সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪ | ২০ ফাল্গুন ১৪৩০
Dhaka Prokash

শাহজাহান ওমরকে নিয়ে যা বললেন ওবায়দুল কাদের

ছবি: সংগৃহীত

শাহজাহান ওমর অনুপ্রবেশকারী নয়, কেউ বিএনপি ছেড়ে আওয়ামী লীগে আসলে গণতান্ত্রিক ভাবে কিছু বলার নেই বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচনে অনেক বাধা বিপত্তি আন্দোলনের নামে ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাস, হরতাল দিয়েও বাংলাদেশের মানুষকে নির্বাচনকে বাধা দেওয়া যায়নি। কিছু কিছু দল নির্বাচন থেকে দূরে থাকলেও জনগণ নির্বাচনমুখী। অনেক অপচেষ্টার পরও বাংলাদেশের জনগণ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে সভাপতির কার্যালয়ে সাংবাদিকের এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, বিএনপির এক দফা গভীর গর্তে পড়েছে, তাদের আন্দোলন ভুলের চোরাবালিতে আটকে গেছে, এতে বিএনপির নেতাকর্মীরাও হতাশ। বিএনপির ডাকে নেতাকর্মীরা ভবিষ্যতে আন্দোলনের মাঠে নামবে কি না এটা সন্দেহ। বিএনপির সর্বনাশা ভুল নীতির জন্য দলে বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপির নেতৃত্বের ওপর হতাশ হয়ে অনেকেই নির্বাচন করেছেন। তৃণমূল বিএনপির সবাই বিএনপির লোক।

তিনি আরও বলেন, ২৯টি দল নির্বাচনমুখী, বিএনপিসহ ১৪/১৫ টি দল নির্বাচনের বাইরে। নির্বাচনে জনগণের উৎসব উদ্দীপনা দেখে মনে হচ্ছে বিপুল সংখ্যক ভোটার উপস্থিতি আসবে।

কাদের বলেন, বিএনপির ষড়যন্ত্রের কালো হাত জনগণই ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে ভেঙে দেবে। বিএনপির কেউ যদি দল পরিবর্তন করলে সেটি তার ব্যক্তিগত বিষয়। তবে কাউকে ব্ল্যাকমেইলিং করে নির্বাচনে আনা হচ্ছে না।

স্বতন্ত্র প্রার্থী নিয়ে কাদের বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হেভিওয়েট প্রার্থীকে ফেলে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে গেলে সেটাকে বাঁধা দেওয়া গণতন্ত্র নয়। স্বতন্ত্র হোক আর যে কোনো প্রার্থী নির্বাচন করুক, জনগণের নির্বাচনে ভোট দিয়ে যাচাই হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভারতকে জড়িয়ে প্রোপাগাণ্ডা পাকিস্তান আমল থেকে শুরু হয়েছে। নির্বাচনের আসলে ভারত আওয়ামী লীগকে জড়িয়ে প্রোপাগাণ্ডা হয় এটা নিয়ে আওয়ামী লীগ চিন্তিত নয়। নির্বাচন কমিশন আইনগত সম্পূর্ণ স্বাধীন। স্বাধীনভাবে সব ব্যবস্থা তারা নিতে পারে। আইআরআই এর সমীক্ষা বলেছে ৭০ শতাংশ লোক শেখ হাসিনার পক্ষ। বিএনপির ভুল রাজনীতির কারণে তারা জনসমর্থন হারিয়েছে। শেখ হাসিনার সব সিদ্ধান্তের প্রতি দলের নেতাকর্মীরা আস্থাশীল।

ওবায়দুল কাদের বলেন, পুলিশ হত্যাসহ সন্ত্রাসী কার্যকলাপে বিএনপির যেসব নেতা জেলে রয়েছে তারা দায় এড়াতে পারবে না। তাদের বিচার হচ্ছে। একইভাবে সামনের দিনগুলোতে নির্বাচন সংক্রান্ত কোথাও কোনো সংঘাত বা বিশৃঙ্খলা হলে, সব কিছুই সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন।

এখনো জ্বলছে আগুন, রমজানের জন্য রাখা ১ লাখ টন চিনি পুড়ে ছাই

চট্টগ্রামে চিনির কারখানা আগুন। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণপাড়ে এস আলম রিফাইন্ড সুগার মিলে (চিনির কারখানা) লাগা আগুন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। ফায়ার সার্ভিসের ১৮ ইউনিট ও নৌবাহিনী যৌথ চেষ্টায় চার ঘণ্টারও বেশি সময় চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। এতে করে কারখানায় থাকা এক লাখ টন অপরিশোধিত চিনি পুড়েছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার (৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে কর্ণফুলী মইজ্জারটেক এলাকায় এস আলম সুগার মিলে এ আগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।

কারখানার সহকারী ফিটার মনির জানান, গোডাউনে থাকা ব্রাজিল থেকে আমদানি করা ১ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত চিনি ছিল। এগুলো রমজানকে সামনে রেখে আমদানি করা হয়েছিল। এখান পরিশোধিত হয়ে চিনিগুলো মার্কেটে যাওয়ার কথা ছিল।

আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষে থেকে কিছু না জানালেও বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করছেন মিলের কর্মচারীরা।

ওই মিলের কর্মকর্তারা বলছেন, চিনির মিলের ছয়টি গোডাউনের মধ্যে একটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। সেখানে আমদানি করা অপরিশোধিত চিনি রাখা ছিল। আগুনের তীব্রতা বাড়ার কারণে অন্য গোডাউনে আগুন ছড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষে থেকে কিছু না জানালেও বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করছেন মিলের কর্মচারীরা।

এর আগে, বিকেলে ফায়ার সার্ভিসের আগ্রাবাদ কন্ট্রোল রুম সূত্র জানায়, বিকেল ৪টার দিকে কর্ণফুলী থানাধীন ইছানগর এলাকার চিনি মিলটির গোডাউনে আগুন লাগে। খবর পেয়ে কর্ণফুলী ও আনোয়ারা ফায়ার স্টেশন আগুন নেভাতে কাজ করছে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয় নৌবাহিনী।

আ. লীগ দেশকে রাশিয়া-ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছে: জয়নুল আবদিন

মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক। ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে রাশিয়া-ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক।

সোমবার (৪ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে তৃণমূল নাগরিক আন্দোলনের আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আওয়ামী লীগ মৃত ব্যক্তির ভোটে নির্বাচিত সরকার মন্তব্য করে ফারুক আরও বলেন, 'আজকে রাজপথে দাঁড়িয়ে রোজার আগে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য আমাদের বলতে হবে কেন? এই জন্য বলতে হবে, কারণ এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার না।'

সরকারের উদ্দেশে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আসলেও আপনারা সরকারে আছেন। তাই বলবো, রোজার মাসে অন্তত সিন্ডিকেট বন্ধ করুন। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসুন। সিন্ডিকেটকে, শেয়ারবাজার কারা লুট করেছে, আপনারা সব জানেন।

তিনি আরও বলেন, কানাডায় কারা বেগমপাড়া বানিয়েছে, সব তথ্য বিএনপির কাছে আছে। কারা বিদেশে অর্থ পাচার করেছে, কারা শেয়ার বাজার লুটপাট করেছে-সব ঘটনার হিসাব-নিকাশ একদিন এ বাংলার মাটিতেই হবে।

কৃষক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও তৃণমূল নাগরিক আন্দোলনের সভাপতি মফিজুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে এবং কৃষক দলের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নাঈমের পরিচালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল, কৃষক দলের দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সহ-বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মিয়া হাসান, সহ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নাছির উদ্দিন, কেন্দ্রীয় সদস্য আবুল হোসেন প্রমুখ।

‘ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতরা সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আসবেন’

ফাইল ছবি

সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির আওতায় আসছেন ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতরা। এক বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।

সোমবার (৪ মার্চ) চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিটি জেলায় ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অন্যান্যদের তালিকা প্রস্তুত করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছে।

বৈঠকে দেশব্যাপী সকল ইমাম ও পুরোহিতদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করার বিষয়েও আলোচনা হয়। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে পর্যটনের বিকাশ ঘটানোর ওপরে জোর দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ১৩টি জেলাকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করে ওইসব এলাকার পর্যটন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে বলে জানায়।

এ লক্ষ্যে প্রতিটি জেলায় একজন করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও একজন করে সহকারী কমিশনার নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তাদের নিজ নিজ জেলার মধ্যে পর্যটন প্রচার ও বিকাশের উদ্যোগ এবং কৌশল বাস্তবায়নের জন্য বিশেষভাবে দায়িত্ব দেওয়া হবে।

এছাড়াও বেসামরিক প্রশাসন, পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং জেলা প্রশাসকদের মধ্যে সহযোগিতার মাধ্যমে পর্যটন উন্নয়নের জন্য একটি বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করা হবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ

এখনো জ্বলছে আগুন, রমজানের জন্য রাখা ১ লাখ টন চিনি পুড়ে ছাই
আ. লীগ দেশকে রাশিয়া-ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছে: জয়নুল আবদিন
‘ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতরা সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আসবেন’
ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড সেবা চালু করবে মোবাইল অপারেটররা
মুড়িতে মাত্রাতিরিক্ত ফিটকিরি, জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী
এস আলম চিনি মিলে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১২ ইউনিট
শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে ছাত্রকে গুলি করলেন শিক্ষক
আঙ্গুর-খেজুর লাগবে কেন? বরই দিয়ে ইফতার করেন: শিল্পমন্ত্রী
বিএসএমএমইউয়ে নতুন ভিসি ডা. দীন মোহাম্মদ নূরুল হক
‘ইত্যাদি’র জন্য গান গাইলেন তাহসান-ফারিণ
জামিন পেলেন পিকে হালদারের বান্ধবী অবন্তিকা বড়াল
স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে সন্ত্রাসীর গুলিতে প্রাণ হারালেন অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীও
মুহূর্তেই যেকোনো গণিতের সমাধান করে দেবে অ্যাপ
হিন্দি সিনেমা এনেও তাজ হলে দর্শক নেই!
শিল্পী সমিতির বনভোজনে হাতাহাতি, ভিডিও ভাইরাল
গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্রের বালুতে খনিজ সম্পদের সন্ধান
৯৯৯-এ ফোন করে ধর্ষককে ধরিয়ে দিলেন মা
গোপনে দেশ ছাড়ার বিষয়ে মুখ খুললেন শাবনূর
ধানমন্ডির টুইন পিক টাওয়ারের ১২ রেস্তোরাঁ সিলগালা
মাওলানা লুৎফুর রহমানের দাফন সম্পন্ন