বিনোদন

দীর্ঘ আড়াল ভেঙে প্রকাশ্যে সালমান হত্যা মামলার অভিযুক্ত ডন


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০২:৫৭ পিএম

দীর্ঘ আড়াল ভেঙে প্রকাশ্যে সালমান হত্যা মামলার অভিযুক্ত ডন
সালমান হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ডন। ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালতের নির্দেশে হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকা খল-অভিনেতা ডন অবশেষে প্রকাশ্যে এসেছেন।

সম্প্রতি তিনি তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি গান পোস্ট করে তাঁর অনুরাগী ও বন্ধুদের সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ স্থাপন করেছেন।

গত অক্টোবর মাসে আদালতের নির্দেশে সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনাটি পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং এটি হত্যা মামলা হিসেবে রাজধানীর রমনা থানায় নথিভুক্ত হয়। এই মামলায় সালমানের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক-সহ মোট ১১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়, যার মধ্যে অভিনেতা ডনের নামও রয়েছে। ডনকে মামলার ৪ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

don 4.jpg
 সালমান হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ডন। ছবি: সংগৃহীত

মামলা দায়ের হওয়ার পর থেকে ডন জনসমক্ষে বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুপস্থিত ছিলেন। যদিও তিনি দাবি করেছিলেন যে তিনি বাসাতেই আছেন, তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ার নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে জল্পনা ছিল।

অবশেষে ডন ফেসবুকে ফিরে এসে একটি গান পোস্ট করেছেন। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, "৫০ জন বন্ধু-বান্ধবীদের জন্য উৎসর্গ করলাম।" তাঁর এই পোস্টে মন্তব্যের ঘরে অনেকেই ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন এবং প্রশংসা করেছেন।

ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের তুমুল জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহর মৃত্যু দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে রহস্যে ঘেরা। পূর্বে পুলিশের একাধিক তদন্তে এটিকে 'অপমৃত্যু' বা আত্মহত্যা বলে প্রতিবেদন দেওয়া হলেও, তাঁর পরিবার বরাবরই একে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করে এসেছেন।

don.jpg
 সালমান হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ডন। ছবি: সংগৃহীত

আদালতের নির্দেশে সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, অভিনেতা ডন-সহ মোট ১১ জনকে অভিযুক্ত করে রমনা থানায় হত্যা মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে।

ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরীর রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটি চলবে এবং এটি পুনরায় তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। এর ফলে ডন-সহ অন্য অভিযুক্তদের ফের জেরার মুখে পড়তে হতে পারে।

সালমান শাহের মামা আলমগীর কুমকুম জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়ের পর অবশেষে অপমৃত্যু মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হলো।