ক্যাম্পাস

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যৌথবাহিনীর অভিযান শুরু


ঢাকাপ্রকাশ ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৫, ০৬:২৭ পিএম

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যৌথবাহিনীর অভিযান শুরু
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যৌথবাহিনীর অভিযান শুরু। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) এলাকা এবং আশপাশের এলাকায় টানা সংঘর্ষ ও উত্তেজনার প্রেক্ষিতে হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে। একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে যৌথবাহিনী অভিযান শুরু করেছে।

রবিবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে চবি ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় যৌথবাহিনীর অন্তত ১০টি গাড়ি প্রবেশ করতে দেখা যায়। অভিযান পরিচালনার সময় ক্যাম্পাসজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

এর আগে দুপুরে চবি দ্বিতীয় গেট এলাকায় শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটে। এ ঘটনার জেরে হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন বিকেল ৩টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করে। এটি সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা পর্যন্ত বলবৎ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

১৪৪ ধারার আওতায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা, অস্ত্র বহন, পাঁচজনের অধিক মানুষের জমায়েত এবং যেকোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কামরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সংঘাত এড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

শনিবার রাতে চবির এক নারী শিক্ষার্থীকে বাসার দারোয়ান মারধর করলে উত্তেজনা শুরু হয়। এরপর স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। চলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ। ওই রাতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।

রোববার দুপুরে ফের স্থানীয়দের হামলার শিকার হন শিক্ষার্থীরা। সংঘর্ষ চলতে থাকে দীর্ঘ সময় ধরে।

পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি এক ফেসবুক পোস্টে লেখেন, “সরকার শুরু থেকেই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সক্রিয় রয়েছে। গ্রামবাসীর বাধার কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাৎক্ষণিক প্রবেশ করতে না পারলেও পরে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।”

তিনি আরও বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে, যৌথবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। চবি ছাত্রনেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জেনেছি, এখনও সংঘাত চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। কোনো সন্ত্রাসী ছাড় পাবে না।”