বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪ | ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
Dhaka Prokash

কোনো অপরাধী শাস্তি ছাড়া পার পাবে না : সাবেক সেনাপ্রধান ও বেনজির প্রসঙ্গে কাদের

ছবি: সংগৃহীত

কোনো অপরাধী শাস্তি ছাড়া পার পাবে না, অপরাধী হলে অপরাধের জন্য শাস্তি পেতেই হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানী ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, 'সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের অবৈধ সম্পদের বিষয়ে এখন তদন্ত হচ্ছে এবং আরও তদন্ত হবে এ কথা দুদক সূত্রে জানা গেছে। তদন্ত হচ্ছে মানে মামলা হলে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।

'যিনি সেনাবাহিনীর প্রধান, তিনিও যদি অপরাধী হোন, তার বিরুদ্ধেও তদন্ত করতে দুদকের কোনো বাধা নেই। দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত করতে পারবে। অপরাধী হলে অপরাধের জন্য শাস্তি পেতেই হবে। সে যে-ই হোক,' বলেন কাদের।

মির্জা ফখরুল ও বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, 'কথায় কথায় সাবেক আইজিপির দুর্নীতির কথা বলে। তাদের আমলে আশরাফুল হুদা আইজিপি, কে করেছে তার বিচার? বিএনপি আমলে কি তার বিচার হয়েছে? লতিফুল হুদা চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার প্রাণনাশের চেষ্টায় জড়িত, এই লতিফুল হুদার বিচার কি হয়েছে? এসপি কহিনুরকে তখন বলা হতো ভিআইপি এসপি। এই কহিনুরের হাতে কত রাজনৈতিক কর্মী নির্যাতিত হয়েছে। অন্তঃসত্ত্বা নারী পর্যন্ত রাজপথে মিছিল করতে গিয়ে কহিনুরের নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এই কহিনুরের দুর্নীতির বিষয় ঢাকা শহরের লোকের মুখে মুখে, কে করেছে বিচার?'

তিনি বলেন, 'তাদের আমলে তাদের যেসব নেতারা দুর্নীতি করেছে, হাওয়া ভবনের দুর্নীতি, এগুলোর বিচার কি তারা কোনো দিন করবে? তাদের এসব অপরাধের বিচার কি তারা করেছে?

'প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ দেশে পঁচাত্তর পরবর্তীকালে একমাত্র ক্ষমতাসীন রাজনীতিক, যিনি অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখেন। দলের লোক হোক—ক্ষমা নেই, যদি অপরাধ-অপকর্ম করে থাকে। সেটা তিনি এ পর্যন্ত প্রমাণ করেছেন,' যোগ করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

তিনি আরও বলেন, 'বেনজীরের বাড়ি তো টুঙ্গীপাড়া, সেই সূত্রেও তো অনেকে ভাবতে পারে যে ক্ষমা পাবে; অপরাধীর ক্ষমা নেই, এটা শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন। বুয়েটের আবরার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত, তারা তো ছাত্রলীগের কর্মী। রেহাই পেয়েছে? কাউকে কি ছাড় দেওয়া হয়েছে? বিশ্বজিতের কথা সবার মনে আছে।'

বিএনপি নিজেদের অপরাধ ঢাকতে অপপ্রচার করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অপরাধীর বিচার হতে হবে উল্লেখ করে তিনি জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তি কার্যকর করা হবে।

Header Ad

আগের অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছি, বল এখন ইসরাইলের ঘরে: হামাস

ছবি: সংগৃহীত

গাজায় যুদ্ধবিরতির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনায় ‘ইতিবাচক’ সাড়া দিয়ে তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে ‘সুপ্রসস্ত পথ’ খুলে দিয়েছে; কিন্তু ফিলিস্তিনি এই স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীটি বা ইসরাইল একটি চুক্তি করতে প্রকাশ্যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ না হওয়ায় অনিশ্চয়তা রয়েই গেছে।

বুধবার হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ইজ্জত আল-রিশক এক বিবৃতিতে বলেছেন, যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের বিষয়ে তাদের জবাব ‘দায়িত্বপূর্ণ, ঐকান্তিক ও ইতিবাচক’ এবং তা একটি চুক্তির বিষয়ে ‘একটি প্রশস্ত পথ খুলে দিয়েছে’।

আরেক হামাস কর্মকর্তা মঙ্গলবার রয়টার্সকে বলেছেন, একটি যুদ্ধবিরতি অবশ্যই গাজায় শত্রুতার স্থায়ী অবসান, ইসরাইলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, গাজার পুনর্গঠন এবং ইসরাইলের কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মুক্তি নিশ্চিত করবে-সম্মতিপত্রে নিজেদের এ অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছেন তারা। তিনি বলেছেন, আগের অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছি আমরা। বল এখন ইসরাইলের ঘরে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ৩১ মে গাজা যুদ্ধবিরতির বিষয়ে যে রূপরেখা প্রস্তাব করেছেন মঙ্গলবার তাতে আনুষ্ঠানিক সম্মতি দিয়েছে হামাস; কিন্তু ইসরাইল বলছে, হামাসের এই সম্মতি প্রত্যাখ্যানের সমতুল্য যখন হামাসের একজন কর্মকর্তা বলেছেন যে- তারা কেবল তাদের দীর্ঘদিনের দাবিগুলো পুনর্ব্যক্ত করেছেন, প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনায় তা পূরণ হয়নি।

মিসর ও কাতার জানিয়েছে, তারা হামাসের আনুষ্ঠানিক সম্মতিপত্র গ্রহণ করেছে কিন্তু তাতে কী আছে তা প্রকাশ করেনি।

যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইসরাইল তাদের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে, কিন্তু ইসরাইল প্রকাশ্যে এ কথা জানায়নি।

ইসরাইলি এক কর্মকর্তা মঙ্গলবার বলেছেন, তারা মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হামাসের জবাব হাতে পেয়েছেন আর হামাস যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের ‘সব মূল ও সবচেয়ে অর্থপূর্ণ পয়েন্টগুলোকে চ্যালেঞ্জ করেছে’।

তিনি বলেন, হামাস প্রেসিডেন্ট বাইডেনের উপস্থাপন করা জিম্মি মুক্তির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

এর আগে এক অ-ইসরাইলি কর্মকর্তা জানান, ইসরাইলের সঙ্গে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও রাফাসহ গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের একটি নতুন সময়সীমা প্রস্তাব করেছে হামাস।

বাইডেনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের রূপরেখা নিয়ে সোমবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব তুলেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদের ১৪ সদস্যের ভোটে প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।

এরপরই মঙ্গলবার জাতিসংঘ-সমর্থিত প্রস্তাব মেনে নেওয়ার কথা জানায় হামাস। হামাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সামি আবু জুহরি এদিন রয়টার্সকে বলেন, হামাস যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবনা মেনে নিয়েছে এবং এ প্রস্তাবের খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত। তবে ইসরাইলের এ প্রস্তাব মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করার ভার যুক্তরাষ্ট্রের।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন মঙ্গলবার তেল আবিবে ইসরাইলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ব্লিঙ্কেন হামাসের মন্তব্যকে ‘আশাব্যঞ্জক ইঙ্গিত’ বলে বর্ণনা করে তাদের জবাবের অপেক্ষায় আছেন বলে জানিয়েছিলেন।

আনার হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য ও ছবি প্রকাশ

ছবি: সংগৃহীত

কলকাতার নিউ টাউনের সঞ্জীবা গার্ডেনসের ফ্লাটে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারকে হত্যা করা হয়। ফ্লাটটিতে আনার হত্যা চাঞ্চল্যকর তথ্য ও ভিডিও প্রকাশ হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। আনারকে চেয়ারে বেঁধে রাখা হয়েছে, এমন একটি ছবি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ছবিটিতে দেখা যায় আনারকে চেয়ারে বেঁধে রাখা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, নির্যাতন করার সময় ওই ছবিটি তোলা হয়েছিল। কালো রঙের একটি চেয়ারে বস্ত্রহীনভাবে বসিয়ে কাপড় দিয়ে এমপি আনারের মাথা বেঁধে রাখা হয়েছে এবং সাদা রঙের কাপড় মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

ছবি: সংগৃহীত

ধূসর রঙের একটি গামছা দিয়ে চেয়ারের সঙ্গে তার গলা বরাবর বেঁধে রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও তার দুই হাত রশি দিয়ে চেয়ারের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে।

জিহাদের তথ্যেই জানা যায়, ফ্ল্যাটের বাথরুমে টুকরো টুকরো করে আনারের দেহাংশ ফ্লাশ করে দেওয়া হয়।

এ সময় আনার হত্যায় কারা কারা জড়িত ছিল, কার কী ভূমিকা ছিল, হত্যার পর কীভাবে আনারের দেহ টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলা হয়, সবই স্বীকার করে জিহাদ।

জনগণের ক্ষমতায়নে তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: শ্রম প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

জনগণের ক্ষমতায়নে তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী।

বুধবার (১২ জুন) রাজধানীর শ্রম ভবন সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত তথ্য অধিকার বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

জনগণের ক্ষমতায়নে তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা গড়ার উদ্দেশ্যে বাঙালির জীবনমান উন্নয়ন, কর্মের স্থিতিশীলতা, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং উন্নয়নের স্থায়ীত্ব নিশ্চিত করতে সব শিল্পকারখানা রাষ্ট্রীয়করণ করেন। এছাড়া তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ নিশ্চিত করা গেলে সব সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং দুর্নীতি হ্রাস পাবে। তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা গেলে দেশের উন্নয়ন বৃদ্ধি পাবে এবং দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। এই আইনে মোট ৮টি অধ্যায়, ৩৭টি ধারা ও একটি তফসিল বিদ্যমান রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান শ্রমবান্ধব সরকার শ্রমিক ভাই-বোনদের সামাজিক মর্যাদা, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জাতীয় শ্রমনীতি-২০১২, জাতীয় শিশুশ্রম নিরসন নীতি-২০১০, জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি নীতিমালা-২০১৩ এবং গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি-২০১৫ প্রণয়ন করে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে স্থিতিশীল শিল্প সম্পর্ক এবং উদীয়মান অর্থনীতির দেশ হিসেবে প্রমাণ করেছে।

এ কর্মশালায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, অতিরিক্ত সচিব মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. মোল্লা জালাল উদ্দিনসহ কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর, শ্রম অধিদফতর এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সংবাদ

আগের অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছি, বল এখন ইসরাইলের ঘরে: হামাস
আনার হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য ও ছবি প্রকাশ
জনগণের ক্ষমতায়নে তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে হবে: শ্রম প্রতিমন্ত্রী
আনার হত্যা তদন্তে কোনো চাপ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশের কারাগারে ৩৬৩ জন বিদেশি নাগরিক আটক
ভারতে স্বর্ণ বলে ৩০০ রুপির নকল গয়না ৬ কোটি রুপিতে বিক্রি
পল্টনে বহুতল ভবনে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে
রাজধানীর পল্টনে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের কাছে ঋণ চেয়েছি: প্রধানমন্ত্রী
ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু
১৪ কিলোমিটার সড়কে যানবাহন চলাচলে ধীরগতি, ৮ ঘণ্টাপর স্বাভাবিক
এবার মরক্কোতে কোকাকোলা-পেপসি বয়টকটের ডাক
মসজিদে মাইকিং করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল এক নারীর
ঢাকায় ৮ মাত্রায় ভূমিকম্প হতে পারে: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী
ড. ইউনূসের মন্তব্য দেশের মানুষের জন্য অপমানজনক : আইনমন্ত্রী
সৌদিতে ১৫ লাখের বেশি বিদেশি হজযাত্রী
আবাসিক হোটেল থেকে সাবেক বন কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার
ঈদযাত্রায় বাড়তি ভাড়া আদায় করলে ব্যবস্থা: ডিএমপি
কোরবানির পশুর বর্জ্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ: মেয়র তাপস
কুয়েতে আবাসন ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ৩৯