‘ইন্ডিয়া’ কি তাহলে ‘ভারত’ হয়েই যাচ্ছে

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৪:৩৮ পিএম | আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৫:৩৩ পিএম


‘ইন্ডিয়া’ কি তাহলে ‘ভারত’ হয়েই যাচ্ছে
জি–২০ সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে বক্তৃতা করছেন নরেন্দ্র মোদি। এ সময় তাঁর সামনের নামফলকে ‘ভারত’ লেখা

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আজ শনিবার জি–২০ সম্মেলন শুরু হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদির নামফলকে দেশের নাম ‘ইন্ডিয়া’–এর বদলে ‘ভারত’ লেখা হয়েছে। আজকের এ ঘটনা ভারতের নাম পরিবর্তনের জল্পনা–কল্পনাকে আরও জোরালো করেছে।

এর আগে জি–২০ সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথিদের নৈশভোজের আনুষ্ঠানিক নিমন্ত্রণপত্র পাঠিয়েছেন ভারতের প্রেসিডেন্ট দ্রুপদি মুর্মু।

তবে এই নিমন্ত্রণপত্রে ভারতের প্রেসিডেন্টের পদবির জায়গায় ‘প্রেসিডেন্ট অব ইন্ডিয়া’-এর বদলে লেখা হয়েছে ‘প্রেসিডেন্ট অব ভারত।’ এরমাধ্যমে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে তাহলে কি ‘ইন্ডিয়া’ নাম পরিবর্তিত হয়ে ‘ভারত’ হয়ে যাচ্ছে? (বাংলাদেশ বা দক্ষিণ এশিয়া ছাড়া পৃথিবীর সব জায়গায় ভারত ‘ইন্ডিয়া’ নামে পরিচিত)।

আজ শনিবার যখন মোদি জি–২০ সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন, তখন তাঁর সামনের টেবিলে যে নামফলক ছিল, সেখানে লেখা ছিল ‘ভারত’। অবশ্য জি–২০ সম্মেলনের লোগোতে হিন্দি ও ইংরেজিতে ‘ভারত’ ও ‘ইন্ডিয়া’—দুটি নামই লেখা হয়েছে।
এই ধরনের নামফলকে অতীতে দেশের নাম ‘ইন্ডিয়া’ লেখা হতো।

হিন্দিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, ‘জি–২০–এর প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিদেশি প্রতিনিধিদের স্বাগত জানাচ্ছে ভারত।’

নয়াদিল্লিতে শঙ্খের আকৃতিতে নির্মিত ভারত মণ্ডপমে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

‘ভারত’ নামের পক্ষের সমর্থকেরা বলছেন, ব্রিটিশ উপনিবেশিকেরা ‘ইন্ডিয়া’ নাম দিয়েছে। ঐতিহাসিকেরা বলছেন, কয়েক শতাব্দীর উপনিবেশ শাসনের আগেও ‘ইন্ডিয়া’ নামটি ছিল।

বিজেপির আদর্শিক সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) সব সময় তাদের দেশের নাম ‘ভারত’ করার পক্ষে।

তবে মোদির বিরোধীরা বলছেন, বিজেপিবিরোধী ২৮টি দলকে নিয়ে নতুন করে গঠিত ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডেভেলেপমেন্ট ইনক্লুসিভ অ্যালায়েন্স সংক্ষেপে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের কারণে সরকার ভারতের নাম পরিবর্তনের চেষ্টা করছে। আগামী ২০২৪ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে কংগ্রেসের নেতৃত্বে নতুন এই জোট গঠন করা হয়েছে।


ডেঙ্গু পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্টেও ভয়াবহ ঝুঁকি

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৪:২৫ পিএম | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১২:২২ পিএম


ডেঙ্গু পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্টেও ভয়াবহ ঝুঁকি
ছবি: সংগৃহিত

রাজধানীতে ডেঙ্গু পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হলেও রাজধানীর বাইরে হাসপাতালগুলোতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে রোগীর চাপ। অনেক চেষ্টা করেও এ অবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। ডেঙ্গু রোগী বাড়তে থাকায় হাসপাতালগুলোতে সৃষ্টি হয়েছে শয্যা সংকট। রোগী বেড়ে যাওয়ায় নাকাল হচ্ছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। এসবের মধ্যেই নতুন করে আশঙ্কার জন্ম দিচ্ছে নেগেটিভ রিপোর্ট।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু পরীক্ষায় রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও লক্ষণ সব ডেঙ্গুর মতোই। তাই বিষয়টি বিবেচনা করে নেগেটিভ রোগীদেরও ডেঙ্গুর ‘ট্রিটমেন্ট প্রটোকল’ অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে হবে।


চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু পরীক্ষায় রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও লক্ষণ সব ডেঙ্গুর মতোই। তাই বিষয়টি বিবেচনা করে নেগেটিভ রোগীদেরও ডেঙ্গুর ‘ট্রিটমেন্ট প্রটোকল’ অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে হবে। চিকিৎসকরা বলছেন, এনএস-১ অ্যান্টিজেন টেস্টে পজিটিভ আসে যদি জ্বর আসার তিন দিনের মধ্যে পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু, কেউ যদি লক্ষণ দেখা দেওয়ার চার-পাঁচ দিন পর আসেন তাহলে তাকে আমরা ডেঙ্গু আইজিএম পরীক্ষা করতে বলি। এরপর যেটা দেখা যায়, এনএস-১ নেগেটিভ আসা অনেকেরই আবার ডেঙ্গু পজিটিভ আসছে।


চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত নন- এমনটি ধরে নিয়ে বাসায় নির্বিকার থাকছেন অনেক রোগী। পরিস্থিতি খারাপ হলে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছেন। কিন্তু তখন অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে। করার কিছু আর থাকছে না। তারা বলেন, অনেক রোগীর এনএস-১ পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে, কিন্তু ডেঙ্গু আইজিএম বা আইজিজি পরীক্ষার পর রিপোর্ট পজিটিভ আসছে।


আমরা নিজেরা যেসব রোগীকে শুরুতে দেখছি, তাদের প্রত্যেককেই এনএস-১ পরীক্ষার পাশাপাশি সিবিসি বা আইজিএমণ্ডআইজিজি পরীক্ষা করাতে বলছি। এরপর ডেঙ্গু নিশ্চিত হয়ে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি। কিন্তু, কিছু রোগী সরাসরি চিকিৎসক না দেখিয়ে নিজের ইচ্ছেমতো এনএস-১ পরীক্ষা করান। সেই রিপোর্টে কোনো কারণে ডেঙ্গু পজিটিভ না এসে নেগেটিভ রিপোর্ট আসে।


ডা. রোবেদ আমিন বলেন, ডেঙ্গু পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ হওয়ার আরো কিছু কারণ থাকতে পারে। যেহেতু এটি আরএনএ ভাইরাস, সেহেতু এর মিউটেশন হওয়া খুব স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে মিউটেশন হয়ে যদি ভাইরাসটি তার ক্যারেক্টার চেঞ্জ করে ফেলে, তাহলেও পরীক্ষায় নেগেটিভ আসতে পারে। এমন আরো অনেক কারণ আছে, যার কারণে রিপোর্ট নেগেটিভ আসতে পারে। প্রয়োজনে শুধু এনএস-১ পরীক্ষার ওপর নির্ভর করে বসে থাকলে হবে না। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অন্যান্য পরীক্ষারও প্রয়োজন হতে পারে। এক্ষেত্রে কোন রোগীর কোন পরীক্ষা লাগবে, সেটি রোগীর ইচ্ছার ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের ওপর আস্থা রাখতে হবে। তাহলে কোনো সমস্যা হবে না।’


কেউ ডেঙ্গু পজিটিভ কি না, সেটি এনএস-১ টেস্টের মাধ্যমে জানা যায়। তবে, ডেঙ্গু ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার শুরুর দিকেই এ পরীক্ষা করতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসি বলছে, জ্বরের প্রথম দিন থেকেই ডেঙ্গু এনএস-১ টেস্টের ফল পজিটিভ আসে। তবে, চতুর্থ বা পঞ্চম দিনে হলে এটি নেগেটিভ হয়ে যায়। তাই চিকিৎসকরা সাধারণত টেস্টের ফলের সঙ্গে অন্য উপসর্গ ও লক্ষণ মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নেন।


আইজিএম বা আইজিজি পরীক্ষার মাধ্যমে ডেঙ্গু আরো ভালোভাবে শনাক্ত করা যায়। এ বিষয়ে সিডিসি বলছে, সাধারণত জ্বর হয়ে যাওয়ার চার থেকে পাঁচ দিন অতিবাহিত হলে এবং এর মধ্যে কোনো পরীক্ষা না করা হলে আইজিজি পরীক্ষার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ পরীক্ষার মাধ্যমে পজিটিভ কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়। রক্তে আইজিজি পজিটিভ থাকলে বুঝতে হবে আগে রোগীর সংক্রমণ ছিল। শরীরের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কতটুকু আছে, সেটি বোঝার জন্যও এ পরীক্ষা করা হয়। আইজিজি সূচক স্বাভাবিকের চেয়ে কম হলে শরীর যথেষ্ট অ্যান্টিবডি তৈরি করতে অক্ষম এবং সেক্ষেত্রে সংক্রমণে অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আর রক্তে আইজিজি পজিটিভ থাকলে বুঝতে হবে আগে রোগীর সংক্রমণ ছিল এবং বর্তমানে সে দ্বিতীয়বারের মতো আক্রান্ত হয়েছে।


অর্থাৎ রোগী কোনো সংক্রমণের শিকার হয়েছে কি না, রক্তকণিকা স্বাভাবিক রয়েছে কি না বা হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কেমন- এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বোঝার জন্য চিকিৎসকরা এ টেস্ট দিয়ে থাকেন।


বিভাগ : স্বাস্থ্য

বিষয় : ডেঙ্গু



সরকার পদত্যাগ না করলে দেশ সংঘাতের দিকে যাবে : মির্জা ফখরুল

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৩:৪৮ পিএম | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১:২০ এএম


সরকার পদত্যাগ না করলে দেশ সংঘাতের দিকে যাবে : মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ।ছবি সংগৃহিত

সরকার পদত্যাগ না করলে দেশ সংঘাতের দিকে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, যতদিন আপনি (শেখ হাসিনার সরকার) থাকবেন এটি আরও সংঘাতের দিকে যাবে, আরও খারাপের দিকে যাবে এবং সংঘাত আরেও বাড়তে থাকবে।এখনও তো সংঘাত শুরু হয়নি।

বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন অফিসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ শঙ্কা প্রকাশ করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, কিন্তু আওয়ামী লীগ যেভাবে এগোচ্ছে তাতে তো জনগণ রুখে দাঁড়াবে- পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছে এটি। জনগণই তাদের অধিকার আদায় করবে, জনগণ তো লড়াই করে, যুদ্ধ করেই তো স্বাধীনতা এনেছে। ১৯৯০ সালে এরশাদের সময়ে জনগণ তো লড়াই করে, সংগ্রাম করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছে। এখনও জনগণ লড়াই করছে, সংগ্রাম করছে।

ক্ষমতাসীন সরকারের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আপনাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক, দেশকে রক্ষার জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য, মানুষের অধিকারকে রক্ষা করার জন্য আপনারা দয়া করে এ জায়গা থেকে সরে পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের দাবি তো আমরা সেজন্যই জানিয়েছি। প্লিজ এ জায়গা থেকে সরে আসেন। এসে পদত্যাগ করেন, যাতে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ ভোট দিয়ে তাদের একটি সরকার নির্বাচিত করতে পারে, তাদের একটি জনগণের পার্লামেন্ট গঠন করতে পারে- তার ব্যবস্থা করেন।

মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ এর সম্পাদক আদিলুর রহমার খান ও পরিচালক এএমএম নাসির উদ্দিনের সাজা প্রদানের বিষয়ে জুডিসিয়াল ক্যাডার সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতি প্রদানের নিন্দা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এমন বিবৃতি প্রদান নজিরবিহীন ঘটনা। এটি নিঃসন্দেহে নিরপেক্ষ আচরণের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভা মনে করে, বিচার ব্যবস্থার সকল পর্যায়ের বিচারকদের বিতর্কিত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড হতে বিরত থাকা বাঞ্ছনীয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, 'আমি বারবরই বলে আসছি আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো নির্বাচনই সম্ভব না। এটা পরীক্ষিত। আমরা পরপর দুইটি নির্বাচন অতীতে করেছি এবং তাদের অধীনে যে কখনো কোনো সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে না্, জনগন ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারে না- এ ব্যাপারে সন্দেহ কারোই থাকার কথা নয়। '

তিনি আরও বলেন, তারপরও সরকার যখন বিদেশিদের কাছে গিয়ে বলেছে এদেশে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হবে কোনো ধরনের সমস্যা নেই। তখন বিদেশিরা প্রাক পর্যবেক্ষক টিম পাঠিয়েছেন। তারা সমস্ত কিছু সার্ভে করেছেন এবং সব ধরনের স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা এখন স্পষ্ট করে বলেছেন, এ দেশের টিম পাঠানোর কোনো পরিবেশ নেই। তারমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কথায় তা আবারো প্রমাণ হয়ে গেল। কারণ নতুন করে এসব কথা বলে তো কোনো লাভ নেই তারা তো কোনো কিছু কানের নিচ্ছে না।

 দক্ষিণের সিটি মেয়রের বক্তব্য প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মানসিকতাটা তার (শেখ ফজলে নূর তাপস) কথার মধ্যে পাবেন। এটা তাদের- আমি বার বার একটা কথা বলি যে, তাদের চরিত্র, তাদের কথাবার্তা বলা সব কিছুর মধ্যে একটা সন্ত্রাসী ব্যাপার আছে। তারপর একটা জমিদারি-ভাব আছে। এটা হচ্ছে তাদের জমিদারি। এজন্য কাকে ঢুকতে দেবে, কাকে দেবে না- এ রকম কথা বলে। আমি এসব গুরুত্ব দিই না। এগুলো আমরা বহু দেখেছি। কে কী বললো না বললো এটা বাংলাদেশের জনগণের যায় আসে না। বাংলাদেশের জনগণের লক্ষ্য একটাই- তারা বাংলাদেশে একটা অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়, একটা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। দ্যাট ইজ দ্য পয়েন্ট।


কানাডার নাগরিকদের ভিসা দেবে না ভারত

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০২:৫৯ পিএম | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১:০৮ এএম


কানাডার নাগরিকদের ভিসা দেবে না ভারত
‘প্রক্রিয়াগত কারণে’ ভারতের সব ভিসা পরিষেবা স্থগিত করেছে কানাডা সরকার। ছবি: সংগৃহীত

অনির্দিষ্টকালের জন্য কানাডার নাগরিকদের ভিসা দেবে না ভারত। আজ বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে অনলাইনে ভারতের ভিসা আবেদন কেন্দ্র বিএলএস ইন্টারন্যাশনাল। যেখানে বলা হয়, ‘অপারেশনাল বা পরিচালনাগত কারণে’ পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ভারতীয় ভিসা পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছে। খবর এনডিটিভি।

ভিসা সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিএলএস ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, ভারতীয় মিশনের কাছ থেকে একটি নোটিশ এসেছে। ওই নোটিশে পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত ভিসা সেবা স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে সোমবার কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো জানান, দেশটিতে ভারতীয় বংশোদ্ভূত শিখ নেতা হারদ্বীপ সিং নিজ্জারকে হত্যার ঘটনায় ভারত সরকারের পৃষ্ঠপোষকতার প্রমাণ মিলেছে। ট্রুডোর এমন অভিযোগের পরপরই দেশটি থেকে ভারতের এক কূটনীতিককে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তবে কানাডার অভিযোগের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘কানাডার কোনো সহিংস ঘটনায় ভারত সরকারের সম্পৃক্ততার অভিযোগ একেবারে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এমন অভিযোগ করলে তিনি তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কানাডা সরকারকে তাদের ভূখণ্ডে সব ধরনের ভারতবিরোধী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কার্যকর আইনি উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

গত জুন মাসে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে গুলিতে নিহত হন নিজার। চলতি মাসে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত জি-২০ সম্মেলনের ফাঁকে কানাডায় সক্রিয় সশস্ত্র খালিস্তানপন্থীদের বিষয়টি সামনে আনেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপরই হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ আনেন ট্রুডো। তবে ভারতে একে ‘অযৌক্তিক’ ও ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে অস্বীকার করেছে।

কভিড-১৯ মহামারীর পর এ প্রথমবার কানাডা থেকে ভিসা পরিষেবা বন্ধ করল দিল্লি।

অনুসরণ করুন