মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪ | ১১ আষাঢ় ১৪৩১
Dhaka Prokash

স্বপ্ন কখনো মরে না

স্বপ্ন কখনো মরে না। স্বপ্ন বেঁচে থাকে। স্বপ্ন মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। কোনো স্বপ্নবাজ মানুষ জীবনে ব্যর্থ হয়েছে তার কোনো নজির নেই। যে কোনো সফল উদ্যোগের পেছনেই কিন্তু অনেক ব্যর্থতা থাকে। থাকে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত, শ্রম-ঘাম। সফলতা আপনা থেকেই ধরা দেয়নি। তাকে ধরতে হলে অদম্য চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়। সেই চেষ্টার পেছনে থাকে স্বপ্ন। স্বপ্নই মানুষকে সফলতার দিকে ধাবিত করে। কেউই একবারে হিমালয়ের চূড়ায় উঠতে পারে না। হিমালয়ের চূড়ায় আরোহন করতে হলে অনেক বাধা-বিপত্তি পেরুতে হয়। পর্বতারোহীকে প্রথমে ছোটো ছোটো পাহাড়ে উঠে নিজেকে তৈরি করতে হয়। নিজের মানসিক শক্তি, শারীরিক শক্তি বাড়াতে হয়। অনেক সময় দেখা যায়, হিমালয়ে আরোহন করতে গিয়ে বৈরি আবহাওয়ার কবলে পড়তে হয়। তখন তিনি কি করেন? হতাশ হয়ে হিমালয়ে আরোহনের চেষ্টা বাদ দেন? তাহলে তো কখনোই তার হিমালয় জয় করা সম্ভব হবে না।


অন্যভাবে যদি বলি; দেশের বড় বড় ব্যবসায়ীরা শুরুতেই কি বড় ছিল? আমাদের দেশে খুব কম সংখ্যক বড় ব্যবসায়ী আছেন, যারা বাপ-দাদার রেখে যাওয়া ব্যবসার হাল ধরেছেন। বেশির ভাগই প্রথম জেনারেশনের ব্যবসায়ী। এ প্রসঙ্গে একটা উদাহরণ দিই। একবার এপেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর সঙ্গে কথা হলো। তাঁর উত্থানের পেছনের গল্প বলছিলেন। তিনি পড়ালেখা শেষ করে শুরুতে চাকরিতে যোগ দিলেন। কিন্তু তাতে তিনি উৎসাহবোধ করছিলেন না। ব্যবসা তাকে চুম্বকের মতো টানছিল। তিনি ব্যবসা করবেন বলে মনস্থির করলেন। কিন্তু ব্যবসার জন্য যে পূঁজি দরকার তা তাঁর ছিল না। তারপরও তিনি দমলেন না। খুব অল্প পূঁজি নিয়ে ব্যবসা শুরু করলেন। তিনি ফ্রান্স থেকে চামড়া আমদানির একজন এজেন্ট ছিলেন। সফলতা কিছুতেই ধরা দিচ্ছিল না। তিনিও হাল ছাড়লেন না। ধৈর্য ধরতে লাগলেন। আস্তে আস্তে তার তিনি সফলতার মুখ দেখলেন। তাঁর পূঁজি বাড়তে থাকল। তিনি এক পর্যায়ে ওরিয়েন্ট ট্যানারী কিনে নিলেন। দিনে দিনে সেই ব্যবসা প্রসার লাভ করতে থাকল। তিনি ধীরে ধীরে এগিয়ে গেলেন। সফলতা তাকে ধরা দিল। তিনি দেশের একজন খ্যাতিমান ব্যবসায়ী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেন।

সরকারের একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা বা সচিব হওয়ার জন্য তাকে কিন্তু অনেক কঠিন পথ পাড়ি দিতে হয়। একজন সেকশন অফিসার থেকে নিজেকে তিলতিল করে গড়ে তুলতে হয়। উঁচু পদে যাওয়ার পথটি সরলসোজা কোনো পথ নয়। সেখানে থাকে অনেক কষ্ট, অবহেলা, অবজ্ঞা আর বেদনার নানা কাহিনি। আমরা সেগুলো দেখি না। দেখতে পাই না। কেউ সচিব কিংবা রাষ্ট্রদূত হলে বাহবা দিই। আমাদের সামনে উঠে আসেন একজন সফল মানুষ। কিন্তু তার সফলতার পেছনে যে কত শ্রম ঘাম মেধা ক্ষয় করতে হয়েছে তা দেখি না।

যে কোনো কাজে সফল হওয়ার জন্য চাই ধৈর্য। ধৈর্য না ধরতে পারলে সফলতা তাকে ধরা দেবে না। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনও তার বান্দাকে সবুর করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সবুরে মেওয়া ফলে। কিন্তু আমরা এই সবুরটুকু করতে চাই না। অতি অল্পতেই বিপুল টাকার মালিক হতে চাই। ধনী হতে চাই। শুধু তাই নয়, অতি দ্রুত যেকোনো উপায়ে বড়লোক হতে চাই। এই প্রবণতা আমাদের নীতি-নৈতিকতাকে ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে।

ছোটবেলায় আমরা আদর্শলিপিতে পড়েছি, লেখাপড়া করে যে, গাড়ি ঘোড়ায় চড়ে সে। কিন্তু এখন আমাদের অবস্থাটা এমন যে, লেখাপড়া না করেই গাড়ি ঘোড়ায় চড়তে চাই। এই মানসিকতার কারণেই আমরা যে কোনো উপায়ের ধান্দা করি। আবার শুধু লেখাপড়া করলেও হবে না। স্বপ্নও দেখতে হবে। বড় হওয়ার স্বপ্ন। যে স্বপ্ন আপনাকে সারাক্ষণ পেছন থেকে তাড়িয়ে বেড়াবে। ছাত্র অবস্থা থেকেই নিজেকে তৈরি করতে হবে। বর্তমান সময়ের উপযোগী করে তুলতে হবে। পাঠ্য বইয়ের মধ্যেই নিজেকে ডুবিয়ে রাখলে হবে না। সৃজনশীল বইও পড়তে হবে। নিজেকে সৃজনশীল করে তুলতে হবে। ভবিষ্যত পরিকল্পনার ছক এঁকেই এগোতে হবে। তাহলেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে। মনে রাখতে হবে, স্বপ্ন কখনো মরে না।

 

লেখক: প্রধান সম্পাদক, ঢাকাপ্রকাশ ও সাহিত্যিক।
mostofakamalbd@yahoo.com

 

 

Header Ad

মারা গেলেন দেশের শীর্ষ করদাতা ব্যবসায়ী কাউছ মিয়া

হাজী মো. কাউছ মিয়া। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের শীর্ষ করদাতা ও প্রবীণ ব্যবসায়ী ‘হাকিমপুরী জর্দা’র মালিক হাজী মো. কাউছ মিয়া মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর।

সোমবার (২৪ জুন) দিনগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কাউছ মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর মিয়া।

তিনি স্ত্রী, আট ছেলে ও আট মেয়ে রেখে গেছেন। মঙ্গলবার (২৫ জুন) জোহরের নামাজের পর ঢাকার আরমানীটোলা মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।

কাউছ মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর মিয়া বলেন, আব্বা বার্ধক্যের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সম্প্রতি সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসার পর তাকে দেশে আনা হয়। পুরান ঢাকার বাসভবনে শয্যাশায়ী ছিলেন। শনিবার বিকালে আব্বার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আজগর আলী হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর দুনিয়া থেকে চিরবিদায় নেন। আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে সবার কাছে দোয়া চাচ্ছি। আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করুন, আমিন।

উল্লেখ্য, হাজী মোহাম্মদ কাউছ মিয়ার জন্ম চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নে। তিনি দীর্ঘদিন চাঁদপুর জেলা শহরের পুরান বাজারে ব্যবসা করেন। পরে চাঁদপুরের হাজিগঞ্জে, সেখান থেকে নারায়ণগঞ্জ এবং পুরান ঢাকার আরমানি টোলায় ব্যবসা করেন। হাকিমপুরীর জর্দার ব্যবসার পাশাপাশি তার বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা ছিল। ২২ বছর বয়স থেকে ব্যবসা শুরু করেন এবং টানা ৭১ বছর এককভাবে ব্যবসা পরিচালনা করেন।

পিস্তল দেখিয়ে হুমকি, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাকিরের বিরুদ্ধে থানায় জিডি

সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে পিস্তল দেখিয়ে গুলি করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ জুন) বিকেলে রৌমারী থানায় অনলাইনে অভিযোগ দায়ের করেন প্রতিমন্ত্রীর প্রতিবেশী রৌমারীর বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন।

অভিযোগে বলা হয়, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে ভুক্তভোগী (আনোয়ার হোসেন) পৈতৃক জমির ৪৫ শতক দখল করে নেন। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাকির হোসেন লোকজন দিয়ে দখলকৃত জমির পাশে থাকা ভুক্তভোগীর বাকি জমিতে মাটি ভরাট করে দখল করার চেষ্টা করেন।

খবর পেয়ে ভুক্তভোগী ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাটি ভরাটে বাধা দিলে জাকির হোসেন ক্ষিপ্ত হন। সাবেক প্রতিমন্ত্রী, তার স্ত্রী সুরাইয়া সুলতানা ও ছেলে সাফোয়াত আদি জাকির ভুক্তভোগীকে শাসান ও মারধর করতে উদ্যত হন। একপর্যায়ে জাকির হোসেন পিস্তল উঁচিয়ে আনোয়ার হোসেনকে গুলি করার হুমকি প্রদান করেন।

বিবাদীরা (জাকির হোসেন, তার স্ত্রী ও ছেলে) ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের লোকজনকে রাস্তাঘাটে একা পেলে মারধরের হুমকি দেন এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির ভয় দেখান।

এ বিষয়ে সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘জমিটি অর্পিত সম্পত্তি ছিল। আমি আদালতের রায় পেয়েছি। সেটি আইনগতভাবে অবমুক্ত হওয়ার পর এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে সীমানা নির্ধারণ করে দখল নিয়েছি। জমির দুই পাশে জনগণের চলাচলের রাস্তা রেখে সীমানা প্রাচীর দিয়েছি। প্রাচীরের নিচের ফাঁকা অংশে মাটি ভরাট করতে গেলে তারা (অভিযোগকারী) বাধা দেয়। এ সময় রাগারাগি হয়েছে। এ সময় তারা আমাকে গালিগালাজ করেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি দোতলায় ছিলাম। মেয়ে আমাকে নামতে দেয়নি। পিস্তল দেখাবে কী করে? তবে হ্যাঁ, আমার লাইসেন্স করা পিস্তল আছে। তবে সেটা দেখানোর জন্য না। তদন্ত করলে সত্য জানতে পারবেন।’

ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘তিনি (জাকির হোসেন) ভুয়া দলিল বানিয়ে আমার বাবার জমিকে অর্পিত সম্পত্তি দেখিয়ে নিজের পক্ষে একতরফা রায় নিয়েছেন। মন্ত্রী থাকাকালীন ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে এটা করেছেন। আমাদের জমি অর্পিত সম্পত্তিতে পড়ে না। আমাদের খাজনা, খারিজসহ সব বৈধ কাগজ আছে। কিন্তু তার ক্ষমতার কাছে আমরা টিকতে পারি না। জাকির হোসেন পিস্তল উঁচিয়ে গুলি করার হুমকি দিয়েছেন। তার মেয়ে বাধা না দিলে তিনি পিস্তল নিয়ে তেড়ে আসতে ছিলেন।’

রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লা হিল জামান বলেন, জিডি পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কোপা আমেরিকায় প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেল ব্রাজিল

ছবি: সংগৃহীত

ক্রিকেট বিশ্বকাপ এবং ইউরো ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপ চলমান থাকা অবস্থায়ই গত ২১ জুন শুরু হয়েছে কোপা আমেরিকা। আর আজ সকালে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল।

এবারের আসরের জন্য অভিজ্ঞদের বাদ দিয়ে তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে দল গড়েছেন কোচ দরভাল জুনিয়র। তবে টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেয়েছে তরুণ সেলেসাওরা। কোস্টারিকার বিপক্ষে আজকের ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি ব্রাজিল। ডি’ গ্রুপে আজ (২৫ জুন) বাংলাদেশ সময় ভোরে শুরু হওয়া ম্যাচটিতে কোস্টারিকার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে ব্রাজিল।

শুরু থেকেই কোস্টারিকাকে চেপে ধরে ব্রাজিল। তবে তাদের একের পর এক আক্রমণ ভেস্তে যায় কোস্টারিকার রক্ষণদেয়ালের জন্য। ম্যাচজুড়ে একটি আক্রমণও না করা দলটির কাজ ছিল কেবল ব্রাজিলিয়ানদের আটকে রাখা। আর সেটিই করে দেখিয়েছে তারা। ড্র করে রুখে দিয়েছে সেলেসাওদের।

ক্যালিফোর্নিয়ার সোফি স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আধিপত্য বজায় রাখে ব্রাজিল। তবে কোস্টারিকার রক্ষণভাগ দেয়ালের মতো বাধা দিতে থাকে তাদের। কোনোভাবেই এই রক্ষণভাগ ভেদ করতে পারছিল না তারা। ২২তম মিনিটে দারুণ এক সুযোগ পায় লুকাস পাকুয়েতা। বাঁ দিক থেকে প্রতিআক্রমণে গিয়ে তার উদ্দেশে বল বাড়ান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। কিন্তু বলটি ঠিকঠাক শট নিতে পারেননি ওয়েস্ট হ্যামের এই মিডফিল্ডার।

৩০তম মিনিটে বল জালে পাঠায় ব্রাজিল। রাফিনিয়ার নেওয়া ফ্রি-কিক থেকে রদ্রিগোর পাসে বক্স থেকে পায়ের স্পর্শে গোলটি করেন মার্কিনিয়োস। তবে লম্বা সময় ভিএআর চেকের পর সেটি বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। ৪০তম মিনিটে বক্সে ভারগাসের ফাউলের শিকার হন পাকুয়েতা। তখন পেনাল্টির আবেদন জানালেও রেফারি সেটি দেননি।

বিরতির পরও একইভাবে আক্রমণ চালাতে থাকে ব্রাজিল। ৬৩তম মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত তারা। তবে পাকুয়েতার বুলেট গতির শটটি পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। ৭২তম মিনিটে অল্পের জন্য নিজেদের জালে হেডে বল পাঠাননি কোস্টারিকা ডিফেন্ডার কুইরোস।

৭৯তম মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত ব্রাজিল। সতীর্থের ক্রস বক্স থেকে দুর্দান্ত এক শট নেন আরানা। তবে কোস্টারিকা গোলরক্ষক সেটি ঝাপিয়ে ঠেকিয়ে দেন। ৮৫তম মিনিটে সাভিওর শট ঠেকিয়ে দেন ভারগাস। ৮৭তম মিনিটে বক্সে রদ্রিগো ফাউলের শিকার হলে চতুর্থবারের মতো পেনাল্টির আবেদন করে ব্রাজিল। তবে এবারও গলেনি রেফারির মন।

যোগ করা সময়ে দারুণ এক সুযোগ পান রদ্রিগো। বক্সে আসা শট কোস্টারিকা ফুটবলারের পায়ে লেগে চলে যায় পাকুয়েতার কাছে। তার দেওয়া দারুণ পাস গোলরক্ষককে একা পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে কোস্টারিকার বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে ব্রাজিল।

সর্বশেষ সংবাদ

মারা গেলেন দেশের শীর্ষ করদাতা ব্যবসায়ী কাউছ মিয়া
পিস্তল দেখিয়ে হুমকি, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাকিরের বিরুদ্ধে থানায় জিডি
কোপা আমেরিকায় প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেল ব্রাজিল
হজে গিয়ে ৪৭ বাংলাদেশির মৃত্যু, দেশে ফিরেছেন ১৪ হাজার ৮১৬ হাজি
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে ভারত
টাঙ্গাইলে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন মোটরসাইকেল আরোহী
সেমিতে যেতে বাংলাদেশের লক্ষ্য ১১৬ রান
রুনা লায়লার সংগীত জীবনের ৬০ বছর পূর্ণ
কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আলোচিত পাপিয়া
ভোরে শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হচ্ছে টিম টাইগার্স
আত্রাই বিলসুতি বিলে জব্দ করা ১৫ লক্ষ টাকার জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস
আছাদুজ্জামান মিয়ার তথ্য ফাঁসের অভিযোগে এডিসি জিসানুল বরখাস্ত
ভারতীয় বোর্ডকে শর্ত দিয়েছেন গম্ভীর, কোচ হলে ছাঁটাই হতে পারেন কোহলি-রোহিতরা
টাঙ্গাইলে ২০০ বস্তা চাল উদ্ধার, এক ব্যবসায়ীসহ ২ জন আটক
টাঙ্গাইলে কমতে শুরু করছে যমুনার পানি
১০ মাসে ১৩০ মিলিয়ন ডলার নিয়ে গেছে বিদেশিরা: সংসদে অর্থমন্ত্রী
প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাচ্ছেন বলেই খালেদা জিয়া সুস্থ আছেন : আইনমন্ত্রী
রেলওয়ের নিরাপত্তা বাহিনীর দুই সদস্যের মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল
তামিলনাড়ুতে বিষাক্ত মদপানে মৃত বেড়ে ৫৬
আলোচিত জল্লাদ শাহজাহান মারা গেছেন