সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪ | ২০ ফাল্গুন ১৪৩০
Dhaka Prokash

নৌপথে রোহিঙ্গাদের মালয়েশিয়া-ইন্দোনেশিয়া যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে

ফাইল ছবি

কক্সবাজারে আশ্রিত রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরগুলো থেকে নৌপথে মালয়েশিয়া-ইন্দোনেশিয়ার যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গাদের সংখ্যা বাড়ছে। আর এই অনিশ্চিত ঝুঁকিপূর্ণ নৌ-পথ পাড়ি দিতে তারা সঙ্গে নিচ্ছেন নিজেদের পরিবার ও শিশু সন্তানদের। ফলে রোহিঙ্গা শিশু ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের শরণার্থী শিবির ত্যাগের হারও বাড়ছে।

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সহায়তা প্রদানকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা দ্য আরাকান প্রোজেক্টের পরিচালক ক্রিস লিওয়া বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘কয়েক বছর আগে বাংলাদেশ থেকে নৌপথে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দুই দেশ ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার উদ্দেশে যখন নৌকাপথে যাত্রা শুরু হলো— সে সময় তরুণ পুরুষ যাত্রীদের হার বেশি ছিল।’

‘কিন্তু এখন রোহিঙ্গাদের মধ্যে স্ব-পরিবারে বাংলাদেশ ত্যাগের হার বাড়ছে। ফলে বিপজ্জনক এসব নৌযাত্রায় বাড়ছে রোহিঙ্গা শিশুদের হারও।’

সাধারণত অক্টোবরের শেষ দিক থেকে টেকনাফ উপকূল থেকে যাত্রা শুরু করে রোহিঙ্গা যাত্রীবাহী নৌকাগুলো, মার্চ পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে। মার্চের পর থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সমুদ্রের অশান্তভাব, ঝড়-বৃষ্টির কারণে বন্ধ থাকে নৌযাত্রা।

ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশের প্রশাসনসূত্রে জানা গেছে, চলতি নভেম্বরে মোট ৩৬০ জন রোহিঙ্গা শিশু, ২৯২ জন নারী এবং ২৩৮ জন পুরুষ বাংলাদেশ থেকে নৌকায় প্রদেশটির বিভিন্ন সমুদ্রতীরে এসে পৌঁছেছেন।

রয়টার্সের অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাংলাদেশের টেকনাফ উপকূল থেকে অক্টোবরের শেষ থেকে এ পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার উদ্দেশে পাড়ি জমিয়েছে ৩৪ টি নৌকা। এসব নৌকার মোট ৩ হাজার ৫৭২ জন যাত্রীর ২১ শতাংশই ছিল শিশু এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক। ২০২২ সালে এই হার ছিল ২৭ শতাংশ।

বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান রয়টার্সকে বলেছেন, রোহিঙ্গা শিশুদের শরণার্থী শিবির ত্যাগ করে নৌ পথে যাত্রার প্রবণতা সম্প্রতি শুরু হয়েছে। আগে এমন ছিল না।

‘এই প্রবণতা আগে ছিল না, সম্প্রতি শুরু হয়েছে এবং এর পেছনে যৌক্তিক কারণও রয়েছে। যখন একটি গোটা জাতি রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়ে; যখন তারা দেখতে পায় নিজেদের দেশে তাদের ফিরে যাওয়ার উপায় নেই এবং যে দেশে তারা আশ্রয় নিয়েছে— সেখানকার স্থায়ী নাগরিক তারা হতে পারবে না, তখন স্বাভাবিকভাবেই তারা তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বোধ করে।’

তিনি জানান, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের আলোচনা শুরু হলেও দীর্ঘদিন ধরে তাতে কোনো অগ্রগতি নেই।

‘তাদেরকে আরও বিপদে ফেলেছে জাতিসংঘের সহায়তা কাটছাঁট। বর্তমানে প্রত্যেক রোহিঙ্গাকে মাসে মাথাপিছু আট ডলার করে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, যা আগের তুলনায় তিন ভাগের এক ভাগ।’

‘এই টাকায় এমনকি প্রতিদিন একটি করে ডিম কেনাও তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। সামনে সহায়তা বৃদ্ধি কিংবা মিয়ানমার তাদের ফিরিয়ে নেবে এমন কোনো সম্ভাবনাও আপাতত দেখা যাচ্ছে না। এই অবস্থায় তারা আর কী করতে পারে,’ রয়টার্সকে বলেন মিজানুর রহমান।

রয়টার্স

‘ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতরা সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আসবেন’

ফাইল ছবি

সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির আওতায় আসছেন ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতরা। এক বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।

সোমবার (৪ মার্চ) চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিটি জেলায় ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অন্যান্যদের তালিকা প্রস্তুত করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছে।

বৈঠকে দেশব্যাপী সকল ইমাম ও পুরোহিতদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করার বিষয়েও আলোচনা হয়। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে পর্যটনের বিকাশ ঘটানোর ওপরে জোর দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ১৩টি জেলাকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করে ওইসব এলাকার পর্যটন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে বলে জানায়।

এ লক্ষ্যে প্রতিটি জেলায় একজন করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও একজন করে সহকারী কমিশনার নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তাদের নিজ নিজ জেলার মধ্যে পর্যটন প্রচার ও বিকাশের উদ্যোগ এবং কৌশল বাস্তবায়নের জন্য বিশেষভাবে দায়িত্ব দেওয়া হবে।

এছাড়াও বেসামরিক প্রশাসন, পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং জেলা প্রশাসকদের মধ্যে সহযোগিতার মাধ্যমে পর্যটন উন্নয়নের জন্য একটি বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করা হবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড সেবা চালু করবে মোবাইল অপারেটররা

ফাইল ছবি

ফোর-জিসহ উচ্চ গতির ফাইভ-জি প্রযুক্তিতে ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড চালু করবে মোবাইল অপারেটররা। প্রথমে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং পরে আবাসিক গ্রাহকেরা পাবেন এই সেবা। আগামী সপ্তাহেই অপারেটরদের লাইসেন্স দিতে পারে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

তবে আইএসপি ব্যবসায়ীরা বলছেন, মোবাইল অপারেটররা ব্রডব্যান্ড চালু করলে তারের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবাদানকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সম্প্রতি মোবাইল অপারেটরদের ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাকসেস বা তারবিহীন ব্রডব্যান্ড সেবা চালুর অনুমতি দিতে যাচ্ছে বিটিআরসি। এটি চালু হলে তারের ঝামেলা ছাড়াই উচ্চ গতির ফাইভ-জি ব্রডব্যান্ড সেবা পাবেন গ্রাহকেরা।

জানা গেছে, সিম ভিত্তিক রাউটার দিয়ে মোবাইল অপারেটররা ওয়াই-ফাই সেবা দিতে পারবে। শিগগিরই অপারেটরদের হাতে নতুন লাইসেন্স তুলে দেবে বিটিআরসি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসির স্পেক্ট্রাম ম্যানেজমেন্ট বিভাগের কমিশনার শেখ রিয়াজ আহমেদ বলেন, আমরা দেশীয় প্রতিষ্ঠানের তৈরি সিম বেজড ওয়াই-ফাই রাউটার দেখেছি। প্রতিষ্ঠানটির সবগুলো বিষয় কমপ্লাই করেছে। আশা করি অনুমোদন পেতে তাদের কোনও সমস্যা হবে না। তিনি বলেন, সিম বেজড রাউটার এলে তারহীন ওয়াই-ফাই সেবা পাওয়া যাবে। ব্যবহারকারী বাসা, অফিসের যেখানে থাকবেন সেখানেই রাউটার রেখে কাজ করতে পারবেন। ভালো অভিজ্ঞতা পাবেন।

এক প্রশ্নের জবাবে শেখ রিয়াজ আহমেদ বলেন, ফিক্সড ব্রডব্যান্ড ওয়াই-ফাই (আইএসপি) ও ফিক্সড ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড (মোবাইল ইন্টারনেট) মধ্যে সাংঘর্ষিক কিছু হবে না। দুটো দুই ধরনের সেবা। দুই ধরনের প্রতিষ্ঠান এটা দেবে। মোবাইল ফোন অপারেটররা আগে এই সেবা দিতে পারতো না। ইউনিক লাইসেন্সে (এক লাইসেন্সের অধীনে সব লাইসেন্স) এই সুযোগ দেওয়া আছে। ফলে মোবাইল অপারেটররা এই সেবা দিতে পারবে।

দেশে টিপিলিংক-সহ আরও কয়েকটি ব্র্যান্ডের সিম বেজড রাউটার রয়েছে। দেশীয় প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন সিম বেজড রাউটার তৈরির জন্য বিটিআরসির কাছে অনুমোদন চেয়েছে। অনুমোদন পেলে প্রতিষ্ঠানটি উৎপাদনে যাবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওয়ালটন ডিজিটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক লিয়াকত আলী ভুঁইয়া জানান, আমরা উৎপাদনকারী হিসেবে সিম বেজড ওয়াই-ফাই রাউটার তৈরি করার জন্য বিটিআরসিতে আবেদন করেছিলাম। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিটিআরসির ফ্যাক্টরি ভিজিট ছিল। যেসব বিষয় বিটিআরসির শর্ত ছিল আমরা সেসব কমপ্লাই করেছি। আশা করছি সিম বেজড ওফাই-ফাই রাউটার উৎপাদনের অনুমোদন পাবো। এটাই হবে দেশীয় সিম বেজড ওয়াই-ফাই রাউটার।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৭ মার্চ বিটিআরসি মোবাইল অপারেটরগুলোর কাছে ইউনিক লাইসেন্স হস্তান্তর করবে। ১৫ বছরের জন্য দেওয়া হবে এই লাইসেন্স। এই একটি লাইসেন্স নিলে অপারেটরগুলোকে আলাদা কোনও লাইসেন্স (টু-জি, থ্রি-জি, ফোর-জির জন্য আলাদা লাইসেন্স) নিতে হবে না। একটি লাইসেন্স নিলে সেই লাইসেন্স সব কিছু কাভার করবে। এমন কী ফাইভ-জি বা তার পরে আরও যেসব প্রযুক্তি সেবা আসবে তার কোনও আলাদা কোনও লাইসেন্স নিতে হবে না অপারেটরগুলোকে। সেই ইউনিক লাইসেন্স বা ইউনিফায়েড লাইসেন্সের গাইডলাইনে মোবাইল অপারেটরগুলোর জন্য এফডাব্লিউএ (ফিক্সড ওয়্যারলেস একসেস) সেবাদানের কথা উল্লেখ রয়েছে। ফলে মোবাইল অপারেটরগুলোও এই সেবা দিতে পারবে।

এ বিষয়ে মোবাইল ফোন অপারেটর রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম বলেন, আমরা নতুন লাইসেন্স হাতে পাই। লাইসেন্স পেলে আমরাও ধীরে ধীরে এই সেবা চালু (ফিক্সড ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড) করবো। এই সেবা এফডাব্লিউএ (ফিক্সড ওয়্যারলেস একসেস) সেবা হলো ফাইভ-জি অথবা ফোর-জি, এলটিই ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।

নতুন এই সেবা আইএসপিগুলোর (ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার) ব্রডব্যান্ড সেবার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা জানতে চাইলে দেশের ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবির সভাপতি এমদাদুল হক জানান, এ জায়গায় আমাদের আপত্তি আছে। ইউনিক লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের বারবার বলা হয়েছে, দেশীয় উদ্যোক্তাদের (আইএসপি ব্যবসায়ী) সুরক্ষা দেওয়া হবে। মোবাইল অপারেটররা যদি সিম বেজড রাউটারের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই সেবা দেয় তাহলে দেশীয় উদ্যোক্তাদের কীভাবে সুরক্ষা দেওয়া হলো? তিনি জানান, শিগগিরই সংগঠনের পক্ষ থেকে তারা টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির সঙ্গে বসবেন। বিষয়টির সুরাহা না হলে দেশীয় উদ্যোক্তারা ঝুঁকিতে পড়বেন।

মুড়িতে মাত্রাতিরিক্ত ফিটকিরি, জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী

মুড়িতে ফিটকিরি, ব্যবসায়ীকে জরিমানা। ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে এসময় মুড়ির মোড়কে মেয়াদ-মূল্য উল্লেখ না করা, আয়োডিন বিহীন ইন্ডাসট্রিয়াল লবণ ও মাত্রাতিরিক্ত ফিটকিরি ব্যবহার করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের কারণে সুশীল শংকর মদক নামে এক মুড়ি ব্যবসায়ীকে ২৫ হাজার জরিমানা করা হয়েছে।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার ও সংরক্ষণ অধিদফতরের আওতায় ভেজালরোধে তদারকিমূলক অভিযানে এই চালানো হয়েছে।

সোমবার (৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার নারান্দিয়ায় এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন- জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহাকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলম। অভিযানে সহায়তা করেন- টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিনিধি জেলা স্যানিটারী পরিদর্শক মো. আনোয়ারুর ইসলাম প্রমুখ।

অভিযান শেষে শিকদার শাহীনুর আলম বলেন, প্রস্তুতকৃত মুড়ির প্যাকেটের মোড়কে মেয়াদ-মূল্য উল্লেখ না করা, আয়োডিন বিহীন ইন্ডাসট্রিয়াল লবণ ও মাত্রাতিরিক্ত ফিটকারী ব্যবহার করা, নোংরা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে যত্রতত্রভাবে মুড়ি তৈরি করায় নারান্দিয়া এলাকায় ভেজালরোধে অভিযান চালিয়ে শিব শংকর মুড়ি মিলের এক মুড়ি ব্যবসায়ীকে ২৫ হাজার জরিমানা করা হয়েছে। এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ সংবাদ

‘ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতরা সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আসবেন’
ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড সেবা চালু করবে মোবাইল অপারেটররা
মুড়িতে মাত্রাতিরিক্ত ফিটকিরি, জরিমানা গুনলেন ব্যবসায়ী
এস আলম চিনি মিলে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১২ ইউনিট
শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে ছাত্রকে গুলি করলেন শিক্ষক
আঙ্গুর-খেজুর লাগবে কেন? বরই দিয়ে ইফতার করেন: শিল্পমন্ত্রী
বিএসএমএমইউয়ে নতুন ভিসি ডা. দীন মোহাম্মদ নূরুল হক
‘ইত্যাদি’র জন্য গান গাইলেন তাহসান-ফারিণ
জামিন পেলেন পিকে হালদারের বান্ধবী অবন্তিকা বড়াল
স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে সন্ত্রাসীর গুলিতে প্রাণ হারালেন অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীও
মুহূর্তেই যেকোনো গণিতের সমাধান করে দেবে অ্যাপ
হিন্দি সিনেমা এনেও তাজ হলে দর্শক নেই!
শিল্পী সমিতির বনভোজনে হাতাহাতি, ভিডিও ভাইরাল
গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্রের বালুতে খনিজ সম্পদের সন্ধান
৯৯৯-এ ফোন করে ধর্ষককে ধরিয়ে দিলেন মা
গোপনে দেশ ছাড়ার বিষয়ে মুখ খুললেন শাবনূর
ধানমন্ডির টুইন পিক টাওয়ারের ১২ রেস্তোরাঁ সিলগালা
মাওলানা লুৎফুর রহমানের দাফন সম্পন্ন
১০ মার্চ থেকে ৬০০ টাকা কেজিতে মিলবে গরুর মাংস
অপরিচিত মহিলাকে 'ডার্লিং' বলা যৌন হয়রানি: কলকাতা হাইকোর্ট