মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ২ বৈশাখ ১৪৩১
Dhaka Prokash

সড়কে ভ্রাম্যমাণ দোকানের ছড়াছড়ি, ভোগান্তিতে পথচারীরা

নেত্রকোনা জেলা শহরের বিভিন্ন প্রধান সড়কে অবৈধ বাজারে ভ্রাম্যমাণ দোকানের ছড়াছড়ি। নেত্রকোনা বড়বাজার, ছোটবাজার, মোক্তার পাড়া, শহীদ মিনারের সামনে প্রধান সড়কের উপর প্রতিদিন এসব ভ্রাম্যমাণ দোকান বসে। ফলে প্রতিদিন ভয়াবহ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। চলাচলে দুর্ভোগে পড়ছেন পথচারীরা।

সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বসে এ বাজার। এ বাজারে ভ্যানে বসে সবজি, মাছ ও মুদি দোকান। এ ছাড়া ঝুপড়ি ঘর করে চায়ের দোকান, ফলের দোকান ফুচকা-চটপটির দোকান গড়ে তোলা হয়েছে। এ কারণে নেত্রকোনা জেলা শহরের প্রধান সড়কে যানজট লেগেই থাকে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নেত্রকোনা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আব্দুল হেলিম বলেন, বাজারটির সঙ্গে দলীয় কোনো সম্পর্ক নেই। এ বিষয়ে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, রাস্তায় চলাচলে সমস্যা হলে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নেব। আমরা প্রতিদিনই তাদের উচ্ছেদ করি। তারপরেও তারা পেটের দায়ে এই সড়কের উপরে বাজার নিয়ে বসে। তাদের স্থায়ী ঠিকানা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিদিন সকাল থেকে ভ্যানে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে দোকান বসতে থাকে। বিকাল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে জমজমাট হয়ে উঠে বাজারটি। এসময় যানজটও বাড়তে থাকে। আরও দেখা যায়, সড়কটির মোড়ের ডান দিক দিয়ে রাজুর বাজার ও বামে অজহর রোড ও আখড়ার দিকে যাওয়ায় সারাক্ষণই ব্যস্ত থাকে এ সড়কটি।

বিভিন্ন স্থানে বাজার থাকার পরও ক্রেতারাও এ বাজারে আসে। সকাল ১০টায় পথচারী কামাল যাচ্ছিলেন এ পথ দিয়ে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ভেতরের দিকে যাওয়ার জন্য একমাত্র রাস্তা এটি। রাস্তার পাশে বাজার বসে রাস্তাটি সরু হওয়ায় দুই লাইনে গাড়ি চলতে পারে না। তার মধ্যে রাস্তার পাশে এমন বাজার বসায় দুর্ভোগ বেড়েই চলছে। আশপাশে বাজার থাকার পরও আমিও মাঝেমধ্যে এখানে বাজার করি। তাই বলে এই নয় যে, আমি রাস্তার উপর বাজার বসাকে সমর্থন করি।

অপর পথচারী আদিল মিয়া বলেন, সারা দিন অফিস করে বাসায় ফেরার পথে শহরের রাস্তাগুলোর যানজট মাড়িয়ে এসে রাস্তার প্রধান সড়কে যদি যানজট পাই, ব্যাপারটা সত্যি ভীষণ যন্ত্রণাদায়ক। এটার প্রতিকার হওয়া জরুরি।

এ বাজারের বিক্রেতা জালাল উদ্দিন বলেন, আমরা গরিব মানুষ। আমাদের এত টাকা নেই যে, বাজারে একটা দোকান নিয়ে বসব। তাই পেটের দায়ে রাস্তার উপর বসি। পরিবারের ভরণপোষণের ভার আমার একার। তাই অভাবের তাড়নায় বসতে হয়।

আরেক বিক্রেতা শামীম বলেন, এখানে বেচাকেনা খুব ভালো। প্রায় সারা দিনই ক্রেতা থাকে। কয়েকদিন পরপর আমাদের তুলে দেওয়া হয়। তারপরও বসি, কারণ এখানে বসলে কিছু টাকা উপার্জন করা যায়। যানজট বাজারের জন্যই হয়। কিন্তু পেটের জন্য এখানে দোকান নিয়ে বসতে হয় আমাদের।

জেলা পুলিশ সুপার মো. ফয়েজ আহমেদ জানান, ইতোমধ্যে যানজট নিরসনে গাড়ি চলাচলে কালারভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে প্রতিদিন গাড়ি না চলে রুটিন মাফিক চলে।

এসজি

নাবিক সাব্বিরের মুক্তির খবরে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে বইছে খুশির বন্যা!

ছেলেকে ছাড়াই দুশ্চিন্তার মধ্য দিয়ে ঈদ উদযাপন করেছেন অপহৃত জাহাজের নাবিক সাব্বিরের বাবা হারুন অর রশিদের পরিবার। ঈদের দিনটি তাদের কাছে আনন্দের বদলে ছিল বিষাদময় একটি দিন। ছেলে কখন জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পাবে সে অপেক্ষায় ছিলেন পরিবারের সবাই। এদিকে ঈদের পরে নববর্ষের দিন (১৪ এপ্রিল) টিভিতে ছেলেসহ সবাই মুক্তি পেয়েছে এটা শুনে নববর্ষে তাদের পরিবারে ঈদের আন্দের ঢেউ বয়ে যায়।

তারপর ছেলে মোবাইল ফোনে কল দিয়ে জানায় সে ভালো আছে- আর চিন্তার কিছু নেই। তারপরও অপেক্ষায় আছেন, ছেলে কবে ঘরে ফিরে আসবে! আবেগে আপ্লুত হয়ে কথাগুলো বলছিলেন নাবিক সাব্বিরের বাবা হারুন অর রশীদ। নাবিক সাব্বিরের মুক্তির খবর শুনে তার পরিবারে খুশির বন্যা বইছে। ভর করেছে ঈদের আনন্দ।

নাবিক সাব্বির। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

 

সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্তি পাওয়া নাবিক সাব্বির হোসেনের বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের ডাঙা ধলাপাড়া গ্রামে। সেখানেই কথা হয় হারুন অর রশিদ ও তার পরিবারের অন্যদের সঙ্গে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নাগরপুরের সহবতপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৪ সালে থেকে এসএসসি পাস করেন মো. সাব্বির হোসেন। টাঙ্গাইল শহরের কাগমারি এমএম আলী কলেজ থেকে ২০১৬ সালে এইচএসএসসি পাস করে ভর্তি হন চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমিতে। সেখান থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে পাস করে ২০২২ সালের জুন মাসে এমভি আব্দুল্লাহ নামক পণ্যবাহী জাহাজে মার্চেন্ট কর্মকর্তা হিসেবে চাকুরি নেন।

সাব্বিরের মা সালেহা বেগম ঢাকাপ্রকাশকে জানান, সাব্বিবের সাথে মোবাইল ফোনে একটু সময় কথা হয়েছে। সে বলেছে- ‘মা চিন্তা করো না, আমরা মুক্তি পেয়েছি- সবাই ভালো আছি’। এ কথা শোনার পর যেন বুকের জগদ্দল পাথরটা সরে গিয়ে মনটা ভরে উঠল। ছেলের দুশ্চিন্তায় ঈদের দিন আনন্দ করতে পারেন নাই। দীর্ঘ একটা মাস কীভাবে যে কেটেছে তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছেন না।

নাবিক সাব্বির। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

 

পয়লা বৈশাখের দিন ছেলে যখন মোবাইলে ফোন করে বললো- ‘মুক্তি পেয়েছি ভালো আছি’ কথাটা শোনার পর থেকে তাদের পরিবারে ঈদের লহর বয়ে যাচ্ছে। ছেলেকে কাছে পেলে আনন্দটা আরও কয়েকগুণ বেড়ে যাবে বলে জানান তার মা।

বোন মিতু আক্তার জানান, ভাইয়ের জন্য দুশ্চিন্তায় এক মাস তাদের পরিবার বিষাদে কাটিয়েছে। বৈশাখের সকালে এক-দুই মিনিটের মতো ভাইয়ের সাথে তিনি ও বাবা-মা কথা বলেছেন। ভাই বলেছে ‘তারা সবাই ভালো আছে- সুস্থ আছে’। এ কথা শোনার পর তাদের খুব ভালো লাগছে- খুব খুশি লাগছে। তবে আনন্দটা আরও বেড়ে যাবে তার ভাই পরিবারের কাছে ফিরে এলে। তার ভাই সাব্বির কবে দেশে আসবে তা এখনও বলতে পারছেন না।

নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান জানান, এখনও সাব্বিরের পরিবারের সাথে তার কথা হয়নি।

উল্লেখ্য, এমভি আব্দুল্লাহ জাহাজটি গত ১২মার্চ ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবলে পড়ে। ওই জাহাজের ২৩ নাবিককে জিম্মি করা হয়। জাহাজটি কয়লা নিয়ে আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিকের মাপুতো বন্দর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল হারামিয়া বন্দরের দিকে যাচ্ছিল।

উপজেলা নির্বাচন: বিরামপুর ও ঘোড়াঘাটে ৩৫ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল

বিরামপুর ও ঘোড়াঘাটে ৩৫ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ১ম ধাপে আগামী ৮ মে অনুষ্ঠাতব্য দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলা পরিষদ ও ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের লক্ষ্যে সোমবার (১৫ এপ্রিল) এই দুই উপজেলার ৩৫ প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।

বিরামপুর উপজেলায় মনোনয়ন জমা দানকারী চেয়ারম্যান প্রার্থীগণ হলেন, জামায়াতের ইসলামীর দিনাজপুর জেলা নায়েবে আমীর ডক্টর এনামুল হক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক পারভেজ কবীর ও উপজেলা কৃষকলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান।

বিরামপুর ও ঘোড়াঘাটে ৩৫ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

 

ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীগণ হলেন- খোরশেদ আলম, আতাউর রহমান, আব্দুল হাই, মেজবাউল ইসলাম মণ্ডল, মোস্তফা কামাল ও সাহেদ আলী সরকার।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীগণ হলেন- উম্মে কুলছুম বানু, আমেনা বেগম, খাতিজা বেগম ইতি ও রেবেকা সুলতানা।

ঘোড়াঘাট উপজেলায় মনোনয়ন দাখিলকারী চেয়ারম্যান প্রার্থীগণ হলেন- রবিউল ইসলাম, কাজী শুভ রহমান চৌধুরী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, সারওয়ার হোসেন, তৌহিদুল ইসলাম সরকার।

ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন- মুক্তার হোসেন, সেলিম রেজা, ইফতেখার আহমেদ, মাহফুজার রহমান, আলমগীর হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, শহিদুল ইসলাম, আতিকুর রহমান ও শিবু কিসকু।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীগণ হলেন- মাজেদা বেগম, মর্জিনা বেগম, ফেরদৌসী বেগম, আফরিন সুলতানা, নারগিস খাতুন, রুসিনা সরেন, সবনম ও লাকী বেগম।

বিরামপুর উপজেলার নির্বাচন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জোবায়ের হোসেন জানান, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ১ম ধাপে আগামী ৮ মে অনুষ্ঠাতব্য বিরামপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে লক্ষ্যে সোমবার বিকেল ৫ ঘটিকা পর্যন্ত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পুরুষ ও ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা মোট ১৩ জন মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।

নওগাঁয় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে

বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে করা মামলায় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নয় নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তারা সবাই হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহের আগাম জামিনে ছিলেন।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে আদালতে হাজির হয়ে আবার জামিন চাইলে তা নামঞ্জুর করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন নওগাঁর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ।

আসামিদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবু মাসুম বিষয়টি ঢাকাপ্রকাশকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আদালত তাঁদের সবাইকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। আমরা আবার জামিন চাইব।’

কারাগারে পাঠানো বিএনপির নেতাকর্মীরা হলেন- আত্রাই উপজেলা পাঁচুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নিয়ামত আলী বাবু, আত্রাই উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মো. আসাদুজ্জামান বুলেট, পাঁচুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য পারভেস, আয়নুল, আত্রাই উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পলাশ, আত্রাই উপজেলা বিএনপি নেতা আব্দুল আওয়াল, রায়হান, ওহাব ও লাবু।

বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

 

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২ নভেম্বর আত্রাই উপজেলায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শান্তি মিছিলের আয়োজন করে। মিছিলটি ভড়তেঁতুলিয়া আহসানগঞ্জ স্টেশন হইতে আত্রাই আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস সামনে সন্ধ্যা ৬ টার দিকে শান্তি মিছিল নিয়ে উপজেলার ভরতেঁতুলিয়া এলাকায় আমতলী সিএনজি স্ট্যান্ডে পৌঁছালে তাদের ওপর হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই দিন আত্রাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আক্কাস আলী প্রামাণিক বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১২ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪০-৫০ জনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেন। এ মামলায় ওই নয়জন গত ২৮ফেব্রুয়ারি আট সপ্তাহের হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পান। জামিনের মেয়াদ শেষে আজ নওগাঁর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে মামলার এজহারভুক্ত বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নয় নেতা-কর্মী পুনরায় জামিনের আবেদন করেন।

আসামি পক্ষে জামিনের শুনানি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবু মাসুম। তবে জামিনের বিরোধিতা করেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি আবদুল খালেক। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আসামিদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

সর্বশেষ সংবাদ

নাবিক সাব্বিরের মুক্তির খবরে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে বইছে খুশির বন্যা!
উপজেলা নির্বাচন: বিরামপুর ও ঘোড়াঘাটে ৩৫ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল
নওগাঁয় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে
প্রথম ধাপে ১৫০ উপজেলায় ১৮৯১ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল
ইরানের হামলার পর কমলো তেলের দাম
হিলি স্থলবন্দরে টানা বন্ধের পর আমদানি-রপ্তানি শুরু
মুস্তাফিজের আইপিএলে খেলার ছুটি বাড়াল বিসিবি
নরসিংদীতে ইউপি সদস্যকে প্রকাশ্যে গুলি করে ও গলা কেটে হত্যা
৫৪ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, তিন বিভাগে বৃষ্টির আভাস
‘একীভূত হচ্ছে পাঁচ ব্যাংক, বাকি সিদ্ধান্ত পরে’
ঢাকায় পৌঁছেছেন টাইগারদের নতুন কোচ নাথান কিয়েলি
বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ধ্বংস করার জন্য বিএনপির জন্ম: ওবায়দুল কাদের
গোবিন্দগঞ্জে অটোচালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
চট্টগ্রামে ২টি বস্তিতে আগুন, পুড়ল ২০০ ঘর
পার্পল ক্যাপের লড়াইয়ে মুস্তাফিজের অবস্থান এখন কোথায়?
পাঁচ দিনের ছুটিতে পদ্মা সেতুতে ১৪ কোটি টাকা টোল আদায়
মধ্যপ্রাচ্য ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে: জাতিসংঘের মহাসচিব
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে বাংলাদেশের ১৬০ কেজি ওজনের পাঙ্গাস
প্রবাসী আয়ের শীর্ষে ঢাকা, তারপর চট্টগ্রাম সিলেট কুমিল্লা
প্রথমবারের মতো কান চলচ্চিত্র উৎসবে সৌদি আরবের সিনেমা