বুধবার, ১২ জুন ২০২৪ | ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
Dhaka Prokash

নওগাঁয় শ্রমিক নেতাদের মুক্তির দাবিতে জেলার অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচল বন্ধ

বাস চলাচল বন্ধ। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

পরিবহনে চাঁদাবাজির অভিযোগে অন্তত ৭ জন ব্যক্তিকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৫ (র‌্যাব-৫)। শনিবার (২৫ মে) দুপুরে নওগাঁ বাইপাস সড়কের মশরপুর ও নওগাঁ শহরের তাজের মোড় থেকে তাদেরকে আটক করে র‌্যাব।

এদিকে আটকের পরপরই শ্রমিক নেতাদের মুক্তির দাবিতে জেলার অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

নওগাঁ জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এস এম মতিউজ্জামান বলেন, ‘নওগাঁর বাইপাস সড়কের মশরপুর এলাকায় আব্দুল জলিল শিশু পার্কের সামনে থেকে আমাদের তিন নেতাকে আটক করেছে র‌্যাব। আটক তিনজন হলেন- জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি আশিকুর রহমান, সড়ক পরিবহন সম্পাদক তুলশী কুমার ও কার্যনির্বাহী সদস্য মিজানুর রহমান আঙ্গুর। আটক শ্রমিক নেতাদের আটকের প্রতিবাদে এবং তাঁদের মুক্তির দাবিতে সাধারণ শ্রমিকেরা অনির্দিষ্টকালের জন্য নওগাঁ জেলার অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। আটক শ্রমিক নেতাদের মুক্তি দেওয়া না হলে মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন ও বাস মালিক সমিতির পক্ষ থেকে কঠোর কর্মসূচি নেওয়া হবে।’

মতিউজ্জামানের দাবি, ‘মহাসড়কের তিন চাকার যানবাহন চলাচল করতে না পারে সেজন্য নওগাঁ বাইপাস সড়কের মশরপুর এলাকায় প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে জেলা বাস মালিক ও মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে দীর্ঘ দিন থেকে একটি চেকপোস্ট রয়েছে। ওই চেকপোস্টে মোটরশ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যরা ডিউটি করেন। চেকপোস্টে থাকা শ্রমিকদের কাজ হলো সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা। আমাদের সদস্যরা কোনোভাবেই চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত নয়।’

বাস চলাচল বন্ধ। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

দুপুর ২টার দিকে শহরের বালুডাঙ্গা বাস স্টান্ড এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বাস স্ট্যান্ডের সামনে নওগাঁ-রাজশাহী সড়কের ওপর বাস আড়াআড়ি করে দাঁড় করিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে ওই রাস্তা দিয়ে বড় কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। বাস স্টান্ড থেকে জেলার অভ্যন্তরীণ রুটে কোনো বাস ছেড়ে যাচ্ছে না। তবে রাজশাহী, বগুড়াসহ বিভিন্ন আন্তঃজেলা রুটে চলাচলকারী বাস ছেড়ে যেতে দেখা যায়। অভ্যন্তরীণ রুটে চলাচলকারী বাস না পেয়ে অনেক যাত্রীকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ইলেক্ট্রিক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে দেখা যায়।

বালুডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের মাতাজি মোড় সিএনজি স্ট্যান্ডে কথা হয় সাইফুল ইসলাম নামের এক যাত্রীর সঙ্গে। তিনি ঢাকাপ্রকাশকে বলেন, ‘আমি এনজিওতে চাকরি করি। জরুরি কাজে সকালে জেলার নজিপুর থেকে নওগাঁ শহরে এসেছিলাম। এখন এসে দেখি বাস চলাচল বন্ধ। এখন বাধ্য হয়ে সিএনজি অটোরিকশায় করে নজিপুরে যেতে হবে। বাসে করে গেলে ৫০ টাকা ভাড়া দিতে হতো। এখন সিএনজিতে ভাড়া গুনতে হবে ৯০ টাকা।

নওগাঁ জেলা ইলেক্ট্রনিক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মালিক সমিতির সভাপতি মাহবুব হোসেন পল্টু বলেন, আজ দুপুর ১২টার দিকে শহরের তাজের মোড়, বালুডাঙ্গা বাস স্টান্ড এলাকা থেকে জেলা ইলেক্ট্রনিক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মালিক সমিতি ও শ্রমিক সমিতির অন্তত ১০ জন সদস্যকে আটক করেছে। এদের মধ্যে জেলা ইলেক্ট্রনিক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মালিক সমিতির দপ্তর সম্পাদক শাহীনুর রহমান, অটোরিকশা মালিক সমিতির অফিস সহকারী রাকিবুল ইসলাম, ইলেক্ট্রনিক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা শ্রমিক সমিতির প্রচার সম্পাদক সাজেদুর রহমান সাজু ও তাজের মোড় এলাকায় অটোরিকশার চেইন মাস্টার মুকুল হোসেনকে আটক করেছে র‌্যাব।

র‌্যাবের অভিযানের বিষয়ে জানতে চাইলে র‌্যাব-৫-এর জয়পুরহাট ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর মো. শেখ সাদিক বলেন, র‌্যাব-৫-এর হেডকোয়ার্টার থেকে পরিবহনে চাঁদাবাজির অভিযোগে নওগাঁর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চলছে। অভিযান শেষ হলে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।

Header Ad

আগের অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছি, বল এখন ইসরাইলের ঘরে: হামাস

ছবি: সংগৃহীত

গাজায় যুদ্ধবিরতির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনায় ‘ইতিবাচক’ সাড়া দিয়ে তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে ‘সুপ্রসস্ত পথ’ খুলে দিয়েছে; কিন্তু ফিলিস্তিনি এই স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীটি বা ইসরাইল একটি চুক্তি করতে প্রকাশ্যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ না হওয়ায় অনিশ্চয়তা রয়েই গেছে।

বুধবার হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ইজ্জত আল-রিশক এক বিবৃতিতে বলেছেন, যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের বিষয়ে তাদের জবাব ‘দায়িত্বপূর্ণ, ঐকান্তিক ও ইতিবাচক’ এবং তা একটি চুক্তির বিষয়ে ‘একটি প্রশস্ত পথ খুলে দিয়েছে’।

আরেক হামাস কর্মকর্তা মঙ্গলবার রয়টার্সকে বলেছেন, একটি যুদ্ধবিরতি অবশ্যই গাজায় শত্রুতার স্থায়ী অবসান, ইসরাইলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, গাজার পুনর্গঠন এবং ইসরাইলের কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মুক্তি নিশ্চিত করবে-সম্মতিপত্রে নিজেদের এ অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছেন তারা। তিনি বলেছেন, আগের অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছি আমরা। বল এখন ইসরাইলের ঘরে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ৩১ মে গাজা যুদ্ধবিরতির বিষয়ে যে রূপরেখা প্রস্তাব করেছেন মঙ্গলবার তাতে আনুষ্ঠানিক সম্মতি দিয়েছে হামাস; কিন্তু ইসরাইল বলছে, হামাসের এই সম্মতি প্রত্যাখ্যানের সমতুল্য যখন হামাসের একজন কর্মকর্তা বলেছেন যে- তারা কেবল তাদের দীর্ঘদিনের দাবিগুলো পুনর্ব্যক্ত করেছেন, প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনায় তা পূরণ হয়নি।

মিসর ও কাতার জানিয়েছে, তারা হামাসের আনুষ্ঠানিক সম্মতিপত্র গ্রহণ করেছে কিন্তু তাতে কী আছে তা প্রকাশ করেনি।

যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইসরাইল তাদের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে, কিন্তু ইসরাইল প্রকাশ্যে এ কথা জানায়নি।

ইসরাইলি এক কর্মকর্তা মঙ্গলবার বলেছেন, তারা মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হামাসের জবাব হাতে পেয়েছেন আর হামাস যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের ‘সব মূল ও সবচেয়ে অর্থপূর্ণ পয়েন্টগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেছে’।

তিনি বলেন, হামাস প্রেসিডেন্ট বাইডেনের উপস্থাপন করা জিম্মি মুক্তির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

এর আগে এক অ-ইসরাইলি কর্মকর্তা জানান, ইসরাইলের সঙ্গে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও রাফাসহ গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের একটি নতুন সময়সীমা প্রস্তাব করেছে হামাস।

বাইডেনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের রূপরেখা নিয়ে সোমবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব তুলেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদের ১৪ সদস্যের ভোটে প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।

এরপরই মঙ্গলবার জাতিসংঘ-সমর্থিত প্রস্তাব মেনে নেওয়ার কথা জানায় হামাস। হামাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সামি আবু জুহরি এদিন রয়টার্সকে বলেন, হামাস যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবনা মেনে নিয়েছে এবং এ প্রস্তাবের খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত। তবে ইসরাইলের এ প্রস্তাব মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করার ভার যুক্তরাষ্ট্রের।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন মঙ্গলবার তেল আবিবে ইসরাইলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ব্লিঙ্কেন হামাসের মন্তব্যকে ‘আশাব্যঞ্জক ইঙ্গিত’ বলে বর্ণনা করে তাদের জবাবের অপেক্ষায় আছেন বলে জানিয়েছিলেন।

আনার হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য ও ছবি প্রকাশ

ছবি: সংগৃহীত

কলকাতার নিউ টাউনের সঞ্জীবা গার্ডেনসের ফ্লাটে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারকে হত্যা করা হয়। ফ্লাটটিতে আনার হত্যা চাঞ্চল্যকর তথ্য ও ভিডিও প্রকাশ হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। আনারকে চেয়ারে বেঁধে রাখা হয়েছে, এমন একটি ছবি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ছবিটিতে দেখা যায় আনারকে চেয়ারে বেঁধে রাখা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, নির্যাতন করার সময় ওই ছবিটি তোলা হয়েছিল। কালো রঙের একটি চেয়ারে বস্ত্রহীনভাবে বসিয়ে কাপড় দিয়ে এমপি আনারের মাথা বেঁধে রাখা হয়েছে এবং সাদা রঙের কাপড় মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

ছবি: সংগৃহীত

ধূসর রঙের একটি গামছা দিয়ে চেয়ারের সঙ্গে তার গলা বরাবর বেঁধে রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও তার দুই হাত রশি দিয়ে চেয়ারের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে।

জিহাদের তথ্যেই জানা যায়, ফ্ল্যাটের বাথরুমে টুকরো টুকরো করে আনারের দেহাংশ ফ্লাশ করে দেওয়া হয়।

এ সময় আনার হত্যায় কারা কারা জড়িত ছিল, কার কী ভূমিকা ছিল, হত্যার পর কীভাবে আনারের দেহ টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলা হয়, সবই স্বীকার করে জিহাদ।

জনগণের ক্ষমতায়নে তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: শ্রম প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

জনগণের ক্ষমতায়নে তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

বুধবার (১২ জুন) রাজধানীর শ্রম ভবন সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত তথ্য অধিকার বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

জনগণের ক্ষমতায়নে তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা গড়ার উদ্দেশ্যে বাঙালির জীবনমান উন্নয়ন, কর্মের স্থিতিশীলতা, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং উন্নয়নের স্থায়ীত্ব নিশ্চিত করতে সব শিল্পকারখানা রাষ্ট্রীয়করণ করেন। এছাড়া তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ নিশ্চিত করা গেলে সব সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং দুর্নীতি হ্রাস পাবে। তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা গেলে দেশের উন্নয়ন বৃদ্ধি পাবে এবং দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। এই আইনে মোট ৮টি অধ্যায়, ৩৭টি ধারা ও একটি তফসিল বিদ্যমান রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান শ্রমবান্ধব সরকার শ্রমিক ভাই-বোনদের সামাজিক মর্যাদা, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জাতীয় শ্রমনীতি-২০১২, জাতীয় শিশুশ্রম নিরসন নীতি-২০১০, জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি নীতিমালা-২০১৩ এবং গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি-২০১৫ প্রণয়ন করে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে স্থিতিশীল শিল্প সম্পর্ক এবং উদীয়মান অর্থনীতির দেশ হিসেবে প্রমাণ করেছে।

এ কর্মশালায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, অতিরিক্ত সচিব মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. মোল্লা জালাল উদ্দিনসহ কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর, শ্রম অধিদফতর এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সংবাদ

আগের অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছি, বল এখন ইসরাইলের ঘরে: হামাস
আনার হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য ও ছবি প্রকাশ
জনগণের ক্ষমতায়নে তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: শ্রম প্রতিমন্ত্রী
আনার হত্যা তদন্তে কোনো চাপ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশের কারাগারে ৩৬৩ জন বিদেশি নাগরিক আটক
ভারতে স্বর্ণ বলে ৩০০ রুপির নকল গয়না ৬ কোটি রুপিতে বিক্রি
পল্টনে বহুতল ভবনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে
রাজধানীর পল্টনে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের কাছে ঋণ চেয়েছি: প্রধানমন্ত্রী
ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু
১৪ কিলোমিটার সড়কে যানবাহন চলাচলে ধীরগতি, ৮ ঘণ্টাপর স্বাভাবিক
এবার মরক্কোতে কোকাকোলা-পেপসি বয়টকটের ডাক
মসজিদে মাইকিং করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল এক নারীর
ঢাকায় ৮ মাত্রায় ভূমিকম্প হতে পারে: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী
ড. ইউনূসের মন্তব্য দেশের মানুষের জন্য অপমানজনক : আইনমন্ত্রী
সৌদিতে ১৫ লাখের বেশি বিদেশি হজযাত্রী
আবাসিক হোটেল থেকে সাবেক বন কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার
ঈদযাত্রায় বাড়তি ভাড়া আদায় করলে ব্যবস্থা: ডিএমপি
কোরবানির পশুর বর্জ্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ: মেয়র তাপস
কুয়েতে আবাসন ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ৩৯