জাতীয়
ডিবি অফিসে যাওয়া ব্যক্তির বট আইডিগুলো বন্ধ হলে অর্ধেক হ্যারাসমেন্ট থেমে যেত: আবিদ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম আবিদ দাবি করেছেন, অনলাইনে অপপ্রচার ও হয়রানির বড় উৎস হলো বট-আইডি। তার ভাষ্যে, যারা ডিবি অফিসে অভিযোগ নিয়ে যান-তাদের ফোনে থাকা এসব বট-আইডি যদি তদন্তের সময় বন্ধ করে দেওয়া হতো, তাহলে দেশের অর্ধেক অনলাইন হ্যারাসমেন্ট সেখানেই থেমে যেত।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
পোস্টের নিচে আরেকটি মন্তব্যে আবিদ লেখেন- “দেশে সাইবার আইন যদি কার্যকরভাবে চালু থাকত, ডিবিতে যাওয়া ব্যক্তিদের ফোন পরীক্ষা করলেই অপপ্রচার ও ঘৃণা ছড়ানোর কারণে সেখানেই অনেকে গ্রেপ্তার হতো।”
তার এই মন্তব্য আসে ডাকসু সহসভাপতি সাদিক কায়েম অনলাইনে অপপ্রচারের শিকার হওয়ার অভিযোগ নিয়ে সোমবার বিকেলে ডিবি অফিসে গেলে। সেখানে তিনি অপপ্রচার ছড়ানোর অভিযোগে ১১টি ফেসবুক পেজ ও আইডির তালিকা জমা দেন।
সাদিক যে পেজ ও আইডিগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, সেগুলো হলো- ডাকসু কণ্ঠস্বর, BongoGraph, আমার ডাকসু, The Nationalist Data, কাঁঠেরকেল্লা, রৌমারি, DU Insiders, ইয়ার্কি, এবং তিনটি ব্যক্তিগত আইডি— এনামুল হক শান্ত, আশিকুর রহমান এবং সাইফ আল মাহমুদ।
ডিবি অফিসে অভিযোগ দেওয়ার পর সাদিক কায়েম জানান, “আমি যে পেজগুলো উল্লেখ করেছি, সেগুলোর প্রত্যেকটির সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা রয়েছে। এ বিষয়ে ডিবির সাইবার টিম কাজ শুরু করেছে এবং তারা বিআরটিসিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।”
অনলাইন অপপ্রচার, বট-আইডি সক্রিয়তা এবং রাজনৈতিক শাখাগুলোর ডিজিটাল কর্মকাণ্ড- সব মিলিয়ে বিষয়টি ঘিরে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।