বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪ | ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
Dhaka Prokash

সামিয়া রহমানের বিরুদ্ধে ঢাবি কর্তৃপক্ষের আবেদন অকার্যকর ঘোষণা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের শিক্ষিকা সামিয়া রহমান। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের শিক্ষিকা সামিয়া রহমানের পদাবনতির সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিভিল পিটিশন অকার্যকর ঘোষণা করেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে তার পদাবনতির সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ঢাবি কর্তৃপক্ষের সিভিল পিটিশন অকার্যকর ঘোষণা করেছেন আপিল বিভাগ।

রবিবার (২৬ মে) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগের বিচারপতির বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে এদিন সামিয়া রহমানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম। আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ড. নাইম আহমেদ।

এ বিষয়ে ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম বলেন, ২০২২ সালের ৪ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষক সামিয়া রহমানকে পদাবনতির আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন হাইকোর্ট। এই রায়ের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সিভিল পিটিশন দায়ের করে। কিন্তু এরই মধ্যে সামিয়া রহমান শিক্ষকতা থেকে অবসর নিয়েছেন। এ কারণে আপিল বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আবেদন অকার্যকর ঘোষণা করেছেন। এর ফলে হাইকোর্টের রায় বহাল রয়েছে।

এর আগে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমানকে পদাবনতির সিন্ডিকেটের নেওয়া (প্রশাসনিক) সিদ্ধান্ত অবৈধ ও বাতিল করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাকে সব ধরনের বিভাগীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার নির্দেশও দেন আদালত।

২০২১ সালের ৩১ আগস্ট পদাবনতির সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন সামিয়া রহমান। ওই রিটের শুনানি নিয়ে তার পদাবনতির এই সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে একই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।

এরপর ২০২২ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্টের বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ওই রুলের শুনানিতে এ রায় দেন।

এর আগে ২০২১ সালের ২৮ জানুয়ারি ঢাবির সিন্ডিকেট সভায় গবেষণা জালিয়াতির দায়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিয়া রহমানের পদাবনতি করে ‘সহকারী অধ্যাপক’ করা হয়।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০১৬ সালের ২ ডিসেম্বর সামিয়া রহমান ও অপরাধবিজ্ঞান (ক্রিমিনোলজি) বিভাগের প্রভাষক সৈয়দ মাহফুজুল হক মারজানের 'A new dimension of Colonialism and Pop Culture : A Case Study of the Cultural Imperialism' নামের আট পৃষ্ঠার একটি গবেষণা প্রবন্ধ সোশ্যাল সাইন্স রিভিউ জার্নালে প্রকাশিত হয়, যা ১৯৮২ সালে শিকাগো জার্নালে প্রকাশিত মিশেল ফুকোর 'Subject and Power' প্রবন্ধ থেকে প্রায় পাঁচ পৃষ্ঠা হুবহু নকল করা।

২০১৭ সালে এক লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এ চুরির অভিযোগের কথা জানিয়েছে ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেস। ওই অভিযোগের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরিন আহমেদকে প্রধান করে দু’টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরে কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশের ভিত্তিতে সিন্ডিকেট তার পদাবনতির সিদ্ধান্ত নেয়।

তবে সিন্ডিকেটে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকেই সামিয়া রহমান দাবি করে আসছেন, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাকে ফাঁসানো হয়েছে।

আদালতে ওইদিন সামিয়া রহমানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ড. নাইম আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী। সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারওয়ার আহমেদ পায়েল।

Header Ad

আগের অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছি, বল এখন ইসরাইলের ঘরে: হামাস

ছবি: সংগৃহীত

গাজায় যুদ্ধবিরতির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনায় ‘ইতিবাচক’ সাড়া দিয়ে তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে ‘সুপ্রসস্ত পথ’ খুলে দিয়েছে; কিন্তু ফিলিস্তিনি এই স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীটি বা ইসরাইল একটি চুক্তি করতে প্রকাশ্যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ না হওয়ায় অনিশ্চয়তা রয়েই গেছে।

বুধবার হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ইজ্জত আল-রিশক এক বিবৃতিতে বলেছেন, যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের বিষয়ে তাদের জবাব ‘দায়িত্বপূর্ণ, ঐকান্তিক ও ইতিবাচক’ এবং তা একটি চুক্তির বিষয়ে ‘একটি প্রশস্ত পথ খুলে দিয়েছে’।

আরেক হামাস কর্মকর্তা মঙ্গলবার রয়টার্সকে বলেছেন, একটি যুদ্ধবিরতি অবশ্যই গাজায় শত্রুতার স্থায়ী অবসান, ইসরাইলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, গাজার পুনর্গঠন এবং ইসরাইলের কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মুক্তি নিশ্চিত করবে-সম্মতিপত্রে নিজেদের এ অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছেন তারা। তিনি বলেছেন, আগের অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছি আমরা। বল এখন ইসরাইলের ঘরে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ৩১ মে গাজা যুদ্ধবিরতির বিষয়ে যে রূপরেখা প্রস্তাব করেছেন মঙ্গলবার তাতে আনুষ্ঠানিক সম্মতি দিয়েছে হামাস; কিন্তু ইসরাইল বলছে, হামাসের এই সম্মতি প্রত্যাখ্যানের সমতুল্য যখন হামাসের একজন কর্মকর্তা বলেছেন যে- তারা কেবল তাদের দীর্ঘদিনের দাবিগুলো পুনর্ব্যক্ত করেছেন, প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনায় তা পূরণ হয়নি।

মিসর ও কাতার জানিয়েছে, তারা হামাসের আনুষ্ঠানিক সম্মতিপত্র গ্রহণ করেছে কিন্তু তাতে কী আছে তা প্রকাশ করেনি।

যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইসরাইল তাদের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে, কিন্তু ইসরাইল প্রকাশ্যে এ কথা জানায়নি।

ইসরাইলি এক কর্মকর্তা মঙ্গলবার বলেছেন, তারা মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হামাসের জবাব হাতে পেয়েছেন আর হামাস যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের ‘সব মূল ও সবচেয়ে অর্থপূর্ণ পয়েন্টগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেছে’।

তিনি বলেন, হামাস প্রেসিডেন্ট বাইডেনের উপস্থাপন করা জিম্মি মুক্তির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

এর আগে এক অ-ইসরাইলি কর্মকর্তা জানান, ইসরাইলের সঙ্গে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও রাফাসহ গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের একটি নতুন সময়সীমা প্রস্তাব করেছে হামাস।

বাইডেনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের রূপরেখা নিয়ে সোমবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব তুলেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদের ১৪ সদস্যের ভোটে প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।

এরপরই মঙ্গলবার জাতিসংঘ-সমর্থিত প্রস্তাব মেনে নেওয়ার কথা জানায় হামাস। হামাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সামি আবু জুহরি এদিন রয়টার্সকে বলেন, হামাস যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবনা মেনে নিয়েছে এবং এ প্রস্তাবের খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত। তবে ইসরাইলের এ প্রস্তাব মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করার ভার যুক্তরাষ্ট্রের।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন মঙ্গলবার তেল আবিবে ইসরাইলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ব্লিঙ্কেন হামাসের মন্তব্যকে ‘আশাব্যঞ্জক ইঙ্গিত’ বলে বর্ণনা করে তাদের জবাবের অপেক্ষায় আছেন বলে জানিয়েছিলেন।

আনার হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য ও ছবি প্রকাশ

ছবি: সংগৃহীত

কলকাতার নিউ টাউনের সঞ্জীবা গার্ডেনসের ফ্লাটে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারকে হত্যা করা হয়। ফ্লাটটিতে আনার হত্যা চাঞ্চল্যকর তথ্য ও ভিডিও প্রকাশ হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। আনারকে চেয়ারে বেঁধে রাখা হয়েছে, এমন একটি ছবি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ছবিটিতে দেখা যায় আনারকে চেয়ারে বেঁধে রাখা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, নির্যাতন করার সময় ওই ছবিটি তোলা হয়েছিল। কালো রঙের একটি চেয়ারে বস্ত্রহীনভাবে বসিয়ে কাপড় দিয়ে এমপি আনারের মাথা বেঁধে রাখা হয়েছে এবং সাদা রঙের কাপড় মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

ছবি: সংগৃহীত

ধূসর রঙের একটি গামছা দিয়ে চেয়ারের সঙ্গে তার গলা বরাবর বেঁধে রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও তার দুই হাত রশি দিয়ে চেয়ারের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে।

জিহাদের তথ্যেই জানা যায়, ফ্ল্যাটের বাথরুমে টুকরো টুকরো করে আনারের দেহাংশ ফ্লাশ করে দেওয়া হয়।

এ সময় আনার হত্যায় কারা কারা জড়িত ছিল, কার কী ভূমিকা ছিল, হত্যার পর কীভাবে আনারের দেহ টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলা হয়, সবই স্বীকার করে জিহাদ।

জনগণের ক্ষমতায়নে তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: শ্রম প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

জনগণের ক্ষমতায়নে তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

বুধবার (১২ জুন) রাজধানীর শ্রম ভবন সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত তথ্য অধিকার বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

জনগণের ক্ষমতায়নে তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা গড়ার উদ্দেশ্যে বাঙালির জীবনমান উন্নয়ন, কর্মের স্থিতিশীলতা, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং উন্নয়নের স্থায়ীত্ব নিশ্চিত করতে সব শিল্পকারখানা রাষ্ট্রীয়করণ করেন। এছাড়া তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ নিশ্চিত করা গেলে সব সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং দুর্নীতি হ্রাস পাবে। তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা গেলে দেশের উন্নয়ন বৃদ্ধি পাবে এবং দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। এই আইনে মোট ৮টি অধ্যায়, ৩৭টি ধারা ও একটি তফসিল বিদ্যমান রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান শ্রমবান্ধব সরকার শ্রমিক ভাই-বোনদের সামাজিক মর্যাদা, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জাতীয় শ্রমনীতি-২০১২, জাতীয় শিশুশ্রম নিরসন নীতি-২০১০, জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি নীতিমালা-২০১৩ এবং গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি-২০১৫ প্রণয়ন করে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে স্থিতিশীল শিল্প সম্পর্ক এবং উদীয়মান অর্থনীতির দেশ হিসেবে প্রমাণ করেছে।

এ কর্মশালায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, অতিরিক্ত সচিব মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. মোল্লা জালাল উদ্দিনসহ কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর, শ্রম অধিদফতর এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সংবাদ

আগের অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছি, বল এখন ইসরাইলের ঘরে: হামাস
আনার হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য ও ছবি প্রকাশ
জনগণের ক্ষমতায়নে তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: শ্রম প্রতিমন্ত্রী
আনার হত্যা তদন্তে কোনো চাপ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশের কারাগারে ৩৬৩ জন বিদেশি নাগরিক আটক
ভারতে স্বর্ণ বলে ৩০০ রুপির নকল গয়না ৬ কোটি রুপিতে বিক্রি
পল্টনে বহুতল ভবনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে
রাজধানীর পল্টনে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের কাছে ঋণ চেয়েছি: প্রধানমন্ত্রী
ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু
১৪ কিলোমিটার সড়কে যানবাহন চলাচলে ধীরগতি, ৮ ঘণ্টাপর স্বাভাবিক
এবার মরক্কোতে কোকাকোলা-পেপসি বয়টকটের ডাক
মসজিদে মাইকিং করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল এক নারীর
ঢাকায় ৮ মাত্রায় ভূমিকম্প হতে পারে: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী
ড. ইউনূসের মন্তব্য দেশের মানুষের জন্য অপমানজনক : আইনমন্ত্রী
সৌদিতে ১৫ লাখের বেশি বিদেশি হজযাত্রী
আবাসিক হোটেল থেকে সাবেক বন কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার
ঈদযাত্রায় বাড়তি ভাড়া আদায় করলে ব্যবস্থা: ডিএমপি
কোরবানির পশুর বর্জ্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ: মেয়র তাপস
কুয়েতে আবাসন ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ৩৯