স্বাধীন সার্বভৌম দেশে বহিঃশক্তির প্রভাব শোভন নয়

২৪ নভেম্বর ২০২২, ০১:৫৩ পিএম | আপডেট: ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৬:০১ এএম


স্বাধীন সার্বভৌম দেশে বহিঃশক্তির প্রভাব শোভন নয়

বাংলাদেশে গত নির্বাচনে রাতে ভোট হয়েছে এ বিষয়ে জাপানি রাষ্ট্রদূত প্রথমবারের মতো কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন যে, তিনি এটি প্রথমবার বাংলাদেশেই শুনেছেন। আর কোথাও তিনি একথা শোনেননি। তিনি আরও বলেছেন, আগামী নির্বাচনে এ রকম কোনো ঘটনা ঘটবে না বলে তিনি আশাবাদী।

একটি রাজনৈতিক ইস্যুতে একজন বিদেশি রাষ্ট্রদূতের পক্ষ থেকে এ ধরনের একটি মন্তব্য আসলে কতটুকু যুক্তিসঙ্গত সে বিষয়ে ইতোমধ্যেই অনেকেই কথা তুলেছেন। যেটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ইস্যুকে কেন্দ্র করে বিদেশি একজন রাষ্ট্রদূতের কথা বলা কতটুকু যুক্তিসঙ্গত এবং সেটি কূটনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে কিনা সেটি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি সব মহলেই আলোচিত হচ্ছে।

সরকারের দিক থেকেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তাদের ডেকেছে এবং এ বিষয়ে কথা বলেছে। বাংলাদেশ সরকার তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে যে, তারা এ বিষয়ে কথা বলতে পারেন না অথবা এটি কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত কাজ। এটি আসলেই কতটুকু যৌক্তিক সেটি প্রথমত পরিষ্কার করা দরকার। একজন বিদেশি রাষ্ট্রদূত অবশ্যই তাদের কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে যে, তারা কি বিষয়ে কথা বলতে পারবে, কি বিষয়ে কথা বলা উচিত হবে না, মূলত তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করবে। কারণ রাষ্ট্রদূতের কাজই হল, দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে ঘাটতি থাকলে সেটি কীভাবে উন্নয়ন করা যায়। কীভাবে সম্পর্কটিকে এগিয়ে নেওয়া যায়।

এ ছাড়া শুধুমাত্র কূটনৈতিক সম্পর্কই না, বাণিজ্য সম্পর্ক আছে, সাংস্কৃতিক সম্পর্ক, এ ছাড়া অন্যান্যক্ষেত্রে দুই দেশের যে ইস্যু থাকে সেগুলো নিয়েই তারা মূলত কাজ করে। কিন্তু রাষ্ট্রদূতেরা দেখা যায় আমাদের দেশে এসে তারা দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কথা বলেন। তাদের মত হল যে, তারা উন্নয়ন সহযোগী এবং তারা এ বিষয়ে কথা বলতে পারে। কিন্তু এটি কি তাদের দেশের সরকার অনুমতি দেবে কিনা সেটিও ভেবে দেখা দরকার। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ভারতে কোনো রাষ্ট্রদূত কখনোই কি অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয়ে কথা বলেছেন? তাহলে বাংলাদেশে কেন?

বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। সেখানে অভ্যন্তরীণ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো বলতে পারে, তাদের স্বার্থ আছে, তারা ক্ষমতায় যেতে চায়, তারা সরকারের সমালোচনা করবে। কিন্তু বিদেশি রাষ্ট্রদূতের কাজ এটি নয় যে, তারা সরকারের সমালোচনা করবে। সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলবে। এখন সরকার ক্ষমতায় আছে, জাপানের সঙ্গে যদি কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি হয়, তাহলে তার দায়-দায়িত্ব রাষ্ট্রদূতের উপরেই বর্তায়। রাষ্ট্রদূতের কাজ হলো— পজিটিভ বিষয় নিয়ে কথা বলা ও কাজ করা। নেগেটিভ বিষয়গুলো সে ঢেকে রাখবে, ভালো বিষয়গুলোকে সামনে নিয়ে আসবে। কিন্তু তিনি যেটি করলেন সেটি কোনো শিষ্টাচারের মধ্যেই পড়ে না। রাজনৈতিক দলগুলোও এ বিষয়ে তাদের নিয়ে নালিশ জানান।

আমি বলতে চাই, অন্যকে দোষারোপ করার আগে, আমরা যদি আমাদের নির্বাচন গোছানোভাবে করতে পারি, মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পারি—তাহলে অন্যরা এসে আর এ সব কথা বলতে পারবে না। আর যতক্ষণ আমরা সেটি সঠিকভাবে করতে না পারব, অন্যেরা এটি বলতেই থাকবে। আমরা তাদের থামাতে পারব না।

কাজেই আমাদের এখন দরকার মানবাধিকার ও ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা। দেশ শাসনের দায়িত্ব কারা পালন করবেন, সেটি দেশের জনগণ যাতে নির্ধারণ করতে পারে— সেই সুযোগটি আমাদের অবারিত ও নিশ্চিত করতে হবে।

লেখক: সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব

আরএ/


সেনাবাহিনীও নির্বাচনের মাঠে থাকবে: ইসি আলমগীর

০৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০২:৩০ পিএম | আপডেট: ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০২:৪৯ পিএম


সেনাবাহিনীও নির্বাচনের মাঠে থাকবে: ইসি আলমগীর
মতবিনিময় সভা। ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচনকে প্রতিহত করতে বিচ্ছিন্ন কিছু সহিংস ঘটনা ঘটলেও তা ভোটের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মোহাম্মদ আলমগীর। তিনি বলেছেন, ভোটারদের ভালো উপস্থিতি থাকবে। নির্বাচনে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে থাকবে সেনাবাহিনীও।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মোহাম্মদ আলমগীর।

ইসি আলমগীর আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের ওপর বিদেশিদের চাপ একেবারেই নেই। তারা এসে আমাদের কাছে যেটা জানতে চান সেটা হচ্ছে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে আমরা কী কী কাজ করেছি। আমাদের প্রস্তুতি ও নির্বাচনের পরিবেশ দেখে এখন পর্যন্ত বিদেশিরা সন্তুষ্ট। তাদের পক্ষ থেকে আমাদের কোনো সাজেশন দেওয়া হয়নি, চাপ তো নয়ই। বরং সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনই সবাইকে চাপ দিয়ে বেড়াচ্ছে।

নির্বাচনকে ঘিরে বড় কোনো চ্যালেঞ্জ নেই উল্লেখ করে ইসি আলমগীর বলেন, যে কোনো কাজ করতে গেলেই চ্যালেঞ্জ থাকে। ছোটখাটো চ্যালেঞ্জ তো আছেই। তবে কর্মকর্তারা এমন কোনো চ্যালেঞ্জের কথা বলেননি যেটা আমাদের কাছে বড় ইস্যু হিসেবে দেখা দিয়েছে।

প্রশাসনে রদবদলের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের দেশের নির্বাচনে অতীতেও জেলা প্রশাসন পর্যায়ে কখনো কখনো পরিবর্তন করা হয়েছে, উপজেলা পর্যায়েও পরিবর্তন হয়েছে। আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে আসার শর্ত হিসেবে যে দাবিগুলো তুলেছিল, এর মধ্যে একটা দাবি ছিল প্রশাসনের রদবদল করতে হবে। তার একটা অংশ হিসেবে এটি করা হয়েছে।


শীত থেকে বাঁচতে টাখনুর নিচে কাপড় পরা যাবে?

০৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০২:১৪ পিএম | আপডেট: ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০২:৪৯ পিএম


শীত থেকে বাঁচতে টাখনুর নিচে কাপড় পরা যাবে?
ছবি সংগৃহিত

পোশাক পরার ক্ষেত্রে অনেকে প্যান্ট, পায়জামা লুঙ্গি টাখনুর নিচে পরে থাকেন, যা ইসলামের দৃষ্টিতে নাজায়েয। এ বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘লুঙ্গির যে অংশ টাখনুর নিচে থাকবে তা জাহান্নামে যাবে।’ (বুখারি, হাদিস, ৫৭৮৭) জাহান্নামে গেলে শরীরের কোনো অংশবিশেষ যাবে না; বরং সমগ্র দেহই যাবে।

টাখনুর নিচে কাপড় পরার বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেন, “যে ব্যক্তি অহংকার বশে তার লুঙ্গি মাটির সাথে টেনে নিয়ে বেড়াবে, কেয়ামত দিবসে আল্লাহ তায়ালা তার প্রতি দৃষ্টি দিবেন না।’ (সহীহ বুখারী, হাদীস, ৩৬৬৫)

আমাদের অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, আমরা টাখনুর নিচে কাপড় পরলে ধর্মের কী অসুবিধা? তার সরল উত্তর হলো, অসুবিধা ধর্মের নয়, অসুবিধা আমাদের নিজেদের। কারণ দুনিয়াতেও টাখনুর নিচে কাপড় পরার অপকারিতা কম নয়। পুরুষের পায়ের টাখনুতে থাকে টেস্টোস্টেরন নামক যৌন হরমোন, যা সঠিকভাবে কাজ করার জন্য প্রাকৃতিক আলো-বাতাসের প্রয়োজন। টাখনুকে ঢেকে রাখলে টেস্টোস্টেরন হরমোন শুকিয়ে যায়। যার প্রভাবে শরীরে অনেক রকম সমস্যা দেখা দেয়। শুক্রাণু কমে যায়। ফলে সহজে বাচ্চা হয় না। এ সমস্যাটি আমাদের সমাজে মহামারি আকার ধারণ করছে। তা ছাড়া টেস্টোস্টেরনের অভাব মস্তিষ্ক ‘ঘোলাটে’ করে দেয়। এতে মনোযোগ নষ্ট হয়। স্মৃতিশক্তিও কমে আসে ধীরে ধীরে।

অনেকে ইসলামের বিধান মেনে টাখনুর নিচে কাপড় পড়া থেকে বিরত থাকেন। তবে শীতের সময় ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতে টাখনুর নিচে কাপড় পরতে চান। এবিষয়ে আলেমদের মতামত হলো- শীতের কারণেও টাখনুর নিচে কাপড় পরা যাবে না। কারণ এর সমাধান জায়েজ পদ্ধতিতে করা সম্ভব। সেটি হল, মোটা মোজা বা চামড়ার মোজা পরিধান করা। যেহেতু ঠাণ্ডা থেকে বাঁচার বিকল্প ব্যবস্থা আছে, সেখানে নিষিদ্ধ কাজ করার কোন প্রয়োজন নেই।

তবে যদি কোথাও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকে, আর ঠান্ডার কারণে পা জমে যাওয়া বা মারাত্মক অসুস্থ্য হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে, তাহলে টাখনুর নিচে জামা পরিধান জায়েজ হবে ইসলামি শরীয়তের এই মূলনীতির ভিত্তিতে, যেখানে বলা হয়েছ, তীব্র প্রয়োজন নিষিদ্ধ বস্তু হালাল করে দেয়। তবে যখনি তীব্র প্রয়োজন দূর হয়ে যাবে, সঙ্গেসঙ্গে আবার তা হারাম হয়ে যাবে এবং আবারও কাপড় টাখনুর ওপর উঠাতে হবে। (শরহু কাওয়ায়িদিল ফিক্বহিয়্যাহ লিজযারক্বা, কায়দা নং-২০)

 


নাসুমকে ডেকে কথা বলল বিসিবির তদন্ত কমিটি

০৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০২:১২ পিএম | আপডেট: ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০২:৪৭ পিএম


নাসুমকে ডেকে কথা বলল বিসিবির তদন্ত কমিটি
নাসুমকে ডেকে কথা বলল বিসিবির তদন্ত কমিটি। ছবি: সংগৃহীত

বড় রকমের প্রত্যাশা নিয়েই ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতে গিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে ৫০ ওভারের বৈশ্বিক এই মহাযজ্ঞে ৯ ম্যাচের মধ্যে মাত্র দুটিতে জিতেছে লাল-সবুজেরা, এমনকি অপেক্ষাকৃত দুর্বল নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষেও পরাজয়ের মুখ দেখেছে টাইগাররা। শুধু আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কাকে হারাতে পেরেছে সাকিব-শান্তরা। এরমধ্যে লঙ্কানদের বিপক্ষে জয় আসন্ন চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশকে খেলার সুযোগ করে দিয়েছে।

এদিকে বিশ্বমঞ্চে এমন বাজে পারফরম্যান্সের কারণে সমালোচকদের কাঠগড়ায় অধিনায়ক, কোচ, নির্বাচকসহ দল সংশ্লিষ্ট সবাই। এমন ভরাডুবির পেছনের কারণ উৎঘাটনে গত বুধবার তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এরই মধ্যে জোরেশোরে কাজও শুরু করেছে সেই কমিটি।

ক্রিকেটারদেরও সেই কমিটির কাছে নিজেদের হতশ্রী পারফরম্যান্সের ব্যাখ্যা দিতে হচ্ছে। এরই প্রেক্ষিতে নিজের ব্যাখ্যা দিয়েছেন ক্রিকেটার নাসুম আহমেদ। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করেন তিনি। এরপর বিসিএল খেলতে আবারও সেখানে ছুটেন তিনি। এদিকে গুঞ্জন উঠেছে, প্রধান কোচ নাকি এই স্পিনারকে শারীরিকভাবে আঘাত করেছেন। তবে এ বিষয়ে এখনও কেউই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানায়নি।

এর আগে, রোববার (৩ ডিসেম্বর) থেকে কাজ শুরু করেছে এই তদন্ত কমিটি। প্রথমদিন বিকেলে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত বিসিবি অফিসে শুরুতেই আসেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু। এরপর আরেক নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমনকেও সেখানে দেখা যায়। তবে তাদের কেউই গণমাধ্যমে কথা বলেননি। তাদের দাবি, তদন্ত চলাকালে কথা বলা নিষেধ।

এই দুই নির্বাচকের পর সেখানে একে একে হাজির হতে থাকেন ক্রিকেটাররাও। কমিটির কাছে শুরুতে নিজের জবাব দেন পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। এদিন তদন্ত কমিটির সঙ্গে বিসিবির সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরি সুজনও উপস্থিত ছিলেন।

এরপর সন্ধ্যার দিকে সেখানে আসেন ওপেনার লিটন দাস। তদন্ত কমিটির কাছে আলাদা আলাদা করে ব্যাখ্যা করেন তারা। বের হওয়ার সময়ে এই দুই ক্রিকেটারও মুখে কুলুপ আঁটেন। এরপর ধাপে ধাপে কোচ, অধিনায়ক সবার কাছ থেকেই ব্যাখ্যা চাইবে তদন্ত কমিটি।

প্রসঙ্গত, ৩ সদস্যবিশিষ্ট বিশেষ এই কমিটিতে আছেন এনায়েত হোসেন সিরাজ, মাহবুব আনাম ও আকরাম খান। এর মধ্যে সিরাজকে আহ্বায়ক এবং মাহবুব ও আকরামকে তদন্ত কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

অনুসরণ করুন