রাজনীতি

নরেন্দ্র মোদির বার্তায় বিএনপির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫২ এএম

নরেন্দ্র মোদির বার্তায় বিএনপির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
ছবি: সংগৃহীত

গুরুতর অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে বার্তা পাঠিয়েছেন, তার প্রতি আনুষ্ঠানিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি লেখেন, “বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা জেনে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। বাংলাদেশের গণজীবনে তার দীর্ঘ অবদান রয়েছে। তার দ্রুত আরোগ্যের জন্য আন্তরিক প্রার্থনা ও শুভকামনা রইল। ভারত প্রয়োজন হলে যেকোনোভাবে সহায়তা দিতে প্রস্তুত।”

মোদির এই শুভেচ্ছাবার্তার জবাবে বিএনপি তাদের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টে লিখেছে- “বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় ভারতের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সদয় বার্তার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমরা তার এই সদিচ্ছার নিদর্শন এবং সমর্থনের প্রস্তুতি গভীরভাবে মূল্যায়ন করছি।”

৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া ২৩ নভেম্বর থেকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রথমে ফুসফুসের সংক্রমণের কারণে ভর্তি করানো হলেও পরবর্তীতে তার শারীরিক জটিলতা বেড়ে যায়। বর্তমানে তিনি করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) জীবনরক্ষাকারী সাপোর্টে আছেন। দেশি–বিদেশি বিশেষজ্ঞদের একটি টিম সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে রাখছে তাকে।

বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার অবস্থায় এখনও কোনো দৃশ্যমান উন্নতি নেই। দলের ভাইস–চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান বলেন- “চিকিৎসকেরা প্রায় সব ধরনের চিকিৎসা প্রয়োগ করেছেন। উনি খুবই সংকটাপন্ন। এখন জাতির কাছে দোয়া চাওয়াই একমাত্র ভরসা।”

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও একই মন্তব্য করেন। তার ভাষায়- “উনি অত্যন্ত অসুস্থ। দেশি-বিদেশি চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।”

দীর্ঘদিন ধরেই খালেদা জিয়া লিভার, কিডনি, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, চোখের জটিলতা এবং আরও কয়েকটি দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভুগছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য চার মাস লন্ডনে থাকার পর এই বছরের ৬ মে তিনি দেশে ফিরে আসেন।

বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে পুরো দেশজুড়ে উদ্বেগের পাশাপাশি রাজনৈতিক মহলেও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।