সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪ | ২০ ফাল্গুন ১৪৩০
Dhaka Prokash

শীত থেকে বাঁচতে টাখনুর নিচে কাপড় পরা যাবে?

ছবি সংগৃহিত

পোশাক পরার ক্ষেত্রে অনেকে প্যান্ট, পায়জামা লুঙ্গি টাখনুর নিচে পরে থাকেন, যা ইসলামের দৃষ্টিতে নাজায়েয। এ বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘লুঙ্গির যে অংশ টাখনুর নিচে থাকবে তা জাহান্নামে যাবে।’ (বুখারি, হাদিস, ৫৭৮৭) জাহান্নামে গেলে শরীরের কোনো অংশবিশেষ যাবে না; বরং সমগ্র দেহই যাবে।

টাখনুর নিচে কাপড় পরার বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেন, “যে ব্যক্তি অহংকার বশে তার লুঙ্গি মাটির সাথে টেনে নিয়ে বেড়াবে, কেয়ামত দিবসে আল্লাহ তায়ালা তার প্রতি দৃষ্টি দিবেন না।’ (সহীহ বুখারী, হাদীস, ৩৬৬৫)

আমাদের অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, আমরা টাখনুর নিচে কাপড় পরলে ধর্মের কী অসুবিধা? তার সরল উত্তর হলো, অসুবিধা ধর্মের নয়, অসুবিধা আমাদের নিজেদের। কারণ দুনিয়াতেও টাখনুর নিচে কাপড় পরার অপকারিতা কম নয়। পুরুষের পায়ের টাখনুতে থাকে টেস্টোস্টেরন নামক যৌন হরমোন, যা সঠিকভাবে কাজ করার জন্য প্রাকৃতিক আলো-বাতাসের প্রয়োজন। টাখনুকে ঢেকে রাখলে টেস্টোস্টেরন হরমোন শুকিয়ে যায়। যার প্রভাবে শরীরে অনেক রকম সমস্যা দেখা দেয়। শুক্রাণু কমে যায়। ফলে সহজে বাচ্চা হয় না। এ সমস্যাটি আমাদের সমাজে মহামারি আকার ধারণ করছে। তা ছাড়া টেস্টোস্টেরনের অভাব মস্তিষ্ক ‘ঘোলাটে’ করে দেয়। এতে মনোযোগ নষ্ট হয়। স্মৃতিশক্তিও কমে আসে ধীরে ধীরে।

অনেকে ইসলামের বিধান মেনে টাখনুর নিচে কাপড় পড়া থেকে বিরত থাকেন। তবে শীতের সময় ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতে টাখনুর নিচে কাপড় পরতে চান। এবিষয়ে আলেমদের মতামত হলো- শীতের কারণেও টাখনুর নিচে কাপড় পরা যাবে না। কারণ এর সমাধান জায়েজ পদ্ধতিতে করা সম্ভব। সেটি হল, মোটা মোজা বা চামড়ার মোজা পরিধান করা। যেহেতু ঠাণ্ডা থেকে বাঁচার বিকল্প ব্যবস্থা আছে, সেখানে নিষিদ্ধ কাজ করার কোন প্রয়োজন নেই।

তবে যদি কোথাও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকে, আর ঠান্ডার কারণে পা জমে যাওয়া বা মারাত্মক অসুস্থ্য হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে, তাহলে টাখনুর নিচে জামা পরিধান জায়েজ হবে ইসলামি শরীয়তের এই মূলনীতির ভিত্তিতে, যেখানে বলা হয়েছ, তীব্র প্রয়োজন নিষিদ্ধ বস্তু হালাল করে দেয়। তবে যখনি তীব্র প্রয়োজন দূর হয়ে যাবে, সঙ্গেসঙ্গে আবার তা হারাম হয়ে যাবে এবং আবারও কাপড় টাখনুর ওপর উঠাতে হবে। (শরহু কাওয়ায়িদিল ফিক্বহিয়্যাহ লিজযারক্বা, কায়দা নং-২০)

 

এখনো জ্বলছে আগুন, রমজানের জন্য রাখা ১ লাখ টন চিনি পুড়ে ছাই

চট্টগ্রামে চিনির কারখানা আগুন। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণপাড়ে এস আলম রিফাইন্ড সুগার মিলে (চিনির কারখানা) লাগা আগুন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। ফায়ার সার্ভিসের ১৮ ইউনিট ও নৌবাহিনী যৌথ চেষ্টায় চার ঘণ্টারও বেশি সময় চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। এতে করে কারখানায় থাকা এক লাখ টন অপরিশোধিত চিনি পুড়েছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার (৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে কর্ণফুলী মইজ্জারটেক এলাকায় এস আলম সুগার মিলে এ আগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।

কারখানার সহকারী ফিটার মনির জানান, গোডাউনে থাকা ব্রাজিল থেকে আমদানি করা ১ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত চিনি ছিল। এগুলো রমজানকে সামনে রেখে আমদানি করা হয়েছিল। এখান পরিশোধিত হয়ে চিনিগুলো মার্কেটে যাওয়ার কথা ছিল।

আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষে থেকে কিছু না জানালেও বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করছেন মিলের কর্মচারীরা।

ওই মিলের কর্মকর্তারা বলছেন, চিনির মিলের ছয়টি গোডাউনের মধ্যে একটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। সেখানে আমদানি করা অপরিশোধিত চিনি রাখা ছিল। আগুনের তীব্রতা বাড়ার কারণে অন্য গোডাউনে আগুন ছড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষে থেকে কিছু না জানালেও বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করছেন মিলের কর্মচারীরা।

এর আগে, বিকেলে ফায়ার সার্ভিসের আগ্রাবাদ কন্ট্রোল রুম সূত্র জানায়, বিকেল ৪টার দিকে কর্ণফুলী থানাধীন ইছানগর এলাকার চিনি মিলটির গোডাউনে আগুন লাগে। খবর পেয়ে কর্ণফুলী ও আনোয়ারা ফায়ার স্টেশন আগুন নেভাতে কাজ করছে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয় নৌবাহিনী।

আ. লীগ দেশকে রাশিয়া-ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছে: জয়নুল আবদিন

মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক। ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে রাশিয়া-ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক।

সোমবার (৪ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে তৃণমূল নাগরিক আন্দোলনের আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আওয়ামী লীগ মৃত ব্যক্তির ভোটে নির্বাচিত সরকার মন্তব্য করে ফারুক আরও বলেন, 'আজকে রাজপথে দাঁড়িয়ে রোজার আগে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য আমাদের বলতে হবে কেন? এই জন্য বলতে হবে, কারণ এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার না।'

সরকারের উদ্দেশে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আসলেও আপনারা সরকারে আছেন। তাই বলবো, রোজার মাসে অন্তত সিন্ডিকেট বন্ধ করুন। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসুন। সিন্ডিকেটকে, শেয়ারবাজার কারা লুট করেছে, আপনারা সব জানেন।

তিনি আরও বলেন, কানাডায় কারা বেগমপাড়া বানিয়েছে, সব তথ্য বিএনপির কাছে আছে। কারা বিদেশে অর্থ পাচার করেছে, কারা শেয়ার বাজার লুটপাট করেছে-সব ঘটনার হিসাব-নিকাশ একদিন এ বাংলার মাটিতেই হবে।

কৃষক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক ও তৃণমূল নাগরিক আন্দোলনের সভাপতি মফিজুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে এবং কৃষক দলের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নাঈমের পরিচালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল, কৃষক দলের দপ্তর সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সহ-বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মিয়া হাসান, সহ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নাছির উদ্দিন, কেন্দ্রীয় সদস্য আবুল হোসেন প্রমুখ।

‘ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতরা সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আসবেন’

ফাইল ছবি

সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির আওতায় আসছেন ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতরা। এক বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।

সোমবার (৪ মার্চ) চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিটি জেলায় ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অন্যান্যদের তালিকা প্রস্তুত করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছে।

বৈঠকে দেশব্যাপী সকল ইমাম ও পুরোহিতদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করার বিষয়েও আলোচনা হয়। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে পর্যটনের বিকাশ ঘটানোর ওপরে জোর দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ১৩টি জেলাকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করে ওইসব এলাকার পর্যটন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে বলে জানায়।

এ লক্ষ্যে প্রতিটি জেলায় একজন করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও একজন করে সহকারী কমিশনার নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তাদের নিজ নিজ জেলার মধ্যে পর্যটন প্রচার ও বিকাশের উদ্যোগ এবং কৌশল বাস্তবায়নের জন্য বিশেষভাবে দায়িত্ব দেওয়া হবে।

এছাড়াও বেসামরিক প্রশাসন, পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং জেলা প্রশাসকদের মধ্যে সহযোগিতার মাধ্যমে পর্যটন উন্নয়নের জন্য একটি বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করা হবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ

এখনো জ্বলছে আগুন, রমজানের জন্য রাখা ১ লাখ টন চিনি পুড়ে ছাই
আ. লীগ দেশকে রাশিয়া-ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছে: জয়নুল আবদিন
‘ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতরা সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আসবেন’
ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড সেবা চালু করবে মোবাইল অপারেটররা
মুড়িতে মাত্রাতিরিক্ত ফিটকিরি, জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী
এস আলম চিনি মিলে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১২ ইউনিট
শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে ছাত্রকে গুলি করলেন শিক্ষক
আঙ্গুর-খেজুর লাগবে কেন? বরই দিয়ে ইফতার করেন: শিল্পমন্ত্রী
বিএসএমএমইউয়ে নতুন ভিসি ডা. দীন মোহাম্মদ নূরুল হক
‘ইত্যাদি’র জন্য গান গাইলেন তাহসান-ফারিণ
জামিন পেলেন পিকে হালদারের বান্ধবী অবন্তিকা বড়াল
স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে সন্ত্রাসীর গুলিতে প্রাণ হারালেন অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীও
মুহূর্তেই যেকোনো গণিতের সমাধান করে দেবে অ্যাপ
হিন্দি সিনেমা এনেও তাজ হলে দর্শক নেই!
শিল্পী সমিতির বনভোজনে হাতাহাতি, ভিডিও ভাইরাল
গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্রের বালুতে খনিজ সম্পদের সন্ধান
৯৯৯-এ ফোন করে ধর্ষককে ধরিয়ে দিলেন মা
গোপনে দেশ ছাড়ার বিষয়ে মুখ খুললেন শাবনূর
ধানমন্ডির টুইন পিক টাওয়ারের ১২ রেস্তোরাঁ সিলগালা
মাওলানা লুৎফুর রহমানের দাফন সম্পন্ন