সারাবিশ্ব
দীর্ঘ ৪০ বছর পর লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনার বৈঠকে
দীর্ঘ ৪০ বছর পর দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি শান্তি আলোচনায় বসতে যাচ্ছে লেবানন।
আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে দখলদারদের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে লেবাননের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক হবে। এই আলোচনার মূলকেন্দ্রে থাকবে যুদ্ধবিরতি ও হিজবুল্লাহ।
গত ০২ মার্চ ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা চালালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর পরপরই ইসরায়েল লেবাননে পাল্টা হামলা শুরু করে। এতে করে লেবাননও সরাসরি সংঘাতের মধ্যে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে এ পর্যন্ত লেবাননে দুই হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত এবং দশ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠেয় এই বৈঠকে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করবেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। এছাড়া ওয়াশিংটনে নিযুক্ত ইসরায়েল ও লেবাননের রাষ্ট্রদূত এবং বৈরুতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতও আলোচনায় অংশ নেবেন।
তবে এই শান্তি উদ্যোগ থেকে কোনো চূড়ান্ত চুক্তি বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা নিয়ে সংশয় রয়েছে। হিজবুল্লাহ ইতোমধ্যে সোমবার এই আলোচনাকে ‘নিরর্থক’ বলে অভিহিত করেছে।
অন্যদিকে ইসরায়েল স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তারা হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র অবস্থায় দেখতে চায়- এ অবস্থানকে যুক্তরাষ্ট্রও সমর্থন করে।
তবে হিজবুল্লাহ ধারাবাহিকভাবে নিজেদের নিরস্ত্রীকরণের দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে। তাদের মতে, এ ধরনের শর্ত লেবাননের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসন অব্যাহত রাখার পথ তৈরি করতে পারে।
এদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, মঙ্গলবার ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টায় মার্কিন পররাষ্ট্রদপ্তরে লেবানন ও ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।
বৈঠকে ইসরায়েলের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ইয়েশিয়েল লাইটার এবং লেবাননের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ মাওয়াদ আলোচনায় বসবেন।