দেশে পেঁয়াজ রফতানি শুরু করছে ভারত

২৯ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:১৭ এএম | আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২১, ০৭:৪০ এএম


দেশে পেঁয়াজ রফতানি শুরু করছে ভারত
ছবি সংগৃহীত

নতুন বছরের শুরুতে পেঁয়াজের দাম নিয়ে সুখবর আসছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটির রফতানি বন্ধের আদেশ প্রত্যাহার করছে ভারত। ভারতের পেঁয়াজ দেশের বাজারে এলে দাম কমবে। উপকৃত হবে ভোক্তা। সম্প্রতি দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তাদের পেঁয়াজ রফতানি নীতি (২০১৫-২০২০) সংশোধন করেছে। ওই নীতিতে রফতানি আদেশ প্রত্যাহার করার কথা বলা হয়েছে।

এই আদেশ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। রফতানি নীতি সংশোধনীতে বলা হয়েছে, ভারতের ব্যাঙ্গালোরের রোজ পেঁয়াজ ও কৃষাণ পুরনো জাতের পেঁয়াজ আমদানি নিষেধাজ্ঞা ১ জানুয়ারি থেকে প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশের পেঁয়াজ আমদানিকারক শংকর চন্দ্র ঘোষ যুগান্তরকে বলেন, ভারত পেঁয়াজ রফতানি খুলে দিচ্ছে। আশা করি কয়েক দিনের মধ্যে দেশের বাজারে ভারতের পেঁয়াজ আসতে শুরু করবে। কারণ ভারতে এবার পেঁয়াজ উৎপাদন ভালো হয়েছে। সেখানে তাদের চাহিদা পূরণ করে তা রফতানি করতে পারবে।

তিনি জানান, আশা করা যাচ্ছে ভারতের পেঁয়াজ প্রতি টন ৩০০ ডলারে বিক্রি হবে। এতে দেশের বাজারে কম দামে পেঁয়াজ আসতে থাকলে অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম কমে আসবে।

এদিকে চলতি বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর মাসে কোনো ধরনের ঘোষণা ছাড়াই ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়। এতে বাংলাদেশের বাজারে হুহু করে বাড়তে থাকে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটির দাম।

বাজার পরিস্থিতি এমন অবস্থায় এসে পৌঁছায় প্রতিকেজি পেঁয়াজ সর্বোচ্চ ১৩০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের এক প্রতিবেদনে পেঁয়াজের সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রাখতে ভারতের বিকল্প হিসেবে আটটি দেশের বাজারের সন্ধান করতে পরামর্শ দেয়া হয়।

পাশাপাশি পেঁয়াজ আমদানির ওপর এলসি মার্জিন শিথিল করা হয়। সে সময় এলসি মার্জিন শূন্য রাখতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে খোলাবাজারে ও অনলাইনে পেঁয়াজ বিক্রি করা হয়।


বিভাগ : অর্থনীতি