শনিবার, ৩ মে ২০২৫ | ২০ বৈশাখ ১৪৩২
Dhaka Prokash

দক্ষিণ কোরিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে ২৪ জনের মৃত্যু, বাস্তুচ্যুত হাজারো মানুষ

ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ কোরিয়ায় দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। তীব্র আগুনে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে, ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য ধ্বংস হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হান ডাক-সু একে "অভূতপূর্ব সংকট" হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, এটি দক্ষিণ কোরিয়ার দাবানলের ইতিহাস নতুনভাবে লিখছে। গত শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার সানচিয়ং কাউন্টি থেকে দাবানল শুরু হয়, যা দ্রুত পার্শ্ববর্তী উইসিয়ং, আন্দং, চেওংসং, ইয়ংইয়াং ও ইয়ংডক শহরে ছড়িয়ে পড়ে।

এই ভয়াবহ আগুনে এখন পর্যন্ত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৯ জন আহত হয়েছেন। দাবানলের কারণে ২৩,০০০-এরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দেশটি বর্তমানে ভয়াবহ খরার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে দাবানলের মাত্রা আরও বেড়েছে। দাবানল ইতোমধ্যে ১৭,০০০ হেক্টর বনভূমি পুড়িয়ে ফেলেছে, যা দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে তৃতীয় বৃহত্তম দাবানল হিসেবে রেকর্ড হয়েছে।

বিশেষভাবে উইসিয়ং শহরে দাবানল গৌনসা বৌদ্ধ মন্দির সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। ৬১৮ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত এই মন্দির ছিল প্রদেশের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় স্থাপনা। এছাড়া, জোসন রাজবংশের (১৩৯২-১৯১০) একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য, যা জাতীয় ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃত ছিল, দাবানলে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হাজার হাজার দমকলকর্মী এবং ৫,০০০-এরও বেশি সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থান করা মার্কিন সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারও আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করছে। বুধবার দুপুরে উইসিয়ং অঞ্চলের পাহাড়ে একটি দমকল হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়, যার কারণ এখনো তদন্তাধীন রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জাতীয় দমকল সংস্থা মঙ্গলবার সর্বোচ্চ পর্যায়ের সতর্কতা জারি করেছে, যা এই বছরের জন্য প্রথমবারের মতো ঘোষণা করা হলো।

ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হান ডাক-সু জানিয়েছেন, দাবানল নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ জনবল ও সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে, কিন্তু প্রবল বাতাস দমকলকর্মীদের প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করছে। তিনি বলেন, "আমরা আজ বা আগামীকাল বৃষ্টির জন্য আশায় আছি, যা আগুন নেভাতে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার কোনো বৃষ্টি নেই এবং বৃহস্পতিবার মাত্র ৫ থেকে ১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।"

দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার দাবানল প্রতিরোধে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দাবানলের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে অবৈধভাবে আগুন লাগানোর ঘটনা ও ব্যক্তিগত অসতর্কতা চিহ্নিত করা হয়েছে। তাই ভবিষ্যতে এসব কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে এবং নতুন দমননীতি বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়া, দাবানল পরিস্থিতির পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানিয়েছেন সরকার প্রধান।

সূত্র: বিবিসি

Header Ad
Header Ad

হাসিনার মতো ভুল করবেন না, ড. ইউনূসকে হেফাজতের সতর্কবার্তা

ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উদ্দেশ্য করে হেফাজতে ইসলামের নেতারা বলেছেন, হাসিনার মতো ভুল করবেন না।

৯০ শতাংশ মুসলমানের দেশে কুরআন-সুন্নাহবিরোধী কোনো নীতি বাস্তবায়ন করার সাহস করবেন না। অবিলম্বে প্রতিবেদনসহ নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন বাতিল ঘোষণা করুন। শাপলা চত্বরে সংঘটিত গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করুন।

শনিবার (৩ মে) নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন বাতিলসহ চারদফা দাবিতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ করেছ হেফাজত।

আমির আল্লামা শাহ্ মুহিব্বুল্লাহ্ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া মহাসমাবেশের বক্তব্যে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতারা এসব কথা বলেন।

সকাল ৯টায় হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা মহাসমাবেশ স্থলে পৌঁছান। শীর্ষ নেতারাসহ দেশ বরেণ্য উলামায়ে কেরাম মহাসমাবেশে বক্তব্য রাখবেন।

বক্তারা বলেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবন দিতে প্রস্তুত। কিন্তু কুরআন সুন্নাহ বিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করবে না।

বক্তারা বলেন, আপনারা পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারের জন্য কমিশন করেছেন, জুলাই আন্দোলনের গণহত্যার জন্য কমিশন করেছেন, ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছেন, কিন্তু মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত গণহত্যার বিচারের জন্য কেন তদন্ত কমিশন গঠন করলেন না?

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করা হলেও হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আমলে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করা হয়নি। এসব মামলা অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।

নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন সম্পর্কে সমালোচনা করে হেফাজতে ইসলামের নেতারা বলেন, সরকার নারীবিষয়ক যে সংস্কার কমিশন গঠন করেছেন এর সদস্যরা নারী না পুরুষ তা বোঝা যাচ্ছে না। কিন্তু তারা যেসব প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে তা কুরআন সুন্নাহ বিরোধী। তাদের সংস্কার প্রতিবেদন যদি পাস করা হয় তাহলে জীবন দিয়ে রুখে দেওয়া হবে। মার্চ টু ঢাকার কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে হেফাজতে ইসলাম।

মুফতি ফখরুল ইসলাম বলেন, নির্যাতিত হলাম, জেল খাটলাম অথচ আমাদের মামলা প্রত্যাহার করা হয়নি। নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন যে প্রতিবেদন দিয়েছে তা ১৮ কোটি মুসলমানের বিরুদ্ধে। তা অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।

মহাসমাবেশ থেকে ফিলিস্তিন ও ভারতে ‘মুসলিম গণহত্যা ও নিপীড়ন বন্ধে’ সরকারকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়। তবে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে অধিকাংশ বক্তার বক্তব্যে নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন ও প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

ভারতের গোয়ায় পদদলিত হয়ে নিহত ৭

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের গোয়ার শিরগাঁও মন্দিরে লায়রাই দেবীর বার্ষিক যাত্রা উৎসব চলাকালে শুক্রবার ভয়াবহ হুড়োহুড়ির ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ৭ জন নিহত ও ৫০ জনের বেশি গুরুতর আহত হয়েছেন।

৩ মে (শনিবার) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশাল ধর্মীয় জমায়েতে হঠাৎ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে জনস্রোতে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়। জনতা একে অপরকে ধাক্কা দিতে দিতে ছুটে পালানোর চেষ্টা করলে ঘটনাস্থলে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।

ঘটনাস্থলে জরুরি পরিষেবা ও পুলিশ সদস্যরা দ্রুত পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। আহতদের চিকিৎসার জন্য কাছের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গে দেখা করেছেন।

সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো সরকারি ভাবে জানানো না হলেও প্রাথমিক ধারণা, অতিরিক্ত ভিড় ও পর্যাপ্ত ভিড় নিয়ন্ত্রণের অভাব থেকে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

লায়রাই দেবীর যাত্রা বা শিরগাঁও যাত্রা হলো গোয়ার উত্তরাঞ্চলের শিরগাঁও গ্রামে অনুষ্ঠিত এক ঐতিহ্যবাহী হিন্দু ধর্মীয় উৎসব। এই উৎসব লায়রাই দেবীর উদ্দেশ্যে পালিত হয়, যিনি গোয়ান লোককথায় পার্বতী দেবীর এক রূপ এবং ‘সাত বোন’ দেবীর অন্যতম বলে বিবেচিত।

এই উৎসবের সবচেয়ে আকর্ষণীয় আচার হলো ‘অগ্নিদিভ্য’ বা আগুন হাঁটা, যেখানে ভক্তরা—যাদের ‘ধোন্ড’ বলা হয়—উলঙ্গ পায়ে জ্বলন্ত কয়লার বিছানার ওপর দিয়ে হাঁটেন আশীর্বাদ লাভের আশায়।

প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে এবং উৎসবের ভিড় সামাল দিতে ভবিষ্যতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Header Ad
Header Ad

তিন দেশে ৪টি ম্যাচ খেলবে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, সঙ্গে থাকবেন মেসিও

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের অক্টোবর ও নভেম্বরে এশিয়া ও আফ্রিকার তিনটি দেশে সফর করবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। এ সফরে মোট চারটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে তারা। আর্জেন্টিনার শীর্ষ ক্রীড়া দৈনিক ‘ওলে’ এবং টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, এই সফরে দলের সঙ্গে থাকবেন লিওনেল মেসিও।

অক্টোবরের ফিফা উইন্ডোতে প্রথমে চীন সফরে যাবে আর্জেন্টিনা। সেখানে তারা দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। যদিও এখনো প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, চীনের পাশাপাশি আরেকটি দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে।

চীন সফর শেষে নভেম্বরে আফ্রিকার দেশ অ্যাঙ্গোলায় পাড়ি জমাবে স্কালোনির দল। দেশটির স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ১১ নভেম্বর একটি ম্যাচ আয়োজন করবে অ্যাঙ্গোলা ফুটবল ফেডারেশন। এ উপলক্ষে সম্প্রতি অ্যাঙ্গোলার ফেডারেশন সভাপতি ফার্নান্দো আলভেস সিমোয়েসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া।

বৈঠকে তাপিয়া সরাসরি ফোন করেন মেসিকে এবং ২০০৬ সালের একটি প্রীতি ম্যাচের স্মৃতি তুলে ধরেন, যেখানে আর্জেন্টিনা ২-০ গোলে অ্যাঙ্গোলাকে হারিয়েছিল। এতে মেসির অ্যাঙ্গোলা সফরের সম্ভাবনা আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সিমোয়েস।

অ্যাঙ্গোলা সফর শেষে মেসিদের দলটি যাবে কাতারে। ২০২২ সালে এই দেশেই নিজেদের তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছিল আর্জেন্টিনা। সেখানে তারা একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে, যদিও প্রতিপক্ষ এখনও নির্ধারিত হয়নি।

এদিকে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে আগেই সাফল্য পেয়েছে আর্জেন্টিনা। দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের (কনমেবল) বাছাইয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে পাঁচ ম্যাচ হাতে রেখেই ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে তারা। গত মার্চে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলকে ৪-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করে দলটি।

আগামী জুন ও সেপ্টেম্বরে বাকি চারটি বাছাই ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। প্রতিপক্ষ—চিলি, কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা ও ইকুয়েডর। বিশ্বকাপ শুরুর আগ পর্যন্ত নিয়মিত ম্যাচ খেলার লক্ষ্যেই এই প্রীতি সফরের আয়োজন করছে এএফএ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

হাসিনার মতো ভুল করবেন না, ড. ইউনূসকে হেফাজতের সতর্কবার্তা
ভারতের গোয়ায় পদদলিত হয়ে নিহত ৭
তিন দেশে ৪টি ম্যাচ খেলবে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, সঙ্গে থাকবেন মেসিও
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতের আহ্বান জানালেন তারেক রহমান
পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রস্তুত, ভারতের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি
সরকারি সফরে কাতার গেলেন সেনাপ্রধান
ইসরাইলি হত্যাযজ্ঞ থামছেই না, হামলায় নিহত ৪৩
সৌদি আরব পৌঁছেছেন ১৭৬৯৪ হজযাত্রী
আজ হেফাজতের মহাসমাবেশ, ভোর থেকেই সোহরাওয়ার্দী নেতাকর্মীদের ঢল
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে ১৬ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ: তথ্য উপদেষ্টা
টানা ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, চাপ পড়েছে সৈকত ও হোটেলগুলোতে
বিরল সীমান্তে পতাকা বৈঠক, দুই দেশের নাগরিকদের আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর
অনিশ্চয়তায় ভারত ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর
ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনায় নতুন মাত্রা: পাকিস্তানে বিদেশি ঋণ বন্ধে ভারতের তদবির
ভারতে আতঙ্কে কাশ্মীরিরা: বাড়ছে হয়রানি, মারধর ও ধরপাকড়
গণমাধ্যম নিয়ে কেউ চাপাচাপি করছে না: শফিকুল আলম
নারী সংস্কার কমিশন বাতিলের দাবিতে হেফাজতের বিক্ষোভ
ইউক্রেন যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট
দেওয়ানি-ফৌজদারি পৃথক আদালত স্থাপনে সুপ্রিমকোর্টের চিঠি
ভারতের সঙ্গে উত্তেজনায় পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে খাদ্য মজুদের নির্দেশ