বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ৮ ফাল্গুন ১৪৩০
বেটা ভার্সন
Dhaka Prokash

শীতের সময় প্রতিদিন গোসল করা কতটা জরুরি

ছবি সংগৃহিত

শীতের দিনে গোসল করা নিয়ে অনেকেই ভয়ে থাকেন, বিশেষ করে গরম পানির ব্যবস্থা না থাকলে। গোসলের মাধ্যমে ত্বকে জমে থাকা ধুলাবালি ও ময়লা দূর হয়ে যায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য প্রতিদিন গোসল করা কি জরুরি ?

'গুসল' একটি আরবি শব্দ। নামাজ ও কুরআন পাঠের মতো ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে অংশ নেবার আগে মুসলমান নারী-পুরুষের বাধ্যতামূলকভাবে পুরো শরীর পবিত্র করার একটি প্রক্রিয়া। অন্যান্য ধর্মের মানুষের ধর্মীয় আচার পালনের সঙ্গেও কোনো না কোনোভাবে গোসলের সংযোগ আছে। বাংলা ভাষায় গোসলের সমার্থক শব্দ স্নান বা অবগাহন।

কখনো ভেবে দেখেছেন কী দিনের পর দিন গোসল না করলে কী হয়? চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতে দৈনিক গোসল করা আসলে শরীরের জন্য তেমন ভালো নয়। অন্যরা তা নিয়ে যতই মজা করুন না কেন!

আমেরিকার চর্মরোগ চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, গোসল করার অভ্যাস শৌচের জন্য তত জরুরি নয়। বরং বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের গোসলের নিয়মে আছে অনেকটাই সামাজিক ছুতমার্গ। অর্থাৎ নিয়মিত স্নান করেন না মানেই অপরিচ্ছন্ন, এমন নয়। গরম পানিতে বেশিক্ষণ গোসল করলে ত্বক আর্দ্র হওয়ার বদলে শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। ফলে দৈনিক গরম পানিতে গোসল করলেও ১০ মিনিটের বেশি সময় ধরে না করাই ভালো।

গোসল না করলে কিছু ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয় শরীরে। এ সময় ত্বক ভালো রাখতে সেসব ব্যাকটেরিয়া খুব জরুরি। গোসল করলে সেই ব্যাকটেরিয়াগুলো চলে যায়। তাই শীতকালে সপ্তাহে ২-৩ বারের বেশি গোসল না করার পরামর্শ দিচ্ছেন চর্মরোগ চিকিৎসকরা। শীতকালে বেশি গোসল করলে নখেরও ক্ষতি হতে পারে। কারণ এই সময়ে নখের অবস্থা খারাপ থাকে। বার বার গোসল করলে নখ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এখন গোসলের সঙ্গে স্বাস্থ্যের সম্পর্ক নিয়ে কিছু বিষয় জেনে নেওয়া যাক-

কতবার গোসল প্রয়োজন?

প্রতিদিন গোসলের প্রয়োজন নেই এই ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা একমত হলেও সপ্তাহে ঠিক কতবার গোসলের প্রয়োজন তা নিয়ে নানা মত রয়েছে। ত্বকের ধরণের ওপর ভিত্তি করে সপ্তাহে এক বা দুইদিন কিংবা বা এক/দুই/তিন দিন পরপর গোসল করা যেতে পারে। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা এক বা দুই দিন পরপর, আর যাদের ত্বক শুষ্ক তারা সপ্তাহে এক বা দুই দিন গোসল করতে পারেন। তবে, যাদের ত্বকে অতিরিক্ত ঘাম তৈরি হয়, শারীরিক পরিশ্রম, ব্যায়াম করেন কিংবা স্যাঁতস্যাঁতে নোংরা পরিবেশে কাজ করেন তাদের প্রতিদিনই গোসল করা প্রয়োজন। প্রতিদিন গোসলের প্রয়োজন না থাকলেও হাত এবং মুখ পরিষ্কার করা এবং অবশ্যই ত্বকের যত্ন নিতে হবে।

প্রতিদিন গোসলের ক্ষতি কী?

আমাদের ত্বক থেকে এক ধরনের তেল নিঃসরিত হয়, যা ত্বককে মসৃণ এবং উজ্জ্বল রাখে। এ ছাড়াও, ত্বকের বাইরের স্তরে কয়েক ধরনের স্বাস্থ্যকর জীবাণু বাস করে যারা রোগ প্রতিরোধক হিসেবে ভূমিকা রাখে। গোসলের সময় ত্বকের নিঃসরিত তেল এবং এসব জীবাণু পরিষ্কার হয়ে যায়, যা ত্বক এবং স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ত্বক উজ্জ্বলতা হারিয়ে খসখসে হয়ে যেতে পারে। আর এ কারণে চুলকানি অনুভূত হতে পারে। এমনকি ত্বকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে সংক্রামক রোগও হতে পারে।

কীভাবে গোসল করবেন?

১.কুসুম গরম পানি দিয়ে দ্রুত গোসল শেষ করুন।

২.গোসলে অপেক্ষাকৃত কম ক্ষারীয় এবং তেলযুক্ত সাবান ব্যাবহার করুন। মনে রাখবেন শরীরের সবস্থানে এবং প্রতিবার গোসলেই সাবানের প্রয়োজনীয়তা নেই। হাত, মুখ, বগল ও উরু এলাকায় সাবান ব্যবহার করলেই যথেষ্ট। ত্বকের ধরন অনুযায়ী সাবান নির্বাচন করুন। এজন্য চিকিৎসকের পরামর্শও নিতে পারেন।

৩.গোসলের সময় বেশি জোরে ত্বক ঘষবেন না। এজন্য নরম স্পঞ্জ বা কাপড় ব্যবহার করতে পারেন।

৪.গোসল না করলে তোয়ালে ভিজিয়ে গা মুছে ফেলতে পারেন।

৫.গোসলের পর নিজের পছন্দ মত বা ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

মনে রাখতে হবে শীতকালে আমাদের ত্বক শুষ্ক থাকে। তাই প্রতিদিন গোসল নিয়ে ভয়ের কোনো কারণ নেই। বরং প্রতিদিন গোসল না করাই স্বাস্থ্যকর। অবশ্য এজন্য ধুলা-বালি এবং স্যাঁতস্যাঁতে নোংরা পরিবেশ এড়িয়ে চলতে হবে। প্রতিদিন গোসল করা যেমন স্বাস্থ্যকর নয়, তেমনি একবারে গোসল না করলে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও আছে। তাই প্রতিদিন গোসল না করলে হাত, পা এবং মুখ নিয়মিত পরিষ্কার করুন এবং যত্ন নিন।

তাই গোসল নিয়ে ভয় না পেয়ে আপনার ত্বকের ধরন এবং পেশার উপর ভিত্তি করে সপ্তাহে গোসলের রুটিন ঠিক করে নিন। ত্বকের ধরন জানতে ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন।

 

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক বীজবৃক্ষ তুলে ফেলব: ওবায়দুল কাদের

ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আজকে একমাত্র বাধা হচ্ছে সাম্প্রদায়িকতা। আজকের এই দিনে সাম্প্রদায়িকতার যে বীজবৃক্ষ বিএনপির নেতৃত্বে ডালপালা বিস্তার করেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেই বীজবৃক্ষকে সমূলে তুলে ফেলব আমরা। এটাই আমাদের অঙ্গীকার।

বুধবার সকালে শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি হচ্ছে স্বাধীন বাংলাদেশের ভিত্তি। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল। পরে স্বাধিকার সংগ্রামে বিভিন্ন মাইলফলক অতিক্রম করে একাত্তরের স্বত্ব জাতীয়তাবাদের দিকনির্দেশনা আসে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের মধ্য দিয়ে। আমরা প্রথমে ভাষা যোদ্ধা। অতঃপর একাত্তরে আমরা বীর মুক্তিযোদ্ধা।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর যে বাংলাদেশের বিজয় হয়েছে, সেই বাংলাদেশের উন্নয়ন সমৃদ্ধি আজকে সারাবিশ্বে বিস্ময়ের।

অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে কোয়ার্টারের পথে এগিয়ে ইন্টার মিলান

ছবি: সংগৃহীত

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলোর প্রথম লেগের ম্যাচে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়েছে ইন্টার মিলান। মার্কো আর্নাতোভিচের একমাত্র গোলে কোয়ার্টার ফাইনালে এক পা দিয়ে রাখল ইনজাগির দল।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতের আরেক ম্যাচে পিএসভি আইন্দহোভেনের বিপক্ষে এগিয়ে গিয়েও ১-১ গোলে ড্র করেছে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড।

মিলানের সান সিরো স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার রাতে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে অ্যাটলেটিকোকে ১-০তে হারিয়েছে ইন্টার। চলতি বছরে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৯ ম্যাচের সবকটিতে জয় পেল দলটি। প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার মুখোমুখি হল দল দুটি। আগের সাক্ষাতে ২০১০ সালে উয়েফা সুপার কাপে ২-০ গোলে জিতেছিল অ্যাটলেটিকো।

গোলের জন্য অ্যাটলেটিকোর ৭ শটের মধ্যে লক্ষ্যে ছিল না একটিও। ইন্টারের ১৯ শটের ৫টিই ছিল লক্ষ্যে। ম্যাচে বদলি নামা আর্নাতোভিচের সামনে সুযোগ ছিল হ্যাটট্রিক করারও। একের পর এক দারুণ সব সুযোগ হারান অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড। শেষ পর্যন্ত অবশ্য ব্যবধান গড়ে দেন তিনিই।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মাঠে নেমে দুই মিনিট পরই সুযোগ পান আর্নাতোভিচ। পোস্টের কাছ থেকে উড়িয়ে মেরে হতাশ করেন ৩৪ বর্ষী অস্ট্রিয়ান ফুটবলার। খানিক পর তার হেড লক্ষ্যে থাকেনি। ৬৩ মিনিটে আরও একটি সূবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন আর্নাতোভিচ। শেষপর্যন্ত ৭৯ মিনিটে জালের দেখা পায় ইন্টার। বক্সের ভেতর মার্টিনেজের থেকে বল পেয়ে জালে জড়ান এ তারকা। ১-০তে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইতালিয়ান ক্লাবটি।

এদিন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর আরেক ম্যাচে পিএসভি আইন্দহোভেনের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। ২৪ মিনিটে চমৎকার গোলে বরুশিয়াকে এগিয়ে নেন ডোনিয়েল মালেন। ৫৬তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে সমতা টানেন লুক ডি ইয়ং। ১৩ মার্চ ফিরতি লেগ।

এই গোলে এক রেকর্ডও গড়েছেন ২৫ বর্ষী মালেন। নেদারল্যান্ডসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে স্বদেশি ক্লাবের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বে গোলের কীর্তি গড়েছেন। কিন্তু মালেনের গোলটা ডর্টমুন্ডকে জেতাতে পারেনি। ম্যাটস হুমেলস বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে গিয়ে নিজেদের বক্সে ফাউল করে বসেন পিএসভির মালিক টিলম্যানকে। ৫৬ মিনিটে সফল স্পটকিকে সমতা ফেরান পিএসভির অধিনায়ক লুক ডি ইয়ং।

রাজধানীতে সুন্নতে খতনা করাতে গিয়ে প্রাণ গেল আরেক শিশুর

ছবি: সংগৃহীত

ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সুন্নতে খতনা করাতে গিয়ে শিশু আয়ানের মৃত্যুর রেশ না কাটতেই এবার মালিবাগের জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম আহনাফ তাহমিন আয়হাম (১০)। স্বজনদের অভিযোগ, লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার কথা থাকলেও তারা ফুল অ্যানেস্থেসিয়া দিয়েছে। যে কারণে আহনাফের আর জ্ঞান ফেরেনি।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) মালিবাগের জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে ভুল চিকিৎসায় এ ঘটনা ঘটে এমন অভিযোগ শিশুটির পরিবার ও স্বজনদের।

সন্তানের মরদেহ জড়িয়ে ধরে মায়ের আহাজারি

 

জানা গেছে, মালিবাগের জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন ডা. এস এম মুক্তাদিরের তত্ত্বাবধানে মঙ্গলবার রাতে সন্তানকে সুন্নতে খতনা করাতে আসেন শিশু আয়হামের বাবা ফখরুল আলম ও মা খায়কুন নাহার চুমকি। রাত আটটার দিকে খৎনা করানোর জন্য অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার পর আর ঘুম ভাঙেনি আহনাফের। এর ঘণ্টাখানেক পর হাসপাতালটির পক্ষ থেকে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

শিশুটির পরিবারের অভিযোগ, খতনা করাতে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে আয়হামকে মালিবাগের ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করানো হয়। অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর আর জ্ঞান ফেরেনি তার। লোকাল অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার কথা থাকলেও ফুল অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া হয় আয়হামকে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ঘটনার পর যে চিকিৎসকের অধীনে ভর্তি করা হয়েছিল, তিনি পালিয়ে গেছেন।

আহনাফ তাহমিন আয়হাম

 

আয়হামের বাবা ফখরুল আলম বলেন, অ্যানেসথেসিয়া দিতে নিষেধ করার পরও সেটি শরীরে পুশ করেন ডাক্তার মুক্তাদির। তাঁর অভিযোগ, এই মৃত্যুর দায় মুক্তাদিরসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সবার।

এদিকে খবর পেয়ে মেডিকেল সেন্টারটির দুই চিকিৎসককে গত রাতেই হাতিরঝিল থানায় নিয়েছে পুলিশ। এ বিষয়ে বুধবার সকাল সাড়ে সাতটায় হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, মালিবাগের জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারের শিশু মৃত্যুর ঘটনায় দুজন চিকিৎসক আটক আছেন। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

উল্লেখ্য, গত ৮ জানুয়ারি রাজধানীর সাতারকুল বাড্ডার ইউনাইটেড মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে খৎনা করাতে গিয়ে টানা ৮ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকা শিশু আয়ান মারা যায়।

সর্বশেষ সংবাদ

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িক বীজবৃক্ষ তুলে ফেলব: ওবায়দুল কাদের
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে কোয়ার্টারের পথে এগিয়ে ইন্টার মিলান
রাজধানীতে সুন্নতে খতনা করাতে গিয়ে প্রাণ গেল আরেক শিশুর
অবশেষে সরকার গঠনে সম্মত পাকিস্তানের প্রধান দুই দল
ইতালি যাওয়ার পথে নৌকাডুবি, নিহত ৯ জনের মধ্যে ৫ জনই মাদারীপুরের
ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ
যৌন নিপীড়নের দায়ে জাবি শিক্ষক জনি স্থায়ী বরখাস্ত
পুত্র সন্তানের বাবা-মা হলেন বিরাট-আনুশকা
জামিনে মুক্ত সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেন
যুক্তরাজ্যে ২০০ মিলিয়ন পাউন্ডের সাম্রাজ্য সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের
উত্তর কোরিয়ার দেওয়া ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনে ছুড়েছে রাশিয়া
গৃহকর্মী প্রীতির মৃত্যু: সাংবাদিক আশফাকুল ও তার স্ত্রীর জামিন নামঞ্জুর
ইবনে সিনা হাসপাতালে রাশিয়ান কিশোরীর শ্লীলতাহানি, ওয়ার্ডবয় গ্রেফতার
শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল চালুর সময় জানাল বিমানমন্ত্রী
পরীক্ষার্থীরা মুচলেকায় ছাড় পেলেও মাদরাসা প্রধানদের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ
পরীমণির বিরুদ্ধে মাদক মামলার নতুন সিদ্ধান্ত আসছে
জাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু কাল, নিরাপত্তা জোরদার
বগুড়ায় মহিলা আওয়ামী লীগ কর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
বাণিজ্যমেলায় ৪০০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি