সোমবার, ২৭ মে ২০২৪ | ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
Dhaka Prokash

অবশেষে বিচ্ছেদ হলো মাহির

ফাইল ছবি

নানা আলোচনা-সমালোচনা শেষে অবশেষে রকিব সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদ হয়েছে ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির। এক সাক্ষাৎকারে নায়িকা জানালেন, স্বামীর সঙ্গে কাগজ-কলমে বিচ্ছেদ হয়েছে তার।

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাহি বলেন, আমরা দুজনেই চেষ্টা করেছি। যখন দেখেছি চেষ্টা করেও লাভ হচ্ছে না, তখন আসলে চেষ্টাটা ছেড়ে দিয়েছি। একসঙ্গে থেকে তিক্ত হওয়ার চেয়ে বন্ধুত্বটা থাকা ভালো।

যেহেতু ও ফারিশের বাবা এবং এখনো ওর সঙ্গে আমার কথা হয় নিয়মিত, যোগাযোগ আছে। ফারিশকে নিয়ে কথা হয়, ফারিশের কী প্রয়োজন এবং ও খুব যত্নবান একজন মানুষ। ওর সঙ্গে আমার সম্পর্ক নেই, কিন্তু ও ফারিশের ব্যাপারে এতটা কেয়ারিং, আমার মনে হয় পৃথিবীতে এমন বাবা পাওয়াটা খুব টাফ।

গেল ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে হঠাৎ ফেসবুক লাইভে এসে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছিলেন মাহি। সে সময় তিনি জানিয়েছিলেন, অনেক দিন থেকেই তারা আলাদা থাকছেন। আর খুব শিগগিরই (রকিব সরকার ও মাহি) বিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিকতাও সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছিলেন এ অভিনেত্রী।

সে সময় মাহি বলেছিলেন, আমরা দুজন মিলেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যা রয়েছে। তবে রকিব খুব ভালো মানুষ। তাকে আমি সম্মান করি। অনেক কেয়ারিং সে। খুব দ্রুতই আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদে যাচ্ছি। কবে আর কীভাবে হবে সেটাও দুজন মিলেই ঠিক করব।’

এরপর তিনি বলেছিলেন, আপনারা আমার ছেলে ফারিশের জন্য দোয়া করবেন। যেন ওকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারি।

রকিবের বিভিন্ন স্ট্যাটাসের জবাবও দেন অগ্নিকন্যা’খ্যাত এই অভিনেত্রী। বলেন, ‘ও স্ট্যাটাস দিয়েছে, মানুষ এটা নিয়ে আমাকে খোঁচাখুঁচি করেছে। আমার কাছে মনে হয়েছে, ওর মাথা একটু গরম আছে। রাগের মাথায় অনেক কিছু বলে ফেলে, লিখে ফেলে।

কিন্তু যে মানুষটা আমার জন্য এত কিছু করেছে। তাকে নিয়ে একটা নেতিবাচক কথা বললেও আমি নিজেই আয়নার সামনে দাঁড়াতে পারব না’

এদিকে বিচ্ছেদ ঘোষণার পর মাহি জানান, এখন থেকে নিয়মিত অভিনয়ে পাওয়া যাবে তাকে। সে কথাই রাখতে যাচ্ছেন তিনি। ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছেন এই চিত্রনায়িকা। তবে ঈদের পর নায়িকা পুরোপুরি ব্যস্ত থাকবেন শুটিংয়ে- এমনটাই জানান মাহিয়া মাহি।

Header Ad

ইরান সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান

সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মোখবারের সঙ্গে কথা বলেছেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। এ সময় দুই নেতা পরস্পরকে নিজ দেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। ইরান সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে মোহাম্মদ বিন সালমান ও মোখবারের মধ্যে ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্টকে টেলিফোন করে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুতে সমবেদনা জানিয়েছেন।

কথোপকথনের সময়, দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ইরানি হজযাত্রীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য বিন সালমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বিন সালমানকে তেহরান সফরের আমন্ত্রণ জানান।

বিন সালমান সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্টকেও রিয়াদ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, গত দুই দশকের মধ্যে এই প্রথম সৌদি রাজপরিবারের কোনো সদস্যের তেহরান সফর হতে যাচ্ছে, যা কয়েক বছরের টানাপোড়েনের পর ইতিবাচক কূটনৈতিক সম্পর্কের দিকে আরেক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

২০১৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে সৌদি-ইরান তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। সৌদি সরকার রাষ্ট্রদ্রোহিতার দায়ে শিয়া সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতা নিমর আল-নিমরের শিরোচ্ছেদ করলে ইরানে বড় আকারে বিক্ষোভ দেখা দেয়। তেহরানে অবস্থিত সৌদি দূতাবাসে বিক্ষোভকারীরা আগুন ধরিয়ে দিলে দুই দেশের সম্পর্কে তলানিতে ঠেকে। গত বছর থেকে এ সম্পর্ক ফের স্বাভাবিক হয়।

‘ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত সাড়ে ৩৭ লাখ মানুষ, বিধ্বস্ত ৩৫ হাজার ঘরবাড়ি’

ছবি: সংগৃহীত

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে দেশের ১৯টি জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় ৩৫ হাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে এবং এক লাখ ১৪ হাজার ৯০০ ঘরবাড়ির আংশিক ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ১০ জন এবং ৩৭ লাখ ৫৮ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিবুর রহমান।

সোমবার (২৭ মে) সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে খুলনা, সাতক্ষীরা ও পটুয়াখালী জেলাসহ উপকূলীয় ১৯ জেলার ১০৭ উপজেলায় ৯১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সরকারের প্রস্তুতির কারণে বড় ক্ষয়ক্ষতি হয় নেই। ঘূর্ণিঝড়ে এ পর্যন্ত ১০ জনের প্রাণহানি হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার জন্য ৬ কোটি ৮৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি জেলায় জিআর হিসেবে ৩ কোটি ৮৫ লাখ নগদ টাকা, পাঁচ হাজার পাঁচশ মেট্রিক টন চাল ও পাঁচ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শিশুখাদ্য কেনার জন্য ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা সহযোগিতা করা হয়েছে। এসব সহযোগিতা ক্ষতিগ্রস্তদের মোবাইল অ্যাকাউন্টে যাবে।

মহিবুর রহমান আরও জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ৯ হাজার ৪২৪টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে বা স্থায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৮ লাখ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার (২৮ মে) পর্যন্ত সারাদেশেই বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া থাকবে। এদিন বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে ক্রমান্বয়ে সিলেট দিয়ে বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া বয়ে যাবে।

ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডব: বিদ্যুৎহীন উপকূলের দেড় ১ কোটি পরিবার

ছবি: সংগৃহীত

ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে দেশের উপকূলীয় জেলাগুলোর প্রায় দেড় কোটি গ্রাহকের সংযোগ বন্ধ রেখেছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। ফলে অনেক এলাকা ১৬ থেকে ১৭ ঘণ্টা যাবত বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে। ঝড় পুরোপুরি থেমে গেলে বিদ্যুৎ সংযোগ ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে অপেক্ষায় আছেন পল্লীবিদ্যুতের কর্মীরা।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) পরিচালক (কারিগরি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে দুর্ঘটনা এড়াতে সোমবার (২৭ মে) দুপুর ১২টা পর্যন্ত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ১ কোটি ৫৫ লাখ গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডব কমে যাওয়ার পর দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করে দিতে আমাদের কর্মীরা প্রস্তুত রয়েছেন। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে এলাকায় অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তবে এর পরিমাণ এখনো জানা যায়নি।

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চিফ ইঞ্জিনিয়ার (প্ল্যানিং অ্যান্ড অপারেশন) বিশ্বনাথ শিকদার বলেন, উপকূলীয় জেলাগুলোতে প্রচণ্ড ঝড় বয়ে যাওয়ায় সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ভোলা, পটুয়াখালী ও বরিশাল জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অধিকাংশ গ্রাহকের সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। আরও কয়েকটি জেলায় আংশিকভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে হয়তো দেড় কোটি গ্রাহক এখন বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় আছেন।

পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তারা বলছেন, উপকূলীয় কয়েকটি জেলার সাগর তীরবর্তী উপজেলাগুলো স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উচ্চতার জোয়ারে তলিয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের লাইন চালু থাকলে জানমালের ক্ষতি হতে পারে। আবার বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রগুলো পানির নিচে তলিয়ে গেলে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হতে পারে, যা মেরামত করতে অন্তত ৭ দিন সময় লাগবে। এসব দিক বিবেচনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ

ইরান সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান
‘ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত সাড়ে ৩৭ লাখ মানুষ, বিধ্বস্ত ৩৫ হাজার ঘরবাড়ি’
ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডব: বিদ্যুৎহীন উপকূলের দেড় ১ কোটি পরিবার
কুমিল্লায় ভবন ধসে শ্রেণিকক্ষেই প্রাণ গেল শিক্ষার্থীর
হেরে গেলেন নিপুণ, শিল্পী সমিতির সম্পাদক পদ ফিরে পেলেন ডিপজল
পাপুয়া নিউ গিনিতে ভূমিধস: জীবিত সমাহিত দুই হাজারেরও বেশি মানুষ
বিএনপি সহযোগিতার নামে ফটোশেসন করে: ওবায়দুল কাদের
ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে ১৯ উপজেলায় নির্বাচন স্থগিত
ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডব: নিহত বেড়ে ১০
গোবিন্দগঞ্জে ৮ হাজার ৮৮৪ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
‘রেমালের কেন্দ্রভাগ বিকেলের মধ্যে ঢাকায় ঢুকবে’
ইরানের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন আহমাদিনেজাদ
ঢাকায় রেমালের প্রভাব, দমকা বাতাসের সঙ্গে ঝরছে বৃষ্টি
টাঙ্গাইলে ৪ লাখ ৯৩ হাজার শিশুকে খাওয়ানো হবে ‘ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল’
যুক্তরাষ্ট্রে টর্নেডোর তাণ্ডব, ১৫ জনের মৃত্যু
ঘূর্ণিঝড় রেমালে দেশের বিভিন্ন জেলায় ৬ জনের মৃত্যু
বিভিন্ন খালে জাল ফেলে এখনও মেলেনি এমপি আনারের লাশ
ভয়াবহ ইসরাইলি হামলা, গাজায় নারী-শিশুসহ নিহত ৩৫
৪৫ হাজার হজযাত্রী সৌদি পৌঁছেছেন, ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু
উপকূল অতিক্রম করে দুর্বল হচ্ছে ‘রেমাল’