শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১০ ফাল্গুন ১৪৩০
বেটা ভার্সন
Dhaka Prokash

জেনে নিন যে জিনিসগুলো আপনাকে অসুখী করছে

প্রতীকী ছবি। ছবি: সংগৃহীত

সুখ বিষয়টি আপেক্ষিক। সবাই যে একই কারণে সুখী বা অসুখী হয়, এমন নয়। ব্যক্তিভেদে কারণের ভিন্নতা থাকতে পারে। তবে কিছু জিনিস রয়েছে যেগুলো প্রায় সবার ক্ষেত্রেই অসস্তুষ্টি বা অসুখী হওয়ার কারণ হতে পারে। দুঃখ বাড়িয়ে দেয়, এমন জিনিসগুলোর প্রতি বেশি গুরুত্ব দেওয়াই হতে পারে অসুখী হওয়ার অন্যতম কারণ।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন বিষয়গুলো আপনাকে অসুখী করে রাখে-

১. অবাস্তব প্রত্যাশা

অবাস্তব প্রত্যাশা আপনাকে অসুখী করে তুলতে পারে। কারণ যা কখনো হওয়ার নয়, তাই প্রত্যাশা করলে তা কেবল দুঃখই বাড়াবে। তা আপনি মনে মনে চান বা সামাজিকভাবে আপনার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হোক না কেন, হতাশা ছাড়া সেখান থেকে আর কিছুই মিলবে না। প্রত্যাশা অনুযায়ী জীবন না চললে ব্যর্থতা ও অসন্তুষ্টি দেখা দিতে পারে।

২. তুলনা এবং সামাজিক মিডিয়া

ক্রমাগত অন্যদের সঙ্গে নিজেকে তুলনা করা, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে এটি অসুখী হওয়ার অন্যতম কারণ। ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্মে হাইলাইট রিলগুলো অপ্রাপ্তি বা অপ্রতুলতার অনুভূতি জাগাতে পারে, এটি আপনার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবেই। আপনার নিজেকে দরিদ্র ও অসুখী মনে হতে থাকবে।

৩. কর্ম ও ব্যক্তিগত জীবনে ভারসাম্যের অভাব

ভারসাম্যহীন কর্মজীবন অসুখী হওয়ার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান রাখতে পারে। দীর্ঘ সময় কাজ করা, প্রচণ্ড ব্যস্ততা এবং কাজ থেকে বের হতে না পারা মানসিক চাপ ও ক্লান্তি ডেকে আনে। তখন কমে যেতে পারে জীবনের মান। নিজেকে আপনার অনেক বেশি অসুখী মনে হতে পারে। তাই কর্ম ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য রাখুন।

৪. অস্বাস্থ্যকর সম্পর্ক

বিষাক্ত বা অস্বাস্থ্যকর সম্পর্ক অসুখের একটি প্রধান উৎস হতে পারে। এটি বন্ধুত্ব, পারিবারিক বা রোমান্টিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেই হোক না কেন, নেতিবাচক মিথস্ক্রিয়া এবং মানসিক সমর্থনের অভাব মানসিক সুস্থতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

৫. আর্থিক চাপ

আর্থিক চাপ এবং অস্থিরতা অসহায়ত্ব এবং উদ্বেগের অনুভূতিতে বাড়িয়ে দিতে পারে। বিল, ঋণ বা অনিশ্চিত আর্থিক ভবিষ্যৎ নিয়ে ক্রমাগত উদ্বেগ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সুখকে নষ্ট করতে পারে। তাই আর্থিক সমস্যা থাকলে তা কাটিয়ে ওঠার জন্য নানাভাবে চেষ্টা করুন। হতাশ হবেন না। দুঃসময় কেটে যাবেই।

৬. মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা

মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাকে উপেক্ষা করার অভ্যাস বেশিরভাগ মানুষই। কিন্তু শরীরের মতো মনেরও যে চিকিৎসা দরকার হতে পারে, এটি যেন আমাদের বোধগম্য হয়েও হয় না। এটিও আপনাকে অসুখী করে তুলতে পারে। উদ্বেগ, বিষণ্ণতা বা অমীমাংসিত ট্রমার মতো সমস্যা থেকে সুস্থতার জন্য মনোযোগ এবং যত্ন প্রয়োজন।

৭. শারীরিক স্বাস্থ্য সমস্যা

যখন আপনার শারীরিক স্বাস্থ্য সমস্যা থাকে তখন এটি মানসিক সুস্থতাকে প্রভাবিত করতে পারে। ব্যথা, ক্লান্তি বা শারীরিক ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা হতাশ এবং অসুখী হওয়ার কারণ হতে পারে। তাই যেকোনো শারীরিক স্বাস্থ্য সমস্যায় বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

অবৈধ মজুতকরে যারা ক্রাইসিস তৈরি করে তারা দেশের শত্রু: খাদ্যমন্ত্রী

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

অবৈধ মজুত করে যারা ক্রাইসিস তৈরি করে তারা দেশের শত্রু বলে উল্লেখ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি।

আজ শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের রাধানগরে শীবনদীর উপরে ১৯২ মিটার দীর্ঘ নবনির্মিত সেতুর চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অবৈধ মজুতকারীরা বিএনপির দোসর উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, তারা শেখ হাসিনাকে উৎখাত করতে চায়-বেকায়দায় ফেলতে চায়।আমাদের দেশকে রক্ষা করতে হবে।আপনারা যে ভোট দিয়েছেন তার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

নির্বাচনের দুই দিন আগে হটাৎ করে অসৎ ব্যবসায়ীরা চালের দাম ৮/১০ টাকা বাড়িয়ে দেয়। তারা মনে করেছিলো অন্য কেউ খাদ্যমন্ত্রী হলে বুঝতে বুঝতে একমাস পার হয়ে যাবে। যখন তারা দেখেছে মন্ত্রী সাধন মজুমদার হয়েছে তখন তারা বেকায়দায় পড়েছে আমাদেরও বেকায়দায় ফেলেছে।চালের বাজার ঠিক রাখতে জেলায় জেলায় বৈঠক করতে হয়েছে। মজুত বিরোধী অভিযানও চালাতে হয়েছে বলে উল্লেখ করেন খাদ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাস করে। ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে জনগণ সে চেতনার পক্ষে রায় দিয়ে শেখ হাসিনাকে আবারো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছেন। নিজেকে অসাম্প্রদায়িক চেতনার লোক দাবী করে তিনি বলেন,আমি যেখানে মন্দির করেছি তার পাশে মসজিদও তৈরি করেছি।আমি মানবের সেবা করি-মানব ধর্ম করি।

তিনি আরো বলেন, রাধানগর সেতু রাজশাহী ও নওগাঁ জেলার মধ্য ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে ভূমিকা রাখবে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হবে সড়ক যোগাযোগ ক্ষেত্রে। গ্রামের সঙ্গে শহুরের মানুষের যোগাযোগ সহজ ও দ্রুততর হওয়ার ফলে কৃষক সহজেই তার পন্য বাজারজাত করতে পারবে।

বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল খালেক, নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক সম্পাদক আবেদ হোসেন মিলন, সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ, সহ-সভাপতি ঈশ্বর চন্দ্র বর্মন, সাধারণ সম্পাদক নারায়ন চন্দ্র প্রামাণিকসহ প্রমুখ।

মহাসড়কের পাশে ১ দিনে সাড়ে ৩ হাজার স্থাপনা উচ্ছেদ

ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরের শ্রীপুরে জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন ও সড়ক জনপথ বিভাগ। আজ শুক্রবার সকাল নয়টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত চলে এই অভিযান।

মহাসড়কের এমসি, নয়নপুর ও জৈনাবাজর এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মহাসড়কের পাশে গড়ে উঠা বাজার, দোকানসহ প্রায় সাড়ের তিন হাজার স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। গুড়িয়ে দেওয়া হয় সকল অবৈধ স্থাপনা। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইএনও) শামীমা ইয়াসমীন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল মামুন ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো.সোহেল মিয়া।

জানা যায়, জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্নস্থানে হাজার হাজার অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। আজ সকাল নয়টা থেকে উপজেলার এমসি বাজার এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে উপজেলা প্রশাসন। পরে দুপুর আড়াইটায় জৈনাবাজার এলাকায় এসে শেষ হয় এই অভিযান। উচ্ছেদের খবর পেয়ে কেউ স্বেচ্ছায় তাদের মালামাল সরিয়ে নেয়। অনেকে দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়। বন্ধ থাকা স্থাপনাগুলো গুড়িয়ে দেওয়া হয়। কিছু স্থায়ী স্থাপনাও ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো.সোহেল মিয়া বলেন, ‘জয়দেবপুর- ময়মনসিংহ মহাসড়কের শ্রীপুর অংশের ৩টি স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সব স্থানের অবৈধ বাজার উচ্ছেদ করা হয়। মহাসড়কের সকল অংশে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।’

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম ইয়ামিন বলেন, ‘সকাল থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্য উপজেলা প্রশাসনের কর্মচারীদের নিয়ে জয়দেবপুর- ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সড়কের পাশে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা প্রায় সাড়ে তিন হাজার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। পরে যাতে মহাসড়কে পাশে কোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে সে জন্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।’

কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি : ঢাবি উপাচার্য

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেছেন, তিনদিন ধরে অনলাইন মাধ্যমে একদল প্রতারক চক্র ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের প্রতারিত করার চেষ্টা করছে। বাস্তবে কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি।

এই চক্রের মূল কাজ হলো আমাদের ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবক যারা এ সম্পর্কে জানেন না, তাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া। এজন্যই তারা প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়াচ্ছে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ঢাবি উপাচার্য বলেন, প্রতারক চক্রটি সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে টাকা হাতানোর চেষ্টা করছে। আপনাদের অনেক সাংবাদিকও তাদের সাথে কথা বলেছেন। সেই চক্রটি প্রশ্নের বিনিময়ে আপনাদের কাছ থেকেও অগ্রিম টাকা চাচ্ছে। এ পর্যন্ত এই চক্রের হাতে প্রতারিত হওয়ার কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি। আমরা সংবাদ মাধ্যমগুলোতে সবাইকে এই প্রতারক চক্র থেকে সতর্ক থাকার কথা জানিয়েছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথেও আমাদের কথা হয়েছে। আমরা আশা করি, খুব দ্রুত চক্রটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হবে।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের সমন্বয়ক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক জিয়া রহমান আমার সাথে এবং দুইজন উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার, পরীক্ষা উপদেষ্টা ও প্রক্টরিয়াল টিমের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। আমরা সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকছি যেন প্রতারক চক্রটি এবারের ভর্তি পরীক্ষাকে কোনোভাবেই প্রভাবিত করতে না পারে।

উপাচার্য বলেন, পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে। বেলা ১১টায় ঢাকাসহ দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে একযোগে পরীক্ষা হয়েছে। গতকাল রাত ও আজ সকালে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ভর্তি কমিটির সংশ্লিষ্টদের সাথে আমার কথা হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

উল্লেখ্য, আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ভর্তি পরীক্ষা কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ তথা ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষা শুরু হয়। বেলা ১১টায় পরীক্ষা শুরু হয়ে দুপুর সাড়ে ১২টায় শেষ হয়।

‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষায় দুই হাজার ৯৩৪টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে এক লাখ ২২ হাজার ২৭৯টি। সে হিসাবে প্রতিটি আসনের জন্য ৪২ জন শিক্ষার্থী লড়াই করছেন।

পরীক্ষায় সময় ছিল এক ঘণ্টা ৩০ মিনিট। এর মধ্যে ৬০ নম্বরের এমসিকিউ অংশের জন্য বরাদ্দ ছিল ৪৫ মিনিট। ৪০ মার্কের লিখিত অংশের জন্য বরাদ্দ ছিল ৪৫ মিনিট।

সর্বশেষ সংবাদ

অবৈধ মজুতকরে যারা ক্রাইসিস তৈরি করে তারা দেশের শত্রু: খাদ্যমন্ত্রী
মহাসড়কের পাশে ১ দিনে সাড়ে ৩ হাজার স্থাপনা উচ্ছেদ
কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি : ঢাবি উপাচার্য
সৈয়দপুরের চেয়েও বড় রেল কারখানা হবে রাজবাড়ীতে: রেলমন্ত্রী
মাহির ছবি প্রকাশ করে যা বললেন তার স্বামী
বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার: রাষ্ট্রপতি
গাজায় ক্ষুধা-অপুষ্টির নিষ্ঠুরতায় ভুগছে হাজার হাজার মানুষ: জাতিসংঘ
টাঙ্গাইলে ২০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে বিনামূল্যে বই বিতরণ
পাকিস্তানে নির্বাচনে কারচুপির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাবে পিটিআই
শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন ইলন মাস্ক
ভোটার টানতে কন্ডমের প্যাকেটে দলীয় প্রতীক ছাপিয়ে বাড়ি বাড়ি বিলি
ভালোবাসার মাসে মা হলেন মিথিলা, বাবা সৃজিত
মাকে শেষ বিদায় দিতে এসে সড়কেই প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসীর
আগামীতে পেঁয়াজ আমদানি করতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী
'সহায়তা অব্যাহত রাখবে বিশ্বব্যাংক'
ডিবিতে ৫০ মিনিট কি করলেন নিপুন
পুলিশ পদক পেলেন ৪০০ জন কর্মকর্তা
এক তরুণীকেই ১০০ বারের বেশি ধর্ষণ !
পুতিনকে কুকুরের বাচ্চা বলায় বাইডেনকে যা বললেন ক্রেমলিন
সাকিবকে নিয়ে দুঃসংবাদ দিলো বিসিবি