বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২ শ্রাবণ ১৪৩১
Dhaka Prokash

‘সবজি খেতে পারি না, ফল খাব কীভাবে’

সম্প্রতি রমজানে প্রতিটা দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ার কারণে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষ। এ শ্রেণির ভোক্তাদের অভিযোগ, এমনিতেই কয়েক মাস থেকে দ্রব্যের দাম বাড়তেই আছে। সেই সঙ্গে রমজানে বেড়েছে আরও কয়েকগুণ।

সরেজমিনে ফলের বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ক্রেতারা অনেকেই বলছেন, যেভাবে শাকসবজির দাম বেড়েছে তাতে সবজি খেতে পারি না, ফল খাব কীভাবে?

সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, রমজান এলে মানুষের একটু খরচ বাড়ে, একটু বেশি কেনাকাটাও করতে হয়। ঠিক এই সুযোগটা গ্রহণ করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। যদিও পাইকারি বাজারে বাড়ে ১ টাকা কিন্তু এই পণ্যটি যখন অন্যান্য বাজারে ছড়িয়ে যায় তখন ওই পণ্যটির ৫ গুণ হারে বেশি দাম নেয় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। যা দেখার কেউ নেই।

তবে, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, নিয়ম মেনেই আমরা ব্যবসা করছি। তবে পাইকারি বাজার থেকে প্রতিটা দ্রব্যের দাম বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে এ কারণেই একটু দাম বেশি রাখা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর পলাশী বাজারে সরেজমিনে কয়েকজন ক্রেতার সঙ্গে ঢাকাপ্রকাশ-এর এই প্রতিবেদকের কথা হয়। এতে বাজারের সার্বিক পরিস্থিতির বিভিন্ন তথ্য উঠে আসে।

পলাশী বাজারে ফল কিনতে এসেছেন আজিমপুরের বাসিন্দা মো. জুলহাস। জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষ খুব কষ্টে আছি। না পারছি দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস কেনাকাটা করে পরিবারকে দিতে, না পারছি নিজেরা খেতে। তিনি বলেন, এমন কিছু সবজি আছে যেগুলোর দাম ১০০ টাকা করে— প্রায় ফলের দামের মতো।

তিনি আরও বলেন, আজ আমার ছেলে-মেয়েরা আপেল, আঙুর, বেদানা, ও মালটা খেতে চেয়েছে। এজন্য বাজারে ফল কিনতে এসেছি। এসে দেখি ফলের বাজারে আগুন। রমজানের আগে যে আপেলের কেজি ছিল ২০০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা সেই আপেল এখন চায় ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রায় প্রতি কেজিতে ১০০ টাকার মত বেড়েছে প্রতিটা ফলের দাম। বিদেশি ফলের দাম তো বেড়েছে সঙ্গে বেড়েছে আমাদের দেশীয় ফলের দামও। আয় রোজগার মোটেই বাড়েনি, বেড়েছে খরচ। এভাবে চলতে থাকলে আমরা পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকব কীভাবে?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী স্টাফ কোয়ার্টার থেকে বাবার জন্য ফল কিনতে এসেছেন জেরিন আক্তার। জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বাবা অসুস্থ, রোজা থাকতে তার কষ্ট হয়। প্রতিদিন এক দুই পিস করে ফল কিনে নিয়ে যাই বাবার জন্য। বাজারে এসে দেখি প্রতিটা ফলের দাম বেড়েছে কয়েকগুণ। এভাবে দাম বাড়লে আমরা এ সব কিনব কি করে? সবকিছু আমাদের হাতের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

বুয়েট বাজারে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন গাউসুল আজম। তিনি রমজান উপলক্ষে প্রতিদিন পলাশী বাজার থেকে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিস কেনাকাটা করেন। জানতে চাইলে আজম বলেন, আবাসিক এলাকা হওয়ায় এবং আশেপাশে উন্নত মানের একটি বাজার থাকায় আমাদের এই বাজারে প্রতিটা সবজির দাম দুইগুণ। তিনি বলেন, শুধু সবজি নয়, পলাশী বাজারে নির্ধারিত রেটের পণ্য ছাড়া প্রতিটা দ্রব্যের দাম বেশি।

তিনি বলেন, আজ আমার মেয়েটা বলেছে কিছু ফল কিনতে কিন্তু বাজারে দরদাম করে দেখি ফল আমাদের রিজিক থেকে উঠে যাচ্ছে। কারণ আমার মতো নিম্ন আয়ের মানুষ ফল কিনতে পারছেন না। রমজানে প্রতিটা দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়েছে ২ থেকে ৩ গুণ। সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি দ্রব্যমূল্য। সাধারণ মানুষ এ সব কিনতে হিমশিম খাচ্ছে। আমাদের মত গরিব মানুষের কথা কেউ চিন্তা করে না। উল্টাপাল্টা দাম বাড়ার কারণে আমরা সাংসারিক জীবনে টাকা-পয়সার অশান্তিতে পড়ছি।

আজম আরও বলেন, রোজার একসপ্তাহ আগে ফলের দাম অনেকটা স্বাভাবিক ছিল আর এখন প্রতিটা ফলের কেজিতে ৫০ টাকা থেকে ১০০ টাকা করে বেড়েছে। রোজার সময় একটু ফল এবং ভালো সবজি যে খাব— আস্তে আস্তে আমাদের সেই ভাগ্য উঠে যাচ্ছে।

ফল কিনতে আসা টিপু সুলতান বলেন, বাচ্চারা ড্রাগন ফল খেতে চেয়েছে। একটি ড্রাগন কিনেছি। যে ড্রাগন ফলের কেজি ছিল এর আগে ৩০০ টাকা এখনে সেই ফলের কেজি হয়েছে ৭০০ টাকা। রোজার সময়ে এই ফলটার দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

পরিবারের জন্য ফল কিনেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাজারে শাকসবজির যে হারে দাম বেড়েছে তাতে ভালো মতো সেটাই কিনতে হিমশিম খাচ্ছি, ফল কিনে খাব কীভাবে?

এই বিষয়ে জানতে চাইলে পলাশী মার্কেটের হফ ব্যবসায়ী নেতা আব্দুল মান্নান বলেন, ড্রাগন ফলের দাম একটু বেড়েছে। তা ছাড়া অন্যান্য ফলের দাম তুলনামূলক কম রয়েছে। আমরা বাইরে থেকে বেশি দামে ফল কিনে আনি এজন্য একটু চড়া দামে বিক্রি করতে হয়। অন্যথায় আমরা চলব কীভাবে।

জানতে চাইলে পলাশী মার্কেটের ফল ব্যবসায়ী মো রুবেল মিয়া বলেন, আমরা অতিরিক্ত হারে কারো থেকে দাম বেশি নেই না। তবে এটা আবাসিক এলাকা হওয়ার কারণে হয়ত সামান্য কিছু টাকা অন্য বাজারে তুলনায় বেশি। তিনি বলেন, আমরা তো ছোট ব্যবসায়ী, যারা বড় ব্যবসায়ী তারা মূলত দাম বাড়িয়ে দেয়, সে ক্ষেত্রে আমাদের কিছু করার থাকে না।

কেএম/আরএ/

Header Ad

শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব এখন বিএনপি-জামায়াতের হাতে: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের নেতৃত্ব এখন বিএনপি-জামায়াতের অশুভ শক্তির হাতে। তাই পরিস্থিতি মোকাবেলায় আওয়ামী লীগ চুপ থাকতে পারে না বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীরা দেশীয় অস্ত্রও নিয়ে কেনো রাস্তাঘাট দখল করবে, সহিংসতা করবে। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব অশুভ শক্তির হাতে চলে গেছে। এই অবস্থায় আমরা চুপ থাকতে পারি না। আমরা বঙ্গবন্ধুর সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীরা চুপ করে বসে থাকতে পারি না। আমাদের অস্তিত্বের ওপর হুমকি এসেছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা আমাদের করতেই হবে। কাজেই আপনারা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রস্তুত হয়ে যান।

পত্রিকার শিরোনাম উল্টো কথা বলছে জানিয়ে তিনি বলেন, যারা আক্রান্ত হয়েছে তারা ছাত্রলীগের কর্মী। তাদেরকে আক্রমণ করেছে জামায়াত-শিবির ও বিএনপি। পত্রিকার শিরোনামে এসব আসেনি। সহকারী প্রক্টরকে যেভাবে লাঠি দিয়ে পেটানো হয়েছে, সেটা গণমাধ্যমে আসেনি। গণমাধ্যম সত্য ঘটনা তুলে ধরবে, সেটাই আমরা চাই।

দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি নির্দেশনা দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের সারা দেশের প্রত্যেক নেতা-কর্মীকে আমাদের নেত্রীর পক্ষ থেকে নির্দেশ দিচ্ছি, সারা দেশে সতর্ক হয়ে শক্ত অবস্থান নিয়ে এই অশুভ অপশক্তিকে প্রতিহত করতে হবে। কোনো অপশক্তির সঙ্গে আপস করা যাবে না।

এসময় আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ করে কাদের বলেন, আইনের পাশে থাকুন। আদালতের নির্ধারিত তারিখে শুনানির জন্য অপেক্ষা করুন। ধৈর্য ধরেন। ফাঁদে পা দেবেন না অপশক্তির। আমরা তরুণ প্রজন্মের কাছ থেকে দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করি।

এ সময় আত্মবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড থেকে শিক্ষার্থীদের দূরে রাখতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি মোতায়েন, শাহবাগে ছাত্রলীগ-যুবলীগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি সদস্য মোতায়েন। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিপুলসংখ্যক পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কাউকে পরিচয়পত্র দেখানো ছাড়া ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।

এদিকে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে মুক্তিযোদ্ধা, ছাত্র ও জনতার ব্যানারে গায়েবানা জানাজা কর্মসূচি পালন করা হয়। সেখানে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন নিখিলসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত রয়েছেন। জানাজার পর তাঁরা সেখানেই অবস্থান করছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শাহবাগ থেকে বের হওয়ার সময় তাঁদের মুঠোফোন তল্লাশি করা এবং মারধর করতেও দেখা গেছে। বেলা তিনটা থেকে সাড়ে তিনটার মধ্যে অন্তত তিনজনকে মারধর করা হয়। তাঁদের দুজনকে পুলিশ রক্ষা করে। এজন দৌড়ে শাহবাগ থানার মধ্যে ঢুকে যান।

আজ বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের জরুরি সভায় বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি আজ সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে সব আবাসিক শিক্ষার্থীকে হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অবশ্য আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা হল ছাড়ার নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এরপর ছাত্রলীগ আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা করে। তাঁদের ধরে ধরে মারধর করা হয়।

গতকাল মঙ্গলবার সারা দেশে আন্দোলনকে কেন্দ্র হামলা, সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনায় ছয়জন মারা যান, যার মধ্যে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীও আছেন। গতকাল রাত থেকে আজ সকাল পর্যন্ত আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন হলে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাদের কক্ষ ভাঙচুর করেন। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের হল থেকে বের করে দেওয়া হয়।

আজ ক্যাম্পাসে ঢুকতে গেলে প্রত্যেকের পরিচয়পত্র যাচাই করা হচ্ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়া বহিরাগত কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল না।

বেলা দুইটার পর ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, বেশিসংখ্যক পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) এলাকা এবং উপাচার্যের বাসভবনের সামনে। উপাচার্যের বাসভবনের সামনেই শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়েছেন।

এর আগে দুপুরে নিপীড়নবিরোধী শিক্ষকদের ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে একটি সমাবেশ হয়। সূত্র: প্রথমআলো

 

সান্তাহারে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, ৩ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু

সান্তাহারে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

কোটা বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল সারাদেশ। চলছে হামলা, পাল্টা হামলা। সারাদেশের মতো এবার নওগাঁর পার্শ্ববর্তী বগুড়া জেলার সান্তাহারে শুরু হয়েছে কোটা সংস্কারের আন্দোলন। বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী রুপসা এক্সপ্রেস ট্রেন ২ ঘণ্টা আটকিয়ে দেয় সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

এর আগে, এদিন সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলার সান্তাহার বিপি স্কুল থেকে শুরু করে পৌর শহরের সরকারি কলেজ হয়ে শহরের প্রাণকেন্দ্র এসে ঘণ্টাব্যাপী বিভিন্ন দাবি তুলে স্লোগান দেয় তারা। এরপর সকাল ১১টায় তারা রেললাইনের উপর বসে পড়ে। এতে ট্রেনটি থেমে যায়।

সান্তাহারে রেললাইন অবরোধ করে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা সকলে মেধার মূল্যায়ন চাই। এই মেধার মূল্যায়ন চাইতে গিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আমাদের ভাইবোনদের উপর অন্যায়ভাবে হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগের ছেলেরা। তাদের হামলার কারণে আহত হয়ে অনেক ভাই মৃত্যু বরণ করেছে। আমরা আর কোনো ভাই-বোনদের হারাতে চাই না। সেই কারণে সারাদেশে চলমান ন্যায্য দাবি নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মতো আমরাও রাস্তায় নেমেছি। প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমাদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে যতোদিন মেধার মূল্যায়ন করা না হবে ততোদিন পর্যন্ত। সেই সাথে সরকারের কাছে অনুরোধ দ্রুত কোটা সংস্কার করা হোক।

শিক্ষার্থীরা সান্তাহার জাংশন স্টেশনের রেলগেট এলাকায় প্রায় আড়াই ঘণ্টা অবস্থান করছে। এমন সংবাদে আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রোমানা আফরোজ ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান পিন্টু শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন। তাদেরকে বিভিন্নভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেন। এরপর শিক্ষার্থীরা সেখান থেকে চলে গেলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। অপরদিকে এই প্রচণ্ড গরমের মধ্যে প্রায় ২০জন আন্দোলনরত শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

এ প্রসঙ্গে আদমদিঘী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাজেশ কুমার চক্রবর্ত্তী ঢাকাপ্রকাশকে বলেন, সারাদেশে যে আন্দোলন চলছিল তার ধারাবাহিকতায় সান্তাহারে শিক্ষার্থীরা আজ সকাল থেকে আন্দোলন শুরু করে। শিক্ষার্থীরা আমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না। কিন্তু হঠাৎ করে রেল লাইনের উপর শিক্ষার্থীরা বসে পড়ে। এরপরে কিছু সময়ের জন্য ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। আমরা সকলের প্রচেষ্টায় শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে সরিয়ে দিলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

একইভাবে শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করছি দাবি করে রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোক্তার হোসেন ঢাকাপ্রকাশকে বলেন, আমরা যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে আছি। শিক্ষার্থীদের বুঝানোর চেষ্টা করছি। যেকোনো সময় ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে বলেও তিনি দাবি করেন।

সর্বশেষ সংবাদ

শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব এখন বিএনপি-জামায়াতের হাতে: ওবায়দুল কাদের
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি মোতায়েন, শাহবাগে ছাত্রলীগ-যুবলীগ
সান্তাহারে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, ৩ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু
ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামবে পুলিশ : ডিবিপ্রধান
জাফর ইকবালকে শাবিপ্রবিতে আজীবন নিষিদ্ধ ঘোষণা শিক্ষার্থীদের
কোটা আন্দোলন প্রসঙ্গে বিবৃতি দিয়ে তোপের মুখে নিপুণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, সন্ধ্যার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ
চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কোটা আন্দোলনে নিহত শিক্ষার্থী আবু সাঈদ
এবার ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দামের কক্ষ ভাঙচুর
তিস্তায় ভেসে এলো ভারতের সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর লাশ
ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদকের রুমে ভাঙচুর, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার
কোটা আন্দোলন: হামলা-সংঘর্ষ-হত্যা নিয়ে যা বলছে জাতিসংঘ
রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল শুরু
গভীর রাতে বোরখা পরে পালিয়েছেন ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক
ইউজিসি কি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করতে পারে, প্রশ্ন ঢাবি অধ্যাপকের
রক্তপাত বন্ধের আহ্বান হৃদয়-শরিফুলের
স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রদলের ২ নেতাকে তুলে নেয়ার অভিযোগ
আজ গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল করবে আন্দোলনকারীরা
পবিত্র আশুরা আজ
দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা, শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ