জাতীয়

জন্মাষ্টমীতে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৩ পিএম

জন্মাষ্টমীতে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
ছবি: সংগৃহীত

শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবারের শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁর জীবন ও কর্মের মাধ্যমে সমাজে ন্যায়, সাম্য ও শান্তি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি মানবপ্রেমের অনন্য আদর্শ তুলে ধরেছেন। সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভক্তি, মানবকল্যাণ ও শান্তির যে দর্শন তিনি প্রচার করেছেন, তা শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য নয়, সব মানুষের জন্যই গভীর প্রেরণার উৎস।

জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শ্রীকৃষ্ণের বাণী ও শিক্ষা সমাজে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে।

তারেক রহমান বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে উদ্বুদ্ধ একটি জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

দেশের সম্প্রীতির পরিবেশ কেউ যেন নষ্ট করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে সমাজে শৃঙ্খলা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রত্যেক নাগরিককে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, একটি সুশীল রাষ্ট্র ও সমাজে বিভিন্ন ধর্ম ও মতের মানুষের মধ্যে মেলবন্ধন থাকে। বাংলাদেশেও যুগ যুগ ধরে সব শ্রেণি-পেশা ও ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে আসছেন। এই আবহমান সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখা দেশের প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব।

সনাতন ধর্মীয় শাস্ত্র অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ধরাধামে আবির্ভাব ঘটে অবতার শ্রীকৃষ্ণের। হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, মথুরার অত্যাচারী রাজা কংসের অত্যাচার চরমে পৌঁছালে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম হয়।

পরবর্তীতে অত্যাচারী কংসকে বধ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন শ্রীকৃষ্ণ। দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন ছিল তাঁর জীবনের অন্যতম প্রধান আদর্শ।