রাজনীতি
বাচ্চাদের সাথে জাইমা রহমানকে প্রধানমন্ত্রী বানানোর কথার ব্যাখ্যা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
ফেসবুকে করা সমালোচনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ. ন. ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, আজকাল ফেসবুকে কিছু পেলেই হলো, সমালোচনা শুরু হয়ে যায়। নির্বাচনের আগে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় আমি এলাকায় গিয়ে শিশুদের বলেছি, ‘তোমাদের জাইমাকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে’। কারণ পুতুলকে যদি প্রধানমন্ত্রী বানিয়ে দেয়! তাই আমি আমার এলাকায় গিয়ে রাজনৈতিকভাবে এই কথা বলছি। তাও নির্বাচনের আগে। এখন এটা নিয়ে আমাকে ট্রল করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আগামীতে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন এই স্বপ্ন তো আমরা দেখতেই পারি। আমরা স্বপ্ন দেখেছিলাম, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন, সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। আল্লাহ কবুল করলে সেও (জাইমা রহমান) প্রধানমন্ত্রী হবে, আমি হয়তো বেঁচে থাকলে দেখে যেতে পারব।
আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে সিলেটের জালালাবাদ গ্যাস অডিটরিয়ামে আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে সিলেট শিক্ষা বোর্ড, অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিবসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের সাথে মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী এমন মন্তব্য করেন।
ফেসবুকে তাকে নিয়ে সমালোচনা প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ম্যানেজমেন্ট কমিটি নিয়ে আমাকে তুলোধুনো করা হচ্ছে ফেসবুকে। ভর্তি প্রক্রিয়ায় লটারি বাতিল করার পর আমাকে নিয়ে কত ট্রল হলো।
তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা নিজের বিশ্ববিদ্যালয় খবর না নিয়ে আমার নামে পোস্ট করেন মন্ত্রী ব্যর্থ। এখন শিক্ষকরা মন্ত্রীদের খাতা দেখা শুরু করে দিয়েছে।কোচিং সেন্টারকে আইনের আওতায় আনা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষকরা ফেইলিওর হওয়ার কারণে শিক্ষার্থীরা কোচিং সেন্টারে যায়। শিক্ষকরা ভাল করে পড়ান না বলেই নকল করে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আগের দিনে জেলার স্কুলগুলো ছিল নাম্বার ওয়ান। কারণ ডিসি-এসপিদের ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়া করত।মতবিনিময় সভায় তিনি উল্লেখ করেন, সিলেট প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় এখানে অর্থনৈতিক সক্ষমতা তুলনামূলক বেশি। কিন্তু সেই আর্থিক শক্তি শিক্ষার মানোন্নয়নে পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না। ফলে একই অঞ্চলের ভেতরেই সুযোগের অসম বণ্টন দেখা যাচ্ছে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, ডেপুটি কমিশনার সারওয়ার আলম, শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।