সোমবার, ২৭ মে ২০২৪ | ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
Dhaka Prokash

হজ যাত্রীদের কাছে দোয়া চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিশুদের জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসবাদ থেকে দূরে রেখে একটি আধুনিক ও জ্ঞানভিত্তিক উন্নত জাতি গঠনে অবদান রাখতে হজযাত্রী এবং আলেম-ওলামাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের (হজযাত্রীদের) এবং আলেম-ওলামাদের জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সাথে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি যাতে আমাদের শিশুরা এটি থেকে দূরে থাকতে পারে এবং উন্নত বাংলাদেশ গড়তে আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রস্তুত হতে পারে।’

শুক্রবার (১৯ মে) রাজধানীর আশকোনা এলাকায় হজ অফিসে হজ কর্মসূচি-২০২৩ (১৪৪৪ হিজরি) উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম এবং এটি সর্বদা মানুষের কল্যাণের ধর্ম যা মানুষের অধিকার নিশ্চিত করে।

ইসলামের নামে জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাস করে এমন কিছু লোকের কারণে ইসলামকে নিন্দিত করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আসলে যারা জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস সৃষ্টি করে তাদের কোন ধর্ম নেই।

শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, যারা জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ সৃষ্টি করছে তারা সব ধর্মেই আছে।

তিনি বলেন, ‘যদি কেউ মনে করে যে তারা নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করে বেহেশতে যাবে, তা কখনই হবে না। সর্বশক্তিমান আল্লাহ তা বলেননি এবং আমাদের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা) তা বলেননি।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আমাদের ইসলাম পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধর্ম এবং এই অল্প কিছু মানুষই ইসলামের নিন্দার কারণ হয়ে উঠছে।’

তিনি বলেন, এই জঘন্য কাজটি থেকে এই লোকদের থামাতে সবাইকে উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের সবাইকে আমাদের শিশুদের সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী তার ছোট বোন শেখ রেহানা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য হজযাত্রীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের (হজযাত্রীদের) কাছে আমার সবচেয়ে বড় দাবি হল, আপনারা আমার বাংলাদেশের জনগণের জন্য দোয়া করবেন, যাতে তাদের ভাগ্য নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলতে না পারে।’

তিনি হজযাত্রীদের বাংলাদেশ ও এর জনগণকে মানবসৃষ্ট বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষার জন্য প্রার্থনার আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘কোনো দুর্যোগ বা সংকট -তা মানবসৃষ্ট বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ- বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের জনগণের যাতে ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য প্রার্থনা করার জন্য আমি আপনাদেরকে অনুরোধ জানাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি মানবসৃষ্ট বিপর্যয় ঘটে কারণ এখানে অগ্নিসংযোগ, সহিংসতা এবং পরিবহনে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করা হয়।

তিনি হজযাত্রীদের দোয়া করতে বলেন যাতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বর্তমান অগ্রগতি অব্যাহত থাকে।

প্রথম হজ ফ্লাইটটি শনিবার বেলা ২টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।

এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ১ লাখ ২২ হাজার ২২১ জন হজযাত্রী পবিত্র হজ পালন করতে যাচ্ছেন। কোভিড-১৯ বিধিনিষেধের কারণে গত বছর বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রীর সংখ্যা ছিল ৫৭,৫৮৫।

কোভিড-১৯ মহামারীর আগে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ পালন করেছিলেন।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৭ জুন হজ অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো.ফরিদুল হক খানের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী এনামুল হাসান। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম মাহবুব আলী, হাবিব হাসান, বাংলাদেশে সৌদি রাষ্ট্রদূত ইসা ইউসেফ ইসা আল দুলাইহান এবং হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি শাহাদাত হোসেন তসলিম।

অনুষ্ঠানের শুরুতে হজ ব্যবস্থাপনার ওপর একটি ভিডিও প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

সরকার প্রধান বলেন, তার সরকার দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে আজ বাংলাদেশকে এমন একটি অবস্থানে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে যেখানে দেশের মানুষ অন্তত খাবার খেতে পারছে।

বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন বা ভূমিহীন থাকবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছি।’

হজের সময় হাজীদের সুস্বাস্থ্য কামনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনারা আল্লাহর মেহমান হিসেবে আল্লাহর ঘরের পাশাপাশি মক্কা-মদিনা শরীফে যাচ্ছেন। আমরা প্রার্থনা করি যেন আপনারা নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর এবং সুন্দরভাবে হজ পালন করতে পারেন এবং সেই সাথে আপনারা সুস্থভাবে দেশে ফিরে আসতে পারেন।’

তিনি বলেন, হজযাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে তারা ‘ই-হজ ব্যবস্থাপনা’ চালু করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন হজের যাবতীয় কার্যক্রম যেমন প্রাক-নিবন্ধন, নিবন্ধন, ফেরত, মক্কা রোড সার্ভিস, ই-হেলথ, ই-ভিসা, ফ্লাইট, হেল্প ডেস্ক, কল সেন্টার, এজেন্সি প্রোফাইল ম্যানেজমেন্ট এসব ই-হজ ব্যবস্থাপনার অধীনে করা হচ্ছে।

সরকার প্রধান বলেন, এখান থেকে ১৬১৩৬ নম্বরে কল সেন্টারের পাশাপাশি প্রতিটি হজযাত্রীকে এসএমএসের মাধ্যমে হজ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হচ্ছে এবং হজযাত্রীরা ডায়ালিং কলের মাধ্যমে সবকিছু জানতে পারবেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, তারা হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আইন-২০২১ প্রণয়ন করেছেন, যা হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও সহজ করেছে।

বাসস/এএস

Header Ad

ইরান সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান

সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মোখবারের সঙ্গে কথা বলেছেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। এ সময় দুই নেতা পরস্পরকে নিজ দেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। ইরান সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে মোহাম্মদ বিন সালমান ও মোখবারের মধ্যে ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্টকে টেলিফোন করে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুতে সমবেদনা জানিয়েছেন।

কথোপকথনের সময়, দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ইরানি হজযাত্রীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য বিন সালমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বিন সালমানকে তেহরান সফরের আমন্ত্রণ জানান।

বিন সালমান সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্টকেও রিয়াদ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, গত দুই দশকের মধ্যে এই প্রথম সৌদি রাজপরিবারের কোনো সদস্যের তেহরান সফর হতে যাচ্ছে, যা কয়েক বছরের টানাপোড়েনের পর ইতিবাচক কূটনৈতিক সম্পর্কের দিকে আরেক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

২০১৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে সৌদি-ইরান তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। সৌদি সরকার রাষ্ট্রদ্রোহিতার দায়ে শিয়া সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতা নিমর আল-নিমরের শিরোচ্ছেদ করলে ইরানে বড় আকারে বিক্ষোভ দেখা দেয়। তেহরানে অবস্থিত সৌদি দূতাবাসে বিক্ষোভকারীরা আগুন ধরিয়ে দিলে দুই দেশের সম্পর্কে তলানিতে ঠেকে। গত বছর থেকে এ সম্পর্ক ফের স্বাভাবিক হয়।

‘ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত সাড়ে ৩৭ লাখ মানুষ, বিধ্বস্ত ৩৫ হাজার ঘরবাড়ি’

ছবি: সংগৃহীত

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে দেশের ১৯টি জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় ৩৫ হাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে এবং এক লাখ ১৪ হাজার ৯০০ ঘরবাড়ির আংশিক ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১০ জন এবং ৩৭ লাখ ৫৮ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিবুর রহমান।

সোমবার (২৭ মে) সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে খুলনা, সাতক্ষীরা ও পটুয়াখালী জেলাসহ উপকূলীয় ১৯ জেলার ১০৭ উপজেলায় ৯১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সরকারের প্রস্তুতির কারণে বড় ক্ষয়ক্ষতি হয় নেই। ঘূর্ণিঝড়ে এ পর্যন্ত ১০ জনের প্রাণহানি হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার জন্য ৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি জেলায় জিআর হিসেবে ৩ কোটি ৮৫ লাখ নগদ টাকা, পাঁচ হাজার পাঁচশ মেট্রিক টন চাল ও পাঁচ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শিশুখাদ্য কেনার জন্য ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা সহযোগিতা করা হয়েছে। এসব সহযোগিতা ক্ষতিগ্রস্তদের মোবাইল অ্যাকাউন্টে যাবে।

মহিবুর রহমান আরও জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ৯ হাজার ৪২৪টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে বা স্থায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৮ লাখ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার (২৮ মে) পর্যন্ত সারাদেশেই বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া থাকবে। এদিন বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে ক্রমান্বয়ে সিলেট দিয়ে বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া বয়ে যাবে।

ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডব: বিদ্যুৎহীন উপকূলের দেড় ১ কোটি পরিবার

ছবি: সংগৃহীত

ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে দেশের উপকূলীয় জেলাগুলোর প্রায় দেড় কোটি গ্রাহকের সংযোগ বন্ধ রেখেছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। ফলে অনেক এলাকা ১৬ থেকে ১৭ ঘণ্টা যাবত বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে। ঝড় পুরোপুরি থেমে গেলে বিদ্যুৎ সংযোগ ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে অপেক্ষায় আছেন পল্লীবিদ্যুতের কর্মীরা।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) পরিচালক (কারিগরি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে দুর্ঘটনা এড়াতে সোমবার (২৭ মে) দুপুর ১২টা পর্যন্ত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ১ কোটি ৫৫ লাখ গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডব কমে যাওয়ার পর দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করে দিতে আমাদের কর্মীরা প্রস্তুত রয়েছেন। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে এলাকায় অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তবে এর পরিমাণ এখনো জানা যায়নি।

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চিফ ইঞ্জিনিয়ার (প্ল্যানিং অ্যান্ড অপারেশন) বিশ্বনাথ শিকদার বলেন, উপকূলীয় জেলাগুলোতে প্রচণ্ড ঝড় বয়ে যাওয়ায় সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ভোলা, পটুয়াখালী ও বরিশাল জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অধিকাংশ গ্রাহকের সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। আরও কয়েকটি জেলায় আংশিকভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে হয়তো দেড় কোটি গ্রাহক এখন বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় আছেন।

পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তারা বলছেন, উপকূলীয় কয়েকটি জেলার সাগর তীরবর্তী উপজেলাগুলো স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উচ্চতার জোয়ারে তলিয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের লাইন চালু থাকলে জানমালের ক্ষতি হতে পারে। আবার বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রগুলো পানির নিচে তলিয়ে গেলে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হতে পারে, যা মেরামত করতে অন্তত ৭ দিন সময় লাগবে। এসব দিক বিবেচনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ

ইরান সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান
‘ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত সাড়ে ৩৭ লাখ মানুষ, বিধ্বস্ত ৩৫ হাজার ঘরবাড়ি’
ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডব: বিদ্যুৎহীন উপকূলের দেড় ১ কোটি পরিবার
কুমিল্লায় ভবন ধসে শ্রেণিকক্ষেই প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর
হেরে গেলেন নিপুণ, শিল্পী সমিতির সম্পাদক পদ ফিরে পেলেন ডিপজল
পাপুয়া নিউ গিনিতে ভূমিধস: জীবিত সমাহিত দুই হাজারেরও বেশি মানুষ
বিএনপি সহযোগিতার নামে ফটোশেসন করে: ওবায়দুল কাদের
ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে ১৯ উপজেলায় নির্বাচন স্থগিত
ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডব: নিহত বেড়ে ১০
গোবিন্দগঞ্জে ৮ হাজার ৮৮৪ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
‘রেমালের কেন্দ্রভাগ বিকেলের মধ্যে ঢাকায় ঢুকবে’
ইরানের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন আহমাদিনেজাদ
ঢাকায় রেমালের প্রভাব, দমকা বাতাসের সঙ্গে ঝরছে বৃষ্টি
টাঙ্গাইলে ৪ লাখ ৯৩ হাজার শিশুকে খাওয়ানো হবে ‘ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল’
যুক্তরাষ্ট্রে টর্নেডোর তাণ্ডব, ১৫ জনের মৃত্যু
ঘূর্ণিঝড় রেমালে দেশের বিভিন্ন জেলায় ৬ জনের মৃত্যু
বিভিন্ন খালে জাল ফেলে এখনও মেলেনি এমপি আনারের লাশ
ভয়াবহ ইসরাইলি হামলা, গাজায় নারী-শিশুসহ নিহত ৩৫
৪৫ হাজার হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন, ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু
উপকূল অতিক্রম করে দুর্বল হচ্ছে ‘রেমাল’