জাতীয়

আজ এ কে খন্দকারের জানাজা, অংশ নেবেন প্রধান উপদেষ্টা


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:৪৯ এএম

আজ এ কে খন্দকারের জানাজা, অংশ নেবেন প্রধান উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত

মহান মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ও সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকারের জানাজা আগামী রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস অংশ নেবেন।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। জানাজাটি রাজধানীর বিমান বাহিনী ঘাঁটি বাশারে অবস্থিত ন্যাশনাল প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে শনিবার সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে এ কে খন্দকার শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি জানানো হয়। তাঁর মৃত্যুতে দেশ হারালো এক বীর মুক্তিযোদ্ধা, দক্ষ সামরিক নেতৃত্ব ও জাতির এক গর্বিত সন্তানকে।

এ কে খন্দকার ১৯৫২ সালের সেপ্টেম্বরে তৎকালীন পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে (পিএএফ) পাইলট অফিসার পদে কমিশন লাভ করেন। তিনি ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত ফাইটার পাইলট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টর হিসেবে নিয়োজিত হন এবং পিএএফ একাডেমিতে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করতে থাকেন।

তিনি ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান এয়ার ফোর্স একাডেমিতে কর্মরত ছিলেন এবং ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টর স্কুলে ফ্লাইট কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর জেট ফাইটার কনভারশন স্কোয়াড্রনে ফ্লাইট কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ১৯৬০ সাল পর্যন্ত।

এ কে খন্দকার ১৯৬১ সাল পর্যন্ত পিএএফ একাডেমিতে স্কোয়াড্রন কমান্ডার হিসেবে কাজ করেন। পরে তিনি জেট ফাইটার কনভারশন স্কোয়াড্রনে স্কোয়াড্রন কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত। ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি পিএএফ একাডেমির ট্রেনিং উইংয়ের অফিসার কমান্ডিং হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

এরপর তিনি পাকিস্তান বিমানবাহিনীর প্ল্যানিং বোর্ডের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত। একই বছর তিনি ঢাকায় অবস্থিত পিএএফ বেইসের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

দীর্ঘ সামরিক জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং স্বাধীন বাংলাদেশের বিমানবাহিনী গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তাঁর মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় ও সামরিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।