সারাদেশ
গাইবান্ধায় বিএনপি কার্যালয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আ. লীগের হামলা
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন রাজাহার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম মইনুল ইসলাম।
সোমবার (৯ মার্চ) রাতে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে একই দিন দুপুরের দিকে রাজাহার ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইউনুস আলীসহ কয়েকজন নেতা স্থানীয় বানেশ্বর বাজারে অবস্থিত রাজাহার ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ে জমিজমা-সংক্রান্ত একটি বৈঠকে বসেন। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে লাঠি, লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ সমর্থিত একদল ব্যক্তি কার্যালয়ে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
হামলার সময় উপস্থিত নেতাকর্মীদের এলোপাতাড়ি মারধর করা হয় এবং কার্যালয়ের চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। এতে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, হামলাকারীরা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবিও ভাঙচুর করে পদদলিত করে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত হিসেবে অভিযোগে মো. লেবু মিয়া, মো. বেলাল মিয়া, মো. আব্দুল লতিফ, মো. কবেল মিয়া, মো. ফারুক, মো. রানা মিয়া, মো. তামিম মিয়া, মো. মোজাম্মেল হক ও মো. হাসিবসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম মইনুল ইসলাম বলেন, পার্টি অফিসে বৈঠক চলাকালে হঠাৎ করে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা চালানো হয়। নেতাকর্মীদের মারধর করা হয়েছে এবং কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানান।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক বলেন, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।