রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ১ বৈশাখ ১৪৩১
Dhaka Prokash

রশি টানা নৌকায় নদী পারাপারে ৫০ বছর!

'সরকার যায়, সরকার আসে, এমপি যায়, মন্ত্রী আসে, কিন্তু দুঃখের বিষয় আমাদের ইছামতী নদীর উপর একটি সেতু হয় না। ঘোচে না আমাদের দুর্ভাগ, দুঃখ দুর্দশা। অথচ নির্বাচনের সময় সব দলের প্রার্থীরা ইছামতী নদীর উপর ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও আজও কেউ কথা রাখেনি'। ক্ষোভের সঙ্গে কথা গুলো বলছিলেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ১নং রাজানগর ইউনিয়নের শিয়ালবুক্ক এলাকার বাসিন্দা আবুল বশর।

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ১নং রাজানগর ও দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতী নদীর উপর স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫০ বছর পরেও একটি সেতু নির্মিত না হওয়ায় যুগ যুগ ধরে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন দুই ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার মানুষ। বিশেষ করে একটি সেতুর অভাবে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রাজানগর ইউনিয়নের শিয়ালবুক্ক এলাকার নদীবেষ্টিত ৩ গ্রামের ১০ হাজার মানুষ। স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫০ বছর পরেও একটি সেতু নির্মিত না হওয়ায় এই ৩ গ্রামে পড়েনি তেমন একটা উন্নয়নের প্রভাব।

দীর্ঘদিনের দাবীর পরও ইছামতির নদীর ওপর সেতু না হওয়ায় দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে রশি টানা নৌকা দিয়ে নদী পার হতে হয় উপজেলা রাজানগর ও দঃ রাজানগর ইউনিয়নের বড়ুয়াপাড়া, হরিণাছড়া, শিয়ালবুক্ক ও ফুলবাগিচাসহ আশেপাশের আরও ৮ গ্রামের ২০ হাজার মানুষকে। চরম দুর্ভাগ ও ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার করলেও এসব মানুষের কষ্ট যেনো দেখার কেউ নেই।

জানা যায়, চট্টগ্রাম - কাপ্তাই সড়ক ও চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়কের সংযোগ সড়ক হচ্ছে পারুয়া-রানীরহাট কালীন্দা রাণী সড়ক। উপজেলা ও জেলা শহরে যাতায়েতের একমাত্র পথ হচ্ছে এই সড়ক।

এই কালীন্দা রাণী সড়কটি বয়ে গেছে রাজানগর ও দঃ রাজানগর ইউনিয়নের উপর দিয়ে। আর উক্ত ইউনিয়ন দু'টির উপর দিয়ে প্রবাহিত ইছামতী নদী। নদীর পশ্চিম পাশে রয়েছে ৩টি গ্রাম, পূর্ব পাশে রয়েছে ৫টি গ্রাম। পশ্চিম পাশের ৩ গ্রামের তিনদিক থেকে ঘিরে রেখেছে ইছামতী নদী। অনেকটা দ্বীপের মতো।

এই গ্রামের হাই স্কুল, প্রাইমারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় পড়ুয়া প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন রশি টানা নৌকা দিয়ে ইছামতী নদী পার হয়ে রাজাভূবন স্কুল, খন্ডলিয়া পাড়া মাদ্রাসা, আলমশাহ পাড়া কামিল মাদ্রাসা, উত্তর রাঙ্গুনিয়া হাই স্কুল, উত্তর রাঙ্গুনিয়া ডিগ্রি কলেজ, রাণীরহাট কলেজে যাতায়াত করেন।



এছাড়াও প্রতিদিন এপাশ ওপাশের মানুষজন নিত্য কাজে শিয়ালবুক্ক ঘাট দিয়ে এই নদী পারাপার হন। একই সাথে জেলা ও উপজেলা সদরে বিভিন্ন কাজসহ কৃষিকাজে আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে চাষাবাদ করা, অফিস-আদালত, হাট-বাজার, অসুস্থদের চিকিৎসাসেবা নিতে যাতায়াত করে এখানকার হাজার হাজার মানুষ। সেতু না থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় পশ্চিম পাড়ের ৩ গ্রামের মানুষদের। বেশী ভোগান্তিতে পড়তে হয় শিশু-নারী ও বৃদ্ধদের। ঘাটে এসে তাদের অপেক্ষা করতে হয় পুরুষদের জন্য। এরপর রশি টেনে নৌকা নিয়ে নদী পার হতে হয়।

বর্ষাকালে এ ভোগান্তি, দুর্দশা তীব্র আকার ধারণ করে। শুধু তাই নয় বর্ষা মৌসুমে এই নদী পার হওয়া অনেক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। নদী পার হতে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকারও হতে হয় এসব গ্রামবাসীদেরকে। প্রায়শ নৌকা ডুবির ঘটনা ঘটে বলে জানান এলাকাবাসী।

এদিকে একটি সেতুর অভাবে নদীর পশ্চিম পাড়ের ৩ গ্রামে অগ্নিকাণ্ড, অসুস্থ রোগীদের নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া বা কোনো প্রকার দুর্ঘটনা ঘটলে পুলিশ প্রশাসনের সদস্যরাও দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ দল পাল্টায়, সরকার যায়, সরকার আসে, এমপি যায় মন্ত্রী আসে। কিন্তু ইছামতী নদীর উপর একটা সেতু হয় না। অথচ ভোট এলে সব দলের নেতারাই সেতু নির্মাণের কথা দেন, কিন্তু কথা দিয়েও কেউ কথা রাখেননি। ইছামতী নদীর উপর একটি সেতু নির্মাণ এখন এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি।

রোকসানা আক্তার নামে রাজভূবন উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর এক ছাত্রী জানান, আমাদেরকে প্রতিদিনই রশি টেনে নৌকা নিয়ে নদী পার হয়ে স্কুলে যেতে হয়। অনেক সময় নৌকা না পেলে স্কুলে পৌঁছাতে দেরি হয়। আর শুষ্ক মৌসুমে হাঁটু পানি পার হতে হয়। বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলেই যাতায়াতে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। একটা সেতু হলে আমাদের এই কষ্ট দূর হত।

শিয়ালবুক্ক এলাকার বয়োবৃদ্ধ সুলতান আহমদ বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামের দীর্ঘ ৫০ বছরে কত সরকার এলো গেলো, কত এমপি গেলো মন্ত্রী এলো আমাদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হলো না। অথচ ভোট এলে সব দলের প্রার্থীরা ইছামতী নদীর উপর ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু আজও কেউ কথা রাখেনি। দ্রুত ইছামতী নদীতে একটি সেতু নির্মাণের জন্য আমরা সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাই।

রাজানগর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি: শামসুল আলম বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে মাননীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপির ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এ পর্যন্ত রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ছোট-বড় প্রায় অর্ধশতাধিক সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। তারপরও যদি কোনো নদীতে সেতু না থাকে সেখানে পর্যায়ক্রমে সেতু নির্মাণ করা হবে। ইছামতী নদীর ওইস্থানে সেতু স্থাপনের বিষয়ে আগামী উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় দাবি জানানো হবে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রকৌশলী দিদারুল আলম বলেন, যেসব নদীতে সেতু নির্মাণ প্রয়োজন এমন তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তারপরও আমি উক্ত স্থান পরিদর্শন করে প্রয়োজনবোধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রস্তাব পাঠাবো, যাতে অতি দ্রুত শিয়ালবুক্ক এলাকার ইছামতী নদীতে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতাউল গণি ওসমানী বলেন, রাজানগর ইউনিয়নের শিয়ালবুক্ক নামকস্থানে একটি সেতু স্থাপনে এলাকাবাসীর দাবির বিষয়টি জানতে পারলাম। এলজিইডি কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে দ্রুত পর্যবেক্ষণ করা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বিষয়টি জানানো হবে।
এএজেড

চুয়াডাঙ্গায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, কলেজছাত্রীসহ আহত ৪

নিহত ২ মোটরসাইকেল আরোহী। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

চুয়াডাঙ্গায় পৃথক দুটি মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় দুই কিশোর নিহত হয়েছে। এসব ঘটনায় এক কলেজছাত্রীসহ ৪ জন আহত হয়েছেন। আহত কলেজছাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

দূর্ঘটনা দুটি ঘটেছে রবিবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৬টার দিকে জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার পারলক্ষীপুর গ্রামে। অন্যদিকে এদিন বেলা ১১টায় সদর উপজেলার আকুন্দবাড়ীয়া-জীবননগর সড়কের সিংনগর গ্রামের মাঝামাঝি স্থানে দুটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে।

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই নিহত হয় মোটরসাইকেল আরোহী খালিদ হোসেন (১৭) ও তামিম হোসেন (১৭) নামের দু’কিশোর। এ সময় আহত হয়েছে আরেক আরোহী সজিব হোসেন (১৬)।

নিহত ও আহতরা সম্পর্কে চাচাতো ভাই। নিহত খালিদ ঝিনাইদহ জেলার বুড়া গ্রামের সেন্টুর মিয়ার ছেলে এবং তামিম একই এলাকার আরিফ হোসেনের ছেলে। আহত সজিবকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।

আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ গণি মিয়া ঢাকাপ্রকাশকে বলেন, রবিবার সকালে কৃষকরা মাঠে যাওয়ার পথে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার পারলক্ষীপুর গ্রামীণ সড়কে একটি মোটরসাইকেল গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে তিনজনকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ দুজনকে মৃত অবস্থায় এবং একজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে। আহত ছেলেটিকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরী করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইন মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে এদিন বেলা ১১টায় সদর উপজেলার আকুন্দবাড়ীয়া-জীবননগর সড়কের সিংনগর গ্রামের মাঝামাঝি স্থানে দুটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় এক কলেজছাত্রীসহ ৪ জন আহত হয়েছে। আহত কলেজছাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তবে এ দূর্ঘটনার পর আহত ৩ জন দুর্ঘটনা কবলিত মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার কারণে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে আহত কলেজছাত্রী রিপা ওরফে রিংকীর মামা গাড়ী চালক আব্দুল আলিম জানায়, আকুন্দবাড়ীয়া-জীবননগর সড়কের সিংনগর গ্রামের মাঝামাঝি স্থানে দুটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল মুখোমুখী সংঘর্ষ হলে ওই ৪জন আহত হয়। ওই সংঘর্ষে দর্শনা পৌর এলাকার ঈশ্বরচন্দ্রপুর ঈদগাপাড়ার গাড়ী চালক রিপনের মেয়ে মোটরসাইকেল আরোহী দর্শনা সরকারী কলেজের ছাত্রী রিপা ওরফে রিংকী গুরুতরভাবে আহত হলে তাকে দর্শনা মর্ডান ক্লিনিকে ভর্তী করা হয়। সেখান থেকে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করা হলে, তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

তিনি আরো বলেন, মেয়েটি কার মোটরসাইকেলে চেপে দূর্ঘটনার শিকার হয়েছে তা জানা যায়নি। কারণ দূর্ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে তারা পালিয়ে যায়।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক জুবাইদা জয়া বলেন, কলেজছাত্রী রিপা ওরফে রিংকী মাথায় আঘাত পেয়েছে। সে কারণে তাকে রেফার করা হয়েছে।

আবারো বাংলাদেশে ঢুকল মিয়ানমারের ৯ বিজিপি সদস্য

বাংলাদেশে ঢুকল মিয়ানমারের ৯ বিজিপি সদস্য। ছবি: সংগৃহীত

জীবন বাঁচাতে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন সে দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) আরও নয় সদস্য।

রোববার (১৪ এপ্রিল) সকালে টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। বর্তমানে তারা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) হেফাজতে রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বলিবাজার এলাকার ৭ বিজিপি ক্যাম্প দখলে নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও বিজিপি সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে অনেকে নিহত ও আহত হয়। একপর্যায়ে বিদ্রোহীদের সামনে অপরাপর বিজিপি সদস্যরা টিকে থাকতে না পেরে বিজিপির অনেক সদস্য মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে গেলেও ৯ জন সদস্য বাংলাদেশ সীমান্তে পালিয়ে আশ্রয় নেয়।

খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা গিয়ে তাদের নিরস্ত্রীকরণ করেন এবং পালিয়ে আসা বিজিপি সদস্যরা বিজিবির কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তবে এই ৯ জনের মধ্যে ২ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হতে পারে বলে একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছেন। তাদেরকে একটি অ্যাম্বুলেন্সযোগে আপাতত হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ে রাখা হয়েছে। তাদের নিরাপত্তায় বিজিবি সদস্যরা রয়েছেন।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন-২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহাম্মদ জানান, সীমান্তের নিরাপত্তার জন্য আমাদের টহল কার্যক্রম জোরদার রয়েছে বলেই মিয়ানমারের বিজিপি সদস্যরা অনুপ্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করতে সক্ষম হয়েছে। তবে কোনো রোহিঙ্গা যেন অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে জন্য বিজিবি সব সময় প্রস্তুত রয়েছে।

রেকর্ড দর্শকের সামনে মেসি-সুয়ারেজের গোলে মায়ামির জয়

ছবি: সংগৃহীত

সময়টা ভালো যাচ্ছিলো না ইন্টার মায়ামির। শেষ পাঁচ ম্যাচের একটাতেও জিততে পারেনি তারা। শেষ ম্যাচে গোল করেও মেসি জেতাতে পারেননি দলকে। তবে আজ আর ভুল করেননি, গোল করে, করিয়ে মায়ামির ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙে দিলেন তিনি।

রোববার (১৪ এপ্রিল) সকালে মেজর সকার লিগে কানসাস সিটির বিপক্ষে তাদের ঘরের মাঠে খেলতে নামে ইন্টার মায়ামি। দারুণ লড়াই হলেও শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সফরকারীরা। এ জয়ে ইস্টার্ন কনফারেন্সের শীর্ষস্থান ফিরে পেয়েছে মায়ামি। ৯ ম্যাচে পয়েন্ট ১৫।

চোটের কারণে টানা পাঁচ ম্যাচ খেলতে পারেননি মেসি। মন্তেরির বিপক্ষে কনক্যাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপের ম্যাচ দিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে ফিরলেও সেদিন পুরোপুরি ছন্দে দেখা যায়নি আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে। তবে আজ ম্যাচের শুরু থেকেই মেসি ছিলেন উজ্জ্বল। তাতে আলোর মুখ দেখে মায়ামিও।

তবে কানসাসের মাঠে প্রায় ৭৩ হাজার দর্শকের সামনে শুরুতে পিছিয়ে পড়ে মেসির মায়ামি। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই বাঁ প্রান্ত দিয়ে এরিক টমির গোলে এগিয়ে যায় এসকেসি। অবশ্য সমতায় ফিরতে খুব একটা অপেক্ষা করতে হয়নি মায়ামিকে। মেসির সুবাদে দ্রুত ফেরে সমতায়।

ম্যাচের ১৮তম মিনিটে মেসির অসাধারণ অ্যাসিস্টে দলকে সমতায় ফেরান গোমেজ। এরপর আরো বেশকিছু আক্রমণ করলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি মায়ামি। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে তেমন কোনো জোরালো আক্রমণ না হওয়ায় সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দু’দল।

তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মায়ামিকে এগিয়ে দেন মেসি। ৫১ মিনিটে গোলের দেখা পান বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা। ডেভিড রুইজের কাছ থেকে বক্সের বাইরে বল পেয়ে চোখ ধাঁধানো শটে বল জালে জড়ান তিনি। চলতি মৌসুমে মায়ামির হয়ে ৫ ম্যাচে যা মেসির পঞ্চম গোল, সাথে আছে পাঁচ অ্যাসিস্টও।

এগিয়ে যাওয়ার আনন্দটা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি মায়ামির। ৫৮ মিনিটে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলে কানসাসকে সমতায় ফেরান টমি। ২-২ সমতায় খেলা তখন জমে ক্ষীর। জয়সূচক গোলের জন্যে দুই দলই চালাতে থাকে একের পর এক আক্রমণ।

তবে সব সংশয় উড়িয়ে দেন লুইস সুয়ারেজ। ৭১ মিনিটে অবশ্য কানসাস সমর্থকদের উল্লাস থামিয়ে মায়ামিকে আবার এগিয়ে দেন তিনি। ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মেসির দল। শেষ পর্যন্ত আর গোল না হলে এই ব্যবধানেই জয় নিশ্চিত করে মায়ামি।

সর্বশেষ সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, কলেজছাত্রীসহ আহত ৪
আবারো বাংলাদেশে ঢুকল মিয়ানমারের ৯ বিজিপি সদস্য
রেকর্ড দর্শকের সামনে মেসি-সুয়ারেজের গোলে মায়ামির জয়
মুক্তিপণের বিষয়ে কথা না বলতে অ্যাগ্রিমেন্ট হয়েছে: জাহাজের মালিকপক্ষ
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে টাঙ্গাইলে মঙ্গল শোভাযাত্রা
ইরানের হামলার পর বাইডেন-নেতানিয়াহু ফোনালাপ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে ৩ শ্রমিকের মৃত্যু
বান্দরবানে ব্যাংক ডাকাতি: কেএনএফের আরও ৪ সদস্য কারাগারে
সালমান খানের বাড়ির সামনে দুর্বৃত্তদের গুলি
নওগাঁয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাঙালির বর্ষবরণ
আজ রাজধানীতে বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক
ইসরায়েলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান
বিএনপি বাঙালির সংস্কৃতি সহ্য করতে পারে না: ওবায়দুল কাদের
৩১ দিন পর মুক্ত ২৩ নাবিক ও জিম্মি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ
আজ পহেলা বৈশাখ, চারুকলা অনুষদ থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু
নতুন বছর অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে : প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ববাজারে রেকর্ড উচ্চতায় স্বর্ণের দাম
চাঁদপুরে যুবকের পায়ুপথে ৬ ইঞ্চি ডাব, অস্ত্রোপচারে অপসারণ
ঈদের আনন্দে যমুনার পাড়ে বিনোদন প্রেমীদের ঢল
চালের বস্তায় লিখতে হবে ধানের জাত ও মিল গেটের মূল্য