বুধবার, ২৯ মে ২০২৪ | ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
Dhaka Prokash

মামলা করেও ঠেকানো যাচ্ছে না টয়লেট্রিজ পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি

দেশে বহুল ব্যবহৃত ট্রয়লেটিজ পণ্যের দাম এখন নিয়ন্ত্রণহীন। কাঁচামালের দাম বাড়ছে এই অজুহাতে দেশের বাজারে প্রতি মাসেই বাড়ছে সাবান, শ্যাম্পু, গুড়া সাবান, কাপড় কাচার সাবানসহ এসব সামগ্রির দাম। নিত্য ব্যবহার্য এসব পণ্যের বাজারের উপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।

নিত্যব্যবহার্য এসব পণ্যের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির কারণে গত বছরের সেপ্টম্বর মাসে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন এসব পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান বহুজাতিক কোম্পানি ইউনিলিভারসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করে। ওই মামলার পরও পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে থেমে নেই প্রতিষ্ঠানগুলো। যদিও সেই মামলার কোনো সুরাহা হয়নি এখনো।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ইউনিলিভারের বাজারজাত করা ১২০ টাকার হুইল গুঁড়া সাবানের দাম এখন ১৪৫ টাকা। ৫০ টাকার ১০০ গ্রামের লাক্স সাবান বর্তমানে ৬০ টাকা। ৮৫ টাকার ১ কেজির রিন ডিটাজেন্ট পাওডার সাবান ২০০ টাকা ও ৫০০ গ্রাম ৯৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। যা আগে কম ছিল। ৩৫ টাকার ভিমবার ৪০ টাকা। ছোট মিনিপ্যাক শ্যাম্পুর দাম ২ টাকা ঠিক থাকলেও পরিমাণ কমানো হয়েছে। ৪৫ গ্রামের ক্লোজআপ পেস্ট আগে ৪৫ টাকা বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা। বড় ক্লোজ আপ (১০০মিলি) ১২০ টাকা থেকে বেড়ে করা হয়েছে ১৫০ টাকা।

শুধু এই কোম্পানি নয়, অন্যান্য প্রায় সকল কোম্পানি তাদের পণ্যের দাম বাড়িয়েছে অস্বাভাবিকভাবে।

মোহাম্মদপুরের ফিউচার টাউন হাউজিংয়ের আল আমিন এন্টারপ্রাইজের মোহাম্মদ আলী ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ইউনিলিভারের সব জিনিসের দাম প্রতি নিয়ত বাড়ছে। এক, দুই টাকা নয়, কোনো কোনো জিনিসের দাম ১০ টাকা থেকে শুরু করে, ২০, ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

মোহাম্মদপুর টাউনহল মার্কেটের মনির স্টোরের আনোয়ার ও নিউ হক স্টোরের রাজন ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, কিছুদিন পর পর ইউনিলিভার, এসিআইসহ বিভিন্ন কোম্পানি তাদের পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে। এ কারণে আমাদেরকেও বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। তারা আরও বলেন, ‘আগে যে হইল সাবান ২৫ টাকায় পাওয়া যেত সেটি এখন ৩২ টাকা হয়ে গেছে। ৫৫ টাকার বড় লাক্স ৭৫ টাকা, ৩৫ টাকার ভিমবার ৪০ টাকা, ৯২ টাকার হুইল ১৪২ টাকা, ২১০ টাকার সার্ফএক্সএল ২৮০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এসব পণ্যের দাম বাড়লেও দেখার কেউ নেই বলে অভিযোগ করেন এই দুই ব্যবসায়ী।'

টাইনহল বাজারে কথা হয় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত জসিম নামে এক ক্রেতার সঙ্গে। তিনি ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, এভাবে চলা যায় না। দেখা যাচ্ছে গত সপ্তাহে যে দামে সাবান, ডিটারজেন্ট পাওডার কিনেছি, আজকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। এভাবে আর কতকাল চলব। জুয়েল নামে অপর এক ক্রেতা বলেন, যুদ্ধের অজুহাতে ইউনিলিভারসহ অন্যান্য কোম্পানি সব পণ্যের দাম প্রতিনিয়ত বাড়াচ্ছে। কিন্তু আমাদের বেতন তো বাড়েনি।

কারওয়ান বাজারের আলি স্টোরের আলি হোসেন ও আল্লাহর দান জেনারেল স্টোরের শাহ আলমও বলেন, ‘বিভিন্ন পণ্যের দাম বৃদ্ধি হুহু করে বাড়ছে। ইউনিলিভারসহ অন্যান্য কোম্পানির সব পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। আমাদের কি করার আছে।

সাবান, শ্যাম্পু, গুঁড়া সাবানসহ বিভিন্ন নিত্য পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে বাধ্য হয়ে ইউনিলিভার, এসিআই লিমিটেড, স্কয়ার গ্রুপ, কোহিনুর কেমিক্যাল কোম্পানি (তিব্বত), কেয়া গ্রুপের বিরুদ্ধে মামলা করে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন। ওই সময়ে তাদের শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। কিন্তু দাম বৃদ্ধির ব্যাপারে অভিযুক্ত কোম্পানিগুলো সঠিক জবাব দিতে পারেনি। এখনো সে সব মামলার চূড়ান্ত নিস্পত্তি হয়নি।

সাবান, শ্যাম্পুর মত নিত্যব্যবহার্য পণ্যের দাম প্রতিযোগিতা করে বাড়ার কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। অতিরিক্ত টাকা গুণতে গুণতে তারা রীতিমতো নাজেহাল।

এদিকে, প্রতিযোগিতা কমিশনে মামলার নিস্পত্তি না হলেও প্রায় পণ্যের দাম নিয়মিত বৃদ্ধির বিষয়ে জানতে চাইলে কমিশনের চেয়ারম্যান প্রদীব রঞ্জন চক্রবর্তী ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ইউনিলিভার বেশি দামে পণ্য বিক্রি করায় মামলা হয়েছে। শুনানিও হয়েছে। তাদের কাছে কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনো মামলা নিস্পত্তি হয়নি।

এদিকে, ইউনিলিভারসহ অন্যান্য কোম্পানি তাদের সকল পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি করায় জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কাছেও অভিযোগ আসে গত বছরের সেপ্টেম্বরে।বাধ্য হয়ে ইউনিলিভার ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে তলব করা হয়। তাদেরকে চিঠি দিয়ে সাবান, ডিটারজেন্ট, পেস্ট, লিকুইড ক্লিনারসহ বিভিন্ন পণ্যের মূ্ল্যের ব্যাপারে জানতে চওয়া হয়।

এনএইচবি/এমএমএ/

Header Ad

পেটে গজ রেখেই সেলাই, মারা গেছেন সেই সুমি

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

নওগাঁয় এক প্রসূতির সিজারের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও পেটে গজ রেখেই সেলাই করে দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুই বার আইসিইউতে নিবির পর্যক্ষেনে থাকার পর মঙ্গলবার (২৮ মে) সকাল ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সেই প্রসূতি নারী সুমি খাতুন (৩৫)। মৃত্যূর খবর জানার পর সুমির পরিবারে ও গ্রামে বইছে শোকের মাতম। এমন মৃত্যূ কিছুতেই মেনে নিতে পারছেনা গৃহবধূ সুমির পরিবার।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত ডাক্তার ও ক্লিনিক মালিকের বিচার দাবি করেছেন পরিবার ও প্রতিবেশি স্বজনরা।

এ বিষয়ে গত ২০ মে ‘পেটে গজ রেখেই সেলাই, আইসিইউতে’ শিরোনামে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে টনক নড়ে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের। তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও এখনও প্রতিবেদন দাখিল করা হয়নি। এর মাঝেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন সুমি।

সুমির পরিবার ও ক্লিনিক সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ মে সকালে প্রসবব্যথা শুরু হলে নওগাঁ শহরের হাসপাতাল রোড এলাকায় অবস্থিত একতা ক্লিনিকে নেয়া হয় ওই প্রসূতি নারীকে। সেখানে ওই দিনই সিজার করান প্রসূতি বিদ্যা ও স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ সার্জন ডাক্তার তানিয়া রহমান তনি। সিজারের জন্য জেনারেল অ্যানেস্থেসিয়া প্রয়োগ করেন ডাক্তার তানিয়ার স্বামী নওগাঁ সদর হাসপাতালের অ্যানেসথেসিওলজিস্ট ডাক্তার আদনান ফারুক। সিজারের পরই ওই সুমি তার পেটে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন এবং প্রচুর পরিমাণে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। ডাক্তার তানিয়া ক্লিনিকের মার্কেটিং অফিসার আব্দুর রউফকে দিয়ে দ্রুত রোগীর পেটে সেলাই করিয়ে নেয়। তার পর রাত ১০টার দিকে রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয় সুমিকে। হাসপাতালে নেয়ার পর রাতেই পরিক্ষা করে জানা যায় সুমির পেটে বাড়তি কিছু একটা জিনিস রয়েছে। সেই সাথে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয় আর সেটার জন্য তাকে পর দিন বৃহস্পতিবার সকালে পরিবারের সম্মতিতে ফের অপারেশন করা হয়। এর ১৩দিন পর আজ মঙ্গলবার সকালে মারা যায় সুমি। সুমির এমন মৃত্যুতে শোকের মেছে এসেছে জেলার আত্রাই উপজেলার সন্নাসবাড়ী গ্রামে। সুমির এমন মৃত্যূ কিছুতেই মেনে নিতে পারছেনা স্থানীয় প্রতিবেশিরারও।

স্থানীয় প্রতিবেশী ফারজানা খাতুন ও খালেদ বিন ফিরোজ বলেন, পেটে ব্যাথা উঠলো ভর্তি করা হলো সিজারের জন্য। আস্থা ও ভরসা নিয়েই তো ক্লিনিকে ডাক্তার কাছে যায় রোগী। কিন্তু একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেলো। সিজার করার কারনে কিভাবে প্রসূতি মারা যায়। অবশ্যই ভুল অপারেশন বা ভুল চিকিৎসা হয়েছে। নইলে কেন উন্নত চিকিৎসার জন্য নওগাঁ থেকে রাজশাহীতে রেফার করা হলো। আর কত মানুষ অপ-চিকিৎসার কারনে মারা যাবে। মাঝে মাঝে আমরা শুনতে পাই নওগাঁয় ভুল চিকিৎসার কারনে রোগীর মৃত্যুর ঘটনা। দ্রুত বিচারের আওতায় নিয়ে আসা হোক এসব ডাক্তার ও ক্লিনিক মালিকদের।

সুমি খাতুনের খালা ফাহিমা বেগম বলেন, আমার ভাগিনীকে ভুল চিকিৎসা দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। তিনটি বাচ্চার এখন কি হবে। সদ্যজাত সন্তান তো পৃথিবীর আলো দেখার পরই মাকে হারিয়ে ফেললো। ভুল সিজারের কারনেই সুমির মৃত্যু হয়েছে। জড়িত সবার কঠিন শাস্তি চাই আমরা।

সুমির খাতুনের মা রহিমা বেগম বেগম বলেন, অভিযুক্তরা তাদের লোকজনের মাধ্যমে টাকার অফার দিয়ে ঘটনাটি ধামাচাঁপা দেয়ার চেষ্টা করেছিল। আমরা তাতে রাজি হইনি। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ডাক্তাররা যখন প্রথমে সুমিকে দেখেছিল তখনই বলেছিল এই রোগীর অবস্থা খুব খারাপ নওগাঁতে প্রোপার ভাবে সিজারিয়ান করা হয়নি। তার পর যখন সেখানে অপারেশন করলো তখন ডাক্তাররা জানাই সুমির অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও পেটে সামান্য গজ ছিল। যার কারনে শারীরিক অবস্থা ভালো ছিলনা। দুই বার আইসিইউতে নেওয়ার পরও আমার মেয়েটাকে বাঁচানো গেলনা। আমার মেয়েটাকে নওগাঁর একতা ক্লিনিকে গরুকে সেলাই করার মত পায়ের হাঁটুর উপর উঠে সেলাই করেছিল। সব কিছুই তাদের ভুল চিকিৎসা ছিল। ওই ডাক্তার তানিয়াকে কাছে পেলে তার হাঁটুর উপর উঠে ওভাবেই সেলাই করে দিতাম। অভিযুক্ত ডাক্তার, ক্লিনিক মালিক ও এর সাথে জড়িতদের দ্রুত বিচার দাবি করছি। আর যেন আমার সুমির মত কারো ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু না হয়।

অভিযুক্ত ডাক্তার তানিয়া রহমান তনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কোন কথা বলতে চাইনা। প্রয়োজনে ডাক্তারদের সংগঠন বা সিভিল সার্জন এর সাথে কথা বলতে পারেন। আমার যা বলার আমি কিছুদিন আগে সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়ে দিয়েছি। আর রাজশাহীতে সুমিকে নিয়ে যাওয়ার পর কি হয়েছে সে বিষয়ে আমি অবগত নয়।

এ প্রসঙ্গে কথা হলে সিভিল সার্জন মো. নজরুল ইসলাম ঢাকাপ্রকাশকে বলেন,‘তদন্ত কমিটি দুইটি গঠন করা হয়েছে ‘স্থানীয় তদন্ত কমিটি' ও রাজশাহী বিভাগীয় তদন্ত কমিটি। স্থানীয় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রস্তুত হয়েছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) পরিচালকের তদন্ত প্রতিবেদন পেলেই দুইটা মিলে ভূল কার নিশ্চিত হওয়া যাবে। সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।’

বগুড়ায় সোনালী ব্যাংক ডাকাতির চেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

বগুড়ার শিবগঞ্জ সোনালী ব্যাংক শাখায় আনসার সদস্য ও নৈশ প্রহরীর হাত-পা বেঁধে ডাকাতির চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৭ মে) দিবাগত রাতে শিবগঞ্জ বন্দরে সোনালি ব্যাংকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আনসার ও নৈশ প্রহরীর মোবাইল ও টাকা ছিনতাই করে তারা।

সোনালী ব্যাংক শিবগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক শাহাদত হোসেন সিরাজী জানান, সোমবার রাতে ঝড়বৃষ্টির মধ্যে এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় ৮/১০ জনের মুখোশধারী সংঘবদ্ধ ডাকাতদল প্রথমে ব্যাংকের নৈশ প্রহরী আব্দুর রহমান এর হাত, পা, মুখ, বেঁধে পার্শ্ববর্তী বি, আর, ডি, সি অফিস চত্বরে বেঁধে রাখে। পরে ডাকাতদল সোনালী ব্যাংকের প্রধান ২ টি দরজার তালা ভেঙ্গে ২য় তলায় প্রবেশ করে। ব্যাংকের দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য নয়ন হোসেন ও ফরহাদ হোসেন এর হাত-পা ও মুখ বেঁধে ব্যাংকের স্টর রুমের হুইল ভেঙ্গে ভোল্ট রুমে প্রবেশ করতে গেলে ব্যর্থ হয়। পরে তাঁরা ২জন আনসার সদস্যর মোবাইল ও তাঁদের কাছে থাকা ২ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ-সোনাতলা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার তানভীর হাসান জানান, একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল ব্যাংকে ডাকাতির চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়। এ ঘটনায় ব্যাংকের কোন টাকা ডাকাত দল নিয়ে যেতে পারেনি। এ ঘটনায় আজ শিবগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-কন্যাকে দুদকে তলব

ছবি: সংগৃহীত

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-কন্যাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আগামী ৬ জুন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে তলব করেছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (২৮ মে) এ তথ্য জানিয়েছে দুদক। এর আগে, বেনজীর আহমেদকে জিজ্ঞাসাবাদের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। শিগগিরই তাকে তলবের নোটিশ পাঠানো হবে বলেও জানায় সংস্থাটি।

দুদক কমিশনার (তদন্ত) মো. জহুরুল হক বলেন, এ বিষয়ে বেনজীর আহমেদের বক্তব্য শুনতে হবে। তার সম্পত্তির বৈধতাও থাকতে পারে। যদি তিনি বৈধতার বিষয়টি প্রমাণ করতে পারে, তাহলে সম্পত্তি ফিরে পাবে। এ সময় কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ না করে অ্যাকশন নেয়া হবে না বলেও জানান তিনি।

দুদক কমিশনার (তদন্ত) মো. জহুরুল হক আরও বলেন, বেনজির আহমেদের সম্পত্তির উৎস কোথায় তা তদন্ত করা হবে। যদি বৈধ উৎস হয়, তাহলে তিনি সম্পত্তি ফিরে পাবে, অন্যথায় রাষ্ট্র বিধি মোতাবেক তা বাজেয়াপ্ত করবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৩ মে বেনজীর আহমেদের ৮৩টি দলিলের সম্পত্তি ও ২৭টি ব্যাংকের ৩৩টি আকাউন্ট জব্দের (ক্রোক) নির্দেশ দেয় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত। পরে ২৬ মে একই আদালত তিনি ও তার স্ত্রী এবং তিন সন্তানের আরও ১১৯টি স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি জব্দেরও নির্দেশ দেন।

এর আগে, গত ২৫ এপ্রিল বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের নগদ অর্থের তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে চিঠি দেয় দুদক। এছাড়া, এফডিআর, সঞ্চয়পত্রসহ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য চেয়ে জয়েন্ট স্টক, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসসহ সরকারের বিভিন্ন দফতরেও চিঠি দেয় সংস্থাটি।

এদিকে, বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের নামে থাকা বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট (বিও) স্থগিত করার নির্দেশও দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইজিপি ছিলেন। এর আগে, তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার ও র‍্যাবের মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে র‍্যাব এবং র‍্যাবের সাবেক ও বর্তমান যে সাত কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দেয়, তাদের মধ্যে বেনজীর আহমেদের নামও ছিল। তখন তিনি আইজিপির দায়িত্বে ছিলেন।

সর্বশেষ সংবাদ

পেটে গজ রেখেই সেলাই, মারা গেছেন সেই সুমি
বগুড়ায় সোনালী ব্যাংক ডাকাতির চেষ্টা
বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-কন্যাকে দুদকে তলব
কোনো অপরাধী শাস্তি ছাড়া পার পাবে না : সাবেক সেনাপ্রধান ও বেনজির প্রসঙ্গে কাদের
এমপি আনারের ৪ কেজি মাংস উদ্ধার
খালের পাড়ে বসছে সিসি ক্যামেরা, ময়লা ফেললেই আইনি ব্যবস্থা
চুয়াডাঙ্গায় ইউপি চেয়ারম্যানকে কুপিয়ে জখম
বিরামপুরে দুর্নীতি প্রতিরোধে স্কুল পর্যায়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ঘূর্ণিঝড় রেমালের ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শনে পটুয়াখালী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিল স্পেন ও নরওয়ে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪-এর অজানা সব খবর
ঢাকা সফরে আসছেন আইএমও’র মহাসচিব
বেনজিরকে গ্রেফতারে আইনী কোন বাধা নেই: দুদক আইনজীবী
মানি লন্ডারিং: বেসিকের বাচ্চুসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
আমি রেকর্ডের পেছনে ছুটি না, রেকর্ডই আমার পেছনে ছোটে: রোনালদো
তরুণরা তামাকের পেছনে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করেন
বকেয়া বেতনের দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ
স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্বই থাকবে না: সৌদি
বিয়ের ১২ দিন পর জানলেন স্ত্রী একজন পুরুষ
ঘূর্ণিঝড়ে উদ্ধার কাজের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ফায়ারফাইটারের মৃত্যু