হিলিতে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে সরিষার চাষাবাদ

২৪ জানুয়ারি ২০২৩, ০৭:১৩ পিএম | আপডেট: ২৭ জানুয়ারি ২০২৩, ০৩:০১ পিএম


হিলিতে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে সরিষার চাষাবাদ

দিনাজপুরের হিলিতে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে সরিষার চাষাবাদ। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সরিষার ভালো ফলনের সঙ্গে চাহিদা বাড়ায় ও ভালো দাম পাওয়ায় আশা করছেন কৃষকরা। খরচ কম ও লাভজনক হওয়ায় পতি জমিতে বাড়তি ফসল তুলতে সরিষার চাষাবাদে ঝুঁকেছেন কৃষকরা। একই সঙ্গে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ায় পরিবারের তেলের চাহিদা মেটাতে সরিষা চাষে ঝুঁকছেন তারা। গতবার ভালো দাম পাওয়ায় সরিষা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন কৃষকরা।

হিলির বোয়ালদার গ্রামের কৃষক মীর শহীদ বলেন,আমরা এবার আবহাওয়া ভালো থাকায় গতবারের চেয়ে সরিষা বেশি করে আবাদ করেছি। গতবার সরিষার আবাদ করেছি ২ বিষা এবছর তা বেড়ে ৮ বিষা আবাদ করেছি। প্রতি বিঘা জমিতে সরিষা চাষে খরচ হয় চার-পাঁচ হাজার টাকা। বিঘাপ্রতি সরিষা পাওয়া যায় পাঁচ-ছয় মণ। তাতে খরচ বাদ দিয়ে ১০ হাজার টাকার মতো লাভ হয়।

হিলির ইসমাইলপুর গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম বলেন,আমন ধান কেটে নিয়ে যাওয়ার পরে ২/৩ মাস জমি পরে থাকে এজন্য সরিষা চাষ করি। সরিষা আমাদের বাড়তি আয়ের উৎস হয়। তেলের চাহিদা পূরণ হয়। আবার গরুর খৈল পাওয়া যায়।গত বছর সরিষা মণ ছিলো ২৮০০ টাকা এবার তার থেকে বেশি হলে আমরা লাভবান হবো।

হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. মমতাজ সুলতানা বলেন,সরিষার চাষাবাদ বাড়াতে কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ দিচ্ছি আমরা। তেলের আমদানি নির্ভরতা কমাতে সেইসঙ্গে সরকারি প্রণোদনার আওতায় ২২০০ কৃষককে সরিষা বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। সরকারকে যাতে সয়াবিন তেল কম আমদানি করতে হয় তার ওপর জোর দিচ্ছি আমরা। আশা করছি সেটি করতে সক্ষম হবো আমরা। গত বছর ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা সরিষা চাষাবাদে ঝুঁকেছেন। চলতি বছর এক হাজর ৮০০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও দুই হাজার ৪৭০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে।
এএজেড


বিভাগ : সারাদেশ