উদ্বোধন করেছেন উপাচার্য।

সাতটিই আধুনিক সুবিধা-সংবলিত গবেষণাগার।

সাত বিভাগের বিভাগীয় চেয়ারম্যানদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সব খরচ প্রদান করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি।

গবেষণাগার সাজসজ্জাসহ যন্ত্রপাতি ক্রয়ে অ্যাকুয়াকালচার বিভাগ ২৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা খরচ করেছে।

মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগ গবেষণাগারসজ্জাসহ ৪টি যন্ত্র ক্রয় ও পুরাতন যন্ত্রপাতি মেরামতে ২৫ লাখ টাকা পেয়েছে ও খরচ করেছে।

জেনেটিকস অ্যান্ড অ্যানিমেল ব্রিডিং বিভাগ গবেষণাগারসজ্জা ও ৯টি যন্ত্রপাতিবাবদ ২৭ লাখ টাকা খরচ করেছে।

অ্যানাটমি অ্যান্ড হিস্টোলজি বিভাগ গবেষণাগারসজ্জা ও ৭টি যন্ত্রপাতির বিপরীতে ২৫ লাখ টাকা খরচ করেছে।

সার্জারি ও থেরিওজেনোলজি বিভাগ গবেষণাগারসজ্জা ও ৬টি নতুন যন্ত্রপাতির বিপরীতে ২৫ লাখ টাকা খরচ করেছে।

মাইক্রো-বায়োলজি অ্যান্ড ইমিউনলজি বিভাগ গবেষণাগার সজ্জা ও ২টি যন্ত্রপাতি সংযোজনসহ ৩৫ লাখ টাকা খরচ করেছে।

ফার্মাকোলজি অ্যান্ড টক্সিকোলজি বিভাগ গবেষণাগার আধুনিকায়ন ও ৮টি নতুন যন্ত্রপাতি বাবদ ২৫ লাখ টাকা খরচ করেছে।

ভেটেরিনারি, অ্যানিম্যাল অ্যান্ড বায়ো-মেডিকেল সায়েন্স অনুষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত গবেষণাগার উদ্বোধন পরবর্তী সভা হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের বরেণ্য কৃষি অধ্যাপক ও উপাচার্য ড. মো. মতিয়ার রহমান হাওলাদার বলেছেন, ‘এখন স্বীকৃত যে, বাংলাদেশে গুণগত গবেষণা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোই করে থাকে। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়কে আরো গতিশীল করা যায় সেসব কাজ করে চলেছি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণাগারের সঙ্কট উপলব্ধি করেছি। গবেষণায় এই বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে সাত গবেষণাগার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমাদের দক্ষ জনবলের অভাব রয়েছে।’ শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর, সব অনুষদের ডিন, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দফতর পরিচালক, সিলেট এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সিস্টেম (সাউরেস) পরিচালক, সব বিভাগের অধ্যাপক, গবেষক, ছাত্র, ছাত্রীরা।

সমাপনী বক্তব্যে ভেটেরিনারি, অ্যানিম্যাল অ্যান্ড বায়ো-মেডিকেল সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম. রাশেদ হাসনাত বলেছেন, ‘আমাদের ১৪টি বিভাগের মধ্যে আমরা আজকে মোট ১২টি ডিপার্টমেন্টে পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট ল্যাব করতে সক্ষম হলাম।’ ল্যাবগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য অনুষদের শিক্ষক এবং গবেষকদের ব্যবহারেরও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ওএফএস।

 


বিভাগ : কৃষি