রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ১ বৈশাখ ১৪৩১
Dhaka Prokash

'ভূমিহীনদের ঘর দিতে আজ আমরাই ভূমিহীন'

সম্প্রতি বরগুনার তালতলী উপজেলার ছোট নিশান বাড়ীয়া মৌজায় সরকারিভাবে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মাণের কথা জানিয়ে উচ্ছেদ অভিযান করে উপজেলা প্রশাসন। ওই স্থানে বহু বছর ধরে বসবাস করে আসছিল ২৪টি দরিদ্র পরিবার। ঘরবাড়ি হারিয়ে তারা এখন ভূমিহীন অবস্থায় খোলা আকাশের নীচে দিন পার করছেন। তাদেরই একজন বৃদ্ধা সালেহা বেগম।

কান্নাজড়িত কন্ঠে বিলাপ করতে করতে সালেহা বেগম বলেন, ‘সরকারি ভাবে ভূমিহীনদের ঘর দেওয়ার কথা বলে আচমকা লোকজন আইসা আমাদের ঘরবাড়ি সব কিছু ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে। দুইটা মিনিট সময়ও দিল না, সারা জীবনের কামাই রোজগার যা ছিল সব শেষ। পাকিস্তান আমল হইতে আমরা এখানে থাকি। আমাদের যাওয়ার কোনো জায়গা নাই। গুরাগারা লইয়া এহানেই আকাশের নিচে রাত পার করছি। মরলে এইখানেই মরমু, তবুও অন্য কোনো জায়গায় যাবো না। ভূমিহীনদের ঘর দিতে আজ আমরাই ভূমিহীন। ঘর দিলে আমাদেরই তো আগে দেওয়ার কথা।'

আরেক ভুক্তভোগী মো. খলিল বলেন, 'মোগো জমিতে মোরা থাকতাম। ইউএনও সাহেব মোগো ঘর-দুয়ার সব পুলিশ লইয়া ভেঙে দিছে। মোরা এখন বালবাচ্চা লইয়া কই থাকমু? মোগো একটা ব্যবস্থা করে দেন আপনারা।'

কুলসুম বেগম নামে আরেকজন বলেন, 'আমার পরিবারে ৮ জন সদস্য। প্রশাসন আশ্রয়ণ প্রকল্পের নামে আমাদের ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করেছে। কনকনে শীতের মধ্যে পরিবারের দুইজন বয়স্ক ও দুই শিশু নিয়ে খোলা আকাশে গাছের নিচে বসবাস করতেছি। সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের যদি শুকনো খাবার এবং তাবু দিত তাইলে পরিবারের সদস্য নিয়ে কোনোমতে রাত কাটাতে পারতাম।'

আরেক ভুক্তভোগী কোহিনুর বলেন, 'দুপুরে পোলাপাইন লইয়া এখন পর্যন্ত কিছু খাইতে পারি নাই। পোলাপাইনের লেহাপড়া তো হচ্ছে না। থাকার জায়গা নাই, লেখাপড়া করবে কিভাবে। তার ওপরে সামনে ওদের পরীক্ষা।'

বৃদ্ধ আবদুর রশিদ খান বলেন, 'ঘর ভাঙার নোটিশ আসলে আমরা আমাদের কাগজপত্র ইউএনও স্যারকে দেখাই। কিন্তু কোনোমতে তিনি তা মানতে রাজি হননি। এমনকি আমাদের আকুতিও শুনেননি। বাধ্য হয়ে আমরা সবাই মিলে আদালতে মামলা করেছি।'

তিনি আরও বলেন, 'মামলা চলাকালীন কেমনে আমাদের ঘর দরজা ভেঙে দিল? আমরা জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দিয়েছিলাম। সেই অভিযোগ আমলে নিয়ে আমাদের পক্ষে কাগজ পাঠিয়েছিলেন সেটিও ইউএনও না দেখে আমাদের সব ভেঙে ফেলেছেন। এখানে ২৪ পরিবারের প্রায় ৮০ জন সদস্য রাস্তায় জীবনযাপন করছে। আমাদের এই ২৪ পরিবারকে যদি সরকার পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করেন তবে রাস্তায়ই আমাদের জীবনযাপন করতে হবে।'

এ ব্যাপারে তালতলীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম সাদিক তানভীর বলেন, 'আশ্রয়ণ প্রকল্পের জন্য প্রস্তাবিত জমিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের মাধ্যমে ৪ একর ২৭ শতাংশ সরকারি জমি উদ্ধার করা হয়েছে।'

তিনি আরও বলেন, 'এখানে আশ্রয়ণ প্রকল্প-৪ এর আওতায় ১৪২টি ঘর নির্মাণ করা হবে। উদ্ধারকৃত জমিতে যারা গৃহহীন হয়েছেন তাদের সকলকে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে নতুন ঘর দেওয়া হবে।'

এসআইএইচ

চুয়াডাঙ্গায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, কলেজছাত্রীসহ আহত ৪

নিহত ২ মোটরসাইকেল আরোহী। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

চুয়াডাঙ্গায় পৃথক দুটি মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় দুই কিশোর নিহত হয়েছে। এসব ঘটনায় এক কলেজছাত্রীসহ ৪ জন আহত হয়েছেন। আহত কলেজছাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

দূর্ঘটনা দুটি ঘটেছে রবিবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৬টার দিকে জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার পারলক্ষীপুর গ্রামে। অন্যদিকে এদিন বেলা ১১টায় সদর উপজেলার আকুন্দবাড়ীয়া-জীবননগর সড়কের সিংনগর গ্রামের মাঝামাঝি স্থানে দুটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই নিহত হয় মোটরসাইকেল আরোহী খালিদ হোসেন (১৭) ও তামিম হোসেন (১৭) নামের দু’কিশোর। এ সময় আহত হয়েছে আরেক আরোহী সজিব হোসেন (১৬)।

নিহত ও আহতরা সম্পর্কে চাচাতো ভাই। নিহত খালিদ ঝিনাইদহ জেলার বুড়া গ্রামের সেন্টুর মিয়ার ছেলে এবং তামিম একই এলাকার আরিফ হোসেনের ছেলে। আহত সজিবকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।

আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ গণি মিয়া ঢাকাপ্রকাশকে বলেন, রবিবার সকালে কৃষকরা মাঠে যাওয়ার পথে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার পারলক্ষীপুর গ্রামীণ সড়কে একটি মোটরসাইকেল গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে তিনজনকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ দুজনকে মৃত অবস্থায় এবং একজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। আহত ছেলেটিকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইন মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে এদিন বেলা ১১টায় সদর উপজেলার আকুন্দবাড়ীয়া-জীবননগর সড়কের সিংনগর গ্রামের মাঝামাঝি স্থানে দুটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় এক কলেজছাত্রীসহ ৪ জন আহত হয়েছে। আহত কলেজছাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তবে এ দূর্ঘটনার পর আহত ৩ জন দুর্ঘটনা কবলিত মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার কারণে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে আহত কলেজছাত্রী রিপা ওরফে রিংকীর মামা গাড়ী চালক আব্দুল আলিম জানায়, আকুন্দবাড়ীয়া-জীবননগর সড়কের সিংনগর গ্রামের মাঝামাঝি স্থানে দুটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল মুখোমুখী সংঘর্ষ হলে ওই ৪জন আহত হয়। ওই সংঘর্ষে দর্শনা পৌর এলাকার ঈশ্বরচন্দ্রপুর ঈদগাপাড়ার গাড়ী চালক রিপনের মেয়ে মোটরসাইকেল আরোহী দর্শনা সরকারী কলেজের ছাত্রী রিপা ওরফে রিংকী গুরুতরভাবে আহত হলে তাকে দর্শনা মর্ডান ক্লিনিকে ভর্তী করা হয়। সেখান থেকে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করা হলে, তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

তিনি আরো বলেন, মেয়েটি কার মোটরসাইকেলে চেপে দূর্ঘটনার শিকার হয়েছে তা জানা যায়নি। কারণ দূর্ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে তারা পালিয়ে যায়।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক জুবাইদা জয়া বলেন, কলেজছাত্রী রিপা ওরফে রিংকী মাথায় আঘাত পেয়েছে। সে কারণে তাকে রেফার করা হয়েছে।

আবারো বাংলাদেশে ঢুকল মিয়ানমারের ৯ বিজিপি সদস্য

বাংলাদেশে ঢুকল মিয়ানমারের ৯ বিজিপি সদস্য। ছবি: সংগৃহীত

জীবন বাঁচাতে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন সে দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) আরও নয় সদস্য।

রোববার (১৪ এপ্রিল) সকালে টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। বর্তমানে তারা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হেফাজতে রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বলিবাজার এলাকার ৭ বিজিপি ক্যাম্প দখলে নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও বিজিপি সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে অনেকে নিহত ও আহত হয়। একপর্যায়ে বিদ্রোহীদের সামনে অপরাপর বিজিপি সদস্যরা টিকে থাকতে না পেরে বিজিপির অনেক সদস্য মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে গেলেও ৯ জন সদস্য বাংলাদেশ সীমান্তে পালিয়ে আশ্রয় নেয়।

খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা গিয়ে তাদের নিরস্ত্রীকরণ করেন এবং পালিয়ে আসা বিজিপি সদস্যরা বিজিবির কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তবে এই ৯ জনের মধ্যে ২ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হতে পারে বলে একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছেন। তাদেরকে একটি অ্যাম্বুলেন্সযোগে আপাতত হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ে রাখা হয়েছে। তাদের নিরাপত্তায় বিজিবি সদস্যরা রয়েছেন।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন-২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহাম্মদ জানান, সীমান্তের নিরাপত্তার জন্য আমাদের টহল কার্যক্রম জোরদার রয়েছে বলেই মিয়ানমারের বিজিপি সদস্যরা অনুপ্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করতে সক্ষম হয়েছে। তবে কোনো রোহিঙ্গা যেন অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে জন্য বিজিবি সব সময় প্রস্তুত রয়েছে।

রেকর্ড দর্শকের সামনে মেসি-সুয়ারেজের গোলে মায়ামির জয়

ছবি: সংগৃহীত

সময়টা ভালো যাচ্ছিলো না ইন্টার মায়ামির। শেষ পাঁচ ম্যাচের একটাতেও জিততে পারেনি তারা। শেষ ম্যাচে গোল করেও মেসি জেতাতে পারেননি দলকে। তবে আজ আর ভুল করেননি, গোল করে, করিয়ে মায়ামির ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙে দিলেন তিনি।

রোববার (১৪ এপ্রিল) সকালে মেজর সকার লিগে কানসাস সিটির বিপক্ষে তাদের ঘরের মাঠে খেলতে নামে ইন্টার মায়ামি। দারুণ লড়াই হলেও শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সফরকারীরা। এ জয়ে ইস্টার্ন কনফারেন্সের শীর্ষস্থান ফিরে পেয়েছে মায়ামি। ৯ ম্যাচে পয়েন্ট ১৫।

চোটের কারণে টানা পাঁচ ম্যাচ খেলতে পারেননি মেসি। মন্তেরির বিপক্ষে কনক্যাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপের ম্যাচ দিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে ফিরলেও সেদিন পুরোপুরি ছন্দে দেখা যায়নি আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে। তবে আজ ম্যাচের শুরু থেকেই মেসি ছিলেন উজ্জ্বল। তাতে আলোর মুখ দেখে মায়ামিও।

তবে কানসাসের মাঠে প্রায় ৭৩ হাজার দর্শকের সামনে শুরুতে পিছিয়ে পড়ে মেসির মায়ামি। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই বাঁ প্রান্ত দিয়ে এরিক টমির গোলে এগিয়ে যায় এসকেসি। অবশ্য সমতায় ফিরতে খুব একটা অপেক্ষা করতে হয়নি মায়ামিকে। মেসির সুবাদে দ্রুত ফেরে সমতায়।

ম্যাচের ১৮তম মিনিটে মেসির অসাধারণ অ্যাসিস্টে দলকে সমতায় ফেরান গোমেজ। এরপর আরো বেশকিছু আক্রমণ করলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি মায়ামি। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে তেমন কোনো জোরালো আক্রমণ না হওয়ায় সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দু’দল।

তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মায়ামিকে এগিয়ে দেন মেসি। ৫১ মিনিটে গোলের দেখা পান বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা। ডেভিড রুইজের কাছ থেকে বক্সের বাইরে বল পেয়ে চোখ ধাঁধানো শটে বল জালে জড়ান তিনি। চলতি মৌসুমে মায়ামির হয়ে ৫ ম্যাচে যা মেসির পঞ্চম গোল, সাথে আছে পাঁচ অ্যাসিস্টও।

এগিয়ে যাওয়ার আনন্দটা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি মায়ামির। ৫৮ মিনিটে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলে কানসাসকে সমতায় ফেরান টমি। ২-২ সমতায় খেলা তখন জমে ক্ষীর। জয়সূচক গোলের জন্যে দুই দলই চালাতে থাকে একের পর এক আক্রমণ।

তবে সব সংশয় উড়িয়ে দেন লুইস সুয়ারেজ। ৭১ মিনিটে অবশ্য কানসাস সমর্থকদের উল্লাস থামিয়ে মায়ামিকে আবার এগিয়ে দেন তিনি। ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মেসির দল। শেষ পর্যন্ত আর গোল না হলে এই ব্যবধানেই জয় নিশ্চিত করে মায়ামি।

সর্বশেষ সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, কলেজছাত্রীসহ আহত ৪
আবারো বাংলাদেশে ঢুকল মিয়ানমারের ৯ বিজিপি সদস্য
রেকর্ড দর্শকের সামনে মেসি-সুয়ারেজের গোলে মায়ামির জয়
মুক্তিপণের বিষয়ে কথা না বলতে অ্যাগ্রিমেন্ট হয়েছে: জাহাজের মালিকপক্ষ
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে টাঙ্গাইলে মঙ্গল শোভাযাত্রা
ইরানের হামলার পর বাইডেন-নেতানিয়াহু ফোনালাপ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে ৩ শ্রমিকের মৃত্যু
বান্দরবানে ব্যাংক ডাকাতি: কেএনএফের আরও ৪ সদস্য কারাগারে
সালমান খানের বাড়ির সামনে দুর্বৃত্তদের গুলি
নওগাঁয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাঙালির বর্ষবরণ
আজ রাজধানীতে বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক
ইসরায়েলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান
বিএনপি বাঙালির সংস্কৃতি সহ্য করতে পারে না: ওবায়দুল কাদের
৩১ দিন পর মুক্ত ২৩ নাবিক ও জিম্মি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ
আজ পহেলা বৈশাখ, চারুকলা অনুষদ থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু
নতুন বছর অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে : প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ববাজারে রেকর্ড উচ্চতায় স্বর্ণের দাম
চাঁদপুরে যুবকের পায়ুপথে ৬ ইঞ্চি ডাব, অস্ত্রোপচারে অপসারণ
ঈদের আনন্দে যমুনার পাড়ে বিনোদন প্রেমীদের ঢল
চালের বস্তায় লিখতে হবে ধানের জাত ও মিল গেটের মূল্য