বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪ | ৪ আষাঢ় ১৪৩১
Dhaka Prokash

দেশের জনসংখ্যা এখন ১৬ কোটি ৯৮ লাখ

ছবি সংগৃহিত

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে জনশুমারির চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। দেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।

মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন। অনুষ্ঠানে মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন।

এর আগে প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংস্থাটি। পরে তৃতীয় পক্ষ হিসাবে যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন দেয় বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জনসংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন। তবে গত জুলাইয়ে বিবিএস প্রকাশিত পরিসংখ্যানে দেখানো হয়েছিল ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে পুরুষ- ৮ কোটি ৪১ লাখ ৩৪ হাজার ০০৩ জন আর নারী রয়েছে ৮ কোটি ৫৬ লাখ ৮৬ হাজার ৭৮৪ জন। দেশে ভাসমান জনসংখ্যা ২২ হাজার ১৮৫ জন।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দেশে ১১ বছরে সিটি করপোরেশন এলাকায় জনসংখ্যা বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। তার মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪ কোটি ৫৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫৮৬ জন রয়েছে।

জনসংখ্যার ঘনত্ব-

অনুষ্ঠানে বলা হয়েছে, গ্রামে বসবাস করেন মোট জনসংখ্যার ১১ কোটি ৬০ লাখ। আর শহরে বাস করেন ৫ কোটি ৩৭ লাখ। ২০১১ সালে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৯৭৬ জন বসবাস করেছেন। ২০২২ সালে এসে বসবাস করেছেন এক হাজার ১১৯ জন।

যারা কাজেও নাই, শিক্ষাতেও নাই এবং কোনো প্রকার প্রশিক্ষণের নাই এমন পরিসংখ্যানে দেখানো হয়েছে কাজে নিয়োজিত রয়েছে মোট জনসংখ্যার ৩৭.২১ শতাংশ, কাজ খুঁজছে ১.৬৫ শতাংশ, কাজ করে না ২৯.৩২ শতাংশ।

বাড়ি ঘর-

দেশে কাঁচা ঘর ৬৬.১৯ শতাংশ থেকে নেমে এসেছে ৫৮.৭৮ শতাংশে। আর পাকা ঘর ১১.৩২ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ২২.৪৬ শতাংশ বলে প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছে।

দেশে ২০০১ সালে জনসংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৪৩ লাখ ৫৫ হাজার ২৬৩ জন। আর ১৯৯১ সালে ছিল ১০ কোটি ৬৩ লাখ ১৪ হাজার। ১৯৮১ সালে ছিল আট কোটি ৭১ লাখ ১৯ হাজার। এ ছাড়া ১৯৭৪ সালে সাত কোটি ১৪ লাখ ৭৯ হাজার ৭১ জন জনসংখ্যা ছিল।

Header Ad

মূল্যস্ফীতির কারণে ঈদ ব্যাহত হয়েছে, বিএনপির এ তথ্য ঠিক নয় : কাদের

ছবি: সংগৃহীত

মূল্যস্ফীতির কারণে ঈদ ব্যাহত হয়েছে, বিএনপির এ তথ্য ঠিক নয় বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, মূল্যস্ফীতির মধ্য দিয়ে এক কোটি ৪০ লাখের বেশি কোরবানি হয়েছে। যা গতবারের তুলনায় বেশি।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, সমালোচনা করে বিএনপিসহ তাদের সমর্থকরা দেশটাকে শ্রীলঙ্কা বানিয়ে ফেলার চেষ্টা করেছে। মূল্যস্ফীতি আছে তবে এটা কমাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ঈদের দিনেও সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপির অপপ্রচার বন্ধ থাকেনি অভিযোগ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে কোনো বক্তব্যও দেওয়া হয়নি।

মিয়ানমারের বিষয়ে মির্জা ফখরুলকে চ্যালেঞ্জ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে কোথায় আঘাত হানা হচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীরা চলে গেছে জাহাজও সরে গেছে।

তিনি আরও বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা দিয়েছেন শেখ হাসিনা এবং দুদককেও স্বাধীন করেছেন তিনি। যতই প্রভাবশালী হোক দুর্নীতি করলে কারো ছাড় নেই।

 

দেশের অর্থনীতির কোমর ভেঙে ফেলা হয়েছে : রিজভী

ছবি: সংগৃহীত

বিভিন্ন অনিয়ম আর দূর্নীতি আর সরকারের ব্যর্থতার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির কোমর ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ব্যাপক বেকারত্ব, চরম মূল্যস্ফীতি, রিজার্ভের ভয়াবহ পতন, ডলার সংকট, বিপুল পরিমাণ খেলাপি ঋণ এবং ব্যাংকগুলো খালি হয়ে যাওয়া, জ্বালানি নিশ্চয়তা ছাড়া একের পর এক ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ, হাজার হাজার কোটি টাকার ভর্তুকির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির কোমর ভেঙে ফেলা হয়েছে।

রিজভী বলেন, ব্যক্তিগত আয় ও জীবনযাত্রার মান দিন দিন প্রকট হচ্ছে। দেশে আর্থিক খাত এখন সবচেয়ে বিপর্যস্ত ও নিরাপত্তাহীন। নৈতিকতাহীন, অপচয়, অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে ব্যাংক খাত এখন খাদের কিনারে। ভয়াবহ আর্থিক খাতের দুরবস্থা থেকে মানুষের চোখ সরানোর জন্য সরকার এখন নানা তামাশা ও চক্রান্তের আশ্রয় নিয়েছে।

এবারের ঈদে মানুষ নিরানন্দে দিন কাটিয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গরুর হাটে কেনাকাটা ছিল কম। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে খামারিরা গরু বিক্রি করতে না পেরে চরম দেনাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে, কারণ মানুষের হাতে টাকা নেই। তাই দখলদার সরকার জোর করে টিকে থাকার জন্য জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বেচতে শুরু করেছে।

ভারতীয় রেলওয়ে বোর্ড ভারতের সামরিক ও বেসামরিক পরিবহনের জন্য বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে রেললাইন নেটওয়ার্ক তৈরি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, এতে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের ‘ইন্টেলিজেন্স’ ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। দেশের জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের নতজানু সরকার যদি এই রেললাইন নেটওয়ার্ক বাস্তবায়ন করে তাতে স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্বকে ক্রমাগতভাবে মিলিয়ে দেওয়া হবে।

রিজভী দাবি করেন, মানুষের মতপ্রকাশ ও বাকস্বাধীনতা আরও বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে যাচ্ছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন অভিমত প্রকাশ করেছে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অধিকার গ্রুপগুলো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যে ধারাগুলো বাতিলের দাবি জানিয়েছিল, সেই ধারাগুলোই সাইবার নিরাপত্তা আইনের বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা বিধিমালায় মতপ্রকাশ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার হরণমূলক ধারা সংযোজিত হবে বলে উল্লেখ করেন বিএনপির সিনিয়র এ নেতা। তিনি বলেন, এটি বাস্তবায়িত হলে আওয়ামী ফ্যাসিবাদ চূড়ান্ত রূপ ধারণ করবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কফিনে ঢুকানোর পর এটাই হবে সর্বশেষ পেরেক।

দেশের খ্যাতিমান কবি অসীম সাহা আর নেই

ছবি: সংগৃহীত

মারা গেছেন দেশের খ্যাতিমান কবি অসীম সাহা। মঙ্গলবার (১৮ জুন) বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালেয় (বিএসএমএমইউ) শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন কবি, ছড়াকার ও শিশুসাহিত্যিক মালেক মাহমুদ। কবি অসীম সাহা পারকিনসন (হাতকাঁপা রোগ), কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।

১৯৪৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোনা জেলায় তার মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন অসীম সাহা। তার পৈতৃক নিবাস মাদারীপুর। তার বাবা অখিল বন্ধু সাহা ছিলেন অধ্যাপক।

অসীম সাহা ১৯৬৫ সালে মাধ্যমিক পাস করেন এবং ১৯৬৭ সালে মাদারীপুর নাজিমুদ্দিন মহাবিদ্যালয় থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। ১৯৬৯ সালে স্নাতক পাস করে তিনি ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৬৯ সালে অসহযোগ আন্দোলন এবং পরে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হলে তার স্নাতকোত্তর পরীক্ষা পিছিয়ে যায় এবং তিনি ১৯৭৩ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন অসীম সাহা। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।

 

সর্বশেষ সংবাদ

মূল্যস্ফীতির কারণে ঈদ ব্যাহত হয়েছে, বিএনপির এ তথ্য ঠিক নয় : কাদের
দেশের অর্থনীতির কোমর ভেঙে ফেলা হয়েছে : রিজভী
দেশের খ্যাতিমান কবি অসীম সাহা আর নেই
সালমান খানের বাড়িতে হামলার ঘটনায় এবার ইউটিউবার গ্রেপ্তার
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যে ১২ দল সরাসরি খেলবে
সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, ডুবছে নতুন নতুন এলাকা
কমানো হতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান ছুটি
ঈদের দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীতে চলছে পশু কোরবানি
ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ১০৪ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত আফগানরা
কোরবানীর গরু নিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না দোহার
অপু ছাগল আর বুবলী গরু কোরবানি দিয়েছেন
রাখাইনের বাসিন্দাদের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকা ছাড়ার আহ্বান আরাকান আর্মির
ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে নিহত ১০, বাংলাদেশিসহ জীবিত উদ্ধার ৫১
ঈদের দিনে ৭ জেলার সড়কে প্রাণ গেল ১২ জনের
ঈদের দিনে পর্যটকের দেখা নেই কক্সবাজারে
ভারী বৃষ্টিতে ডুবল সিলেট, কোরবানি দিতে পারেননি অনেকে
ঈদের দিনে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু
রাজধানীতে কসাইসের অভাবে কোরবানি আগামীকাল
নওগাঁয় বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে প্রাণ গেল কিশোরের
বিশ্বকাপের সুপার এইটে বাংলাদেশের ম্যাচের সূচি