জাতীয়

বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে দুই দেশের আগ্রহ


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫০ পিএম

বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে দুই দেশের আগ্রহ
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া এবং বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছেন তারা।

বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) উদ্যোগে আয়োজিত চীনের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং ঢাকায় নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউইন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকার চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, গত ৭৭ বছরে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে চীনের অর্জন উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা। চীনের উন্নয়নযাত্রা থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশের দৃঢ় প্রত্যাশা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব। বিশেষ করে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার হলে উভয় দেশের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে পারে।

অনুষ্ঠানে চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউইন বলেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের কৌশলগত দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে। ‘নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ-চীন সম্প্রদায়’ গঠনে দুই দেশের যৌথ উদ্যোগ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে পাশে রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতাকে আরও গভীর করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণে চীন বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।

চীনা প্রতিনিধির বক্তব্যে দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব, পারস্পরিক আস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগিতা আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে আরও গতিশীল করার প্রত্যাশাও তুলে ধরা হয়।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশের প্রতিনিধিদের বক্তব্যে সেই সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।