বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪ | ৩ শ্রাবণ ১৪৩১
Dhaka Prokash

টাঙ্গাইলে ২০০ বস্তা চাল উদ্ধার, এক ব্যবসায়ীসহ ২ জন আটক

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থেকে ২৫ কেজি ওজনের প্রায় ২০০ বস্তা চাল উদ্ধার করেছে গাজীপুর জেলার পূবাইল থানা পুলিশের সদস্যরা। একইসঙ্গে এক চাল ব্যবসায়ীসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় রোডের আষাড় চাল হাউজের গোডাউন থেকে এই চালের বস্তাগুলো উদ্ধার করা হয়।

আটককৃতদের মধ্যে একজন ভূঞাপুর পৌরসভার ফসলান্দি গ্রামের শিক্ষক শামসুজ্জামানের ছেলে শিপলু এবং অপরজন ট্রাক চালক ঘাটাইল উপজেলার মাকেশ্বর গ্রামের বাদশা মন্ডলের ছেলে আজমত। শিপলু চাল ব্যবসায়ী ও গোডাউনের মালিক।

জানা যায়, এরআগে গত বৃহস্পতিবার ২১ জুন রাতে মী‌রের বাজার-পূর্বাচল সড়‌কের এলাকা নগদা ব্রিজের কাছ থে‌কে চাল বোঝাই ট্রাক ছিনতাই করা হয়। পরে এই ঘটনায় ট্রাকের মালিক ধনঞ্জয় মহন্ত ২৩ জুন গাজীপুরের পূবাইল থানায় মামলা দায়ের করেন।

এরপর ট্রাক বোঝাই চাল উদ্ধারে পূবাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) উত্তম সূত্রধরের নেতৃত্বে একটি টিম বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে। পরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ভূঞাপুরে অভিযান চালিয়ে ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় রোডের নাজমুল জামান শিপলুর মালিকানাধীন আষাড় চাল হাউজের গোডাউন থেকে ছিনতাই হওয়া চালের একাংশ উদ্ধার করা হয়।

এদিকে খবর পেয়ে ছিনতাইকৃত চাল কেনার মুল ব্যবসায়ী রফিকের ছেলে রাসেল দোকান বন্ধ করে পালিয়েছে।

চাল ব্যবসায়ী শিপুল বাবা শামসুজ্জামান বলেন, ভূঞাপুর বাজারের চাল ব্যবসায়ী রফিকের ছেলে রাসেল আমার ছেলের গোডাউনে চাল রেখেছে। তাদের গোডাউনে জায়গা না থাকায় তারা ছেলে গোডাউনে বলে জেনেছি।

পুবাইল থানার উপপ‌রিদর্শক (এসআই) উত্তম সূত্রধর বলেন- তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ভূঞাপুরে একজন ট্রাক চালককে আটক করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যমতে আষাড় চাল হাউজ থেকে প্রায় ২০০ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় গোডাউনের মালিকসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এরআগে ছিনকারীর সদস্যরা গাজীপুর থেকে একটি চাল বোঝাই ট্রাক ছিনতাই করে। এখনও ট্রাকটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ভূঞাপুর থেকে কিছু চাল উদ্ধার করা হয়েছে।

Header Ad

দেশের যুব সমাজকে মাছ উৎপাদনে নজর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

দেশের যুব সমাজকে মাছ উৎপাদনে নজর দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, গভীর সমুদ্রে হাইড্রোইলেক্ট্রনিক উৎপাদন বাড়তে হবে। মৎস্য শিল্পে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সহায়তা দেওয়া হবে।

আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ ইন্ট্যারন্যাশনাল অ্যাকুয়াকালচার অ্যান্ড সিফুড শো-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে মৎস্য সম্পদের টেকসই উন্নয়ন, ব্যবস্থাপনার জন্য আন্তরিকভাবে প্রচেষ্টা জানিয়ে যাচ্ছি। আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য এই খাতটা অবদান রাখতে পারে সেই ব্যবস্থাটাও আমরা নিয়েছি। আমাদের টেকসই স্বাস্থ্য সম্মত, পরিবেশবান্ধব মৎস্য সম্পদ আহরণ, সংরক্ষণ এবং মৎস্য চাষ সম্প্রসারণের দিকে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণ আমরা করছি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

এর আগে গতকাল বুধবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ভাষণের শুরুতে শেখ হাসিনা বলেন, আজকে অত্যন্ত বেদনা ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের জনগণের আত্মসামাজিক উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছি। মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ব্যবস্থা করে জনগণকে উন্নত জীবনযাত্রা দিতে শুরু করেছি। অনেক সাফল্য অর্জন করেছি। বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে একটা মর্যাদার আসনে আসীন করতে সক্ষম হয়েছি। তারপর আমাদের অনেক দূর যেতে হবে।

তিনি বলেন, ২০১৮ সালের ছাত্র আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথা বাতিল করে একটা পরিপত্র জারি করে সরকার। পরবর্তীতে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে উচ্চ আদালত ২০১৮ সালের জারি করা সরকারি পরিপত্র বাতিল করে দেয়। সরকারের পক্ষ থেকে পরিপত্র বহাল রাখার জন্য সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করা হয়। আদালত শুনানির দিন ধার্য করেন। এ সময় ছাত্ররা কোটা বাতিলের দাবি নিয়ে আবারও আন্দোলন শুরু করে। এ আন্দোলনের শুরু থেকেই সরকার যথেষ্ট ধৈর্য ও সহশীলতার পরিদর্শন করেছে।

তিনি আরও বলেন, আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে পুলিশ সহযোগিতা করেছে। রাষ্ট্রপতির কাছে যখন আন্দোলনকারীরা স্মারকলিপি প্রদানের ইচ্ছাপোষণ করে সেক্ষেত্রে তাদের সুযোগ করে দেওয়া হয়। নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

উত্তরায় পুলিশের গুলিতে নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থী নিহত

রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে উত্তরা। ছবি: সংগৃহীত

কমপ্লিট শাটডাউনের অংশ হিসেবে রাজধানীর উত্তরার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ করছেন কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় পুলিশের গুলিতে নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

সংঘর্ষে আরও শতাধিক শিক্ষার্থী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। যার মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কা জনক বলে জানিয়েছেন ডাক্তাররা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ মেডিক্যালের চিকিৎসক ডা. রুকনুজ্জামান। তবে, নিহত শিক্ষার্থীদের নাম এখনো জানা যায়নি।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রাজধানীর উত্তরায় পুলিশ ও র‍্যাবের সংঘর্ষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। এ ঘটনায় ঢাকা–ময়মনসিংহ সড়কের উত্তরা অংশে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

সংঘর্ষের সময় সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ ও র‍্যাব। আন্দোলনকারীরা হাউজ বিল্ডিং থেকে রাজলক্ষী মোড় পর্যন্ত সড়কে অবস্থান করছেন।

এর আগে, বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা উত্তরার জমজম টাওয়ারের সামনে জড়ো হন। পরে তারা মিছিল নিয়ে মূল সড়কে উঠতে চাইলে পুলিশ ও র‍্যাব তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। পরে সংঘর্ষ শুরু হয়।

পরিস্থিতি বুঝে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছে: পলক

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: সংগৃহীত

সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছে কোটা আন্দোলনকারীরা। এদিকে চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে সাময়িকভাবে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) এই তথ্য জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্বার্থান্বেষী মহলের নানা গুজব আর অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য সাময়িকভাবে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছে। এর জন্য পূর্বে কোনো ঘোষণা দেয়া হয়নি, পরিস্থিতি বুঝে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দ্রুত সংযোগ দেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

পলক বলেন, ফেইসবুক, গুগল, ইউটিউব, টিকটকের সঙ্গে সরকারের যোগাযোগ হয়েছে। কিন্তু বিতর্কিত কনটেন্ট অপসারণ নিয়ে তাদের প্রাইভেসি পলিসি সন্তোষজনক না। এরপর তাদের কারণে যদি একটি প্রাণহানি ঘটে তাহলে এসব কোম্পানিকে ছাড় দেয়া হবে না। তাদেরকে বাংলাদেশে ডেটা সেন্টার স্থাপন করে বাংলাদেশের আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে।

এতে ফেসবুক ও মেসেঞ্জারে অনেকে প্রবেশ করতে পারছেন না। দীর্ঘ চেষ্টায় প্রবেশ করতে পারলেও কোনো বার্তা, ছবি ও ভিডিও পোস্ট করা যাচ্ছে না। সরকারি নির্দেশে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে বুধবার (১৭ জুলাই) সময় সংবাদকে নিশ্চিত করেছে অপারেটর কোম্পানিগুলো।

উল্লেখ্য, চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রলীগের হামলা, সাধারণ শিক্ষার্থীদের হত্যা এবং ঢাবি প্রশাসনের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের নির্বিচার হামলার প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা।

সর্বশেষ সংবাদ

দেশের যুব সমাজকে মাছ উৎপাদনে নজর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
উত্তরায় পুলিশের গুলিতে নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থী নিহত
পরিস্থিতি বুঝে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছে: পলক
রাজধানী ঢাকার সঙ্গে সব জেলার বাস যোগাযোগ বন্ধ
রাজধানীতে আ. লীগের প্রতিবাদ সমাবেশ পণ্ড করে দিলেন আন্দোলনকারীরা
যাত্রাবাড়ীতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, ২ পথচারী গুলিবিদ্ধ
স্বামীকে তালাক দিলেন দুবাইয়ের রাজকন্যা শেখা মাহরা
সাউন্ড গ্রেনেড ছুঁড়ে ব্র্যাকের শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে ঢুকিয়ে দিল পুলিশ
কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে রাস্তায় নামবো: চমক
ঢাকাসহ সারা দেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে চলছে না মোবাইল ডাটা
রিয়াল মাদ্রিদে আরো এক বছর লুকা মদ্রিচ
করোনায় আক্রান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
আজ কোটা আন্দোলনকারীদের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি
হানিফ ফ্লাইওভারে কোটা আন্দোলন নিয়ে সংঘর্ষ, গুলিতে তরুণ নিহত
শাবিপ্রবিতে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা
যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ
ফরিদপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ৩০
কাল সারা দেশে বিক্ষোভ ডেকেছেন চরমোনাই পীর
বৃহস্পতিবার সারাদেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা কোটাবিরোধীদের