মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ২ বৈশাখ ১৪৩১
Dhaka Prokash

১০ ডিসেম্বর ঢাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে চায় বিএনপি

আগামী ১০ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকাকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চায় বিএনপি। সে লক্ষ্যে দেশজুড়ে চলছে বিএনপির প্রস্তুতি। তবে এই সমাবেশ বিএনপি একা করছে না। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক জামায়াতে ইসলামীসহ সব দলের নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে মহাসমাবেশ করবে বিএনপি।

বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের একাধিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে বিএনপি আগামী ৩ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের সবগুলো বিভাগীয় শহরে সমাবেশ শেষ করবে। ইতোমধ্যে ৪টি বিভাগীয় শহরে সমাবেশ শেষ করেছে দলটি। শনিবার (৫ নভেম্বর) বরিশাল বিভাগীয় শহরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এই সবগুলো সমাবেশেই বিএনপি ও এর অঙ্গসংঠনের নেতা-কর্মী ছাড়াও ২০ দলীয় জোটের শরিক দলের স্থানীয় পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা অংশ নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

বিএনপির নেতারা বলছেন, ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশকে সামনে রেখে সারা দেশে বিভাগীয় শহর ও বড় শহরগুলোতে সমাবেশ করে বিএনপি ঢাকার মহাসমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘আমরা ঢাকায় একটি সফল সমাবেশ করতে প্রস্তুতি নিচ্ছি। বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো আগামী ১০ ডিসেম্বর মহাসমাবেশকে সফল করতে মতবিনিময় শুরু করেছে। নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এই দুটি বিষয়কে মহাসমাবেশে প্রাধান্য দেওয়া হবে। আমরা গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্দোলনে আছি। তবে আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী যেভাবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের জন্য প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির সংস্কৃতি তৈরি করেছে তা থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে দেশ, জাতি, মানুষ ও রাজনীতির মঙ্গল হবে না। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনার জন্য সম্পূর্ণ দায়ভার তাদেরকেই নিতে হবে।’

বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১০ ডিসেম্বর মহাসমাবেশকে সফল করতে নানামুখী প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। ক্ষমতাসীন সরকারের পক্ষ থেকে নানান প্রতিবন্ধকতা আসবে ধরে নিয়েই সময় সুযোগ বিবেচনায় সারা দেশ থেকে নেতা-কর্মীদের ঢাকায় যথাসময়ে জড়ো হওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হচ্ছে। সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিতে ঢাকার আশপাশের জেলাগুলোর উপর বিশেষ জোর দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় নেতারা।

এদিকে একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকায় মহাসমাবেশ মূলত বিএনপির পক্ষ থেকে ডাকা হলেও সেই মহাসমাবেশে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ও সরকারবিরোধী সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা-কর্মী, সমর্থকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
সূত্র জানায়, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু কৌশলগত কারণে সেটি প্রকাশ করা হচ্ছে না।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, ‘ইতোমধ্যে আমাদের তিনটি সমাবেশ হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে ১০ ডিসেম্বর ঢাকার মহাসমাবেশে আমরা কয়েক লাখ মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিত করব। এই মহাসমাবেশ থেকে সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যেতে কর্মসূচি ঘোষণা করব।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির সমাবেশ হবে। বিভাগীয় সমাবেশে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে সরকার। তাই কিছুটা ভিন্ন কৌশলে অগ্রসর হতে হচ্ছে বলে সবকিছু আগে থেকে বলে দেওয়া ঠিক হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘১০ ডিসেম্বর জনগণ কার পক্ষে সেটা দেখার অপেক্ষায় দেশবাসী। তবে এই মহাসমাবেশে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিরোধ করা হবে।’

বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, ধীরে ধীরে নেতা-কর্মীদের ভয় কেটে যাচ্ছে। গ্রেপ্তার করেও দমন করা যাবে না। তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা জেগে উঠেছে। আঁধার কাটতে সম্ভবত খুব বেশি দেরি নাই। মানুষ এখন অধিকার আদায়ে বিদ্রোহ করতে চায়। তারা আমাদের বলে, এতদিন ধরে সরকার আছে আপনারা (বিএনপি) কী করছেন? সেজন্য বিএনপিও আগামী ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশে বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে সরকারকে চাপে রাখতে নিয়মতান্ত্রিক কিছু কর্মসূচিও হাতে নিবে। যাতে দাবি আদায়ে একটি ক্ষেত্র প্রস্তুত করা যায়। তবে কর্মসূচি যাই ঘোষণা হোক, ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে নিজ থেকে কোনো সংঘাতে জড়াবে না বিএনপি। কিন্তু বড় ধরনের কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হলে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঢাকার মহাসমাবেশ সফল করতে ঢাকা ও আশপাশের জেলাগুলোতে সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপিকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘আমরা এখন বিভাগীয় গণসমাবেশ নিয়ে ব্যস্ত। ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের সার্বিক বিষয়ে বিভাগীয় গণসমাবেশ শেষে দলীয় নীতিনির্ধারণী ফোরাম বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেবেন।’

এনএইচবি/এসজি

নাবিক সাব্বিরের মুক্তির খবরে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে বইছে খুশির বন্যা!

ছেলেকে ছাড়াই দুশ্চিন্তার মধ্য দিয়ে ঈদ উদযাপন করেছেন অপহৃত জাহাজের নাবিক সাব্বিরের বাবা হারুন অর রশিদের পরিবার। ঈদের দিনটি তাদের কাছে আনন্দের বদলে ছিল বিষাদময় একটি দিন। ছেলে কখন জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পাবে সে অপেক্ষায় ছিলেন পরিবারের সবাই। এদিকে ঈদের পরে নববর্ষের দিন (১৪ এপ্রিল) টিভিতে ছেলেসহ সবাই মুক্তি পেয়েছে এটা শুনে নববর্ষে তাদের পরিবারে ঈদের আন্দের ঢেউ বয়ে যায়।

তারপর ছেলে মোবাইল ফোনে কল দিয়ে জানায় সে ভালো আছে- আর চিন্তার কিছু নেই। তারপরও অপেক্ষায় আছেন, ছেলে কবে ঘরে ফিরে আসবে! আবেগে আপ্লুত হয়ে কথাগুলো বলছিলেন নাবিক সাব্বিরের বাবা হারুন অর রশীদ। নাবিক সাব্বিরের মুক্তির খবর শুনে তার পরিবারে খুশির বন্যা বইছে। ভর করেছে ঈদের আনন্দ।

নাবিক সাব্বির। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

 

সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্তি পাওয়া নাবিক সাব্বির হোসেনের বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের ডাঙা ধলাপাড়া গ্রামে। সেখানেই কথা হয় হারুন অর রশিদ ও তার পরিবারের অন্যদের সঙ্গে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নাগরপুরের সহবতপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৪ সালে থেকে এসএসসি পাস করেন মো. সাব্বির হোসেন। টাঙ্গাইল শহরের কাগমারি এমএম আলী কলেজ থেকে ২০১৬ সালে এইচএসএসসি পাস করে ভর্তি হন চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমিতে। সেখান থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে পাস করে ২০২২ সালের জুন মাসে এমভি আব্দুল্লাহ নামক পণ্যবাহী জাহাজে মার্চেন্ট কর্মকর্তা হিসেবে চাকুরি নেন।

সাব্বিরের মা সালেহা বেগম ঢাকাপ্রকাশকে জানান, সাব্বিবের সাথে মোবাইল ফোনে একটু সময় কথা হয়েছে। সে বলেছে- ‘মা চিন্তা করো না, আমরা মুক্তি পেয়েছি- সবাই ভালো আছি’। এ কথা শোনার পর যেন বুকের জগদ্দল পাথরটা সরে গিয়ে মনটা ভরে উঠল। ছেলের দুশ্চিন্তায় ঈদের দিন আনন্দ করতে পারেন নাই। দীর্ঘ একটা মাস কীভাবে যে কেটেছে তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছেন না।

নাবিক সাব্বির। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

 

পয়লা বৈশাখের দিন ছেলে যখন মোবাইলে ফোন করে বললো- ‘মুক্তি পেয়েছি ভালো আছি’ কথাটা শোনার পর থেকে তাদের পরিবারে ঈদের লহর বয়ে যাচ্ছে। ছেলেকে কাছে পেলে আনন্দটা আরও কয়েকগুণ বেড়ে যাবে বলে জানান তার মা।

বোন মিতু আক্তার জানান, ভাইয়ের জন্য দুশ্চিন্তায় এক মাস তাদের পরিবার বিষাদে কাটিয়েছে। বৈশাখের সকালে এক-দুই মিনিটের মতো ভাইয়ের সাথে তিনি ও বাবা-মা কথা বলেছেন। ভাই বলেছে ‘তারা সবাই ভালো আছে- সুস্থ আছে’। এ কথা শোনার পর তাদের খুব ভালো লাগছে- খুব খুশি লাগছে। তবে আনন্দটা আরও বেড়ে যাবে তার ভাই পরিবারের কাছে ফিরে এলে। তার ভাই সাব্বির কবে দেশে আসবে তা এখনও বলতে পারছেন না।

নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান জানান, এখনও সাব্বিরের পরিবারের সাথে তার কথা হয়নি।

উল্লেখ্য, এমভি আব্দুল্লাহ জাহাজটি গত ১২মার্চ ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবলে পড়ে। ওই জাহাজের ২৩ নাবিককে জিম্মি করা হয়। জাহাজটি কয়লা নিয়ে আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিকের মাপুতো বন্দর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল হারামিয়া বন্দরের দিকে যাচ্ছিল।

উপজেলা নির্বাচন: বিরামপুর ও ঘোড়াঘাটে ৩৫ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল

বিরামপুর ও ঘোড়াঘাটে ৩৫ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ১ম ধাপে আগামী ৮ মে অনুষ্ঠাতব্য দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলা পরিষদ ও ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের লক্ষ্যে সোমবার (১৫ এপ্রিল) এই দুই উপজেলার ৩৫ প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।

বিরামপুর উপজেলায় মনোনয়ন জমা দানকারী চেয়ারম্যান প্রার্থীগণ হলেন, জামায়াতের ইসলামীর দিনাজপুর জেলা নায়েবে আমীর ডক্টর এনামুল হক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক পারভেজ কবীর ও উপজেলা কৃষকলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান।

বিরামপুর ও ঘোড়াঘাটে ৩৫ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

 

ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীগণ হলেন- খোরশেদ আলম, আতাউর রহমান, আব্দুল হাই, মেজবাউল ইসলাম মণ্ডল, মোস্তফা কামাল ও সাহেদ আলী সরকার।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীগণ হলেন- উম্মে কুলছুম বানু, আমেনা বেগম, খাতিজা বেগম ইতি ও রেবেকা সুলতানা।

ঘোড়াঘাট উপজেলায় মনোনয়ন দাখিলকারী চেয়ারম্যান প্রার্থীগণ হলেন- রবিউল ইসলাম, কাজী শুভ রহমান চৌধুরী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, সারওয়ার হোসেন, তৌহিদুল ইসলাম সরকার।

ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন- মুক্তার হোসেন, সেলিম রেজা, ইফতেখার আহমেদ, মাহফুজার রহমান, আলমগীর হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, শহিদুল ইসলাম, আতিকুর রহমান ও শিবু কিসকু।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীগণ হলেন- মাজেদা বেগম, মর্জিনা বেগম, ফেরদৌসী বেগম, আফরিন সুলতানা, নারগিস খাতুন, রুসিনা সরেন, সবনম ও লাকী বেগম।

বিরামপুর উপজেলার নির্বাচন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জোবায়ের হোসেন জানান, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ১ম ধাপে আগামী ৮ মে অনুষ্ঠাতব্য বিরামপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে লক্ষ্যে সোমবার বিকেল ৫ ঘটিকা পর্যন্ত চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পুরুষ ও ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা মোট ১৩ জন মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।

নওগাঁয় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে

বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে করা মামলায় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নয় নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তারা সবাই হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহের আগাম জামিনে ছিলেন।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে আদালতে হাজির হয়ে আবার জামিন চাইলে তা নামঞ্জুর করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন নওগাঁর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ।

আসামিদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবু মাসুম বিষয়টি ঢাকাপ্রকাশকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আদালত তাঁদের সবাইকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। আমরা আবার জামিন চাইব।’

কারাগারে পাঠানো বিএনপির নেতাকর্মীরা হলেন- আত্রাই উপজেলা পাঁচুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নিয়ামত আলী বাবু, আত্রাই উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মো. আসাদুজ্জামান বুলেট, পাঁচুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য পারভেস, আয়নুল, আত্রাই উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পলাশ, আত্রাই উপজেলা বিএনপি নেতা আব্দুল আওয়াল, রায়হান, ওহাব ও লাবু।

বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

 

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২ নভেম্বর আত্রাই উপজেলায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শান্তি মিছিলের আয়োজন করে। মিছিলটি ভড়তেঁতুলিয়া আহসানগঞ্জ স্টেশন হইতে আত্রাই আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস সামনে সন্ধ্যা ৬ টার দিকে শান্তি মিছিল নিয়ে উপজেলার ভরতেঁতুলিয়া এলাকায় আমতলী সিএনজি স্ট্যান্ডে পৌঁছালে তাদের ওপর হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই দিন আত্রাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আক্কাস আলী প্রামাণিক বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১২ নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪০-৫০ জনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেন। এ মামলায় ওই নয়জন গত ২৮ফেব্রুয়ারি আট সপ্তাহের হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পান। জামিনের মেয়াদ শেষে আজ নওগাঁর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হয়ে মামলার এজহারভুক্ত বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নয় নেতা-কর্মী পুনরায় জামিনের আবেদন করেন।

আসামি পক্ষে জামিনের শুনানি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবু মাসুম। তবে জামিনের বিরোধিতা করেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি আবদুল খালেক। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আসামিদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

সর্বশেষ সংবাদ

নাবিক সাব্বিরের মুক্তির খবরে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে বইছে খুশির বন্যা!
উপজেলা নির্বাচন: বিরামপুর ও ঘোড়াঘাটে ৩৫ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল
নওগাঁয় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে
প্রথম ধাপে ১৫০ উপজেলায় ১৮৯১ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল
ইরানের হামলার পর কমলো তেলের দাম
হিলি স্থলবন্দরে টানা বন্ধের পর আমদানি-রপ্তানি শুরু
মুস্তাফিজের আইপিএলে খেলার ছুটি বাড়াল বিসিবি
নরসিংদীতে ইউপি সদস্যকে প্রকাশ্যে গুলি করে ও গলা কেটে হত্যা
৫৪ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ, তিন বিভাগে বৃষ্টির আভাস
‘একীভূত হচ্ছে পাঁচ ব্যাংক, বাকি সিদ্ধান্ত পরে’
ঢাকায় পৌঁছেছেন টাইগারদের নতুন কোচ নাথান কিয়েলি
বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ধ্বংস করার জন্য বিএনপির জন্ম: ওবায়দুল কাদের
গোবিন্দগঞ্জে অটোচালকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
চট্টগ্রামে ২টি বস্তিতে আগুন, পুড়ল ২০০ ঘর
পার্পল ক্যাপের লড়াইয়ে মুস্তাফিজের অবস্থান এখন কোথায়?
পাঁচ দিনের ছুটিতে পদ্মা সেতুতে ১৪ কোটি টাকা টোল আদায়
মধ্যপ্রাচ্য ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে: জাতিসংঘের মহাসচিব
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে বাংলাদেশের ১৬০ কেজি ওজনের পাঙ্গাস
প্রবাসী আয়ের শীর্ষে ঢাকা, তারপর চট্টগ্রাম সিলেট কুমিল্লা
প্রথমবারের মতো কান চলচ্চিত্র উৎসবে সৌদি আরবের সিনেমা