শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১০ ফাল্গুন ১৪৩০
বেটা ভার্সন
Dhaka Prokash

‘ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে’ চলে যাচ্ছে শিশুরা

হঠাৎ করেই ডেঙ্গু ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে। আর তাতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়েছে শিশুরা। এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে যত সংখ্যাক লোক মারা গেছে তারমধ্যে ৩৫ শতাংশই শিশু। আক্রান্তদেরও ৩৮ শতাংশ শিশু। চিকিৎসকরা বলছেন, আক্রান্ত হওয়ার পর খুব অল্প সময়েই ডেঙ্গু ‘শক সিনড্রোম’-এ চলে যাচ্ছে শিশুরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডেঙ্গু শক সিনড্রোম হলে রোগীদের অনেকেই মারা যাচ্ছে। আগে যেমন ডেঙ্গুর একটা প্যাটার্ন ছিল। একটার পর একটা লক্ষণ বোঝা যেত এখন সেটা হয় না। এখন পুরো প্যাটার্নটাই পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখন দেখা যায় একদিন দুই দিনের জ্বরেই ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে চলে যায় রোগী এবং তাদের অনেকে মরণাপন্ন হয়ে পড়ে।

চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে যে গাইডলাইন থাকে সেটা অুনসরণ করে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে পর্যাপ্ত ইকুইপমেন্ট ও জনবলের সংকট থাকায় সেটা সম্ভব হচ্ছে না।

চিকিৎসকরা বলছেন, এখন দেখা যায় একদিনেই একটা শিশু খারাপ অবস্থার দিকে যাচ্ছে। যা হওয়ার কথা না তাই হচ্ছে। যখন জ্বর কমে আসে তখন থেকে ৫-৭ দিন পর্যন্ত যে সময় থাকে তখনো শিশুর শারিরীক অবস্থা খারাপ হতে পারে। তাই জ্বর যখন কমে আসবে তখনো সাবধানে থাকতে হবে যাতে ‘শক সিনড্রোম’ বা খারাপ সময় আসতে না পারে।

নেই সঠিক গাইডলাইন

ডেঙ্গু সম্পর্কে ডাক্তারদের ওরিয়েন্টেশন দেওয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে এবং একটা গাইডলাইনও তৈরি করেছে সরকার। কিন্তু সবার জন্যই একই গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিটি রোগীই আলাদা। কাজেই একটি ইন্ডিভিজুয়াল গাইডলাইন তৈরি করে বসে থাকলে সব রোগীকে ম্যানেজ করা যাবে না। একেক রোগীর একেক রকম প্রকাশ এবং তাদের ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রেও হয়ত কিছু ডিফিকাল্টি আসছে।

আরেকটা হচ্ছে প্রেডিকশন। চিকিৎসকরা ধরেই নিচ্ছেন এই কয়টা ব্যবস্থা নিলেই ডেঙ্গু থাকবে না। কিন্তু এটা বুঝতে হবে যে এটি কোনো সময় খারাপ হবে তার কোনো নির্দিষ্ট প্যাটার্ন নেই।

পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই, সংকট জনবলেরও

চিকিৎসকরা বলছেন, হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু ম্যানেজমেন্টের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও তেমন নেই। যেমন ঘণ্টায় ঘণ্টায় ব্লাড প্রেসার মাপা, রোগীকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা ইত্যাদি।

ডেঙ্গু রোগীকে অনেক সময় প্রেসার বাড়ানোর জন্য স্যালাইন দিতে হয়। ওই সময় হয়তো রোগী ভাল হয়। কিন্তু পরে রোগীর নানা সমস্যা তৈরি হয়। পরবর্তীতে পেটে বা ফুসফুসে পানি চলে আসে।

এবার মারাত্মক লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার আগেই আক্রান্ত শিশুদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। একারণেই ওই সময়টায় আইসিইউ প্রয়োজন হচ্ছে। কিন্তু আইসিইউ তো বাংলাদেশে অল্প কয়েকটা হাসপাতালে আছে। ফলে ওই ধরনের ম্যানেজমেন্টে পাচ্ছে না এবং আলটিমেটলি বাচ্চার অবস্থা খারাপ হয়ে যাচ্ছে।

সব ডেঙ্গু তো ক্রিটিকাল স্টেজে যাচ্ছে না। যে ডেঙ্গুগুলো ক্রিটিকাল স্টেজে যাচ্ছে তাদেরকে ম্যানেজ করার জন্য পর্যাপ্ত জনবল-হাসপাতাল-বেড স্বল্পতা রয়েছে বাংলাদেশে।

জানতে চাইলে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আব্দুল্লাহ আল-মামুন ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, এখন সবাই চিন্তিত প্লাটিলেট কাউন্ট নিয়ে। রক্ত দেওয়া বা এটা-সেটা সেগুলো। এই ব্যাপারটা ঠিক এমন না।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে যেটা হয় সেটা হলো প্লাজমা লিকেজ। মানে আমাদের রক্তনালী থেকে কিছু উপাদান বাইরে চলে যায় এবং শরীরের প্রেসার ধরে রাখার জন্য যেগুলো দরকার সেগুলো বাইরে চলে যায়। আল্টিমেটলি ব্লাড প্রেসার কমে যায় এবং প্রেসার স্বাভাবিকে ফেরত নিয়ে না আসতে পারলে শিশুর অবস্থা খারাপ হয়ে যায়।

ডা. আল মামুন বলেন, আরেকটি বিষয় হলো ডেঙ্গু ম্যানেজমেন্টের জন্য যে ধরনের হাসপাতাল বা যে ধরনের প্রিপারেশন দরকার যেমন ঘণ্টায় ঘণ্টায় ব্লাড প্রেসার মাপতে হবে। এখন কোনো পাবলিক হাসপাতালে ঘণ্টায় ঘণ্টায় ব্লাড প্রেসার মাপা যায়?

শুধুমাত্র আইসিইউ ছাড়া কোথাও ঘণ্টায় ঘণ্টায় ব্লাড প্রেসার মাপা, সার্বক্ষণিক যে জিনিসগুলো প্রয়োজন এগুলো আসলে সম্ভব না।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত মশাবাহিত এ রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে ৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর বলেছে, হাসপাতালে ভর্তির তিন দিনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪৮ জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তিন থেকে ছয় দিনের মধ্যে ১৮ জন, ছয় থেকে নয় দিনের মধ্যে ছয়জন এবং নয় থেকে ৩০ দিনের মধ্যে তিনজন মারা গেছে।

এ সময় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৩ হাজার ৫৯২ জন। আক্রান্তের দিক থেকে যা গত দুই বছরের চেয়ে বেশি।

সর্বশেষ রবিবার (১৬অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা গেছেন পাঁচ জন। একই সময়ে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৫৫ জন।

আরএ/

মহাসড়কের পাশে ১ দিনে সাড়ে ৩ হাজার স্থাপনা উচ্ছেদ

ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরের শ্রীপুরে জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন ও সড়ক জনপথ বিভাগ। আজ শুক্রবার সকাল নয়টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত চলে এই অভিযান।

মহাসড়কের এমসি, নয়নপুর ও জৈনাবাজর এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মহাসড়কের পাশে গড়ে উঠা বাজার, দোকানসহ প্রায় সাড়ের তিন হাজার স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। গুড়িয়ে দেওয়া হয় সকল অবৈধ স্থাপনা। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইএনও) শামীমা ইয়াসমীন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল মামুন ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো.সোহেল মিয়া।

জানা যায়, জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্নস্থানে হাজার হাজার অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। আজ সকাল নয়টা থেকে উপজেলার এমসি বাজার এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে উপজেলা প্রশাসন। পরে দুপুর আড়াইটায় জৈনাবাজার এলাকায় এসে শেষ হয় এই অভিযান। উচ্ছেদের খবর পেয়ে কেউ স্বেচ্ছায় তাদের মালামাল সরিয়ে নেয়। অনেকে দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায়। বন্ধ থাকা স্থাপনাগুলো গুড়িয়ে দেওয়া হয়। কিছু স্থায়ী স্থাপনাও ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো.সোহেল মিয়া বলেন, ‘জয়দেবপুর- ময়মনসিংহ মহাসড়কের শ্রীপুর অংশের ৩টি স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সব স্থানের অবৈধ বাজার উচ্ছেদ করা হয়। মহাসড়কের সকল অংশে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।’

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম ইয়ামিন বলেন, ‘সকাল থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্য উপজেলা প্রশাসনের কর্মচারীদের নিয়ে জয়দেবপুর- ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সড়কের পাশে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা প্রায় সাড়ে তিন হাজার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। পরে যাতে মহাসড়কে পাশে কোনো ধরনের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে সে জন্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।’

কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি : ঢাবি উপাচার্য

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেছেন, তিনদিন ধরে অনলাইন মাধ্যমে একদল প্রতারক চক্র ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের প্রতারিত করার চেষ্টা করছে। বাস্তবে কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি।

এই চক্রের মূল কাজ হলো আমাদের ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবক যারা এ সম্পর্কে জানেন না, তাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া। এজন্যই তারা প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়াচ্ছে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ঢাবি উপাচার্য বলেন, প্রতারক চক্রটি সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে টাকা হাতানোর চেষ্টা করছে। আপনাদের অনেক সাংবাদিকও তাদের সাথে কথা বলেছেন। সেই চক্রটি প্রশ্নের বিনিময়ে আপনাদের কাছ থেকেও অগ্রিম টাকা চাচ্ছে। এ পর্যন্ত এই চক্রের হাতে প্রতারিত হওয়ার কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি। আমরা সংবাদ মাধ্যমগুলোতে সবাইকে এই প্রতারক চক্র থেকে সতর্ক থাকার কথা জানিয়েছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথেও আমাদের কথা হয়েছে। আমরা আশা করি, খুব দ্রুত চক্রটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হবে।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের সমন্বয়ক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক জিয়া রহমান আমার সাথে এবং দুইজন উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার, পরীক্ষা উপদেষ্টা ও প্রক্টরিয়াল টিমের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। আমরা সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকছি যেন প্রতারক চক্রটি এবারের ভর্তি পরীক্ষাকে কোনোভাবেই প্রভাবিত করতে না পারে।

উপাচার্য বলেন, পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে। বেলা ১১টায় ঢাকাসহ দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে একযোগে পরীক্ষা হয়েছে। গতকাল রাত ও আজ সকালে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ভর্তি কমিটির সংশ্লিষ্টদের সাথে আমার কথা হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

উল্লেখ্য, আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ভর্তি পরীক্ষা কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ তথা ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষা শুরু হয়। বেলা ১১টায় পরীক্ষা শুরু হয়ে দুপুর সাড়ে ১২টায় শেষ হয়।

‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষায় দুই হাজার ৯৩৪টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে এক লাখ ২২ হাজার ২৭৯টি। সে হিসাবে প্রতিটি আসনের জন্য ৪২ জন শিক্ষার্থী লড়াই করছেন।

পরীক্ষায় সময় ছিল এক ঘণ্টা ৩০ মিনিট। এর মধ্যে ৬০ নম্বরের এমসিকিউ অংশের জন্য বরাদ্দ ছিল ৪৫ মিনিট। ৪০ মার্কের লিখিত অংশের জন্য বরাদ্দ ছিল ৪৫ মিনিট।

সৈয়দপুরের চেয়েও বড় রেল কারখানা হবে রাজবাড়ীতে: রেলমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

রেলপথ মন্ত্রী জিল্লুল হাকিম বলেছেন, ১০৫ একর জায়গা নিয়ে রাজবাড়ীতে আরেকটি রেল কারখানা করা হবে। যা সৈয়দপুর কারখানার চেয়েও বড়। এখানে সকল প্রকার মেরামত ও বগি তৈরির কারখানাও করা হবে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বেনাপোল এক্সপ্রেসে ঢাকা থেকে রাজবাড়ী এসে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, রেল হচ্ছে সবচেয়ে শস্তা পরিবহন। মালামাল পরিবহনেও রেলওয়ে বগি শস্তায় সার্ভিস দেয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেশের প্রতিটি জেলায় রেল সংযোগ দেওয়া হবে। এছাড়া দ্রুত সময়ের মধ্যেই ভাঙ্গা থেকে বরিশাল হয়ে পায়রা বন্দরে রেল যাবে। এজন্য রেলের কোচ ও ইঞ্জিন আমদানি করা হয়েছে। আরও কিছু আমদানি করা হবে।

এ সময় জেলা প্রশাসক আবু কায়সার খানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রেলওয়ে ও জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সংবাদ

মহাসড়কের পাশে ১ দিনে সাড়ে ৩ হাজার স্থাপনা উচ্ছেদ
কোনো প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেনি : ঢাবি উপাচার্য
সৈয়দপুরের চেয়েও বড় রেল কারখানা হবে রাজবাড়ীতে: রেলমন্ত্রী
মাহির ছবি প্রকাশ করে যা বললেন তার স্বামী
বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার: রাষ্ট্রপতি
গাজায় ক্ষুধা-অপুষ্টির নিষ্ঠুরতায় ভুগছে হাজার হাজার মানুষ: জাতিসংঘ
টাঙ্গাইলে ২০০ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর হাতে বিনামূল্যে বই বিতরণ
পাকিস্তানে নির্বাচনে কারচুপির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাবে পিটিআই
শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন ইলন মাস্ক
ভোটার টানতে কন্ডমের প্যাকেটে দলীয় প্রতীক ছাপিয়ে বাড়ি বাড়ি বিলি
ভালোবাসার মাসে মা হলেন মিথিলা, বাবা সৃজিত
মাকে শেষ বিদায় দিতে এসে সড়কেই প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসীর
আগামীতে পেঁয়াজ আমদানি করতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী
'সহায়তা অব্যাহত রাখবে বিশ্বব্যাংক'
ডিবিতে ৫০ মিনিট কি করলেন নিপুন
পুলিশ পদক পেলেন ৪০০ জন কর্মকর্তা
এক তরুণীকেই ১০০ বারের বেশি ধর্ষণ !
পুতিনকে কুকুরের বাচ্চা বলায় বাইডেনকে যা বললেন ক্রেমলিন
সাকিবকে নিয়ে দুঃসংবাদ দিলো বিসিবি
গাজায় আবাসিক বাড়িতে হামলা, নিহত কমপক্ষে ৪০ ফিলিস্তিনি