মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৩ বৈশাখ ১৪৩১
Dhaka Prokash

দাবি আদায়ে সাংবাদিকদের সমাবেশ ২২ অক্টোবর

যখন তখন চাকরিচ্যুতি, ন্যায্য পাওনা পরিশোধ না করা, সাংবাদিকদের উপর হামলা-মামলা, ওয়েজবোর্ডের অসঙ্গতিসহ সাংবাদিক সমাজের নানা সংকটের প্রতিবাদে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নসহ (ডিইউজে) সমমনা ৭ সংগঠন ২২ অক্টোবর যৌথ সমাবেশ ডেকেছে। একইসঙ্গে আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ছাড়া, বিভিন্ন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে।

৮ অক্টোবর (শনিবার) ডিইউজের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সংগঠনগুলো যৌথ আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করেছে। জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরী।

ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু, ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের (বিজেসি) চেয়ারম্যান রেজোয়ানুল হক রাজা, ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি মামুন ফরাজী, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান হৃদয়, বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) সভাপতি তপন বিশ্বাস, টেলিভিশন ক্যামেরা-জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (টিসিএ) সভাপতি শেখ মাহাবুব আলম, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম জীবন, বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোশিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম, এ, নাসিম সিকদার, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জীবন আমীর, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন সিনিয়র সহ-সভাপতি এম, এ কুদ্দুস, সহ-সভাপতি মানিক লাল ঘোষ, যুগ্ম সম্পাদক খায়রুল আলম, কোষাধ্যক্ষ আশরাফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক এ জিহাদুর রহমান জিহাদ, কল্যাণ সম্পাদক জুবায়ের রহমান চৌধুরী, নির্বাহী পরিষদ সদস্য আসাদুর রহমান, দুলাল খান, রেহানা পারভীন, মহিউদ্দিন পলাশ, সফিকুল করিম সাবু।

মতবিনিময় সভায় সাংবাদিক নেতারা বলেন, সাংবাদিক সমাজ আজ নানা সংকটে নিমজ্জিত। অধিকাংশ গণমাধ্যমে ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন হচ্ছে না। চাকরিচ্যুতির ঘটনা ঘটছে অহরহ। বন্ধ হচ্ছে না সাংবাদিকদের ওপর হামলা-মামলা। সম্প্রতি পেশাদার সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড কমিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা শোনা যাচ্ছে।

এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করার পরও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দৃশ্যমান হয়নি। এ অবস্থায় সাংবাদিক সমাজ নীরব থাকতে পারে না। এ পরিস্থিতিতে সাংবাদিক সমাজের আন্দোলন ভিন্ন আর কোনো বিকল্প নেই।

সভা থেকে আহুত কর্মসূচিতে সাংবাদিকদের দলে দলে যোগদানের জন্য আহ্বান জানানো হয়।

এনএইচবি/এমএমএ/

ঢাকাসহ ৪ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকাসহ দেশের চার বিভাগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকালে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার জন্য দেয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ, রংপুর এবং সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

তাপপ্রবাহের বিষয়ে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

১৭ এপ্রিলের আবহাওয়ার বিষয়ে বলা হয়েছে, তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি দেশের কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে। উত্তরপূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

১৮ এপ্রিলের আবহাওয়ার বিষয়ে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এছাড়া বর্ধিত ৫ দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়েছে, সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।

মিলছে না দর্শক, ৪ দিনেই হল থেকে নামলো ঈদের তিন সিনেমা!

৪ দিনেই হল থেকে নামলো ঈদের তিন সিনেমা। ছবি: সংগৃহীত

এবারের ঈদে যে পরিমাণ ছবি মুক্তি পেয়েছে, তেমনটা নিকট অতীতে দেখা যায়নি। ঈদে ছবি মুক্তি দেওয়ার জন্য যেন সর্বোচ্চ চেষ্টাও চালিয়েছেন প্রযোজকেরা। তবে এক ঈদে এত ছবি মুক্তির বিষয়টি ভালোভাবে দেখেননি চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট অনেকে ও প্রেক্ষাগৃহ কর্তৃপক্ষ। তাঁদের মতে, দেশে যে পরিমাণ প্রেক্ষাগৃহ আছে, তাতে তিন বা সর্বোচ্চ চারটি ছবি মুক্তি পেলে ভালো হতো।

একসঙ্গে এত ছবি মুক্তির খেসারত গুনছেন প্রযোজকেরা। প্রেক্ষাগৃহমালিকেরাও এড়াতে পারেননি অর্থনৈতিক ক্ষতি। তাই বাধ্য হয়ে মুক্তির চার দিনের মাথায় তিনটি ছবির প্রদর্শনী বন্ধ করে দিয়েছে স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ।

এদিকে ঢালিউডের জন্য আরাধ্য প্ল্যাটফর্ম হলো স্টার সিনেপ্লেক্স। নির্মাতারা মনে করেন, এই মাল্টিপ্লেক্সে তাদের ছবি স্থান পাওয়া মানে মান রক্ষা! ফলে ঈদে (১১ এপ্রিল) মুক্তি পাওয়া ১১ ছবির ৮টিকেই সাদরে জায়গা করে দিয়েছে স্টার কর্তৃপক্ষ।

হতাশার বিষয় এই, ৪ দিনের মাথায় (১৫ এপ্রিল) এরমধ্যে নেমে গেলো ৩টি ছবি! কারণ দর্শক খরা। ছবি তিনটি হলো ফুয়াদ চৌধুরী পরিচালিত ‘মেঘনা কন্যা’, ছটকু আহমেদের ‘আহারে জীবন’ ও কাজী হায়াত পরিচালিত ‘গ্রিন কার্ড’। ১৫ এপ্রিল বিকালে তথ্যটি নিশ্চিত করেন প্রতিষ্ঠানটির জ্যেষ্ঠ বিপণন কর্মকর্তা মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ।

সাধারণত, একটি ছবি এক সপ্তাহ চালায় প্রেক্ষাগৃহগুলো। কিন্তু সেই সময়টিও নিজেদের টিকিয়ে রাখতে পারেনি ছবিগুলো। অথচ মাল্টিপ্লেক্সগুলোতে ঈদের প্রথম দিন থেকে এখনও চলছে টিকিট সংকট। তবুও কেন নামতে হলো ছবিগুলোকে?

জবাবে মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দেখুন আমরা পারলে ১১টি ছবিই চালাতাম। কিন্তু সবগুলো ছবির শো-টাইম ম্যানেজ করতে পারিনি বলে সেটা সম্ভব হয়নি। এরমধ্যে যে ৮টি ছবি আমরা নিয়েছি তারমধ্যেও রয়েছে দর্শকদের বাচ-বিচার। এমন সিনেমা আছে দর্শক টিকিট পাচ্ছে না। আবার এমনও আছে যেগুলোর নির্ধারিত শো চালানোর মতো দর্শক খুঁজে পাচ্ছি না। বলতে পারেন দর্শকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ঈদের ৫ম দিনে এসে আমরা তিনটি ছবি ড্রপ করেছি। দর্শকরা চাইলে আবারও এই ছবিগুলো আমরা দেখাবো।’

ঈদের দিন থেকে এই মাল্টিপ্লেক্সের সবগুলো শাখায় এখনও চলছে হিমেল আশরাফ নির্মিত ‘রাজকুমার’, মিশুক মনির ‘দেয়ালের দেশ’, মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত ‘ওমর’, গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘কাজলরেখা’ এবং কামরুজ্জামান রোমান পরিচালিত ‘মোনা: জ্বীন ২’। এই ৫টি ছবিরই দর্শক রয়েছে কম-বেশি আশানুরূপ। এরমধ্যে দর্শক চাহিদায় এগিয়ে আছে শাকিব খানের ‘রাজকুমার’ এবং শরিফুল রাজের ‘ওমর’। চাহিদা রয়েছে হলিউডের ‘গডজিলা ভার্সেস কং’র প্রতিও।

স্টার সিনেপ্লেক্সের জ্যেষ্ঠ বিপণন কর্মকর্তা মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ হতাশা নিয়ে আরও একটি তথ্য জানান। বলেন, ‘‘আমরা ঈদের প্রথম দিন থেকে সবচেয়ে আশাবাদী ছিলাম ‘দেয়ালের দেশ’ ছবিটি নিয়ে। এটির সর্বোচ্চ ১৭টি শো আমরা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু ঈদের পর সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হয়েছে। দর্শক চাহিদা কম থাকায় শো কমাতে হয়েছে। বাড়াতে হয়েছে ‘রাজকুমার’ ও ‘ওমর’-এর। ফলে আমাদের হাতে আসলে কিছু নেই, সবই দর্শকদের চাহিদার ওপর নির্ভর করছে।’’

বলা দরকার, ঈদের দিন থেকে ‘মেঘনা কন্যা’ দুটি, ‘গ্রিন কার্ড’ দুটি এবং ‘আহারে জীবন’-এর তিনটি করে শো চালিয়ে আসছিলো স্টার সিনেপ্লেক্স।

শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলেন ড. ইউনূস

শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলেন ড. ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত নোবেল জয়ী ড. ইউনূস শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে স্থায়ী জামিন চেয়ে আবেদন করেছেন। সাজার বিরুদ্ধে তার আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তিনি জামিন চেয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. ইউনূসসহ কোম্পানির তিন শীর্ষ কর্মকর্তা ঢাকার শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে এই আবেদন করেন।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, তারা আদালতে উপস্থিত হয়ে এই মামলায় আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ী জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেন।

গত ২৮ জানুয়ারি শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ের করা মামলার রায় চ্যালেঞ্জ করে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনকে জামিন দেন শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন আদালত। সেদিন শ্রম আদালতের দেওয়া সাজা স্থগিত করেন শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে জামিন চেয়েছিলেন তিনি। সেই সঙ্গে শ্রম আইন লঙ্ঘন মামলার রায়ে ৬ মাসের সাজার বিরুদ্ধে ২৫টি যুক্তি দেখিয়ে খালাস চেয়ে আপিলও করেছিলেন তিনি।

শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় গত ১ জানুয়ারি ৬ মাসের সাজা হয় ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চার আসামির। রায় প্রদানকারী বিচারক শেখ মেরিনা সুলতানার স্বাক্ষরের পর ৮৪ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়।

পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে, আসামিরা শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ৪(৭) (৮), ১১৭, ২৩৪ এর বিধান লঙ্ঘন করে আইনের ৩০৩(৫) ও ৩০৭ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। তা প্রমাণিত হওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। এ অবস্থায় আসামি গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনূস, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুরজাহান বেগম ও মো. শাহজাহানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ৪(৭) (৮), ১১৭, ২৩৪ ও বিধি ১০৭ লঙ্ঘনের জন্য ৩০৩(৩) ও ৩০৭ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের ওই আইনের ৩০৩ (৩) ধারার অপরাধে ০৬ (ছয়) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫,০০০/-(পাঁচ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ১০ (দশ) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০৭ ধারার অপরাধে ২৫,০০০/-(পঁচিশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে অতিরিক্ত ১৫ (পনেরো) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হলো।

গত ১ জানুয়ারি শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। তবে আপিল করার শর্তে ড. ইউনূসসহ আসামিদের ১ মাসের জামিন দেওয়া হয়।

সর্বশেষ সংবাদ

ঢাকাসহ ৪ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
মিলছে না দর্শক, ৪ দিনেই হল থেকে নামলো ঈদের তিন সিনেমা!
শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলেন ড. ইউনূস
অ্যাপলকে পেছনে ফেলে বিশ্বের শীর্ষ স্মার্টফোন নির্মাতা এখন স্যামসাং
খতনার সময় শিশুর লিঙ্গ কেটে ফেললেন হাজাম, ঢামেকে প্রতিস্থাপন
ধর্ষণ মামলা: আওয়ামী লীগ থেকে বড় মনিকে অব্যাহতি
ফরিদপুরে বাস ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ১৩
নাবিক সাব্বিরের মুক্তির খবরে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে বইছে খুশির বন্যা!
উপজেলা নির্বাচন: বিরামপুর ও ঘোড়াঘাটে ৩৫ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল
নওগাঁয় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে
প্রথম ধাপে ১৫০ উপজেলায় ১৮৯১ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল
ইরানের হামলার পর কমলো তেলের দাম
হিলি স্থলবন্দরে টানা বন্ধের পর আমদানি-রপ্তানি শুরু
মুস্তাফিজের আইপিএলে খেলার ছুটি বাড়াল বিসিবি
নরসিংদীতে ইউপি সদস্যকে প্রকাশ্যে গুলি করে ও গলা কেটে হত্যা
৫৪ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, তিন বিভাগে বৃষ্টির আভাস
‘একীভূত হচ্ছে পাঁচ ব্যাংক, বাকি সিদ্ধান্ত পরে’
ঢাকায় পৌঁছেছেন টাইগারদের নতুন কোচ নাথান কিয়েলি
বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ধ্বংস করার জন্য বিএনপির জন্ম: ওবায়দুল কাদের
গোবিন্দগঞ্জে অটোচালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার