মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪ | ১১ আষাঢ় ১৪৩১
Dhaka Prokash

যে কারণে মাদক নিয়ন্ত্রণ অভিযান ব্যর্থ

বিশ্বে মাদক দ্রব্যের এবং চোরাচালানের উপর নানাবিধ আইন জারি করা হলেও, আদতে এর কোনোটাই এখনো নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি৷ এমনই এক তথ্য পাওয়া গেছে।

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বলছে, পুরোপুরি মাদক নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা তাদের নেই। অন্যদিকে, এ বিষয় নিয়ে সরকারের বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা বলছেন, দেশ থেকে পুরোপুরি মাদক নিয়ন্ত্রণে আমরা সফল হতে পারিনি। সুশীল সমাজ বলছে, অনেক দেশ মাদক নিয়ন্ত্রণে সফল হয়, আমরা কেন সফল হচ্ছি না?

গোয়েন্দা তথ্য বলছে, সারা দেশে অবাধে বেচাকেনা হচ্ছে মাদক। এটা এখন অনেকটা ‘ওপেন সিক্রেট’ তবে মোবাইলে এসব মাদক বিক্রি হচ্ছে বেশি। মাদককারবারিরা এখন প্রযুক্তিকে ব্যবহার করছে।

মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ২০১৮ সালের ৪ মে একযোগে দেশব্যাপী সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে। সেই অভিযানে র‌্যাব, পুলিশ ও কোস্ট গার্ডের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রায় ৪০০ মাদক কারবারি নিহত হন। গ্রেপ্তার হন দুই লক্ষাধিক মাদক। কিন্তু তারপরও বন্ধ করা যায়নি মাদক ব্যবসা। তথ্য বলছে, অনেক মাদক কারবারি জেল থেকে বের হয়ে আবারও নতুন করে মাদকের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা বলেছেন, সবাই সতর্ক না হলে পুরোপুরিভাবে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। মাদক নির্মূূূল হোক এবং সে লক্ষ্যে আমাদের বিশেষ বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে। তা ছাড়া, বিভিন্ন শহরে মাদকবিরোধী অভিযানের কিছুটা সফলতা আসছে।

তথ্য বলছে, প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাদকদ্রব্য দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হচ্ছে। সীমান্ত দিয়ে বেশির ভাগ ফেনসিডিল, মরফিন, ইডিগ্রা, হেরোইন, ম্যাগডন, সিগনেসার, রয়েলস্টার, এপ্রিয়র ব্লু, বিআরসহ বিভিন্ন নামের মাদকদ্রব্য প্রবশে করছে। মাদক সহজলভ্য হওয়ায় যুবসমাজ সহজেই নেশায় আসক্ত হচ্ছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তারা শুধু ঢাকা বিভাগেই সাড়ে তিন হাজার সন্দেহভাজন মাদক ব্যবসায়ীর একটি তালিকা করেছে। কর্মকর্তারা বলছেন, যাদের চিহ্নিত করে এই তালিকা করা হয়েছে, তাদের অনেকে গ্রেপ্তার হয়েছে, অনেকেই আবার পলাতক।

এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, মাদক ব্যবসায় গডফাদার এবং প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না মূলত সে কারণে অভিযানে কোন ফল পাওয়া যাচ্ছে না। দেখা গেছে তারা সমাজের উচুস্থানে বসবাস করে এজন্য হয়তো সরকারের বিভিন্ন বাহিনীর অভিযানে তেমনটা সফলতা আসছে না।

অভিযোগ আছে, কোথাও কোথাও প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও নানাভাবে মাদকের সঙ্গে জড়িত আছেন। এসব কারণে মাদকের বিরুদ্ধে জোরালো কোনো অভিযান দেখা যায় না।

অবশ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতারা সমাজের কেউকেটা হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে তেমন কিছু করা যায় না।

একাধিক গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে ইয়াবাসেবনকারীর সংখ্যা ৮০ লাখেরও বেশি। সম্প্রতি প্রকাশিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা সাময়িকীর এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মাদকাসক্তদের ৫৮ শতাংশেরও বেশি ইয়াবাসেবী।

জানতে চাইলে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে কাজ করছি। তবে মাদক নিয়ন্ত্রণে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মনুষদের এগিয়ে আসতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে র‌্যাব সর্বপ্রথম যুদ্ধ ঘোষণা করে।

জানতে চাইলে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) কর্নেল মো. কামরুল বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে র‌্যাব কাজ করছে। নতুন নতুন কৌশলে আমরা এসব দমনের জন্য বিশেষ ভুমিকায় কাজ করছি।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের জনসংযোগ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার কেএন রায় নিয়তি বলেন, আমাদের দেশে তো মাদক তৈরি হয় না। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের নিয়মিত অভিযান চলমান রয়েছে। সবচেয়ে ভয়াবহভাবে পাওয়া যায় ইয়াবা। যা মিয়ানমার থেকেই আসছে।

তিনি বলেন, এগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি। এর সঙ্গে কারা জড়িত, আশ্রয় বা প্রশ্রয়দাতা কারা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আশ্রয় বা প্রশ্রয়দাতা কারা সেটা নিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কাজ করে।

পুলিশ সদর দপ্তরের এক সহকারী মহাপরিদর্শক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পুলিশ সব সময় ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক নির্মূলে কাজ করছে। তবে পুরোপুরিভাবে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

জানতে চাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, আমরা বিভিন্ন সময় দেখেছি যারা মাদকের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয় তারা অধিকাংশ সময় তাদের গডফাদারদের নাম প্রকাশ করে না। যার করণে মাদকের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতারা আড়ালে থেকে যায়।

আপনারা মাদক ব্যবসায়ীদের একটি লিস্ট করেছেন সেটার প্রথমিক তদন্তে কী পেয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তদন্ত শেষে আমরা একটি ফাইনাল লিস্ট সংশ্লিষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে এবং দুদকে পাঠিয়েছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মোহাম্মদ শফিউল্লাহ বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর আমাদের কাছে যে লিস্ট দিয়েছে সেটা আপাতত আমরা প্রকাশ করতে পারছি না। খতিয়ে দেখতে হবে এখানে মাদকের সঙ্গে যুক্ত আছেন কারা।

কেএম/এমএমএ/

Header Ad

আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন পরীমণি

আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

মারধর, হত্যাচেষ্টা, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে আলোচিত অভিনেত্রী পরীমণির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মামলায় জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) সকালে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম সাইফুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান পরীমণি। শুনানি শেষে আদালত তার ১ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিনের আদেশ দেন।

এদিন সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হন পরীমণি। এসময় তিনি আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন। পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত (সুরভী) এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সম্প্রতি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পরীমণি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন। ১৮ এপ্রিল ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম সাইফুল ইসলামের আদালত দুই আসামিকে ২৫ জুন আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন।

২০২২ সালের ৬ জুলাই আদালতে মামলাটি করেন নাসির উদ্দিন। মামলার এজাহারে বলা হয়, পরীমণি ও তার সহযোগীরা অ্যালকোহলসেবী। সুযোগ বুঝে তারা বিভিন্ন নামীদামি ক্লাবে ঢুকে অ্যালকোহল পান করেন এবং পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন না। পরীমণি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করে হয়রানির ভয় দেখান। ২০২১ সালের ৯ জুন রাত ১২টার পর আসামিরা সাভারের বোট ক্লাবে ঢুকে দ্বিতীয়তলার ওয়াশরুম ব্যবহার করেন।

পরে তারা ক্লাবের ভেতরে বসে অ্যালকোহল পান করেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে এজাহারে। এতে বলা হয়েছে, বাদী ও তার সহযোগী শাহ শহিদুল আলম রাত সোয়া ১টার দিকে যখন ক্লাব ত্যাগ করছিলেন, তখন পরীমণি উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাদী নাসির উদ্দিনকে ডাক দেন এবং তাদের সঙ্গে কিছু সময় বসার অনুরোধ করেন।

একপর্যায়ে পরীমণি অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে নাসির উদ্দিনকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং একটি ব্লু লেবেল অ্যালকোহলের বোতল বিনামূল্যে পার্সেল দেওয়ার জন্য বাদীকে চাপ দেন। বাদী এতে রাজি না হওয়ায় পরীমণি বাদীকে গালমন্দ করেন। একপর্যায়ে পরীমণি বাদীর দিকে একটি সারভিং গ্লাস ছুড়ে মারেন এবং হাতে থাকা মোবাইল ফোনটিও ছুড়ে মারেন। এতে নাসির উদ্দিন মাথায় এবং বুকে আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরীমণি ও তার সহযোগীরা নাসির উদ্দিনকে মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন ও ভাঙচুর করেছেন।

উদ্বোধনের ছয় মাস না যেতেই রাম মন্দিরে ফাটল, ছাদ বেয়ে ঝরছে পানি

রাম মন্দির। ছবি: সংগৃহীত

শপথ নিতে না নিতেই একের পর এক ধাক্কা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। অটল সেতুর ফাটলের পর এবার ছাদ ফেটে অঝোরে পানি পড়ছে অযোধ্যার রামমন্দিরে! এখনও ছয় মাসও হয়নি রাম মন্দির উদ্বোধনের। এ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক ও সমালোচনার ঝড় বইছে ভারতে।

জানা গেছে, এবছরের প্রথম বৃষ্টিতেই ছাদ ফুটো হতে শুরু করেছে রাম মন্দিরে। যার ফলে মন্দিরের ভেতরে এবং আশপাশের কমপ্লেক্সে পানি জমেছে। ফলে মন্দিরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা দাঁড়িয়েছে প্রশ্নের মুখে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, বর্ষা মৌসুম শুরু হতে না হতেই রাম মন্দিরের ছাদ ফুটো হয়ে পানি ঝরতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে মন্দিরের ভেতরে এবং আশপাশের কমপ্লেক্সে পানি জমেছে।

চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি রাম মন্দির উদ্বোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মন্দিরটি তৈরির সময় কোনও ইস্পাত ব্যবহার করা হয়নি। ২ দশমিক ৭ একর জমির ওপর নির্মিত এ মন্দির তৈরিতে খরচ হয়েছে ১৮০০ কোটি ভারতীয় রুপি।

রাম মন্দিরের কাজ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। মন্দিরটির প্রধান পুরোহিত আচার্য সত্যেন্দ্র দাস বলেন, চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্রের নেতৃত্বে রাম মন্দির নির্মাণ কমিটি এখনও বিভিন্ন চেম্বারে কাজ করছে। যেখানে আরও দেবতাদের স্থাপন করা হবে। এই ইনস্টলেশনগুলো ২০২৫ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে৷

নতুন মন্দিরের ছাদ কেন ফুটো হলো তা খতিয়ে দেখে সমস্যার সমাধান করা উচিত বলে মন্তব্য করেন পুরোহিত আচার্য সত্যেন্দ্র দাস।

এদিকে ভারতের দীর্ঘতম সেতু অটল সেতুতেও ফাটল দেখা দিয়েছে। চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি সেতুটি উদ্বোধন করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। এর পাঁচ মাস যেতে না যেতেই সেতুটিতে ফাটল দেখা দিল। ১ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতুটি তৈরিতে খরচ হয়েছে ১৭ হাজার ৮৪০ কোটি রুপি।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি বড় আয়োজনের মাধ্যমে অটল সেতুর উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সমুদ্র সেতুটিই ভারতের দীর্ঘতম সমুদ্র সেতু। এর জন্য খরচ পড়েছিল প্রায় ১৭,৮৪০ কোটি টাকা। কিন্তু ৫ মাস যেতে না যেতেই সেই সেতুতে দেখা গেল ফাটল।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, মুক্তি পেলেন উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ

উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর অবশেষে ছাড়া পেয়েছেন উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর পর যুক্তরাজ্য তাকে ছেড়ে দিয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী, মার্কিন গুপ্তচরবৃত্তি আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ স্বীকার করলে তিনি মুক্তি পান। ৫২ বছর বয়সী অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় প্রতিরক্ষা তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়।

অ্যাসাঞ্জ গত পাঁচ বছর ব্রিটিশ কারাগারে কাটিয়েছেন, যেখান থেকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণের বিরুদ্ধে লড়াই করছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, অ্যাসাঞ্জকে আর যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কারাগারে থাকতে হবে না এবং যুক্তরাজ্যের কারাগারে কাটানো সময়কেই তার কারাবাসের সময় হিসেবে ধরা হবে।

বিচার বিভাগীয় এক চিঠিতে বলা হয়েছে, অ্যাসাঞ্জ অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যাবেন। সামাজিক যোগাযোগ প্লাটফর্ম এক্স এ দেওয়া এক পোস্টে উইকিলিকস জানিয়েছে, ১ হাজার ৯০১ দিন ছোট একটি সেলে বন্দি থাকার পর সোমবার বেলমার্শ কারাগার থেকে বের হন অ্যাসাঞ্জ। এরপর বিকেলে তিনি স্ট্যানস্টেড বিমানবন্দরে যান, যেখানে তিনি একটি উড়োজাহাজে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে যুক্তরাজ্য ত্যাগ করেন।

উইকিলিকসের অনলাইনে শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, জিন্স প্যান্ট ও নীল শার্ট পরিহিত অ্যাসাঞ্জকে বিমানে ওঠার আগে স্ট্যানস্টেডে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অ্যাসাঞ্জের স্ত্রী স্টেলা অ্যাসাঞ্জ এক এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে অ্যাসাঞ্জের জন্য দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলনকারীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

যে চুক্তি অনুযায়ী অ্যাসাঞ্জ ছাড়া পেলেন, সেটি আগামী ২৬ জুন বুধবার উত্তর মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের একটি আদালতে চূড়ান্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় এই দ্বীপপুঞ্জ অস্ট্রেলিয়ার কাছেই।

গত এপ্রিলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছিলেন, অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের জন্য অস্ট্রেলিয়ার অনুরোধ বিবেচনা করছেন তিনি। পরের মাসে, যুক্তরাজ্যের উচ্চ আদালত রায় দিয়েছিল যে অ্যাসাঞ্জ যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণের বিরুদ্ধে একটি নতুন আপিল আনতে পারেন।

২০১০ সালে অ্যাসাঞ্জের প্রতিষ্ঠিত উইকিলিকস ওয়েবসাইটটি মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টার থেকে তোলা একটি ভিডিও প্রকাশ করে যাতে দেখা যায় বাগদাদে রয়টার্সের দুই সাংবাদিকসহ এক ডজনেরও বেশি ইরাকি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

অ্যাসাঞ্জের অন্যতম পরিচিত সহযোগী, মার্কিন সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা বিশ্লেষক চেলসি ম্যানিংকে ৩৫ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে ২০১৭ সালে তার সাজা কমানো হয়।

সর্বশেষ সংবাদ

আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন পরীমণি
উদ্বোধনের ছয় মাস না যেতেই রাম মন্দিরে ফাটল, ছাদ বেয়ে ঝরছে পানি
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি, মুক্তি পেলেন উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ
বাংলাদেশকে হারিয়ে সেমিতে আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়ার বিদায়
মারা গেলেন দেশের শীর্ষ করদাতা ব্যবসায়ী কাউছ মিয়া
পিস্তল দেখিয়ে হুমকি, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাকিরের বিরুদ্ধে থানায় জিডি
কোপা আমেরিকায় প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেল ব্রাজিল
হজে গিয়ে ৪৭ বাংলাদেশির মৃত্যু, দেশে ফিরেছেন ১৪ হাজার ৮১৬ হাজি
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে ভারত
টাঙ্গাইলে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ হারালেন মোটরসাইকেল আরোহী
সেমিতে যেতে বাংলাদেশের লক্ষ্য ১১৬ রান
রুনা লায়লার সংগীত জীবনের ৬০ বছর পূর্ণ
কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন আলোচিত পাপিয়া
ভোরে শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হচ্ছে টিম টাইগার্স
আত্রাই বিলসুতি বিলে জব্দ করা ১৫ লক্ষ টাকার জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস
আছাদুজ্জামান মিয়ার তথ্য ফাঁসের অভিযোগে এডিসি জিসানুল বরখাস্ত
ভারতীয় বোর্ডকে শর্ত দিয়েছেন গম্ভীর, কোচ হলে ছাঁটাই হতে পারেন কোহলি-রোহিতরা
টাঙ্গাইলে ২০০ বস্তা চাল উদ্ধার, এক ব্যবসায়ীসহ ২ জন আটক
টাঙ্গাইলে কমতে শুরু করছে যমুনার পানি
১০ মাসে ১৩০ মিলিয়ন ডলার নিয়ে গেছে বিদেশিরা: সংসদে অর্থমন্ত্রী