সারাদেশ

হাসপাতালের নোংরা টয়লেট নিজ হাতে পরিষ্কার করলেন এমপি খোকন


সারাদেশ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০২ এএম

হাসপাতালের নোংরা টয়লেট নিজ হাতে পরিষ্কার করলেন এমপি খোকন
ছবি: সংগৃহীত

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অপরিচ্ছন্ন টয়লেট ও বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা আবর্জনা নিজ হাতে পরিষ্কার করেছেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান তালুকদার খোকন। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ উদ্যোগ নেন।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন সংসদ সদস্য। পাশাপাশি অপরিচ্ছন্ন টয়লেট ও বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা আবর্জনা পরিষ্কারে অংশ নেন তিনি।

কর্মসূচিতে আনিছুর রহমান তালুকদার খোকন বলেন, নিজের ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও পরিচ্ছন্ন রাখা সবার দায়িত্ব। সরকারি হাসপাতালসহ জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজেদের প্রতিষ্ঠান মনে করে যত্ন নিতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠানকে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও ব্যবহারোপযোগী রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার সচেতনতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, মানুষ যে প্রতিষ্ঠানে সেবা নিতে যাবে, সেটিকে নিজের বাড়ির মতো মনে করতে হবে। প্রতিষ্ঠান পরিচ্ছন্ন রাখার ক্ষেত্রে শুধু কর্তৃপক্ষের ওপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষকেও দায়িত্বশীল হতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে হাসপাতালের পরিবেশ উন্নত করা এবং ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

সংসদ সদস্য আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চান। তাঁর কর্মী হিসেবে তাঁরাও জনগণের পাশে থাকতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে জনগণকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে কালকিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বেপারী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন মুন্সি, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন সরদারসহ বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা রোগীদের সুস্থ পরিবেশে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার অন্যতম শর্ত। এ ধরনের উদ্যোগের পাশাপাশি নিয়মিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, টয়লেট পরিষ্কার রাখা এবং হাসপাতাল চত্বরে পানি জমতে না দেওয়ার মাধ্যমে ডেঙ্গুর প্রজননস্থল তৈরির ঝুঁকিও কমানো সম্ভব।