সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩১
Dhaka Prokash

‘এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ’ বাঙালির দিক নির্দেশনামূলক গ্রন্থ

‘এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ’ সাম্প্রতিক সময়ে এমন আশাবাদী পথ দেখানো গ্রন্থ আমরা আর দেখিনি। সেইদিক দিয়ে মো. সাহাবুদ্দিন বাঙালির আলোকবর্তিকা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তার বর্ণাঢ্য জীবন, ব্যাপক অভিজ্ঞতা, কাছ থেকে দেখা রাজনীতি উঠে এসেছে এই গ্রন্থে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে যৌবনে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়েছেন। এখনো তার ধ্যানজ্ঞান বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর কতজন আদর্শচ্যুত, লক্ষ্যচ্যুত হয়েছেন কিন্তু তিনি অবিচল থেকেছেন, হাজারো প্রতিকূলতার মধ্যে। তার চরিত্রের দৃঢ়তা দেখা যায় যখন পদ্মাসেতু নিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। তখন তিনি দৃঢ়তা দেখিয়ে প্রমাণ করেছেন কোনো দুর্নীতি হয়নি। যার ফলে পদ্মার বুকে এখন বাংলাদেশের গর্ব পদ্মা সেতু।

‘এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ’ গ্রন্থে তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন যেমন পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা, রেমিটেন্স, গড় আয়ুবৃদ্ধিসহ অনেক সূচকে আমাদের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করেছেন। একই সাথে স্বপ্নের কথা বলতে গিয়ে বলেছেন, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকে অনেক ক্ষেত্রে ভারত-পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, পাতাল রেল নানা স্বপ্নের কথা বলেছেন। মাত্র এক যুগের ব্যবধানে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার কথা বলেছেন। এসডিজি বাস্তবায়ন, রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর, চট্টগ্রামের কর্ণফুলি টানেল ও ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ আগামীর উন্নত বাংলাদেশের বর্ণনা দিয়েছেন একজন দক্ষ অর্থনীতিবিদের মতো। নারীর অধিকার, সুশাসন নিশ্চিতকরণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শিতার কথা বলেছেন। স্বাধীনতার ৫১ বছরে বাংলাদেশ বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে তা উল্লেখ করেন মো. সাহাবুদ্দিন তার গ্রন্থে।

দাবায়ে রাখতে পারবানা কলামে প্রবন্ধকার কবি নির্মলেন্দুগুনের কবিতা দিয়ে শুরু করে ৭ মার্চ এর ভাষণের পূর্বাপর উল্লেখ করেছেন। অস্ত্র বিহীন, যুদ্ধজ্ঞান বিহীন একটি সহজ সরল জাতির মনে স্বাধীনতা নামক ক্ষুধা জাগিয়ে তোলার নাম ৭ মার্চ বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। এর আগে ৭ মার্চ নিয়ে এত সুন্দর ব্যাখ্যা আর কেউ দেয়নি। জাতির পিতার যোগ্য রাজনৈতিক কর্মী মো. সাহাবুদ্দিন এভাবে ৭ মার্চকে ব্যাখ্যা করে নতুন প্রজন্মের কাছে আলোর দিশারী হয়ে উঠেছেন। আওয়ামী লীগের সাতকাহন প্রবন্ধে আওয়ামী লীগ গঠনের ইতিহাস চমৎকারভাবে উল্লেখ করেছেন। এদেশের সকল উন্নয়ন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। ১৯৬৬ সালের ৮ এপ্রিল পাবনায় বঙ্গবন্ধুর সাথে প্রথম দেখার স্মৃতি উল্লেখ করে প্রবন্ধকার বলেছেন— বঙ্গবন্ধু আদর করে ‘তুই’ সম্বোধন করে বেশকিছু দিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন। শেষে বললেন ‘মাঠে আয়।’ বঙ্গবন্ধুর মাঠে আয় আহ্বানে কী যেন লুকিয়ে ছিল। সেই থেকে রাজনীতির মাঠে নেমে পড়লেন মো. সাহাবুদ্দিন। হয়ে উঠলেন স্লোগানদাতা। এরপর বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী হয়ে উঠলেন। বঙ্গবন্ধু হয়ে উঠেন ধ্যানজ্ঞান, অনুপ্রেরণা, জীবনের অংশ— যা এখনো বহমান রক্তে। লেখক বলেছেন— জীবন চলায় ফুয়েল। যে ফুয়েল আজও আমাকে শক্তি জোগায়। এখানে প্রবন্ধকার ফুয়েল বলতে বঙ্গবন্ধুকে বোঝাতে চেয়েছেন। এ ফুয়েল শক্তি দেয় এ কারণে যে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আজও বাংলাদেশসহ বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ ধারণ করে।

১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পাবনার নগরবাড়িতে ‘মুজিব বাধ’ উদ্বোধন করতে এসে মো. সাহাবুদ্দিনের বক্তব্যে মুগ্ধ হয়ে ডায়াসে বঙ্গবন্ধু তার হাত ধরে ফেললেন। বুকে জড়িয়ে ধরলেন। কপালে চুমু দিয়ে বললেন ‘তুই তো ভালো বলিস।’ বঙ্গবন্ধু তাকে সঙ্গে নিয়ে হেলিকপ্টারে উঠালেন। প্রথমবারের মতো হেলিকপ্টারে ওঠে ঢাকায় গেলেন প্রবন্ধকার। সেদিনই যেন মো. সাহাবুদ্দিন বঙ্গবন্ধুর দোয়া ও ভালোবাসা পেয়ে হেলিকপ্টার নয় যেন আকাশে উঠেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর দোয়া ও ভালোবাসা পেয়ে সেদিন সৃষ্টিকর্তা তার কপালে লিখেছিলেন রাজভাগ্য। যার প্রতিচ্ছবি আমরা দেখতে পাই বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন জননেত্রী তাকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করার মধ্য দিয়ে। বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য, আদরের চুপ্পু আজ বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্টপতি। পাবনা তথা বাংলাদেশের গর্ব, অহংকার। তার মত যোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি পদে পেয়ে বাংলাদেশ ধন্য।

বঙ্গবন্ধুকে যেমন দেখেছি প্রবন্ধে বঙ্গবন্ধুকে কাছ থেকে দেখার স্মৃতি উল্লেখ করেছেন প্রবন্ধকার। কীভাবে বাকশালের নেতা হলেন, তা উল্লেখ করেছেন। ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যার পর পাবনায় প্রতিরোধ গড়ে তোলার কথা উঠে এসেছে। এরপর গ্রেপ্তার হন মো. সাহাবুদ্দিন। গ্রেপ্তারের পরে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হন। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর পরিবারের আর্থিক ও মানসিক বিপর্যস্ত অবস্থা দেখে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েন। কষ্টের কথা বলতে গিয়ে বলেছেন, যাদের হাতে জেলখানায় নির্যাতিত হয়েছেন, যারা বঙ্গবন্ধুর নাম বিকৃত করে উচ্চারণ করত— পরে তারা জাতির বড় বড় দায়িত্ব পালন করেছেন।

‘বঙ্গবন্ধু ইাতহাসের অমর মহানায়ক’ প্রবন্ধের একাংশে বলা হয়েছে ১৯৭১ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ৫২তম জন্মদিনে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল আপনার সবচাইতে বড় ও পবিত্র কামনা কী? উত্তরে বলেছিলেন, ‘জনগণের সার্বিক মুক্তি।’ এই এক কথাতেই বঙ্গবন্ধুকে চেনা যায়— তিনি কতটা বাঙালিকে হৃদয়ে ধারণ করেছিলেন। ৫২তম জম্মদিনের এই ঘটনার কথা বইতে উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ চেতনা কর্ম আমাদের মাঝে তথা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরে পবিত্র দায়িত্ব পালন করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন।

বঙ্গবন্ধু নয়মাস পাকিস্তানের কারাগারে আটক থাকার পরে যখন মুক্তি পান, তখন ১৯৭২ সালের ৯ জানুয়ারি ইত্তেফাকের সংবাদ শিরোনাম ছিল ‘তোমরা কি সবাই বেঁচে আছো’: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এই হলেন জাতির পিতা, জীবনের একটি দিনও যিনি দেশের মানুষকে ছাড়া ভাবেননি। এ জন্য ‘বঙ্গবন্ধু-স্বাধীনতা-বাংলাদেশ’ বাঙালির অভিধানে এ তিনটি শব্দই সমার্থক। প্রবন্ধকার উল্লেখ করেছেন বঙ্গবন্ধু মানেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূলধারা, তিনি আছেন সর্বত্র।

‘বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড: তদন্ত কমিশন গঠনে বাধা কোথায়’ প্রবন্ধ থেকে জানা যায় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার পরিজনকে হত্যার ঘটনায় প্রথম অনুসন্ধান কমিশন গঠিত হয় ১৯৮০ সালে যুক্তরাজ্যে। কিন্তু সেই কমিশনকে তৎকালীন সরকার কাজ করতে দেয়নি। একই প্রবন্ধে জানা যায় কীভাবে তৎকালীন সরকার এয়ার ফোর্সের সদস্যদের বিনাদোষে ফাঁসি দিত।

‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নে আমাদের দিন বদল’ প্রবন্ধে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন সংগ্রাম, আদর্শ, দেশ প্রেম প্রবন্ধকার যেন শিল্পীর নিঁখুত হাতের ছোয়ায় সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। একই সাথে ওঠে এসেছে বাঙালির স্বাধীকার আন্দোলন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন আর বাঙালির স্বপ্ন এক হয়ে কীভাবে আন্দোলন সংগ্রাম একত্রে মিলে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ হয়ে ওঠার ইতিহাস। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলছেন তারই কন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা।

১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের সাহসী সিদ্ধান্ত, আওয়ামী লীগের কাউন্সিল, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার ইতিহাস সুন্দরভাবে ফুটে তুলেছেন প্রবন্ধকার। সেদিন শেখ হাসিনাকে বরণ করে নেওয়ার জন্য ঢাকা মহানগরের চিত্র সুন্দরভাবে উঠে এসেছে। এরই মাধ্যমে প্রমাণিত হয় শেখ হাসিনা কতটা জনপ্রিয় বাঙালির কাছে। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি ও ১৯৮১ সালের ১৭ মে দুটোই বাঙালির ইতিহাসে অন্যতম দিন। প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উভয়ের অবস্থান ছিল এক ও অভিন্ন। আর তা হলো ‘অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রায় মাধ্যমে জনগনের ভাগোন্নয়ন।’ বঙ্গবন্ধু কন্যা সেদিন দেশে ফিরেছিলেন বলেই আজ বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাঁড়িয়েছে।

বঙ্গবন্ধু কন্যার হাতেই উন্নয়নের বাংলাদেশ র্শীষক প্রবন্ধে প্রবন্ধকার ১৯৯৬-২০০১ এবং ২০০৯ থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরের উন্নয়ন তুলে ধরেছেন। অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মানুষের জীবনযাত্রার মান, দেশের উন্নয়ন একজন অভিজ্ঞ অর্থনীতিবিদের মতো করে উল্লেখ করেছেন।

এ কথা ধ্রুবসত্য পদ্মা সেতুর কারণে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্বে অনন্য উচ্চতার পৌঁছে গেছে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা, আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ। প্রবন্ধকার এর পুরো কৃতিত্ব দিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে। করোনাকালে শেখ হাসিনার যুগোপযোগি ও কার্যকর সিদ্ধান্তের কারণে আমরা কীভাবে রক্ষা পেয়েছি তা জানতে পেরেছি এই প্রবন্ধের মাধ্যমে। একই প্রবন্ধে দেশের বর্তমান স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়ন বিশ্ব পর্যায়ের তা ওঠে এসেছে।

২০২৪ সালে শেখ হাসিনা কেন জরুরি, প্রবন্ধটির পাঠ অতি জরুরি আমাদের জন্য। ২০০৭ সালের ৭ মে শেখ হাসিনা দেশে না ফিরলে ইতিহাস অন্যরকম হতো। আগামীর বাংলাদেশের উন্নয়ন ও দেশের স্থিতিশীলতার জন্য শেখ হাসিনাকে বাঙালির দরকার। গ্রন্থের শেষের দিকে প্রবন্ধকার যিনি বর্তমানে বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি তিনি নানা রঙের দিনগুলি, বাদশা ভাই চির অম্লান, কাছ থেকে দেখা জননেতা মোহাম্মদ নাসিমের জীবনী তুলে ধরেছেন। যা আমাদের জন্য অবশ্য পাঠ। আমরা নতুন করে অনেক কিছু জানতে পারব। এ ছাড়া কূটনৈতিক শোভনীয়তা ও গণমাধ্যম, বিভীষণ ও কাউয়াদের সামাল দিন, সাবাশ বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয় সমান গুরুত্বপূর্ণ আমাদের পাঠের জন্য। একজন নিয়মিত লেখক, পেশাজীবী প্রবন্ধকারের মত নিঁখুত শিল্পীর মত কলমের আঁচড়ে এতো সুন্দর করে সুখপাঠ্য করে তুলেছেন ‘এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ’ গ্রন্থটি। আমরা পেলাম একজন বিশিষ্ট প্রবন্ধকার, লেখককে যে যিনি দেশের সার্বক্ষণিক প্রয়োজনে দিকনির্দেশনা দেবেন। মহামান্য আমাদের আলোর পথ দেখিয়েছেন এই গ্রন্থের মাধ্যমে।

শেষে সাজ্জাদ কাদিরের কীর্তিমানের গল্পকথা, বাংলাদেশ টেলিভিশনে ১২ জুন ২০২২ সালের সাক্ষৎকারে তিনি বলেছেন, আমার জীবনে কোনো অপ্রাপ্তি নেই— পড়ে মহামান্য রাষ্ট্রপতির অজানা অনেক তথ্য জানতে পারি। নতুন করে মানবিক, রাজনৈতিক, দূত্যিময় এক মহামানবের পূর্ণাঙ্গ জীবন আলেখ্য দেখতে পাই। তার কর্মময় জীবন, বিচিত্র অভিজ্ঞতা, রাজনীতি, সরকারি চাকরি, সরকারি বিভিন্ন সেবা দেওয়ার ইতিহাস জানার পর আমরা নিজেদের সমৃদ্ধ করতে পারি। বিশেষ করে নতুন প্রজম্মের জন্য বইটি অবশ্য পাঠ্য হওয়া উচিত।

২০২২ সালের ১৯ আগস্ট ড. এম আব্দুল আলীমের সাক্ষাৎকারে পাবনার বিখ্যাত ভূট্রা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ বিশদভাবে ফুটে ওঠেছে। পরিশিষ্ট-২ মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুঃ সংগ্রাম, চিন্তা ও রাজনৈতিক আদর্শ ড. এম আব্দুল আলীমের লেখায় মহামান্যকে নতুন করে তার সংগ্রাম, চিন্তা ও রাজনৈতিক আদর্শকে আমরা জানতে পারি। এক বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অধিকারী মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে সঞ্জিত অভিজ্ঞতায় যিনি প্রোজ্জল, স্বাধীকার সংগ্রাম থেকে একাত্তরের রণাঙ্গন, বিচারালয় থেকে দুর্নীতি কমিশিন, ছাত্র রাজনীতির মাঠ থেকে কেন্দ্রীয় রাজনীতির প্রাঙ্গণ সর্বত্রই কর্মনিষ্ঠা, দায়িত্বশীলতা আর দেশে প্রেমের পরাকাষ্ঠায় যিনি অনন্য। সর্বোপরি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রশ্নে আপসহীন এক মানুষের জীবন আলেখ্য নিয়েই এই গ্রন্থ যার পাতায় পাতায় ইতিহাস, ইতিহাসের মানুষ আর উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলা অপার সম্ভাবনাময় এক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।

বইটি পড়ে আমি অভিভূত। আশাকরি মহামান্য শত ব্যস্ততার মাঝেও এমন বই জাতিকে আরও উপহার দেবেন। তার লেখা জাতিকে যেমন দিক নির্দেশনা দেবে, তেমনি নতুন প্রজম্মকে দেখাবে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন, দেবে ভবিষ্যতে পথচলার নির্দেশনা। বইটির পাতায় পাতায় একজন আশাবাদী মানুষের দেশ নিয়ে আশাবাদী সব ভাবনা স্থান পেয়েছে। ফলে এর নামকরণ ‘এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ’ যথাযথ হয়েছে। আমি বইটির বহুল প্রচার কামনা করি।

মো. ফারুক হোসেন চৌধুরী: উপ-পরিচালক, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

আরএ/

Header Ad

পরিচয় জানা গেল ৪০০ কোটি টাকার মালিক সেই পিয়নের

জাহাঙ্গীর আলম। ছবি: সংগৃহীত

চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে নিজের বাসার পিয়ন ৪০০ কোটি টাকার মালিক হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর তারপর থেকেই এ নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। কে সেই পিয়ন, কি তার পরিচয়। সকল মহলে এখন এই পিয়ন চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। অবশেষে তার পরিচয় মিলেছে।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে তার পরিচয় নিয়ে কোনো ইঙ্গিত দেওয়া না হলেও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একাধিক সূত্র দাবি করছে, সেই পিয়নের নাম জাহাঙ্গীর আলম। তাকে নিয়ে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল। তার বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থেকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।

জাহাঙ্গীর আলম প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মচারী হিসেবে একসময় কর্মরত ছিলেন। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সালের দুই মেয়াদের পুরোটা সময় এবং প্রধানমন্ত্রীর টানা তৃতীয় মেয়াদেরও কিছু সময় ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর ব্যাগ বহন করতেন, প্রধানমন্ত্রীর খাবার সামনে এগিয়ে দিতেন এবং অন্যান্য ফাই-ফরমাশ খাটতেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি যখন বিরোধী দলে তখন থেকেই জাহাঙ্গীর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ঢাকার বাইরে যখন বিভিন্ন রাজনৈতিক সভায় যেতেন সেখানেও জাহাঙ্গীরকে দেখা যেত। আস্তে আস্তে জাহাঙ্গীরের একটি রাজনৈতিক বলয় তৈরি হয়ে যায়।

জাহাঙ্গীরের বাড়ি নোয়াখালীর চাটখিলে। সেই সময় তার আমন্ত্রণে সরকারের অনেক প্রভাবশালী মন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে নোয়াখালীর চাটখিলে বিভিন্ন কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন। যার কিছু ছিল জাহাঙ্গীরের ব্যক্তিগত আয়োজনের অনুষ্ঠানে। একই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর আরেক পিয়ন আবদুল মান্নানকেও চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল। তবে তার বিরুদ্ধে হেলিকপ্টার ব্যবহারের কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি।

গণভবনে থাকার সময় তিনি আওয়ামী লীগ নেতাদের চেয়েও ক্ষমতাবান হয়ে উঠেছিলেন। আওয়ামী লীগের কিছু কিছু ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ, গণভবনে থাকেন, তাকে বলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করা যায় ইত্যাদি ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী হয়ে জাহাঙ্গীরের প্রতি আলাদা ‘সমীহ’ দেখাতে শুরু করেন। তাদের কেউ কেউ জাহাঙ্গীরকে ‘স্যার’ ডেকেছেন বলেও শোনা যায়। এমনকি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাও জাহাঙ্গীরের কাছে তদবির করতেন। এই জাহাঙ্গীর গণভবনে থেকে বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাকে প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন তদবির করতেন। এভাবে আস্তে আস্তে বিত্তশালী হয়ে ওঠেন এই কাজের লোক। পরবর্তীতে অবশ্য গণভবন থেকে রেবিয়ে যাওয়ার পর এখন তাকে রাজনীতিতে দেখা যায় না।

তবে জাহাঙ্গীর আলম প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মচারী হলেও তিনি নিজের পরিচয় দিতেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত বিশেষ সহকারী। এই পরিচয় ব্যবহার করে নিয়মিত সচিবালয়ে তদবির বাণিজ্য করতেন। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের কাছে নানান তদবির করে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। একই পরিচয় ব্যবহার করে তিনি নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি পদও বাগিয়ে নিয়েছিলেন। নোয়াখালী-১ সংসদীয় আসনে নিজের একটি রাজনৈতিক ব্লকও তৈরি করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যের পর দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন যে, বিষয়টি সম্পর্কে তারা অবহিত এবং জাহাঙ্গীরের ব্যাপারে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। খুব শিগগিরই তার সম্পদ জব্দের প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে জাহাঙ্গীর এখন দেশের বাইরে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী কি কারও নাম বলেছেন? তিনি ড্রাইভারের (সৈয়দ আবেদ আলী) কথা বলতে গিয়ে এ কথা বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তো পিয়ন বলেছেন। সে সময় দুজন পিয়ন চাকরিচ্যুত হয়েছিলেন। এর মধ্যে একজন আপনি, আরেকজন আবদুল মান্নান। কিন্তু সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সেই পিয়ন আপনি। এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমি এটা জানি না। আমি কইতে পারব না।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনেছেন কি না— জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, না না, আমি তো শুনি নাই। এইমাত্র আপনার কাছে শুনলাম।

চতুর্থবারের মতো নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন কেপি শর্মা অলি

নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি। ছবি: সংগৃহীত

মাওবাদী নেতা পুষ্পকমল দাহাল ওরফে প্রচণ্ড আস্থাভোটে হেরে যাওয়ার পর নেপালে নতুন সরকার গঠন করা হয়েছে। এ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন দেশটির তিনবারের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি।

কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, দেশটির প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল তাকে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। সোমবার নতুন মন্ত্রিসভার সঙ্গে অলিও শপথ নেবেন।

দেশটির রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে তিনি প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হলেন। ‘চীনপন্থী’ অলি কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (ইউনিফায়েড মার্কসিস্ট লেনিনিস্ট)-এর প্রধান। শের বাহাদুর দেউবার নেতৃত্বাধীন নেপালী কংগ্রেসের সমর্থন নিয়ে তিনি ফের কাঠমান্ডুর কুর্সিতে ফিরলেন।

পুষ্প কমল দাহাল শুক্রবার হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে আস্থা ভোটে হেরে যান। ফলে দেশটির সংবিধানের ৭৬ (২) অনুচ্ছেদ অনুসারে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। নেপালী কংগ্রেসের ৮৮ জন, ইউএমএল-এর ৭৮ জনসহ ১৬৬ জন আইন প্রণেতার সমর্থনের পর প্রেসিডেন্ট পাউডেল অলিকে সংবিধানের ৭৬(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে নিয়োগ দেন।

৭২ বছর বয়সী কে পি শর্মা অলি এর আগে ২০১৫ সালের ১১ অক্টোবর থেকে ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট পর্যন্ত, ২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২১ সালের মে মাস ও ২০২১ সালের মে মাস থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সূত্র: দ্য কাঠমুন্ডু পোস্ট

দেশে বিবাহিত বেশি রাজশাহীতে, অবিবাহিত সিলেটে

প্রতীকী ছবি। ছবি: সংগৃহীত

দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৬৫ শতাংশ মানুষ বিবাহিত। এর মধ্যে বিবাহিতের হার সর্বোচ্চ ৬৯ শতাংশ রাজশাহী বিভাগে। অন্যদিকে এ জনগোষ্ঠীর হার সর্বনিম্ন ৫৫ শতাংশ সিলেট বিভাগে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) আর্থ-সামাজিক ও জনমিতিক জরিপ-২০২৩’র বৈবাহিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। গত বছরের ২১ মে থেকে ২২ জুন পর্যন্ত দেশের ১২ হাজারেরও বেশি এলাকার প্রায় দুই লাখ ৯৯ হাজার পরিবারের ওপর এই জরিপ চালানো হয়।

বিবিএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষের হার সবচেয়ে বেশি সিলেট বিভাগে, প্রায় ৪৫ শতাংশ। অপরদিকে রাজশাহী বিভাগে অবিবাহিত পুরুষ সবচেয়ে কম, ৩১ শতাংশ। পাশাপাশি সিলেট বিভাগে অবিবাহিত নারী সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৩২ শতাংশ। অন্যদিকে, রাজশাহীতে এ হার সবচেয়ে কম, ১৮ শতাংশ।

প্রতিবেদন বলছে, নারীর চেয়ে পুরুষের একাধিক বিয়ের হারও বেশি। এর মধ্যে প্রায় ৪ শতাংশ পুরুষ একবারের বেশি বিয়ে করেছেন। বিপরীতে ১ শতাংশের বেশি নারী একবারের বেশি বিয়ে করেছেন। পাশাপাশি বিপত্নীক হিসেবে ১ শতাংশের কিছু বেশি পুরুষ একা জীবনযাপন করছেন। অন্যদিকে, প্রায় ৯ শতাংশ নারী বিধবা হিসেবে জীবনযাপন করছেন।

বৈবাহিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে জরিপে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৬৫ শতাংশ বিবাহিত। এর মধ্যে রাজশাহী বিভাগে বিবাহিতের হার সর্বোচ্চ ৬৯ শতাংশ। অন্যদিকে, সিলেট বিভাগে বিবাহিত জনগোষ্ঠীর হার সর্বনিম্ন ৫৫ শতাংশ।

বিবিএস প্রতিবেদনে দেখা যায়, স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম শুমারিতে দেশের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ১৫ লাখ। এরপর ১৯৮১ সালে জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়। ওই সময় মোট জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৮ কোটি ৭১ লাখ ১৯ হাজার ৯৬৫ জনে। ১৯৯১ সালে দেশে মোট জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১০ কোটি ৬৩ লাখে।

সর্বশেষ সংবাদ

পরিচয় জানা গেল ৪০০ কোটি টাকার মালিক সেই পিয়নের
চতুর্থবারের মতো নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন কেপি শর্মা অলি
দেশে বিবাহিত বেশি রাজশাহীতে, অবিবাহিত সিলেটে
শাহরুখ খানসহ ২৫ বরযাত্রীকে ২ কোটি টাকার ঘড়ি উপহার দিলেন অনন্ত
কোটা সংস্কারসহ এক দফা দাবিতে টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থীদের অবস্থান ও স্মারকলিপি প্রদান
‘বাংলা‌দেশ থে‌কে ৩ হাজার কর্মী নে‌বে ইতালি, জার্মানি, গ্রিস ও রোমানিয়া’
২০২৪ কোপা আমেরিকা ও ইউরোর প্রাইজমানি কত?
আমার পিয়নের কাজ করেছে, সেও ৪০০ কোটি টাকার মালিক: প্রধানমন্ত্রী
মেয়ের বিয়ের ‌‘যৌতুক’ হিসেবে বিসিএস’র প্রশ্নপত্র দেন পিএসসির সাবেক মেম্বার!
বিরামপুরে চালকলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু
পার্লারের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ আটক ৫৬
রেলওয়ের ৪০ শতাংশ পোষ্য কোটা কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট
২ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দেবে চীন: প্রধানমন্ত্রী
রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দিলেন কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীরা
ট্রাম্পের ওপর হামলায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যে কারণে আম্বানিপুত্রের বিয়েতে যাননি আমির-অক্ষয়-কারিনা-বিরাটরা
আনুষ্ঠানিক বিদায়ে ডি মারিয়াকে বিশেষ জার্সি উপহার
৭ অঞ্চলে সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়ের আভাস, বাড়বে তাপমাত্রা
বিশ্ববিদ্যালয়ের জাল সার্টিফিকেট তৈরির মূলহোতা গ্রেপ্তার
ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টাকারী ২০ বছর বয়সি কে এই বন্দুকধারী?