সারাদেশ

ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতির চেতনায় এগিয়ে যাচ্ছে রাষ্ট্র: চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি


সারাদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪১ পিএম

ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতির চেতনায় এগিয়ে যাচ্ছে রাষ্ট্র: চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি
ছবি: সংগৃহীত

ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে রাষ্ট্র ধারণ করে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী। তিনি বলেন, রাষ্ট্র সব ধর্মের মানুষকে স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন করার স্বীকৃতি দেয় এবং এ ক্ষেত্রে উৎসাহিত করে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা ও সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই পুলিশ কাজ করছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও মন্দির পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি শহরের শ্যাম সুন্দর জিউ আখড়া, আনন্দময়ী কালী মন্দির ও ত্রিনয়নী দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সার্বিক প্রস্তুতির খোঁজখবর নেন।

ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী বলেন, “আবহমানকাল থেকে এখানে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান—সবাই স্বাধীনভাবে আনন্দমুখর পরিবেশে নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও উৎসব পালন করে আসছেন। সম্প্রীতির বন্ধন সব সময়ই ছিল। হঠাৎ কেন যেন এর মধ্যে একটু ছেদ পড়েছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে সব ধর্মের মানুষকে স্বাধীনভাবে ধর্ম পালনের স্বীকৃতি দেওয়া হয় এবং উৎসাহিত করা হয়। রাষ্ট্র ধর্মীয় সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে। সেই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়েই আমরা প্রতিটি স্থান পরিদর্শন করছি।”

তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয় ও পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করছে এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে। উৎসবমুখর পরিবেশে ধর্মীয় অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শংকর মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক মিলন মণ্ডল, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি স্বপন চন্দ্র নাথ, সাধারণ সম্পাদক শিমুল সাহা এবং জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সহসভাপতি মানিক সাহাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

এ সময় পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শনের পাশাপাশি ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সব সম্প্রদায়ের মানুষের নিরাপদে ধর্মীয় উৎসব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।