কুকুরের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণ করবে ডিএসসিসি

২৫ জানুয়ারি ২০২৩, ০৭:০২ পিএম | আপডেট: ২৮ জানুয়ারি ২০২৩, ১০:৪৪ পিএম


কুকুরের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণ করবে ডিএসসিসি

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ৫০ হাজারের ঊর্ধ্বে বেওয়ারিশ কুকুর রয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে ওয়ারীর ফকিরচাঁন কমিউনিটি সেন্টারে ‘কুকুর বন্ধ্যাত্ত্বকরণ কর্মসূচি’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র এ কথা জানান।

আজকে উদ্বোধনকালে মোট ১০টি কুকুরকে বন্ধ্যাত্ত্বকরণ কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে। ডিএসসিসির আওতাধীন বিভিন্ন এলাকার কুকুরকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে। প্রতিদিন ১০টি করে কুকুর বন্ধ্যাত্ত্বকরণ করা হবে।

বেওয়ারিশ কুকুরের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে জানিয়ে মেয়র বলেন, বড় বড় শহর বা উন্নত শহরগুলোতে বেওয়ারিশ কুকুর বা অন্যান্য প্রাণী যত্রতত্র চলাচল করতে পারে না। সেগুলো নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাদের নাগরিকরা সেগুলোর পরিচর্যা করেন, নিয়ন্ত্রণে রাখেন এবং সেভাবেই একটি সুন্দর শহর গড়ে ওঠে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যাপারে নজর না দেওয়ার কারণে ঢাকা শহরে বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা দিনে দিনে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বেওয়ারিশ কুকুরের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে আমাদের একটি স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন জানিয়ে মেয়র বলেন, সেজন্য, সারা বিশ্বের ন্যায় বেওয়ারিশ কুকুরের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে আমরা বন্ধ্যাত্ত্বকরণ কার্যক্রম শুরু করছি।

বেওয়ারিশ কুকুরের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) উদ্যোগে শুরু হওয়া বন্ধ্যাত্ত্বকরণ কার্যক্রমের সুফল ঢাকাবাসী অচিরেই পেতে শুরু করবেন মন্তব্য করে ডিএসসিসি মেয়ল বলেন, আজকের বন্ধ্যাত্ত্বকরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনের মাধ্যমে আমরা প্রত্যেকটা অঞ্চলেই আমাদের এই কার্যক্রম শুরু করব এমনটা জানিয়ে ডিএসসিসি মেয়র বলেন, অঞ্চল ৫ থেকে আমরা শুরু করছি। আমাদের অঞ্চল ১-৪ এবং পরবর্তীতে আমাদের নতুন অঞ্চলেও এই কার্যক্রম চলবে। আমরা আশাবাদী, কিছুদিন পরেই ঢাকাবাসী এই কার্যক্রমের উপকার পাওয়া শুরু করবে এবং এই বেওয়ারিশ কুকুরের বিস্তৃতি রোধ হবে। ধীরে ধীরে সেটা কমে আসবে এবং ঢাকাবাসী অচিরেই বেওয়ারিশ কুকুরের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণের সুফল পাওয়া শুরু করবে।

দীর্ঘদিন পরে করপোরেশন হতে এই কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে জানিয়ে মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, ডিএসসিসিতে দীর্ঘদিন ধরে কোনও পশু চিকিৎসক ছিল না। প্রায় ২০ বছর পর আমরা পাঁচজন পশু চিকিৎসক নিয়োগ দিয়েছি। আমরা আমাদের স্বাস্থ্য বিভাগকে সংস্কার করছি।

বন্ধ্যাকৃত কুকুরগুলোকে চিহ্নিত করার সুবিধার্থে সেগুলোর কান ফুটো করে দেওয়া এবং সেগুলোর ঘাড়ে নীল (স্থায়ী রং) স্প্রে করে দেওয়া হবে।

উদ্বোধনকালে অন্যান্যের মধ্যে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, পরিবহন মহাব্যবস্থাপক মো. হায়দর আলী, ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে শামসুল কবির, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সারোয়ার হোসেন আলো প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরইউ/এমএমএ/


বিভাগ : রাজধানী