জাতীয়
তিন নারী কূটনীতিকের পদোন্নতি, পেলেন সচিব পদমর্যাদা
বিদেশে বাংলাদেশের বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা তিন নারী কূটনীতিককে সচিব পদমর্যাদায় পদোন্নতি দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পদোন্নতি পাওয়া এই তিন কর্মকর্তা বর্তমানে ব্রুনাই দারুস সালাম, নিউজিল্যান্ড ও গ্রিসে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনে দায়িত্ব পালন করছেন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তারা হলেন ব্রুনাই দারুস সালামে বাংলাদেশের হাইকমিশনার নওরীন আহসান, নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সামিনা নাজ এবং গ্রিসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাহিদা রহমান সুমনা।
তিন কর্মকর্তার মধ্যে সামিনা নাজ ও নওরীন আহসান বিসিএস (পররাষ্ট্র) ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা। অন্যদিকে, নাহিদা রহমান সুমনা ১৭তম ব্যাচের কর্মকর্তা। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা দেশের পররাষ্ট্রনীতির বাস্তবায়ন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
পদোন্নতি পাওয়া সামিনা নাজ বর্তমানে নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশের প্রথম আবাসিক হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ভিয়েতনাম ও মিশরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া ভারতের মুম্বাই, দিল্লি, নেদারল্যান্ডসের হেগ এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনেও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
অন্যদিকে, নাহিদা রহমান সুমনা বর্তমানে গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গ্রিসে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি টানা চার বছর ব্রুনাই দারুস সালামে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ছিলেন। তাঁর কূটনৈতিক অভিজ্ঞতায় বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
এ ছাড়া নওরীন আহসান বর্তমানে ব্রুনাই দারুস সালামে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়া, নেদারল্যান্ডসের হেগ এবং কানাডার অটোয়ায় বাংলাদেশের বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
সচিব পদমর্যাদায় এই তিন নারী কূটনীতিকের পদোন্নতিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ পর্যায়ে তাঁদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থ সংরক্ষণ, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং দেশের ভাবমূর্তি তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাঁদের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।