শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪ | ২৮ আষাঢ় ১৪৩১
Dhaka Prokash

মনোনয়ন দেয়ার জন্য প্রার্থীদের থেকে ৩০০ কোটি টাকা দাবি করতেন হানিফ মিয়া

প্রতারক আবু হানিফ তুষার ওরফে হানিফ মিয়া (মাঝে)

নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের নিকটাত্মীয় পরিচয় দিয়ে মনোনয়ন দেয়ার জন্য প্রার্থীদের থেকে ৫০ থেকে ৩০০ কোটি টাকা পর্যন্ত দাবি করতেন হানিফ মিয়া নামের এক প্রতারক।

মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে হানিফ মিয়া নামের এই প্রতারককে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এ সময় তার কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র, অ্যামুনেশন, গাড়ি ও বিভিন্ন ভিডিও এবং এডিট করা ছবি উদ্ধার করা হয়। তার বাড়ি বাহ্মণবাড়িয়ার কসবা এলাকায়।

দেশের বিভিন্ন সংসদীয় আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তথ্য সংগ্রহ করেন আবু হানিফ তুষার ওরফে হানিফ মিয়া (৩৯)। এর মধ্যে যাদের মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম, তাদেরকে টার্গেট করা হতো। পরে নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের নিকটাত্মীয় পরিচয় দিয়ে মনোনয়ন পাওয়ার জন্য তাদের কাছে ৫০ থেকে ৩০০ কোটি টাকা পর্যন্ত দাবি করতেন। কোনো প্রার্থীর সঙ্গে দেখা করার প্রয়োজন হলে ফাইভ স্টার হোটেলে ডাকতেন। এ সময় দামী গাড়িতে করে সেখানে যেতেন। ইতোমধ্যে মনোনয়ন পেতে ১০-১১ জন তার সঙ্গে যোগাযোগও করেছেন।

বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

গণভবনে প্রতারক হানিফ মিয়া

 

র‌্যাব জানায়, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়নসহ পদোন্নতির আশ্বাস দিয়ে সরকারি কর্মকর্তার কাছে মোটা অংকের অর্থ দাবি করতেন ওই ব্যক্তি। এর পাশাপাশি সরকারি চাকরি, রাজনৈতিক দলের পদ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এ পর্যন্ত প্রতারণার মাধ্যমে ৩০ জনকে চাকরি পাইয়ে দেওয়াসহ প্রতারণার মাধ্যমে পাঁচ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, আবু হানিফ দীর্ঘদিন ধরে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের নিকটাত্মীয় হিসেবে মিথ্যা পরিচয় ও সুসম্পর্কের কথা বলে বিভিন্ন ধরণের প্রতারণা করছিলেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের বিভিন্ন সংসদীয় আসনে মনোনয়ন প্রাপ্তির মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ দাবি করছিলেন। এ ছাড়াও আবু হানিফ বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা আত্মসাৎ করেন।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিভিন্ন অ্যাপস থেকে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্য সেজে পদে পদায়ন ও পদোন্নতি, সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়া সংক্রান্ত ও বিভিন্ন অংকের অর্থ দাবি সংক্রান্ত বার্তা নিজেরাই নিজ চক্রের সদস্যদের সঙ্গে আদান-প্রদান করতেন। বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিজের ছবি এডিট করে বসাতেন এবং নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে বলে মিথ্যা দাবি করে তা টার্গেট করা ব্যক্তিকে পাঠাতেন। সে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে ছবি তুলে তার টার্গেট করা ব্যক্তিকে দেখাতেন।

খন্দকার আল মঈন বলেন, আবু হানিফ এইচএসসি পাশ হলেও তিনি একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন বলে মিথ্যা পরিচয় দিতেন। ২০০৮ সালে মটরপার্টস এর ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হয়। পরিবহন সেক্টরে দেশের বিভিন্ন রুটে তুষার এন্টারপ্রাইজ পরিবহন নামে তার বেশ কয়েকটি বাস ও নিজের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য প্রাইভেট কার রয়েছে। তিনি ঢাকার নাখালপাড়া এবং ধানমন্ডি এলাকায় দলীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছে বলে মিথ্যা প্রচার-প্রচারণা চালাতেন।

র‌্যাব জানায়, ২০১৪ সালের পর থেকে একজন সুপরিচিত রাজনীতিবিদের ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রতারণার শুরু করেন হানিফ মিয়া। তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে কৌশলে রাজনৈতিবিদ, উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে নিজের মিথ্যা পরিচয় দিয়ে পরিচিত হয়। পরে সুসম্পর্ক তৈরি করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অফিস বা কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে ছবি তোলে এবং প্রতারণার কাজে এই ছবিগুলো ব্যবহার করতেন। ২০১৫ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুক একাউন্ট খোলেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে, অনুষ্ঠান, সেমিনারে অংশগ্রহণ এবং দেশের বাইরে বিভিন্ন সময় ভ্রমণ করে ছবি তুলে তা ফেসবুকে আপলোডের মাধ্যমে তার ফেইসবুক একাউন্ট এর পরিচিতি ও দেশে-বিদেশে তার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর চেষ্টা করেন।

এ ছাড়া ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন অনুষ্ঠান স্পন্সর করে বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সান্নিধ্যে আসা, প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ জমি ও সম্পত্তির মালিক হওয়া, সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকায় তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক সংক্রান্ত বিষয়ে একাধিক মামলা রয়েছে এবং ওই মামলায় একাধিকবার কারাভোগও করেছেন এই প্রতারক।

এক প্রশ্নের জবাবে র‍্যাবের মুখপাত্র বলেন, বিভিন্ন তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আমরা জানতে পেরেছি ১০-১২ জনকে মনোনয়ন পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন হানিফ। প্রধানমন্ত্রীর নিকটাত্মীয়ের কথা বলে মিথ্যা অপপ্রচার করতেন তিনি। ২০১৫ সালে হানিফ যে ব্যক্তির পিএস হিসেবে কাজ করতেন তাকেও মনোনয়ন পাইয়ে দেওয়ার কথা বলেন। তিনি এভাবে মনোনয়ন পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

দীর্ঘদিন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় চলাফেরা ও তাদের সঙ্গে ছবি রয়েছে এ বিষয়ে র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আশেপাশে যে ছবিগুলো রয়েছে সেগুলো এডিট করা হয়েছে বলে হানিফ স্বীকার করেছেন। নিজেকে বিশ্বাসযোগ্য করতে এগুলো তৈরি করেছেন। এই এডিট ছবিগুলো দেখিয়ে তিনি অনেকের সন্নিকটে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। এই ছবিগুলো দেখিয়ে ও প্রধানমন্ত্রীর নিকটাত্মীয়র কথা বলে কার্যালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয়। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তিনি অভিনব কৌশল অবলম্বন করে পরিচিত হন। কোনো কোনো টিভি চ্যানেলেও তিনি গিয়েছেন। এভাবে তিনি বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের সঙ্গে প্রতারণার করেছেন। আরও যারা এ ধরনের প্রতারণা করছেন তাদের বিরুদ্ধে র‍্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে

 

Header Ad

ফেসবুকের প্রেমে চার সন্তান রেখে পালিয়ে যায় প্রবাসীর স্ত্রী

পরকীয়া প্রেমিকা আমেনা বেগম বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশ উদ্ধার করে। ছবি: সংগৃহীত

প্রেম মানে না কোনো বাধা কিংবা বয়স। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয় হয় এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আরেক প্রবাসী যুবকের। তাদের মধ্যে দিন দিন সম্পর্ক এতটাই গভীর হয় যে একে অন্যের সঙ্গে পালিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নেন।

জানা যায়, কুমিল্লার বড়ুয়া থানার ভহিষখোলা গ্রাম থেকে প্রেম করে পালিয়ে আসা প্রবাসীর স্ত্রী পরকীয়া প্রেমিকা আমেনা বেগমকে (৩৪) ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশ আমজানখোর ইউনিয়নের কালিবাড়ী গ্রাম থেকে শুক্রবার (১২ জুলাই) ভোর সাড়ে ৫টায় উদ্ধার করেছে।

জানা গেছে, ঘরে তার ১৮, ১৫, ১২ ও ৮ বছরের চার সন্তান রয়েছে। স্বামী থাকেন প্রবাসে। কমিল্লা সদরের বাসিন্দা সৌদি আরবপ্রবাসী স্বামী আলমগীর হোসেন তার আয়ের সবটুকু দেশে পাঠাতেন স্ত্রী আমেনা বেগমের কাছে। কুমিল্লার বড়ুয়া থানার ভহিষখোলা গ্রামের আবুল কালাম ভূইয়া মেয়ে স্ত্রী আমেনা বেগম তার স্বামী আলমগীর হোসেন সৌদি আরব প্রবাসে থাকার সুবাদে ফেসবুকে সম্পর্ক গড়ে তোলেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম গ্রামের দুবাইপ্রবাসী দেশে ফেরত এক সন্তানের জনক ‍যুবক শাকিল আলীর সাথে।

দিন যায় মাস যায়- তাদের সম্পর্ক আরো গভীর হতে থাকে। আমেনা বেগম একসময় সিদ্ধান্ত নেন তার প্রেমিকের কাছে চলে যাবেন। কথা অনুযায়ী বাসার স্বর্ণালঙ্কার কাপড় ভরে নিয়ে গত ৭ জুলাই চলে যান পরকীয়া প্রেমিক শাকিল আলীর কাছে।

এরপর আমেনা বেগম তার প্রবাসী স্বামী আলমগীরকে নোটারি পাবলিক ক্লাব ও কাজী অফিসের নিকাহ তালাক রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে একতরফা তালাক প্রদান করে তিনি তার স্বামীকে মুক্ত করে দেন। পরে দুবাইয়ে প্রবাসী দেশে ফেরত এক সন্তানের জনক শাকিল আলীর সাথে কাজীর কাছে বিবাহের কাবিননামা রেজিষ্ট্রেশন করেন।

জানা যায়, বিয়ের পর শাকিল আলী তার পরকীয়া প্রেমিকা আমেনা বেগমকে পালিয়ে নিয়ে আসেন ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের কালিতলা গ্রামে। সেখানে অবস্থান করতে থাকলে এরই মাঝে আমেনা বেগমের বাবা আবুল কালাম ভূইয়া মেয়ে নিখোঁজের ঘটনায় গত ৮ জুলাই কুমিল্লা দক্ষিণ সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করে। যার জিডি নং- ৪৭৩।

সাধারণ ডাইরি মূলে পুলিশ মোবাইল ফোনের তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশের কাছে সহযোগিতা চায়। এই প্রেক্ষাপটে বালিয়াডাঙ্গী থানার তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা এসআই শামীম হোসেন ও তার সঙ্গীয় ফোর্সসহ শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টায় উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের কালিতলা গ্রামে অভিযান চালিয়ে আমেনা বেগমকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পরকীয়া প্রেমিক দুবাইপ্রবাসী শাকিল আলী পালিয়ে যান।

পুলিশ আমেনা বেগমকে থানায় নিয়ে আসার পর তার বাবা আবুল কালাম ভূইয়াকে মেয়ে উদ্ধারের বিষয়টি জানানো হলে তিনি থানায় এলে এসময় পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আমেনা বেগম বিষয়টি প্রকাশ করেন। পরে পুলিশ আমেনা বেগমকে তার বাবার জিম্মায় দিলে তিনি মেয়েকে নিয়ে যান।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আবুল কালাম ভূইয়ার মেয়ে আমেনা বেগমের সাথে ২০ বছর আগে আলমগীর হোসেনের বিয়ে হয়। ঘর সংসার করাকালে তাদের চার সন্তান হয়।

বালিয়াডাঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ফিরোজ কবির জানান, আমজানখোর ইউনিয়নের কালিতলা গ্রাম থেকে পরকীয়া প্রেমিকাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এরপর তার পরিবারকে জানানো হলে তার বাবা থানায় এসে তার মেয়েকে নিজ জিম্মায় নিয়ে যান।

মিয়ানমারকে ধ্বংসের চেষ্টায় নেমেছে জান্তা : জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

ফাইল ছবি

ক্ষমতা দখলের পর থেকে দেশজুড়ে বিশৃঙ্খলা এবং গত প্রায় আড়াই বছরে বিভিন্ন সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সংঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার জান্তা বাহিনী এখন মিয়ানমার রাষ্ট্রকে ধ্বংসের চেষ্টা শুরু করেছে। জাতিসংঘের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত টম অ্যান্ড্রুজ এ সতর্কবার্তা দিয়েছেন। -এএফপি

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে মিয়ানমারের হালনাগাদ পরিস্থিতি তুলে ধরতে গিয়ে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘(মিয়ানমারের) জান্তা এখন ব্যাপক চাপে রয়েছে। তারা জনবল, সামরিক সরঞ্জাম এমনকি ভূখণ্ডের ওপর নিয়ন্ত্রণও হারাচ্ছে; কিন্তু তারপরও নমনীয় হচ্ছে না। ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়া তো দূর, বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে আপস রফাতেও যাচ্ছে না।’

‘আবার বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর হামলাও প্রতিহত করতে পারছে না। গত প্রায় ১০ মাস ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জান্তা বাহিনী এবং তাদের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো। এসব হামলার জবাবে জান্তা বাহিনী যেসব পাল্টা হামলা চালাচ্ছে, তাতে মারা যাচ্ছে মূলত বেসামরিক লোকজন।’

‘যদি এই অবস্থা চলতে থাকে, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে মিয়ানমার নামে কোনো একক রাষ্ট্রের অস্তিত্ব আর থাকবে না। এ ব্যাপারটি জান্তাও বুঝতে পারছে; কিন্তু তারপরও তারা শান্তি স্থাপনে উদ্যোগ নিচ্ছে না। তাদের এই ভূমিকা মিয়ানমারের জন্য ধ্বংস ডেকে আনবে।’

আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে বরদাশত করা হবে না: ডিএমপি

ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান। ফাইল ছবি

চলমান কোটাবিরোধী আন্দোলন নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, আদালতের আদেশ মেনে চলার জন্য বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গজনিত কোনো কার্যক্রম কেউ যদি করে, তবে সেটি বরদাশত করা হবে না।

শুক্রবার (১২ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ক্যাব চত্বরে আয়োজিত ‘ওয়ালটন-ক্র্যাব স্পোর্টস ফেস্টিভ্যাল-২০২৪ ও ফল উৎসব’ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের ওপর এক মাসের স্থিতাবস্থা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির বিষয়টি আদালতের। আদালতের প্রতি সবার আস্থা রাখা ও শ্রদ্ধা-সম্মান থাকা উচিত। আদালতের আদেশ মেনে চলার জন্য বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেটি সবার মেনে চলা উচিত বলে আমি মনে করি। হাবিবুর রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গজনিত কোনো কার্যক্রম কেউ যদি করে, তবে সেটি বরদাশত করা হবে না।

ক্র্যাব সভাপতি কামরুজ্জামান খান বৈরী আবহাওয়া ও জলাবদ্ধতা উপেক্ষা করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ায় সব সাংবাদিক ও অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। একইসঙ্গে স্পোর্টস ফেস্টিভ্যালে স্পন্সর করায় ওয়ালটনকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

সর্বশেষ সংবাদ

ফেসবুকের প্রেমে চার সন্তান রেখে পালিয়ে যায় প্রবাসীর স্ত্রী
মিয়ানমারকে ধ্বংসের চেষ্টায় নেমেছে জান্তা : জাতিসংঘের সতর্কবার্তা
আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে বরদাশত করা হবে না: ডিএমপি
প্রবাসী ছোট ভাইয়ের মরদেহ আনতে গিয়ে বড় ভাইয়ের মৃত্যু
নেপালে ভূমিধসে যাত্রীবাহী দুই বাস নদীতে, নিখোঁজ ৬০
জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করছে ডিএনসিসির ৫ হাজার কর্মী
স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রেতাত্মারা কোটা আন্দোলনের নামে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত: আইনমন্ত্রী
পানির নিচে ঢাকার সড়ক ও অলি-গলি, সময় নিয়ে বেরোতে বলছে ডিএমপি
বিকেলে কোটা আন্দোলনকারীদের দেশব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ
আবারও ভয়ঙ্কর রূপে করোনা, সপ্তাহে মৃত্যু ১৭০০ মানুষের
ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের ক্রীড়া সাংবাদিক সাইদ সাদীর একক চিত্র প্রদর্শনী
১০১ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করলেন লেগ স্পিনার রিশাদ
অনন্ত-রাধিকার বিয়েতে চাঁদের হাট, অতিথি থাকছেন যারা
৬ দশমিক ৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল কানাডা
ছুটির সকালে ঢাকা ভিজছে বৃষ্টিতে, রাস্তায় পানি জমে ভোগান্তি
বাবার সাথে জমিতে হাল চাষের সময় বজ্রপাতে প্রাণ গেল ছেলের
আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়া ফাইনালে ব্রাজিলের ৫ রেফারি
পটিয়ায় ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মা-ছেলেসহ নিহত ৪
কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে জানালা ভেঙে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা
উত্তাল শাহবাগ চত্বর থেকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা কোটাবিরোধীদের