বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪ | ৩ শ্রাবণ ১৪৩১
Dhaka Prokash

ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরও চলছে আরডিএ মার্কেট

এ যেন ‘একের ভিতর সব’ থিউরির প্রতিফলন। এক ছাদের নিচেই ইলেকট্রনিক্স, মুদি, কাপড়, কসমেটিকস, কোকারিজসহ বিভিন্ন পণ্যের দোকান নিয়ে গড়ে উঠে  রাজশাহীর আরডিএ মার্কেট। কিন্তু মার্কেটের নিরাপত্তায় বিরাজ করছে অব্যবস্থাপনা। এর ফলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা। এজন্য ভেঙে ফেলার পরামর্শও সংসদীয় স্থায়ী কমিটির। কিন্তু আপত্তি ব্যবসায়ীদের। আর উদ্বিগ্নতার সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আপত্তির মুখে যেন অসহায় স্থানীয় প্রশাসনও। এর ফলে চরম ঝুঁকি নিয়ে চলছে মার্কেটটি।

এই মার্কেটের ভেতরে ঠুকলে আলো-বাতাস ঢোকার ব্যবস্থা নেই। নেই কোনো ভেন্টিলেশন। মার্কেটে আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঢোকার পথও নেই। এমনকি তাদের নেই নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এই মার্কেটকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে ভেঙে ফেলতে চান রাজশাহী সিটি করপোরেশন, ফায়ার সার্ভিস, এমনকি মার্কেটটির নির্মাণকারী সংস্থা রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষও (আরডিএ)। ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি মার্কেটটি ভেঙে ফেলার সুপারিশও করেছে। কিন্তু অনড় ব্যবসায়ীরা।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৬-৮৭ সালের দিকে সড়ক সম্প্রসারণের কারণে উচ্ছেদ হওয়া ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন করতেই তড়িঘড়ি করে মার্কেটটি তৈরি করা হয়েছিল। যেখানে ১৩৭ জন ব্যবসায়ীকে পুনর্বাসন করেছিল আরডিএ। এজন্য এটি ‘আরডিএ মার্কেট’ নামেই পরিচিত। তবে সময়ের সঙ্গে মার্কেটের আশপাশে ও উপরে জোড়াতালি দিয়ে তিন তলা এই মার্কেটে এখন দোকানের সংখ্যা দুই হাজারের বেশি।

এই মার্কেটটি রাজশাহীর নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষদের প্রথম পছন্দ। যেকোনো উৎসবের আগে মার্কেটের ভেতরে-বাইরে পা ফেলার জায়গা থাকে না।

সরেজমিনে দেখা যায়, সাহেববাজারের প্রধান সড়কের পাশে এই মার্কেটের পরিবেশ খুবই ঘিঞ্জি। মার্কেটের পূর্ব-পশ্চিম ও দক্ষিণে সরু রাস্তা। এসব রাস্তা দখল করেও ব্যবসা করছেন ব্যবসায়ীরা। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে এই তিন দিক দিয়েই ফায়ার সার্ভিসের গাড়িও ঢুকবে না। মার্কেটের ভেতরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বিদ্যুতের তারের জঞ্জালও অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি বাড়িয়েছে। যা নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা নেই ব্যবসায়ীদের।
ফায়ার সার্ভিস ২০১৯ সালের এপ্রিলে এই মার্কেটকে ‘খুবই ঝুঁকিপূর্ণ’ ঘোষণা করে তাদের পক্ষ থেকে মার্কেটের প্রবেশপথে একটি পোস্টারও সাঁটিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু রাতারাতি গায়েব হয়ে যায় পোস্টারটি। পরে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ১৩তম বৈঠকে আরডিএ মার্কেট ভেঙে ফেলার সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে এই মার্কেট ভেঙে নতুন করে নির্মাণের জন্য সিটি করপোরেশনের সঙ্গে আরডিএকে আলোচনা করতে বলা হয়। এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। কিন্তু ব্যবসায়ীদের বিরোধিতার কারণে এই প্রক্রিয়া এগোয়নি।

এদিকে আরডিএ’র পুনর্বাসিত সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন আলী জানান, এই মার্কেটে তেমন ঝুঁকি নেই। পরিবেশও ঘিঞ্জি না। তবে মার্কেটের আশপাশ দিয়ে মাকড়সার জালের মতো বিদ্যুতের তার টানার কারণে অগ্নিকাণ্ডের একটু ঝুঁকি আছে।

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহী সদর দপ্তরের উপ-পরিচালক ওহিদুল ইসলাম জানান, এই মার্কেটের পরিবেশ এতটাই ঘিঞ্জি যে আগুন লাগলে ধোয়া বের হওয়ার মতো জায়গা নেই। একেবারে অপরিকল্পিতভাবে মার্কেটটা করা হয়েছে। ভবন করার আগে ফায়ার সার্ভিসের অনুমোদন লাগে। কিন্তু এই মার্কেটের ক্ষেত্রে ফায়ার সার্ভিসের অনুমোদনও নেওয়া হয়নি। দুর্ঘটনা ঝুঁকি এড়াতে কোনো ব্যবস্থায় গ্রহণ করা হয়নি। এ কারণে অনেক আগেই মার্কেটটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছেন।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মো. নূর ইসলাম জানান, মার্কেটটি ঝুঁকিপূর্ণ। ভেতরে খাচার মতো পরিবেশ। আগুন লাগলে ব্যবসায়ীদের মালামাল যেমন পুড়বে তেমনি অনেক মানুষের প্রাণহানিরও ঝুঁকি আছে। তাই এটি ভেঙে ফেলার ব্যাপারে তারাও একমত।

তিনি জানান, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি মার্কেটটি ভেঙে ফেলার সুপারিশ করলে আরডিএ চেয়ারম্যান সিটি মেয়রের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন। মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনও এটি ভেঙে ফেলার পক্ষে মত দেন। কিন্তু পরে আরডিএ এগোতে পারেনি।

এ ব্যাপারে আরডিএয়ের তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা রাহেনুল ইসলাম রনি জানান, এ বিষয়ে কাজ চলছে। মার্কেটটি ভেঙে নতুন করে নির্মাণের পরিকল্পনা আছে।

এসআইএইচ

Header Ad

ঢাকাসহ সারা দেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

ঢাকাসহ সারা দেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন। ছবি: সংগৃহীত

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রলীগের হামলা, সাধারণ শিক্ষার্থীদের হত্যা এবং ঢাবি প্রশাসনের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের নির্বিচার হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সারাদেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি চলছে। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঢাকাসহ সারাদেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তিনি জানান, কমপ্লিট শাটডাউনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঢাকাসহ সারা দেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন মঙ্গলবার বেশ সহিংস রূপ নেয়। এদিন ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে ছয়জন মারা যান। আহত হন কয়েক শ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। এ অবস্থায় সারা দেশের স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বন্ধ ঘোষণা করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও।

গতকাল রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও শনির আখড়ায় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

এদিকে গতকাল সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে তিনি বলেন, উচ্চ আদালত থেকে ছাত্রসমাজ ন্যায়বিচার পাবে এবং তাদের হতাশ হতে হবে না।

এরপর দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির ঘোষণা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। কর্মসূচি অনুযায়ী, হাসপাতাল ও জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব কিছু বন্ধ থাকবে এবং রাস্তায় অ্যাম্বুল্যান্স ছাড়া কোনো যানবাহন চলবে না বলে জানানো হয়।

রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে চলছে না মোবাইল ডাটা

প্রতীকী ছবি। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকার অধিকাংশ জায়গাতেই মোবাইল ডাটা ব্যবহার করে ফেসবুক ও মেসেঞ্জার ব্যবহার করা যাচ্ছে না। প্রায় ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে এমন সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। তবে ব্রডব্যান্ড লাইনে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা অব্যাহত রয়েছে।

রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি, নীলক্ষেত, পলাশী, সায়েন্সল্যাব, গ্রিনরোড, যাত্রাবাড়ী এবং পার্শ্ববর্তী নারায়ণগঞ্জ, টঙ্গী এবং গাজীপুর সিটির বিভিন্ন এলাকায়ও মোবাইল ডাটা দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাচ্ছে না। একইসঙ্গে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক এলাকাগুলোতে একই অবস্থার খবর পাওয়া গেছে।

গ্রাহকরা অভিযোগ জানিয়ে বলছেন, গত পরশুদিন মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দিবাগত মধ্যরাত থেকেই এমন অবস্থা শুরু হয়েছে। তবে গতকাল বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত মোবাইল ডাটা কিছুটা কাজ করলেও এরপর থেকে একেবারেই ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ডাটা চালু করার পর ফোরজি সাইন এলেও ফেসবুক ও মেসেঞ্জার কাজ করছে না। পর্যাপ্ত ডাটা থাকার পরও অনলাইনে কোনো কিছুই করা যাচ্ছে না। গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি, এয়ারটেল এবং টেলিটকের সিম ব্যবহারকারী সবার একই অবস্থা। তবে স্বাভাবিক রয়েছে ব্রডব্যান্ড লাইন। বাসা-বাড়িতে এবং বিভিন্ন অফিসে সংযোগ করা লাইনে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।

যদিও বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কিংবা মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে নাম পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে একটি মোবাইল অপারেটর কোম্পানির এক কর্মকর্তা বলেন, মোবাইল ডাটার ব্যবহারে আমাদের পক্ষ থেকে কোনো সমস্যা নেই। আগে যেমন ব্যবস্থাপনা ছিল এখনও ঠিক তেমনটিই আছে। তবে বিভিন্নভাবে এর গতি পরিমিত করা বা গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেট সেবার গতি কমানোর সুযোগ রয়েছে।

অন্যদিকে দেশের সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং আশপাশের এলাকায় ফোরজি নেটওয়ার্ক বন্ধ করার মৌখিক নির্দেশনা সরকারের নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে।

উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বাতিলের দাবিতে দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এবং সংঘর্ষের ঘটনার পর থেকেই মোবাইল ডাটা ব্যবহারের ক্ষেত্রে ধীরগতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে গ্রাহকদের। অবশ্য ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মৃত্যুর মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার ফলে সারা দেশে ব্যাপক সংঘর্ষ ও প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটেছে। সেজন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো কিছু দেখে যাচাই-বাছাই না করে শিক্ষার্থীদের কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রিয়াল মাদ্রিদে আরো এক বছর লুকা মদ্রিচ

রিয়াল মাদ্রিদে আরো এক বছর লুকা মদ্রিচ। ছবি: সংগৃহীত

রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে আরও এক বছরের চুক্তি করলেন লুকা মদ্রিচ। ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতেই থাকছেন এই ক্রোয়াট মিডফিল্ডার৷

বুধবার (১৭ জুলাই) মদ্রিচের সঙ্গে চুক্তির বিষয়টি নিজেদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে রিয়াল। আরও এক বছর সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর দলটিতে থাকবেন তিনি। চুক্তির মেয়াদ আগামী ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। রিয়ালের সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের উপস্থিতিতে চুক্তি স্বাক্ষরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর জার্সি তুলে দেওয়া হয়।

সবশেষ ২০২৩-২৪ মৌসুমে লা লিগা ও চ্যাম্পিয়নস লিগজয়ী রিয়ালের দ্বিতীয় অধিনায়ক ছিলেন মদ্রিচ। আর প্রথম অধিনায়ক ছিলেন নাচো ফার্নান্দেজ। স্প্যানিশ এই ডিফেন্ডারের সঙ্গে আর চুক্তি নবায়ন করছে না লস ব্লাঙ্কোরা।

গত মৌসুমে রিয়ালের হয়ে মোট ৪৬ ম্যাচে মাঠে নামেন মদ্রিচ। তবে ক্লাবটির কোচ কার্লো আনচেলত্তি তরুণদের প্রাধান্য দেওয়ায় শুরুর একাদশে তিনি ছিলেন মোটে ২৩ ম্যাচে। তারপরও লা লিগা ও চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জয়ে তার ছিল দারুণ ভূমিকা।

ফুটবলে নয় ক্রিকেটের বৈশ্বিক পুরস্কার জিতে চমক মেক্সিকোরফুটবলে নয় ক্রিকেটের বৈশ্বিক পুরস্কার জিতে চমক মেক্সিকোর রিয়ালের জার্সিতে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মদ্রিচ মাঠে নেমেছেন ৫৩৪ ম্যাচে, গোল করেছেন ৩৯টি। জাতীয় দলের হয়ে তার খেলা ম্যাচের সংখ্যা ১৭৮। ক্রোয়েশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ফুটবলার তিনি। ২০১৮ সালে ব্যালন ডি'অর জেতেন লুকা মদ্রিচ।

সর্বশেষ সংবাদ

ঢাকাসহ সারা দেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে চলছে না মোবাইল ডাটা
রিয়াল মাদ্রিদে আরো এক বছর লুকা মদ্রিচ
করোনায় আক্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
আজ কোটা আন্দোলনকারীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি
হানিফ ফ্লাইওভারে কোটা আন্দোলন নিয়ে সংঘর্ষ, গুলিতে তরুণ নিহত
শাবিপ্রবিতে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা
যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ
ফরিদপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ৩০
কাল সারা দেশে বিক্ষোভ ডেকেছেন চরমোনাই পীর
বৃহস্পতিবার সারাদেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা কোটাবিরোধীদের
কোটা নিয়ে যেসব কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীর মাথায় পুলিশের গুলি
গায়েবানা জানাজা বলে কিছু নেই বলে ইমামকে নিয়ে গেল ওসি আমিনুল
ঢাবিতে গায়েবানা জানাজায় কফিন ছুঁয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার শপথ
রণক্ষেত্র জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, আহত শতাধিক
বৃহস্পতিবার ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের ডাক
সাংবাদিকদের মাঝে সাউন্ড গ্রেনেড মারলো পুলিশ, অন্তত তিন সংবাদকর্মী আহত
সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে উত্তাল শিক্ষার্থীরা, উত্তরবঙ্গের ২২ জেলার প্রবেশপথ অবরোধ