জাতীয়

২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, আলোচনায় ৮ সমঝোতা স্মারক


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৫ পিএম

২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, আলোচনায় ৮ সমঝোতা স্মারক
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২৬ অক্টোবর জাপান সফরে যাচ্ছেন। তার এ সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পাবে। সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে প্রায় আটটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে অন্তত চারটি সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে বলে আশা করছে বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন জাপান সফর উপলক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পররাষ্ট্রসচিব। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর ও সময়োপযোগী করার সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর পথও উন্মুক্ত হবে।

সফরে অর্থনৈতিক ও বিনিয়োগ সহযোগিতার পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি প্রযুক্তি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এসব খাতে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে জাপানের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।

সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী ২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্কের অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ অংশীদারত্বের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

এ ছাড়া সফরকালে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে জাপান-বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরামে বক্তব্য দেওয়ারও কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাপানি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা এবং দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফর বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে বিনিয়োগ আকর্ষণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সফরটি নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। তবে আলোচনাধীন সমঝোতা স্মারকগুলোর চূড়ান্ত সংখ্যা ও কোন কোন বিষয়ে সেগুলো সই হবে, তা সফরকালে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়।