‘সরকার রক্ত ঝরানোর খেলায় উন্মাদ হয়ে উঠেছে’

২৪ নভেম্বর ২০২২, ০৩:২৯ পিএম | আপডেট: ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:১২ পিএম


‘সরকার রক্ত ঝরানোর খেলায় উন্মাদ হয়ে উঠেছে’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি নেতা-কর্মীদের উপর হামলা নিঃসন্দেহে চরম কাপুরুষতা। ক্ষমতার নড়বড়ে অবস্থা অনুধাবন করেই আওয়ামী অবৈধ সরকার রক্ত ঝরানোর খেলায় উন্মাদ হয়ে উঠেছে। জোর করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে গিয়ে সরকার নিজ দলের সন্ত্রাসীদের দিয়ে বিরোধী মত ও বিশ্বাসের মানুষকে ধ্বংস করে দিতে চাচ্ছে। অশুভ উদ্দেশ্যেই তারা এধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। আর এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার নিজ দলীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসহ বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের উপর চালাচ্ছে নারকীয় তাণ্ডব।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, নেতা-কর্মীদের আহত করাসহ মিথ্যা মামলা দিয়ে ঘায়েল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে অবৈধ আওয়ামী সরকার। আর এজন্য বিএনপির সিনিয়র নেতাসহ নেতা-কর্মী কাউকেই ছাড় দিচ্ছে না তারা।

বিএনপির ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সের গাড়িবহরে হামলা, নেতা-কর্মীদের আহত করা এবং শেরপুরে নেতা-কর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে আহত করাসহ ৬৬ জনের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ার প্রতিবাদ জানান বিএনপি মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার সব ক্ষেত্রে নজীরবিহীন ব্যর্থতা আড়াল করতেই সরকার দেশব্যাপী একের পর এক অমানবিক ও নৃশংস তাণ্ডব ঘটাচ্ছে। আর দেশব্যাপী নারকীয় তাণ্ডবে সরকারের সহযোগী হিসেবে সহিংস সন্ত্রাসে মেতে উঠেছে আওয়ামী দুস্কৃতিকারিরা। ক্ষমতার মোহে আওয়ামী সরকার দেশ থেকে গণতন্ত্রকে কবরস্থ করার মাধ্যমে নিজেদের হিংস্র করে তুলেছে। গণতন্ত্রের মূলোৎপাটন করে সরকারের ভয়াবহ দুঃশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী মানুষকে নির্মমভাবে স্তব্ধ করতে সরকার বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কিন্তু জনগণ এখন আওয়ামী সরকারের ভয়াবহ দুঃশাসন প্রতিরোধে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমি নেতা-কর্মীদের উপর হামলাকারী আওয়ামী সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি। আহত নেতা-কর্মীদের আশু সুস্থতা কামনা করছি। নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ গ্রেপ্তার নেতা-কর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি করছি।

এসএন


বিভাগ : রাজনীতি