রবিবার, ২৬ মে ২০২৪ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
Dhaka Prokash

নতুন বছর অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে : প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি

বাংলা নতুন বছর ১৪৩১ আমাদেরকে জঙ্গিবাদ, মৌলবাদ, উগ্রবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রেরণা জোগাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে (১৩ এপ্রিল) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, শুভ নববর্ষ ১৪৩১। উৎসবমুখর বাংলা নববর্ষের এই দিনে আমি দেশবাসীসহ সকল বাঙালিকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন। এটি সর্বজনীন উৎসব। এদিন আনন্দঘন পরিবেশে বরণ করে নেওয়া হয় নতুন বছরকে। আবহমান কাল ধরে নববর্ষের এই উৎসবে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমগ্র জাতি জেগে ওঠে নবপ্রাণ স্পন্দনে, নব-অঙ্গীকারে। সারা বছরের দুঃখ-জরা, মলিনতা ও ব্যর্থতাকে ভুলে বাঙালি রচনা করে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য, আনন্দ ও ভালোবাসার মেলবন্ধন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্যে ‘পহেলা বৈশাখ’ বিশেষ স্থান দখল করে আছে। বাংলা নববর্ষ পালনের সূচনা হয় মূলত মুঘল সম্রাট আকবরের সময় থেকে। কৃষি কাজের সুবিধার্থে সম্রাট আকবর ‘ফসলি সন’ হিসেবে বাংলা সন গণনার যে সূচনা করেন, তা কালের পরিক্রমায় সমগ্র বাঙালির কাছে অসাম্প্রদায়িক চেতনার স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে। পহেলা বৈশাখ বাঙালিয়ানার প্রতিচ্ছবি। এই উদ্যাপন আমাদের শেকড়ের সন্ধান দেয়। এর মধ্য দিয়ে খুঁজে পাওয়া যায় জাতিসত্তার পরিচয়।

তিনি বলেন, বাঙালির প্রতিটি ঘরে, জনজীবনে এবং আর্থসামাজিক সংস্কৃতিতে পহেলা বৈশাখ এক অনন্য উৎসব। পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে হালখাতার পাশাপাশি যাত্রাগান, পালাগান, পুতুলনাচ, অঞ্চলভিত্তিক লোকসংগীত, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন পসরা নিয়ে মেলার বর্ণিল আয়োজনের মাধ্যমে যেমন লোকজ-সংস্কৃতি প্রাণ ফিরে পায় তেমনি দেশের অর্থনীতি তথা ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমৃদ্ধ হয়, ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি আসে।

শেখ হাসিনা বলেন, পহেলা বৈশাখ পূর্ণপ্রাণ নিয়ে অবারিতভাবে বেড়ে ওঠার বাতায়ন। এটি ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতিকে ধারণ ও লালন করতে শেখায়। অসাম্প্রদায়িকতার চর্চা ও অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পহেলা বৈশাখ আমাদের মনে আনে নতুন তেজ। এ কারণেই আমরা দুর্বার প্রতিরোধে রুখে দিতে পেরেছি পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক অপশক্তিকে, যারা বাঙালির ঐতিহ্য নস্যাৎ করতে চেয়েছিল।

তিনি বলেন, আত্মপরিচয় ও স্বীয় সংস্কৃতির শক্তিতে বলিয়ান হয়ে আমরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম মুক্তির সংগ্রামে। সংস্কৃতি ও রাজনীতির মিলিত স্রোত পরিণত হয়েছিল স্বাধিকার ও স্বাধীনতার লড়াইয়ে। এভাবেই বিশ্বের বুকে অভ্যুদয় ঘটেছে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের।

ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি লালনের মাধ্যমে বিশ্বসমাজে বাঙালি শ্রেষ্ঠ জাতি হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করে সরকারপ্রধান বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় ইউনেস্কো ২০১৬ সালে পহেলা বৈশাখের ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’কে বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। নববর্ষের-এ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সারাবিশ্বের বাঙালির জন্য নিঃসন্দেহে বিরাট অর্জন।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু অসাম্প্রদায়িক, উদারনৈতিক, জাতীয়তাবাদী ও গণতন্ত্রের ভাবাদর্শে আজীবন যে সংগ্রাম করে গেছেন তার মূলমন্ত্র জাতিগত ঐতিহ্য ও অহংকার। একারণেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন এবং দেশ পুনর্গঠনে কাজ করেছে তার অভিন্ন চেতনা। আমরা বীরের জাতি, এ জাতিকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। কাল (রোববার) থেকে কালান্তরের পথ পরিক্রমায় বাঙালির অর্জন ও অগ্রগতি চির ভাস্বর হয়ে থাকবে, এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

তিনি বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ তথা উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে সক্ষম হব ইনশাআল্লাহ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন আমরা বিগত বছরের গ্লানি, দুঃখ-বেদনা, অসুন্দর ও অশুভকে ভুলে গিয়ে নতুন প্রত্যয়ে, নতুন উদ্যমে সামনে এগিয়ে চলি। সুখী, শান্তিময়, আনন্দপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলি। বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। সূত্র : বাসস

Header Ad

ধেয়ে আসছে রেমাল: পায়রা-মোংলায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত

ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করা গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় রেমালে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থায় পায়রা ও মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। আর চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতরের ৮ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হয়ে বর্তমানে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় (১৮.৮° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.৫° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) ঘূর্ণিঝড় "রিমাল" এ পরিণত হয়েছে।

এটি আজ শনিবার (২৫ মে) সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৫৫ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪০০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৪০৫ কি.মি. দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৬৫ কি.মি. দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হতে পারে।

*পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ০৩ (তিন) নম্বর স্থানীয় সর্তক সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ০৭ (সাত) নম্বর বিপদ সংকেত (পুন:) ০৭ (সাত) নম্বর বিপদসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

*চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ০৩ (তিন) নম্বর স্থানীয় সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ০৬ (ছয়) নম্বর বিপদ সংকেত (পুন:) ০৬ (ছয়) নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

*ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠী, বরগুনা, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, ফেনী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩-৫ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ু তাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

*ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে দেশের সকল বিভাগে দমকা/ঝড়ো হাওয়া সহ ভারী (৪৪-৮৮ মিমি) থেকে অতি ভারী (২৮৯ মিমি) বর্ষণ হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ছয় জেলাকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে

এই ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশের ছয় জেলাকে বিশেষভাবে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

আজ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের এক সভায় এ নির্দেশ দেওয়ার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান। তিনি জানান, এ পর্যন্ত প্রাপ্ত পূর্বাভাস ও ঘূর্ণিঝড় ভূমি অতিক্রমের সম্ভাব্য এলাকার ভিত্তিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলাগুলো হলো: সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনা, বরগুনা, পটুয়াখালী ও ভোলা।

ঘূর্ণিঝড়টি ২৬ মে দিবাগত রাত থেকে ২৭ মে সকালের মধ্যে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিডব্লিউওটি’র প্রধান আবহাওয়া গবেষক খালিদ হোসেনের সই করা এক বার্তায় বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দীঘা থেকে বাংলাদেশের পটুয়াখালীর মাঝামাঝি যেকোনো জায়গা দিয়ে উপকূল অতিক্রম করবে। তবে এর সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট।

বার্তায় বলা হয়, এ ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ শক্তিমাত্রা হতে পারে ক্যাটাগরি-১। তবে আশা করা যায় ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটারের বেশি এটি গতিবেগ পাবে না। তবে আশঙ্কার ব্যাপার হচ্ছে এটি তার পূর্ণ শক্তিতে উপকূল অতিক্রম করতে পারে। যদিও দমকা বা ঝোড়ো বাতাসের বেগ আরও কিছুটা বেশি থাকতে পারে।

‘ক্ষমতা হারানোর আতঙ্ক থেকেই সরকার নেতাকর্মীদের কারাবন্দি করছে’

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

যুবদল শান্তিপ্রিয় রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে যদি সরকার দুর্বলতা মনে করে তাহলে ভুল করবে। সরকার ক্ষমতা হারানোর ভয়ে সারাদেশে বিএনপি-যুবদলসহ হাজার হাজার নেতাকর্মীদের বিনা কারণে কারাবন্দি করছে। বিরোধী মতধারীদের গুম করা হচ্ছে, খুন করা হচ্ছে। আসলে ক্ষমতা হারানোর আতঙ্ক থেকেই সরকার এগুলো করছে বলে মন্তব্য করেছেন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না।

শনিবার (২৫ মে) বিকালে নওগাঁ শহরের কেডির মোড়ে আল ফারুক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দলকে শক্তিশালী ও গতিশীল করতে নেতাকর্মীদের খোঁজ নিতে জেলা যুবদল আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় যুবদলের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল সাথে ছিলেন।

আব্দুল মোনায়েম মুন্না বলেন, বিএনপির সংগ্রাম ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়। জনগণের ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার সংগ্রাম। ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করে যুবদল রাজপথে থাকবে। যুবদল একটি শক্তিশালী সংগঠন। এ শক্তি কাজে লাগিয়ে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে হবে।

তিনি আরোও বলেন, সংগঠনকে সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও গতিশীল করতে সারা দেশের ৬৪ জেলায় গিয়ে নেতাকর্মীদের খোঁজ নিচ্ছেন যুবদল। ইতিমধ্যে ৪০টি জেলায় নেতকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছে যুবদল।

পরে নওগাঁ জেলা যুবনেতা কোহিনুর ইসলাম মিলি গত ২১ সালের ৩০ মার্চ কেডির মোড় দলীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের গুলিতে বাম চোখ গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হোন ও নওগাঁ পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক অসুস্থ মো. কবির আলম লিটনের কাছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে উপহার তুলে দেন যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

এ সময় যুবদলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন- কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি মাহফুজার রহমান রিটন,প্রচার সম্পাদক আব্দুল করিম সরকার,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল হক আরিফ,সহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কে এম এস মুসাব্বির শাফি,সদস্য আনোয়ার হোসেন জনি,সদস্য মাহামুদুস সালেহিন, নওগাঁ জেলা যুবদলের আহবায়ক মাসুদ হায়দার টিপু,সদস্য সচিব রুহুল আমিন মুক্তার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক একেএম রওশন-উল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান মুস্তাকিন আহমেদ নিপু ও রুবেল হোসেন।

এছাড়া ছিলেন- কেন্দ্রীয় বিএনপি, জেলা বিএনপি ও যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।

সিটিকে হারিয়ে ৮ বছর পর এফএ কাপ জিতল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড

ছবি: সংগৃহীত

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পাড় ভক্তরাও হয়ত ভাবতে পারেননি এমন একটা ম্যাচ উপহার দিতে পারে রেড ডেভিলরা। সাম্প্রতিক সময়ে ম্যানচেস্টার সিটি ছড়ি ঘুরিয়েছে প্রায় সব দলের ওপর। ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্ব পেয়েছে কেবল এক মৌসুম আগে। টানা চারবার হয়েছে ইংলিশ চ্যাম্পিয়ন। কিন্তু সেই দলটাই কি না প্রথমার্ধে ইউনাইটেডের সঙ্গে পিছিয়ে থাকল ২-০ গোলে!

এফএ কাপের ফাইনালের আগেই ম্যান ইউনাইটেড কোচ এরিক টেন হাগের ভাগ্য নির্ধারণের খবর প্রকাশ করেছিল ইংলিশ পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ান। বলা হয়েছিল, এই ম্যাচে ফলাফল যাইই হোক না কেন, ইউনাইটেড কোচের পদে টেন হাগের থাকা হচ্ছে না। নিজের এই সম্ভাব্য শেষ ম্যাচে যেন কতৃপক্ষকে বড় বার্তা দিলেন টেন হাগ। এফএ কাপের শিরোপা ম্যান ইউনাইটেড জিতেছে ২-১ গোলের ব্যবধানে।

ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ম্যাচের পুরোটা সময়ে ইউনাইটেড খেলেছে পুরোপুরি রক্ষ্মণাত্মক ভঙ্গিতেই। সুযোগ বুঝে এগিয়েছে আক্রমণের দিকে। রাফায়েল ভারানে এবং লিসান্দ্রো মার্টিনেজে গড়া ইউনাইটেড রক্ষণভাগ নিজেকের কাজটা করেছে দুর্দান্তভাবে। সিটির আক্রমণভাগের মূল ভরসা আর্লিং হালান্ডকে দুজনেই রেখেছেন কড়া মার্কে।

তাতে কাজও দিয়েছে। নার্ভাস হালান্ড একের পর এক সুযোগের সামনে থেকে হতাশ হয়েছেন। আর ফিল ফোডেন, বার্নাদো সিলভা কিংবা কেভিন ডি ব্রুইনার ওপর বেড়েছে চাপ। অতিরিক্ত প্রেসিং আর অ্যাটাকিং ফুটবল খেলতে যাওয়া সিটি পরাস্ত হয়েছে ইউনাইটেডের কাউন্টার অ্যাটাকে। প্রথমার্ধেই দুই গোল তুলে নিতে সমস্যাই হয়নি রেড ডেভিলদের। সেটাই ম্যান ইউনাইটেডকে এনে দিয়েছে এফএ কাপের শিরোপা।

দুই গোলেই অবশ্য সিটির রক্ষণভাগের দায় আছে অনেকটা। ম্যাচের ঠিক ৩০ মিনিটে দিয়েগো দালোত অনেকটা লম্বা পাস দিয়েছিলেন ছুটতে থাকা আলেহান্দ্রো গার্নাচোর উদ্দেশে। সিটি গোলরক্ষক স্টেফান ওর্তেগা বেরিয়ে এসেছিলেন। রক্ষণের ইয়াস্কো গাভার্দিওল হেডে বল বাড়িয়েছিলেন তার দিকেই। ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ পুরোপুরি পেয়ে যান গার্নাচো। আলতো টোকায় ফাঁকা পোস্টে গোল করেন এই তরুণ আর্জেন্টাইন।

গোল খেয়ে আরও মরিয়া হয়ে আক্রমণে যায় ম্যানচেস্টার সিটি। তবে একাধিকবার তাদের ব্যর্থ হয়ে ফিরতে হয়েছে শুধুমাত্র ভারানে-মার্টিনেজ জুটির কারণে। দুপাশ থেকে অ্যারন ওয়ান বিসাকা এবং দিয়েগো দালত সাপোর্ট দিয়েছেন দারুণভাবে। সেটাই পরবর্তীতে কাজে লেগেছে।

৩৮ মিনিটে ভারানের পাসে বল জালে জড়ান রাশফোর্ড। তবে সেই গোল বাতিল হয় অফসাইডে। এক মিনিট পরেই ইউনাইটেড পায় আরেকটি গোল। এবার অবশ্য বাতিল হয়নি। চলতি মৌসুমে ইউনাইটেডের সেরা প্রাপ্তি ছিল উদীয়মান তারকা কোবি মাইনু। ব্রুনো ফার্নান্দেজ, মার্কাস রাশফোর্ডের সম্মিলিত আক্রমণে সিটি রক্ষণভাগ অনেকটাই উন্মুক্ত হয়ে যায় কোবির সামনে। ঠাণ্ডা মাথায় দলকে এনে দেন দ্বিতীয় গোল।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যানসিটি সুযোগ যে পায়নি তা না। যদিও গোল তারা পায়নি। কখনো গোলরক্ষক আন্দ্রে ওনানার কাছে আটকেছেন। আবার কখনো হালান্ডের শট ফিরে এসেছে গোলবারে লেগে। এরপরেও অবশ্য জেরেমি ডোকু এক গোল করেছেন ৮৭তম মিনিটে এসে। তাতে ওনানার দায় আছে খানিক। কিন্তু, শেষের ওই গোল অবশ্য ম্যাচের ভাগ্য বদলাতে পারেনি। ম্যানচেস্টার সিটিকে হতাশ করে গেলবারের এফএ কাপ ফাইনালের প্রতিশোধ ঠিকই নিয়েছে ম্যান ইউনাইটেড।

সর্বশেষ সংবাদ

ধেয়ে আসছে রেমাল: পায়রা-মোংলায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত
‘ক্ষমতা হারানোর আতঙ্ক থেকেই সরকার নেতাকর্মীদের কারাবন্দি করছে’
সিটিকে হারিয়ে ৮ বছর পর এফএ কাপ জিতল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
আমরা দু’জনই বেহায়া, জয়কে বললেন জায়েদ খান
এমপি আনার হত্যাকাণ্ড, জড়িত শিলাস্তির মিলেছে অজানা পরিচয়
ঠাকুরগাওঁয়ে সোনার খোঁজে মাটি খুঁড়ছে মানুষ
চীন গেল আওয়ামী লীগের ৫০ সদস্যের প্রতিনিধি দল
প্রতিষ্ঠান সিলগালা: ভোক্তা অধিদপ্তরের তৎপরতা চ্যালেঞ্জ করে তনির রিট
গোবিন্দগঞ্জে বালতির পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু
কলেজে ভর্তির আবেদন শুরু হচ্ছে কাল
চুয়াডাঙ্গায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
একই অ্যাপে দুটি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করবেন যেভাবে
সাগরে গভীর নিম্নচাপ, উপকূলীয় এলাকায় লঞ্চ চলাচল বন্ধের নির্দেশ
গলায় ফাঁস দিয়ে রুয়েট শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
চুয়াডাঙ্গায় আবারো সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড, বইছে তীব্র তাপপ্রবাহ
রাইসির হেলিকপ্টারে নাশকতার কোনো প্রমাণ মেলেনি
নওগাঁয় শ্রমিক নেতাদের মুক্তির দাবিতে জেলার অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচল বন্ধ
যৌনকর্মীর চরিত্রে অভিনয় করে কানে সেরা পুরস্কার জিতলেন বাঙালি অভিনেত্রী
চট্টগ্রামে বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
বিরোধীদের শত্রু বলে কখনোই মনে করি না: নরেন্দ্র মোদি