ক্যাম্পাস
পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন, জানেন না পরীক্ষার্থীরাই!
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের একটি কোর্সের পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন করা হয়। পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, সেই বিষয়ে জানেন না তারা। ফলে, মান উন্নয়ন (ইমপ্রুভমেন্ট) পরীক্ষা দিতে চাওয়া দুইজন পরীক্ষা দিতে পারেননি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের চূড়ান্ত রুটিন অনুযায়ী এমসিজে-১০৭ (বাংলাদেশ স্টাডিস) কোর্সের পরীক্ষা হওয়ার ছিল গত সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুর দেড়টায়। কিন্তু, উক্ত পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন করার বিষয়টি ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের মৌখিকভাবে জানানো হয়েছিল গত ১৬ অক্টোবর। তবে, ইমপ্রুভমেন্ট বা মান উন্নয়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে চাওয়া দুই শিক্ষার্থী ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের হওয়ায় তারা সেই বিষয়টি জানতে পারেননি।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী দুইজন হলেন– ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইমতিয়াজ রহমান ও নিলয় সরকার।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কোন অফিসিয়াল নোটিশ দিয়ে জানানো হয়নি তাদের। ফলে, পরিবর্তনের বিষয়টি জানতে না পেরে সময়মতো পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. ইমতিয়াজ রহমান বলেন, 'আমি জানতাম ১টা ৩০ মিনিটে পরীক্ষা। আমি সেইসময়ই গিয়েছি, গিয়ে পরীক্ষা হল ফাঁকা দেখে অফিস রুমে এ ব্যাপারে জানতে গেলে জানতে পারি যে পরীক্ষা নাকি ১০টায় হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, সময় পরিবর্তনের বিষয়টা আমাদের জানানো হয়নি। আমার এক ব্যাচমেট জুনিয়রের কাছে থেকে জানার পর পরীক্ষা দিয়েছে। তবে, আমি কিছু জানতে পারিনি সময় পরিবর্তনের ব্যাপারে।'
তিনি আরও বলেন, 'বিষয়টি খুব খারাপ লেগেছে আমার কাছে। ম্যামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন তোমার ব্যাচমেট পরীক্ষার সময় পরিবর্তনের কথা জানে আর তুমি জানো না কেন? অথচ আমাদের সিআরদের মাধ্যমেও বিষয়টি জানানো হয়নি।'
এ ব্যাপারে বিভাগীয় প্রধান ও পরীক্ষা কমিটির সভাপতি মাহমুদুল হাসান বলেন, 'পরীক্ষা আগানোর বিষয়ে আমরা পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরে চিঠি দিয়েছিলাম। যারা ইমপ্রুভমেন্ট দিবে তাদেরকে জানানো হয়েছে এবং তাদের কয়েকজন পরীক্ষাও দিয়েছে।'
যারা পরীক্ষা দিতে পারেনি তাদের ব্যাপারে এখন কী সিদ্ধান্ত নিবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'যারা পরীক্ষা দিতে পারেনি তারা কেউ আমার সাথে যোগাযোগ করেনি। তারা যোগাযোগ করলে পরীক্ষা কমিটির সাথে কথা বলে কোনো একটা ব্যবস্থা করা হবে।'