জাতীয়

নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হলো আনিসুল-পলককে


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম

নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হলো আনিসুল-পলককে
ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে মামুন (২৫) নামে এক চালকের বাঁ চোখ নষ্ট হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (১৮ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আওলাদ হুসাইন গত ৩০ সেপ্টেম্বর আনিসুল হক ও জুনাইদ আহমেদ পলককে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালতে শুনানির সময় আসামিপক্ষে আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখিসহ কয়েকজন আইনজীবী ওই আবেদনের বিরোধিতা করেন। পরে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই সকাল ৯টা থেকে বাদীর বন্ধু হোসেন, খোকন, আরিফসহ অনেকে যাত্রাবাড়ী এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেন। ওই দিন বিকেল ৩টার দিকে যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ফ্লাইওভারের ওপর অবস্থানকালে আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মামুনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে, বাঁ চোখে ও মাথায় গুলি লাগে বলে মামলার বিবরণে বলা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে যাত্রাবাড়ীর কাজলা ইসলামিয়া হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মামুনের বাঁ চোখের অবস্থার অবনতি হলে তাকে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসার একপর্যায়ে তার বাঁ চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় তদন্তের অংশ হিসেবে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। আদালত শুনানি শেষে আবেদনটি মঞ্জুর করেন। মামলাটির তদন্ত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।